Showing posts with label Tips and Tricks. Show all posts
Showing posts with label Tips and Tricks. Show all posts

Friday, September 13, 2019

কিভাবে সহজে অতি দ্রুত আপনার ফোনের হ্যাং-করার সমস্যা দূর করবেন!!! (How to get rid of your phone crushing or phone Hanging problem easily and fast in Bangla!!!)

কিভাবে সহজে অতি দ্রুত আপনার ফোনের হ্যাং-করার সমস্যা দূর করবেন!!! (How to get rid of your phone crushing or phone Hanging problem easily and fast in Bangla!!!)

আজকে আমি আপনাদের সামনে অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাং হয়ে যাওয়া বা অ্যান্ড্রয়েড ফোন Hanging থেকে বাঁচার একটি সহজ পদ্ধতি বা ট্রিক তুলে ধরবো। ট্রিক টি কয়েকটি ধাপ এ করতে হয়। নিচে ধাপগুলো তুলে ধরা হলো:

1.প্রথমে আপনার ফোনের Settings অপশন এ যান।










2.তারপর About Device নামক অপশনটিতে Click করুন।









3.About Device অপশনে Click করার পর আপনি Build Number নামক অপশন পাবেন। সেই অপশনটিতে ৮ থেকে ৯ বার একটানা দ্রুত ক্লিক করুন।









4.তারপর Back বাটনে Click করুন।
5.দেখবেন About Device অপশনের উপরে Developer Mode বা Developer Option নামে নতুন একটা অপশন দেখা যাচ্ছে। সেই অপশনটাতে Click করুন।

6.Click করার পর একটু নিচে গেলে Window animation Scale, Transition animation Scale, ও animator duration scale নামক ৩ টি অপশন দেখতে পাবেন।








7.প্রত্যেকটা অপশনে Click করে Animation off অপশন Select করুন।




ব্যাস এইটুকু কাজই যথেষ্ট। এরপর দেখবেন আপনার ফোন কেমন গতিতে দৌড়ায়। আজকে এই পর্যন্তই। ধন্যবাদ।
মেগাবাইট ও মেগাবিটের মধ্যে পার্থক্য (Difference between MBps and Mbps)

মেগাবাইট ও মেগাবিটের মধ্যে পার্থক্য (Difference between MBps and Mbps)



হ্যালো বন্ধুরা।
অনেক দিন পর একটা ইনফরমেশনপুর্ন আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি লেখাটি পরে আপনার জ্ঞানের কচকচি একটু হলেও বাড়বে।


তো আজকে আমরা জানবো মেগাবাইট (MBps) ও মেগাবিটের (Mbps) এর মধ্যে পার্থক্যটা কি।
আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন মেমরি কার্ড বা কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক অথবা কোনো গানের সাইজ মেগাবাইটে (MBps) এ হিসেব করে থাকি। এমনকি যখন আমরা নিজেদের সিমে কখনও এমবি কিনে থাকি তাও আমরা মেগাবাইটেই হিসেব করে থাকি এবং সিম কোম্পানি মেগাবাইটেই আমাদের তা দিয়ে থাকে। মোটকথা এমবি বা এমবিপিএস বলতে আমরা সাধারণত মেগাবাইটকেই (MBps) বুঝে থাকি। অন্যদিকে মেগাবিট (Mbps) হলো কোনো কিছুর সাইজ বা স্পীড বোঝার খুব পুরনো একটি পদ্ধতি। মেগাবিট (Mbps) মেগাবাইটের চেয়ে ৮ গুন ছোট। অর্থাৎ,
৮ মেগাবিট = ১ মেগাবাইট
(8 Mbps = 1 MBps)

মেগাবিট (Mbps) মেগাবাইটের (MBps) চেয়ে পুরনো পদ্ধতি হলেও সকল ইন্টারনেট স্পীড চেকিং ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যারগুলো (যেমন: Ookla, Fast, Google fibre, Singapore Speed test ইত্যাদি) আপনার ইন্টারনেটের স্পীড মেগাবিটেই (Mbps) মেপে থাকে।




অর্থাৎ যদি Ookla স্পীডটেস্টে আপনার স্পীড 1 Mbps (১ মেগাবিট পার সেকেন্ড ) দেখায় তার মানে হলো আপনি আসলে স্পীড পাচ্ছেন (১÷৮) = ০.১২৫ বা ১২৫ কিলোবাইট (125 KBps). আবার যদি 8 Mbps ( ৮ মেগাবিট পার সেকেন্ড) দেখায় তাহলে আসলে স্পীড পাচ্ছেন (৮÷৮) = ১ মেগাবাইট (1 MBps)।


মেগাবাইট ও মেগাবিট এর পার্থক্য চেনার উপায়: একটা বড় হাতের M আর বাকি অক্ষরগুলো ছোট হাতের হলে সেটা মেগাবিট (যেমন: Mbps). আর যদি সবগুলো অক্ষর বড় হাতের বা শুধু M ও B বড় হাতের আর সব ছোট হাতের হয় তাহলে তা মেগাবাইট (যেমন: MBps বা MBPS)


আজকে এ পর্যন্তই। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

Friday, August 31, 2018

জীবন সহায়ক প্রযুক্তি

জীবন সহায়ক প্রযুক্তি

প্রযুক্তি এ সময়ে যেন এক আশীর্বাদ। রোজকার জীবনের ছোট ছোট ভাবনার দায়িত্বও যেন নিয়ে নিতে চায়।
-ডেইলি ইয়োগা
প্রতিদিনের ইয়োগার প্রশিক্ষণ এবং যোগাসনের ভঙ্গি কেমন হবে তা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে লেখা ও ভিডিওর মাধ্যমে দেখে ও শিখে নেওয়ার চমৎকার একটি অ্যাপ্লিকেশন এটি। ৪০০টিরও বেশি ভিডিওতে খুব সুন্দরভাবে দেখানো আছে করণীয় সব কার্যাবলি। সঙ্গে অনুশীলনের সময় স্বস্তিকর বাদ্যযন্ত্রের বাজনা আপনার অনুশীলনকে আরও প্রশান্ত করে মনকে করে তুলবে সতেজ।
-প্রযুক্তিময় জীবন
একবিংশ শতাব্দীর এই পৃথিবীতে নিজেদের জীবনকে কীভাবে আরও সহজ করে তোলা যায়, কীভাবে একটি কঠিন কাজকে খুব সহজে শেষ করা যায় এই ভাবনায় আমরা নিজেদের ব্যস্ত রাখতে পছন্দ করি। বর্তমান সময়ে এসে আমরা আমাদের অনেক কাজই মোবাইল অথবা কম্পিউটারের সাহায্যে করে থাকি। খাবার খাওয়া, কাপড় ধোয়া কিংবা ঘর পরিস্কার- সবকিছুর সমাধান এখন ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে। আর সে ক্ষেত্রে মোবাইলের ব্যবহার কম্পিউটারের থেকে অনেকাংশেই বেশি। এখন চাইলেই আপনি কখন পানি খাবেন, আপনার ওষুধের দরদাম, প্রতিদিন কতক্ষণ হাঁটবেন, কোন খাবার কতটুকু খাবেন অথবা বাসায় বসেই ইয়োগা কীভাবে করবেন তা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে জানতে পারবেন খুব সহজেই। আজ তেমনই কিছু মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের নাম এবং এদের কার্যকারিতা সম্পর্কিত তথ্য আপনাদের জন্য।
-সেভেন মিনিট ওয়ার্কআউট চ্যালেঞ্জ অ্যাপ
এই অ্যাপটির ডিজাইন করা হয়েছিল এমন মানুষদের জন্য, যারা তাদের ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ব্যস্ত। বাজারে আসার পরেই এ অ্যাপটি সবার কাছেই জনপ্রিয় হতে লাগল। ফলে সব থেকে বেশি ডাউনলোড হওয়া অ্যাপ্লিকেশন এটা এখন। এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সাত মিনিট অনুশীলন করে খুব সহজেই আপনি আপনার শরীরের আকার পরিবর্তন করে নিজেকে ফিট হিসেবে প্রকাশ করতে পারবেন।
-সেভেন মিনিট ওয়ার্কআউট
মূলত কার্যক্ষেত্রে বসেও যেন মানুষ তাদের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে পারে এই লক্ষ্যেই অ্যাপ্লিকেশনটির ডিজাইন করা হয়। দুই কোটিরও বেশি মানুষের মোবাইলে নিত্যদিন ব্যবহার হচ্ছে এ অ্যাপ্লিকেশনটি। যেখানে ১০০০-এর থেকেও বেশি অনুশীলন, নিজের মতো করে সূচি তৈরি করা, ২০টিরও বেশি ধাপ ছাড়াও বন্ধুদের চ্যালেঞ্জ জানানো আর নিজের অনুশীলনের তথ্য ভাগাভাগির সুবিধাও রয়েছে।
-ডায়েটপয়েন্ট
পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের জন্য ১৩০টিরও বেশি পরিকল্পনা রয়েছে অ্যাপটিতে। ৫০০টিরও বেশি পরামর্শ রয়েছে, যা আপনার পরিকল্পাকে সফল করার পথ দেখাবে। সঙ্গে করে আপনার বাজারের ফর্দটিও তৈরি করে দেবে। ডাউনলোড বিনামূল্যে করা গেলেও বিভিন্নভাবে এই অ্যাপের সদস্য হয়ে বাড়তি কিছু সুবিধা আদায় করা যায়। যার জন্য সামান্য কিছু ডলার খরচ করতে হবে আপনাকে।
-ফুডুকেট
ফুডুকেট আপনার স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং ওজন সঠিকভাবে রক্ষা করতে ও আপনার দৈনন্দিন কার্যকলাপকে রক্ষা করে আপনার লক্ষ্যর দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। দুই লাখ ৫০ হাজারের ওপর খাদ্যের পুষ্টিগুণ দেওয়া আছে, সঙ্গে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দেবে। আপনার ঘুম, মেজাজ, মর্জি ও ক্ষুধার খবরও রাখবে এবং এখানেই আপনি আপনার পছন্দের খাবারের তালিকা রাখতে পারবেন।
-ডাক্তারবাড়ি
যে কোনো প্রয়োজনে যে কোনো সময় ডাক্তারের পরামর্শ পেতে পারেন অথবা ডাক্তারের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্যও সাহায্য পাবেন। সব থেকে বড় সুবিধা হলো, আপনাকে সময়মতো ওষুধ খাবার কথা মনে করিয়ে দেবে এই অ্যাপ্লিকেশনটি। তাছাড়া জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ব্লাড ব্যাংক, ফার্মেসির সঙ্গে প্রতিদিন বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ তো আছেই।
-লাইফসাম
আপনার যদি সময়মতো পানি খেতে মনে না থাকে, তৃষ্ণায় ছটফট না করা পর্যন্ত আপনি পানি পান করতে ভুলে যান তবে লাইফসাম নামের অ্যাপটি আপনার জন্য। কারণ এ অ্যাপটি আপনাকে পানি খাবার সময় মনে করিয়ে দেবে, সঙ্গে সঙ্গে যে লক্ষ্যটি আপনি ঠিক করেছেন সেটা পূরণ করতেও সাহায্য করবে ভালোভাবেই।
-টনিক
টনিকে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে আপনি তাদের ডাক্তারদের কাছ থেকে পরামর্শ পেতে পারবেন যে কোনো সময়। তাছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ছাড় পাওয়া যায় বছরের সবসময়ই।
-হ্যাপিফাই
আবেগপ্রবণ মানসিকতার মানুষদের জন্য। আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে উদ্বেগ, হতাশা, নেতিবাচক মনোভাবকে দূরে ঠেলে দিয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাত্রা পরিচালনা করার জন্য এই অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্য নিয়ে দেখতেই পারেন।
-আস্ক অ্যাপোলো
মেম্বারদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করে থাকে অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া ডাক্তারের সাক্ষাতের জন্যও সাহায্য ও পরামর্শ দিয়ে থাকে। সব থেকে ভালো সাহায্য যেটা করে তাহলো অনলাইনে অর্ডার নিয়ে বিনামূল্যে পৌঁছে দেয় ক্রেতাদের বাসায়।
-কাল্ম
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনটা মানসিক অশান্তি, উদ্বেগ আর চাপ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক প্রশান্তি, আনন্দ ও স্বচ্ছতার সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপ্লিকেশনটি। ৭-২১ দিনের মেডিটেশন প্রোগ্রামে ২৫টির ওপরে পথনির্দেশ দেওয়া আছে, যার প্রতিটি নির্দেশ এক মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত ব্যাপ্তি।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এয়ারপ্লেন মোড কেন থাকে : যা জানা খুবই জরুরী

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এয়ারপ্লেন মোড কেন থাকে : যা জানা খুবই জরুরী

অ্যান্ড্রয়েডের এয়ারপ্লেন মোড কি?
এয়ারপ্লেন মোড হচ্ছে একটি সেটিংস যা প্রায় সকল স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং অনুরূপ ডিভাইসগুলোতে থাকে। আপনি যখন এটি অ্যাকটিভ করবেন তখন এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনের সব ধরনের সিগন্যাল পাঠানো বন্ধ রাখবে। এই মোড চালু থাকা অবস্থায় ফোনের স্ট্যাটাস বারে একটি বিমান আইকন দেখতে পাবেন।
এয়ারপ্লেন মোডের কাজ কী?
এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনের সব ধরনের ওয়্যারলেস ফাংশন নিষ্ক্রিয় রাখে। যার মধ্যে রয়েছে-
* ব্লুটুথ : ব্লুটুথ হচ্ছে খুব সীমিত রেঞ্জের সংযোগ, যা আপনার ফোনকে স্পিকার, হেডফোন এবং আরো কিছুর সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুবিধা দেয়। এয়ারপ্লেন মোড এটিকে নিষ্ক্রিয় রাখে।
* মোবাইল সংযোগ: আপনি কল করতে পারবেন না, টেক্সট মেসেজ পাঠাতে পারবেন না বা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মোবাইল ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন না।
* ওয়াই-ফাই : আপনার ফোনো বিদ্যমান থাকা সব ধরনের ওয়াই-ফাই সংযোগগুলো নিষ্ক্রিয় হবে এবং কোনো নতুন ওয়াই-ফাই সংযোগের সঙ্গে যুক্ত হবে না।
এয়ারপ্লেন মোডে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যায়?
উত্তরটা নির্ভর করে আপনার ডিভাইসের ওপর। তবে বেশিরভাগ আধুনিক ফোনগুলো ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুবিধা দেয়, ফোন এয়ারপ্লেন মোডে থাকা সত্ত্বেও। আপনি যখন এয়ারপ্লেন মোড চালু করবেন তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াই-ফাই বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি ম্যানুয়ালি আবার ওয়াই-ফাই চালু করতে পারবেন।
এয়ারপ্লেন মোড চালু থাকা অবস্থায় কুইক সেটিংস থেকে ওয়াই-ফাই অপশনে ক্লিক করুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অন হয়ে যাবে ওয়াই-ফাই এবং কানেক্ট হবে যদি আপনার ফোন অনুমতি দেয়।
এয়ারপ্লেন মোড ব্যাটারি সাশ্রয় করে?
হ্যাঁ, এয়ারপ্লেন মোড স্পষ্টভাবে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ রক্ষায় সাহায্য করে। বিভিন্ন রেডিও তরঙ্গের কার্যক্রমে ফোনের অনেক শক্তির প্রয়োজন হয় যেমন ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপসের নোটিফিকেশন, ব্লুটুথ ডিভাইসগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, লোকেশন চেক করা প্রভৃতি। এসব কাজ ফোনের ব্যাটারি শক্তি শেষ করে, এয়ারপ্লেন মোড একসঙ্গে সবকিছু নিস্ক্রিয় করে দেওয়ায় ফোনের ব্যাটারি শক্তি দারুন ভাবে সাশ্রয় হয়। যেহেতু এয়ারপ্লেন মোডে আপনার ফোন বেশি কাজে ব্যস্ত থাকে না তাই এই মোডে ফোন চার্জও হতে পারে দ্রুত।
অনেক বিমানেই এখন ইন ফ্লাইট ওয়াই-ফাই সেবা বিদ্যমান, সুতরাং আপনি এই ফিচারটি চালু করে উপভোগ করতে পারেন। নিশ্চিত না হয়ে থাকলে, ওয়াই-ফাই কানেক্ট করার আগে বিমানকর্মীর কাছ থেকে জেনে নিন। বিমানে শুধুমাত্র দশ হাজার ফুট ওপরে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। তাই বিমান টেকঅফ এবং ল্যান্ডিংয়ের সময় ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখার ব্যাপারে সচেতন থাকুন। এমনকি অবতরণের পরও।
গেম খেলায় এয়ারপ্লেন মোড কিভাবে সাহায্য করে?
আপনি যদি ফোনে গেম খেলতে পছন্দ করেন কিন্তু বিজ্ঞাপনে বিরক্তবোধ করেন তাহলে এয়ারপ্লেন মোড সাহায্য করতে পারে। কারণ এটি ইন্টারনেট সংযোগ নিষ্ক্রিয় করে, তাই এয়ারপ্লেন মোডে গেম খেলার সময় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন হবে না। যাহোক, যে গেমগুলো সবসময় অনলাইনে খেলা লাগে সেগুলোর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হবে না। সুতরাং আপনি আপনার পছন্দের কোনো অফলাইন গেম এয়ারপ্লেন মোডে খেলতে পারেন।
এয়ারপ্লেন মোডে ব্লুটুথ কাজ করে?
ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথের ঘটনা একই। এয়ারপ্লেন মোড চালু করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লুটুথ নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলেও, বেশিরভাগে ফোনে ম্যানুয়ালি আবার ব্লুটুথ চালু করা যায়। বিমান সংস্থাগুলো ব্লুটুথের ব্যাপারে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন, কারণ এর রেঞ্জ খুব সীমিত।
ব্লুটুথ চালু করে ব্লুটুথ সুবিধার হেডফোন, কিবোর্ড এবং অনুরূপ ডিভাইসগুলো স্মার্টফোনে সংযুক্ত করতে পারবেন। এমনকি যখন আপনি বিমান ভ্রমণ করছেন না, তখন এয়ারপ্লেন মোডে ব্লুটুথ হেডফোনের মাধ্যমে অফলাইন মিউজিক উপভোগ করে ব্যাটারি সাশ্রয় করতে পারেন।
এয়ারপ্লেন মোডে ডাটা ব্যবহার করা যায়?
না। কারণ এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনকে মোবাইল নেওয়ার্ক টাওয়ারের সঙ্গে সংযুক্ত হতে বাধা দেয়। তাই এই মোডে কোনো ধরনের ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন না।
এয়ারপ্লেন মোডে ফোনে কল কিংবা মেসেজ আসবে?
না, কারণ এয়ারপ্লেন মোডে মোবাইল কানেকশন বন্ধ হয়ে যায়। আপনার ফোন এয়ারপ্লেন মোডে থাকা অবস্থায় কেউ যদি আপনাকে ফোন করে তাহলে ফোন বন্ধ রয়েছে শোনাবে। আর সেসময়ের টেক্সট মেসেজ আসবে এয়ারপ্লেন মোড অফ করার পরপরই।
এয়ারপ্লেন মোডে ফোনের অ্যালার্ম কাজ করে?
হ্যাঁ। অ্যালার্ম স্বাভাবিক থাকবে এয়ারপ্লেন মোডেও। অ্যালার্ম ইন্টারনেট কানেকশনের ওপর নির্ভর করে না। অ্যালার্ম অ্যাপ অন করে নিশ্চিতে অ্যালার্ম সেট করুন। এয়ারপ্লেন মোডে যদিও ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না, তবে ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার জন্য অ্যালার্ম সেট করতে পারে।
মিউজিক যেভাবে উপভোগ করবেন এয়ারপ্লেন মোডে
এয়ারপ্লেন মোডে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় গুগল প্লে মিউজিক, স্পোটিফাইয়ের মতো মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপগুলো কাজ করবে না। এয়ারপ্লেন মোডে মিউজিক উপভোগে দুইটি অপশন রয়েছে-
প্রথমত যদি আপনি মিউজিক স্ট্রিমিংয়ের পেইড সার্ভিস ব্যবহার করে থাকেন যেমন স্পোটিফাই প্রিমিয়াম অথবা গুগল প্লে মিউজক অল অ্যাকসেস, তাহলে আপনি ডিভাইসে মিউজিক ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এমনকি এয়ারপ্লেন মোডেও তা শোনার সুবিধা পাবেন।