Showing posts with label Adobe Photoshop. Show all posts
Showing posts with label Adobe Photoshop. Show all posts

Thursday, July 26, 2018

Adobe Photoshop CC 2018 Download

Adobe Photoshop CC 2018 Download

Adobe Photoshop CC 2018 এর v19 বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এটি একটি সুপরিচিত photo processing software যা দিয়ে বিভিন্ন এডিট, ডিজাইন ও চমৎকার গ্রাফিক্স তৈরি করা হয়। বিভিন্ন websites and Magazine এ এদের দারুনভাবে ব্যাবহার করা হচ্ছে।
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop CC 2018 v19 এর সাথে আপনি আপনার ছবিগুলিতে ক্রমবর্ধমান বিচ্যুতি, vignetting এবং লেন্স বিকৃতি ইত্যাদি মুছে ফেলার মতো কিছু দ্রুত সংশোধন করতে পারেন।
Adobe Photoshop CC 2018 v19 তে পেশাদারদের জন্য এবং নতুনদের জন্যও উন্নত করা হয়েছে। Digital imaging  সম্পন্ন করার জন্য এই সফ্টওয়্যারটি উন্নত এবং জটিল সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।

Photoshop CC 2018  এ নতুন কী আছে:

চোখের সাথে সমন্বয়ের নতুন ক্ষমতা ।
নতুন ডিজাইন  ইন্টিগ্রেশন ।
প্রিসেটগুলি দ্রুত এবং সহজে অ্যাক্সেসেবল ।
নতুন সৃজনশীল ক্লাউড ক্ষমতা ।
নতুন টেমপ্লেট, 3D ওব্জেক্ত, ইত্যাদি ।
ভাল কিছু নতুন সামগ্রিক পারফরম্যান্স ।
নতুন টাইপ কিট মার্কেটপ্লেস (ফন্ট) ।
SVG ফন্টের জন্য নতুন সমর্থন ।
অ্যাডোভ স্টক টেমপ্লেট এর নতুন সমর্থন  ।
ফটোশপ টুলস অ্যাক্সেস করার নতুন উপায় ।
অন্যান্য ত্রুটি সমাধান এবং উন্নতিগুলি ।

Photoshop CC 2018 v19 এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য:

টেমপ্লেট অ্যাক্সেস, সরঞ্জাম, এবং নতুন বেবস্থাপনা।
সব গ্রাফিক্স ফাইল ফরম্যাটের সমর্থন।
অন্তর্নির্মিত ওয়েবের জন্য টেমপ্লেট, এবং আরো কিছু ।
সবকিছু সিঙ্ক করতে পারবেন (ডেস্কটপ এবং মোবাইল) ।
উচ্চ মানের ছবি, ভিডিও, 3D ওব্জেক্ত ।
ব্রাশ, রঙ, শৈলী, এবং আরও অনেক কিছু।

Photoshop v19 CC 2018 এর জন্য সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা:

অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোজ 7/8 / 8.1 / 10
মেমরি (RAM): 2 গিগাবাইট RAM প্রয়োজন।
হার্ড ডিস্ক স্পেস: ২ জিবি ফ্রি স্পেস প্রয়োজন।
প্রসেসর: ইন্টেল ডুয়েল কোর প্রসেসর বা এর বেশি।

Password :www.p30download.com

Download Adobe Photoshop CC 2018 Free for windows 32-bit

Download Adobe Photoshop CC 2018 Free for windows 64-bit



Download Adobe Photoshop CC 2018 Activator

How to Install or Activate
ধাপ ১. প্রথমে দেখানো ফাইলটি Extract করুন এবং password এর জায়গায় উল্লেখ্য password টি দিন। 
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
ধাপ ২. এখন পিটিসি (প্যাচ) ফাইলটি ডাউনলোড করুন এবং এখানে প্রবেশ করান তারপর আগের পাসওয়ার্ডটি লিখুন।  
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
ধাপ ৩. Open > Local C Drive > Program Files > Adobe Folder then open Adobe Photoshop CC 2018 free.
Adobe Photoshop cc 2018 Free, Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop cc 2018 Free, Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
ধাপ ৪.Now Open amtlib.dll in Adobe Photoshop CC 2018 folder which appears at the bottom line and click open.Adobe Photoshop cc 2018 Free, Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop cc 2018 Free, Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
ব্যাস কাজ শেষ। এবার শুধু দেখে নেওয়ার পালা যে কতটুকু কাজ হয়েছে। 
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
Adobe Photoshop, Adobe Photoshop CC, Adobe Photoshop CC 2018, Adobe Photoshop CC 2018 v19, Adobe Photoshop CC 2018 v19 Full Crack Version, Adobe Photoshop CC 2018 v19 + Crack Full Version (x86-x64),
ধন্যবাদ সবাইকে,আজকে এই পর্যন্ত আগামী টিউনে আবার দেখা হবে।

Friday, June 15, 2018

গ্রাফিক ডিজাইনে ফটোশপ-ইলাষ্ট্রেটর দুটি প্রয়োজন হয় কেন

গ্রাফিক ডিজাইনে ফটোশপ-ইলাষ্ট্রেটর দুটি প্রয়োজন হয় কেন

গ্রাফিক ডিজাইনে যারা নতুন কিংবা শিখতে আগ্রহি তারা অনেক সময়ই বিভ্রান্তিতে পড়েন সফটঅয়্যার নিয়ে। ফটোশপ শিখবেন নাকি ইলাষ্ট্রেটর শিখবেন এই সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্যই এই পোষ্ট।
 
বিষয়টিকে যদি যুক্তি দিয়ে দেখেন তাহলে হতে পারে এমন, ফটোশপ এবং ইলাষ্ট্রেটর দুটি সফটঅয়্যারই এডবির তৈরী। যদি একটি দিয়ে কাজ চলত তাহলে দুটি পৃথক সফটঅয়্যার প্রয়োজন হত না। এই যুক্তিতে দুটিই প্রয়োজন।
কোন সফটঅয়্যারের বৈশিষ্ট কি, সিমাবদ্ধতা কি একবার দেখে নেয়া যাক।
ফটোশপট কাজ করে বিটম্যাপ ইমেজ নিয়ে। ক্যামেরায় উঠানো ছবি, স্ক্যান করা ছবি অথবা ডিজিজাল রং (জলরং, তেলরং, প্যাষ্টেল বা অন্য কিছু) দিয়ে আকা ছবি সবই বিটম্যাপ। সাধারনভাবে জেপেগ, জিফ, টিফ, বিএমপি, পিএনজি ইত্যাদি যে ইমেজ ফাইল এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয় সেগুলি বিটম্যাপ।
বিটম্যাপ ইমেজ তৈরী হয় ছোট ছোট ডট বা বিন্দু বা পিক্সেল দিয়ে। একেটি পিক্সেলের একেকটি রং থাকতে পারে। এগুলি একসাথে হওয়ার পর সম্মিলিতভাবে ইমেজ তৈরী হয়। সেকারনে লক্ষ লক্ষ রং ব্যবহার করা সম্ভব। এবং আমরা জানি এর মান খুব ভাল হতে পারে। ফটোগ্রাফ এর উদাহরন।
ডটের সংখ্যা যত বেশি বা ডটগুলি যত ঘন ছবির মান তত ভাল। খবরের কাগজের ছবিতে ডটের পরিমান কম থাকে ফলে ডটগুলি দেখা যায়, উচুমানের পত্রিকায় ডটগুলি দেখা যায় না।
বিটম্যাপের সমস্যা হচ্ছে নির্দিস্ট ছবির জন্য ডটগুলি নির্দিষ্ট। কোন ছবিকে বড় করলে ডটের সংখ্যা বাড়ানো যায় কিন্তু এরফলে ছবির মান ঠিক থাকে না।
মনে করুন একটি লাল এবং একটি হলুদ ডট পাশাপাশি রয়েছে। কোন কারনে একে বড় করে তিনটি ডটে পরিনত করলেন। ছবির মান ঠিক রাখার জন্য মাঝের ডটটির রং হওয়া উচিত লাল এবং হরুদের মাঝামাঝি (কমলা)। সফটঅয়্যার সেকাজ কিছুটা করলেও নিখুতভাবে করা যায় না। ফলে ছবি ডটগুলি দেখা যায়। সহজ কথায় ছোট ছবিকে বড় করলে মান নষ্ট হয়।
টেক্সট বা রেখার ক্ষেত্রে সমস্যাটি আরো বেশি। লেখার ধারগুলি ভাঙা মনে হয়।
কাজেই বিটম্যাপ ইমেজের ক্ষেত্রে ছবি ব্যবহার সুবিধাজনক হলেও টেক্সট বা ড্রইং সুবিধাজনক না।
এই সমস্যা দুর করে ইলাষ্ট্রেটর। ইলাষ্ট্রেটর কাজ করে ভেক্টর ফরম্যাটে। এখানে কোন সেপ তৈরীর সময় স্থায়ী পিক্সেল ব্যবহার হয় না, গানিতিক হিসেব ব্যবহার করা হয়। একে বড় করলে মাঝে অংশগুলি নতুনভাবে তৈরী হয়। ফলে যত বড়ই করা হোক, মান থাকে নিখুত। ফলে যে কোন সময় যে কোন ধরনের পরিবর্তন করে নেয়ার সুবিধে থাকে।
ভেক্টর ইমেজের আরেকটি সুবিধে হচ্ছে পৃথক পৃথকভাবে ডটের তথ্য রাখতে হয়না বলে এর ফাইলসাইজ হয় একেবারে ছোট। ফ্লাশ এনিমেশন ভেক্টর ভিত্তিক তথ্য রাখে, একারনে ফাইলসাইজ ছোট রাখা যায় অন্যদিকে বড় করলেও মান নষ্ট হয় না। বিটম্যাপ ভিত্তিক ভিডিওকে বড় করলে মান নষ্ট হয় সেটা নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন।
গ্রাফিক ডিজাইনে বিটম্যাপ ইমেজ এবং টেক্সট/ড্রইং দুই প্রয়োজন হয়। ইমেজের কাজ ফটোশপে, টেক্সট এর কাজ ইলাষ্ট্রেটরে এই নিয়মে কাজ করা হয়।
ধরুন আপনি বিজনেস কার্ড তৈরী করছেন যেখানে ছবি ব্যবহার করা হবে। ছবির যাকিছু করা প্রয়োজন সেটা করে নেবেন ফটোশপে। ইলাষ্ট্রেটরে লেখার কাজগুলি করবেন এবং সেইসাথে ফটোশপের ছবিটিকে ইমপোর্ট করে ঠিক যায়গায় ব্যবহার করবেন।
বিটম্যাপ ইমেজের জন্য ফটোশপ, ভেক্টর আর্টের জন্য ইলাষ্ট্রের এদেরকে বলা হয় ইন্ডাষ্ট্রি ষ্ট্যান্ডার্ড। এদের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। তার অর্থ এই না যে অন্য সফটঅয়্যার নেই। ফটোশপের মত পেইন্টার, পেইন্ট শপ প্রো, ফটো ইমপ্যাক্ট, জিম্প ইত্যাদি সফটঅয়্যার কাজ করে বিটম্যাপ ইমেজ নিয়ে। অন্যদিকে কোরেল ড্র, অটোক্যাড ইত্যাদি কাজ করে ভেক্টর ফরম্যাটে।
সাধারনভাবে ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইনের প্রায় সমস্ত কাজ করা যায়।

Thursday, February 23, 2017

নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার পরেও ভাইরাস কিভাবে পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে?এর থেকে প্রতিকার কি? [Tech Mitun]

নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার পরেও ভাইরাস কিভাবে পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে?এর থেকে প্রতিকার কি? [Tech Mitun]

আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি কম্পিউটার-এর ভাইরাস নামক কুখ্যাত প্রোগ্রাম-এর বিষয়ে কিছু আলোচনার বিষয় নিয়ে।

আমার আজকের টিউনে আমি আপনাদের জানাতে বা বুঝাতে চেস্টা করব যে বিষয়গুলো তা হচ্ছেঃ

  • ভাইরাস কি?
  • ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়?
  • নতুন উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাইরাস পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে।
  • পেন্ড্রাইভ বুটেবল করে নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল কিভাবে দেয়া যায়।
  • নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল দেবার পর পিসিকে কিভাবে  ১০০% ভাইরাস মুক্ত করা যায়।
  • দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনলেই কি তা আপনার পিসিকে ১০০% ভাইরাস মুক্ত করার সুরক্ষা দিতে পারবে?
  • কি কি ভাইরাস পিসিতে থাকলেও ভয়ংকর কিছু ঘটনা পিসিতে ঘটার সম্ভাবনা কম।
  • কোনো ওয়েবসাইট-এ ভাইরাস থাকলে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায়?
  • প্রথম বিষয় ভাইরাস কিঃ

    সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে ভাইরাস হচ্ছে কম্পিউটারের ক্ষতিকর কিছু প্রোগ্রাম। যা আপনার পিসিতে থাকা যেকোনো ডিফল্ট সিস্টেম পরিবর্তন করে পিসির যেকোনো সিস্টেম ব্যবস্থাকে সাময়িক বা অসাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হচ্ছেঃ আপনার পিসিতে আপনি দেখলেন হঠাত কোনো একদিন কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল দিতে গেলে তা ইন্সটল হচ্ছে না,পিসি হ্যাং হয়ে যাচ্ছে অতঃপর পিসি সাটডাউন হয়ে যায়। কিন্তু কোনো কিছু ইন্সটল না করলে সব ঠিকঠাক চলছে। আবার ইনস্টল করতে গেলেই পিসি পুনরায় হ্যাং হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখন বুঝে নিতে পারেন পিসির কোনো প্রোগ্রাম-এর সেটিং ঠিক না থাকায় এমন হচ্ছে। এখন কথা হল আপনি তো কোনো সেটিংস-এ হাতই দেন নি তাহলে এমন হল কিভাবে? তাহলে বেসিক চিন্তা করলে বুঝে নিতে পারেন আপনার পিসি ভাইরাসের কবলে পড়েছে।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    দ্বিতীয় বিষয় ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়ঃ

    এক কথায় বা সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে পিসিতে মাউস-এর প্রতি ডাবল ক্লিকে ভাইরাস ছড়াতে থাকে।
  • উদাহরণঃ অনেকেই দেখেছেন সর্টকাট ভাইরাস যুক্ত পেন্ড্রাইভ কারো পিসিতে কানেক্ট করলে পিসিতে ভাইরাস ঢুকে সমস্ত সফটওয়্যারের আইকন বা ফাইল-এর সর্টকাট বানিয়ে দেয়। এমন হবার কারন একটাই তা হচ্ছে, আপনি পেন্ড্রাইভে ইন করার সময় ডাবল ক্লিক করেছেন যার ফলে ভাইরাস আপনার পিসিতে ইন করেছে। এরপর আপনি ফাইল ওপেন করছেন, ডাবল ক্লিক করছেন অনবরত আর কিছুক্ষন পর দেখছেন আপনার পিসির সব ফোল্ডার-এর মধ্যেই সর্টকাট ভাইরাস তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি ডাবল ক্লিক না করে রাইট বাটন ক্লিক করে ওপেন ডায়লগ আসলে তারপর তা লেফট বাটন প্রেস করে ওপেন করলে ভাইরাস এত ক্ষতি কোনোভাবেই করতে পারবে না। (পরিক্ষিত নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    তৃতীয় বিষয় নতুন উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাইরাস পিসিকে পুনরায় আক্রমন করেঃ

    অনেকেই মনে করেন আমি পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দিয়েছি আমার পিসির সব ভাইরাস মরে ছারখার হয়ে গেছে এখন অনেক মজা। না এমন মনে করলেই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বোকামিতে আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন তাও আবার মনের অজান্তেই। হ্যা পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবার পর তা ১০০% ভাইরাস মুক্ত হয়েছে শুধু আপনার পিসির সি ড্রাইভ। এছাড়া অন্য ড্রাইভ-এ থাকা ভাইরাস কিন্তু দূর হয়নি। কেননা আপনি উইন্ডোজ দিতে শুধু বেসিকভাবে সি ড্রাইভটাকেই ফরম্যাট দিয়েছেন অন্য কোনো ড্রাইভ না। এখানে আরো একটা বিষয় হচ্ছে নতুন উইন্ডোজ দেবার পর পিসির অন্য যেমনঃ ডি-ই-এফ ইত্যাদি ড্রাইভে থাকা ভাইরাসগুলি জাস্ট কিছু সময়ার জন্য নিথর/অকার্যকর অবস্থায় হয়ে পড়ে রয়েছে। কিন্তু যখনই আপনি আবার সেই ড্রাইভে ইন করে ডাবল ক্লিক বা ভাইরাসযুক্ত ফাইল ওপেন দিবেন তখনই ভাইরাস কিন্তু আবার সক্রিয় হয়ে যাবে। সুতরাং উইন্ডোজ দিলেই ভাইরাস ১০০% ক্লিন হয় না (নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    চতুর্থ বিষয় পেনড্রাইভ বুটেবল করে নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল কিভাবে দেয়া যায়ঃ

    অনেক ভাই আছেন যারা অনলাইনে অনেকভাবে পেন্ড্রাইভ বুট করার সফটওয়্যার-এর কথা বলেন। সবার কথা মেনেই আমি অন্যভাবে বলছি, আমরা বেশিরভাগ মানুষই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারে অভ্যস্ত। তাই পেন্ড্রাইভ বুট করার একটা সফটওয়্যার আছে যা কিনা সয়ং মাইক্রোসফট অনুমোদিত।সেই সফটওয়্যারের নাম হচ্ছে উইন্ডোজ ৭ ইউ.এস.বি ডিভিডি ডাউনলোড টুল। এটি অত্যন্ত ভালোমানের উইন্ডোজ আই এস ও ফাইল পেন্ড্রাইভে বুট করার জন্য কার্যকর সফটওয়্যার। চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন  এখান  থেকে।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)
  • ইন্সটল শেষে সফটওয়্যার ওপেন করে ব্রাউজ করুনঃ
  • আপনার ড্রাইভে থাকা উইন্ডোজ অপারেটিং-এর যেকোনো ভার্শন যেমন ৭,৮,৮.১,১০-এর আই.এস.ও ফাইল সিলেক্ট করুনঃ

  • তারপর ইউ এসবি ডিভাইস সিলেক্ট করে পেন্ড্রাইভ- ক্লিক করে বিগান কপিতে ক্লিক করুন ব্যাস ১০০% কপি হলেই দেখবেন পেন্ড্রাইভ বুটেবল হয়ে গেছেঃ

    • কিভাবে পেন্ড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজ দিবেন বলতে গেলে আমার কথা হবে সিডি দিয়ে যেভাবে  উইন্ডোজ ইন্সটল দেন ঠিক সেভাবে শুধু ২টি বিষয়ে আপনাকে আলাদাভাবে জানতে হবে।
    • আপনার বায়োস সেটাপ-এ ইন করে হার্ডডিস্ক প্রিয়রিটি-তে ইন করে আপনার বুটেবল করা পেন্ড্রাইভ সিলেক্ট করে এফ১০ চেপে সেভ করে বের হয়ে যান।
    • সেটাপ স্টার্ট হলে সিডির মত সেটাপ-এর যাবতীয় কাজ করার পর পিসি ১ম বার রিস্টার্ট হলেই আপনি পেন্ড্রাইভ পিসি থেকে ডিস্কানেক্ট করে ফেলুন। যদি তা না করেন দেখবেন পুনরায় আবার সেটাপ শুরু হয়ে গেছে।
    • ব্যাস পেন্ড্রাইভ ডিস্কানেক্ট করার পর পিসি রিস্টার্ট হলে সিডির মত করেই নাম,পাসওয়ার্ড,টাইম ওকে করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর দেখবেন সেটাপ কমপ্লিট হয়ে ডেস্কটপ শো করছে।

    পঞ্চম বিষয় নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল দেবার পর পিসিকে কিভাবে  ১০০% ভাইরাস মুক্ত করা যায়ঃ

    ভালো হয় পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবার আগে অন্য একটি পেন্ড্রাইভে যেকোনো ১টি লেটেস্ট ভার্শন-এর এন্টিভাইরাস রাখা। অতঃপর নতুন উইন্ডোজ দেবার পর কোনো ডাবল ক্লিক না করে এন্টিভাইরাস থাকা পেন্ড্রাইভ-এ ইন করে এন্টিভাইরাসটি পিসিতে ইনস্টল করে পিসির ফুল সিস্টেম স্কেন করা। যেহেতু আমি আগেই বলেছি অন্য ড্রাইভে ভাইরাস থেকে যায় পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবের পরেও আর তা তখন থাকে অকার্যকর অবস্থায়, সেহেতু এভাবে স্কেন করলে আপনার সব ভাইরাস ডিলিট করা সম্ভব হবে ৯৯.৯৯%। এতে করে একটু সময় লাগতে পারে তবে ভেবে দেখুন এতে করে আপনি কি পাচ্ছেন? একদম ফ্রেশ একটি উইন্ডোজ যা আপনি নিজেই দেখতে পারবেন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    ষষ্ঠ বিষয় দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনলেই কি তা আপনার পিসিকে ১০০% ভাইরাস মুক্ত করার সুরক্ষা দিতে পারবেঃ

    পঞ্চম বিষয়ে তার উত্তর আপনি পেয়ে যাবেন। কিন্তু কিছু কথা আছে তা হল প্রতিদিন হ্যাকার নিত্যনতুন ভাইরাস তৈরি করে তা ইন্টারনেটের মাধ্যেমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। তো আপনি দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনে যদি ভাইরাস ডাটাবেজ আপডেট না করেন তা হলে পিসিতে ভাইরাস এটাক দিতেই পারে। কারন আপনার এন্টিভাইরাস-এর যেই ভার্শন আপনি পিসিতে ইনস্টল দিয়েছেন তার আপডেট ভার্শন-এর ভাইরাস আপনার পিসিতে ইন করলে তা আপনার ইন্সটল করা এন্টিভাইরাস কোনোভাবেই হয়ত ডিটেক্ট করতে পারবে না। তাই সবসময় ভাইরাস ডাটাবেজ আপডেট রাখুন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    সপ্তম বিষয় কি কি ভাইরাস পিসিতে থাকলেও ভয়ংকর কিছু ঘটনা পিসিতে ঘটার সম্ভাবনা কমঃ

    ভাইরাস মানেই খারাপ। তবুও দেখা যায় আমরা অনেকেই আছি যারা কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পিসিতে ইন্সটল করি তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে (ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার IDM)। তো আমরা জানি IDM ফুল ভার্শন করতে হলে আমাদের পেচ ফাইল ডাউনলোড করতে হয় এবং এই পেচ ফাইলও কিন্তু ভাইরাস। তবে এ জাতীয় ভাইরাস পিসিতে এন্টিভাইরাস ইন্সটল থাকলে তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারে না।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    অস্টম ও শেষ বিষয় কোনো ওয়েবসাইট-এ ভাইরাস থাকলে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায়ঃ

    সেক্ষেত্রে এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করা থাকলে আপনি কোনো ওয়েবসাইটে ইন করতে গেলে আর সেই ওয়েবসাইটে ভাইরাস থাকলে এন্টিভাইরাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে ওয়ার্নিং দিবে যে এই ওয়েবসাইটে ভাইরাস আছে।তখন পিসির সুরক্ষার কথা ভেবে সেই সমস্ত ওয়াবসাইট-এ ব্রাউজ করা থেকে বিরত থাকুন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)
  • আমার এই টিউন হচ্ছে বিশেষ করে যারা কম্পিউটার জগতে নতুন তাদের জন্য। এক্সপার্ট ভাইদের জন্য না। আমার এই টিউন-এর বিষয়ে যেকোনো মুল্যবান মতামত জানাতে সবাই আমাকে টিউমেন্টস করতে ভুলবেন না।