Showing posts with label Google. Show all posts
Showing posts with label Google. Show all posts

Friday, August 31, 2018

ই-মেইল পাঠানোর আগে যে বিষয় গুলো জানা খুবই জরুরী

ই-মেইল পাঠানোর আগে যে বিষয় গুলো জানা খুবই জরুরী

মেইলে অযথা আর্জেন্ট মার্ক যুক্ত করবেন না: মেইলে আর্জেন্ট বা জরুরি শব্দটি ব্যবহারের আগে কয়েকবার ভাবুন। আপনি যে মেইলটি পাঠাচ্ছেন, সেটা কী আসলেই গুরুত্বপূর্ণ বা জরুরি কিছু? যদি তেমনটি না হয়, তাহলে আর্জেন্ট ব্যবহার করবেন না। এতে প্রাপক বিরক্ত হতে পারে।
স্পেলিং মিসটেক বা বানান ভুল হওয়া চলবে না: অনেক সময় দ্রুত টাইপ করতে গিয়ে অনেকেই বানান ভুল করেন। কিন্তু এই আধুনিক সময়ে এসে এ ধরনের ভুল একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। কারণ, বর্তমানে প্রতিটি ডিভাইসেই রয়েছে অটোকারেক্ট অপশন। তাই বানানের প্রতি যত্নবান হোন।
ই-মেইলকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ‘ফরমাল’ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই এ সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে জেনে নেওয়া দরকার। এমন কিছু বিষয় আছে যা করলে মেইলের প্রাপক বিরক্ত হতে পারেন। তাই সচেতনভাবে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
বিষয় লিখতে ভুলে যাওয়া: ই-মেইলে বিষয় লিখতে ভুলবেন না। কারণ, আপনার মেইলের প্রাপক বিষয়ের লাইনটি পড়েই পুরো মেইল সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে যান। এছাড়া কোনও মেইল সার্চ করে পেতে হলে সাবজেক্ট লাইনের দরকার হয়।
মেইলে ‘এসএমএস ল্যাঙ্গুয়েজ’ ব্যবহার করবেন না: যেহেতু ই-মেলকে যোগাযোগের ফরমাল মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই এতে এসএমএস ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করবেন না। যেমন- Thanks কে কখনোই Thnx কিংবা Sorry কে কখনোই Sry লিখবেন না।
মেইলে ইমোজির ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন: ই-মেইলে কোনও ধরনের ইমোজি ব্যবহার না করাই ভালো। আপনি বেশ খুশি থাকলে কোনও ধরনের ইমোজি ব্যবহারের পরিবর্তে লিখুন- আই অ্যাম ডিলাইটেড। মনে রাখতে হবে, ই-মেইল,
ফেসবুক মেসেঞ্জার, স্ন্যাপচ্যাট এক নয়।
সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন: ই-মেইল পাঠানোর সময় সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন। ফন্টের আকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন। এটা যেন খুব বেশি বড় বা ছোট না হয়। একই সঙ্গে ফন্টের কালার সম্পর্কেও সচেতন থাকতে হবে।
গুগল ! বর্গফুট মেপে নজরদারি চালাচ্ছে

গুগল ! বর্গফুট মেপে নজরদারি চালাচ্ছে

একেবারে ‘ল্যাটিচিউড-লঙ্গিচিউড’ ধরে মোবাইলধারীর লোকেশন দিন-রাত তাদের অ্যাকাউন্টে রেকর্ড করছে গুগল ,চান বা না-চান, মোবাইলে লোকেশন সার্ভিস চালু রাখুন বা না-রাখুন। নজরদারির বহর এতটাই যে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা আইফোনে ইন্টারনেট চালু থাকলে, যেকোনো সময় গ্রাহকের অবস্থান একেবারে বর্গফুট পর্যন্ত নিখুঁতভাবে তোলা থাকে গুগলের খাতায় এটি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) দাবি।
এপি-র পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তথ্যগুলো একাধিক সংস্থাকে বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা রোজগার করছে গুগল।
এমনকি স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে যে, কেন এতসব নজরদারি চালাচ্ছে গুগল?
নিজে গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে (https://adssettings.google.com/authenticated) ওয়েবপেজে ঢুকে দেখুন। দেখে অবশ্যই চমকে যাবেন, আপনার বয়স-লিঙ্গ-শখ-শিক্ষা-রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’সহ একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য বিচার করে সাজিয়ে-গুছিয়ে আপনার জন্য ‘পার্সোনালাইজড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট প্রোফাইল বা সাইকোগ্রাফিক প্রোফাইল’ বানিয়ে রাখার পুরো বন্দোবস্ত করে রেখেছে গুগল। শুধু ইন্টারনেটে সার্চই নয়, আপনি থার্ড পার্টি অ্যাপ যেভাবে ব্যবহার করেন, তার সব তথ্যও রয়েছে (https://myaccount.google.com/permissions?pli=1) গুগলের ভাঁড়ারে। এটি ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যায়।
ফলস্বরূপ তাদের মাধ্যমে গুগল এমন খুঁটিয়ে যার উপর খুশি নজর রাখতে পারে পিছনে গোয়েন্দা লাগিয়েও কারও সম্পর্কে এত তথ্য এক লহমায় জানা সম্ভব নয়। শতকরা ১০০ ভাগ মানুষই ওই ফাইন-প্রিন্ট পড়ার হ্যাপায় না গিয়ে তা করেন না।
অনেকে অজান্তেই বা জেনেবুঝে তার অ্যাকাউন্টে বা স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপের লোকেশন সার্ভিস ‘অন’ করে রেখে দেন৷ ফলে যেটা হয়, আপনি যেখানে যেখানে যাচ্ছেন, গুগলের একটি নির্দিষ্ট পেজে (https://www.google.com/maps/timeline?pb) তা রেকর্ড হয়ে থাকে৷ যাওয়া-আসা গৌণ, লোকেশন অন থাকা অবস্থায় কীভাবে কতটা পথ গেছেন, গাড়িতে ও হেঁটে তাও রেকর্ড করে গুগল৷ সংস্থার পক্ষে প্রক্রিয়াগত দাবি, লোকেশন সার্ভিস কোনও গ্রাহক ‘অফ’ করে দিলে আর সেই তথ্য রেকর্ড করে না গুগল।
বাস্তবে ইন্টারনেটে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় বা মোবাইলে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করার সময় গুগলকে কোন কোন সম্মতি আপনি দিয়ে দেন তাড়াহুড়োয় ‘ক্লিক’ করে, তা কি আপনি নজর করেন?
ম্যাপ ছাড়াই শুধু গুগল ব্রাউজারে বিশেষ কিছু ‘কী-ওয়ার্ড’ (যেমন, ‘চকোলেট চিপ কুকিজ’ বা ‘কিডস সায়েন্স কিটস’) দিয়ে সার্চ দিলেও মোবাইলধারীর লোকেশন দেখে নেয় গুগল বলে জানিয়েছে এপি। চাঞ্চল্যকর এক তদন্তে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) দাবি, গুগলের এই দাবি সর্বৈব মিথ্যা। আপনার অনুমতি ছাড়াই যতবার গ্রাহক তার স্মার্টফোনে ‘গুগল ম্যাপ’ অ্যাপটি খোলেন সেই মুহূর্তে আপনি যেখানে আছেন, সময় রেকর্ড করে সেই লোকেশন-এর একটি ‘স্ন্যাপশট’ তুলে নিয়ে নিজের ভাড়াঁরে জমা করে নেয় গুগল। এতো না হয় গুগল ম্যাপ সম্পর্কিত। তাদের আরও দাবি, বর্গফুট পর্যন্ত নিখুঁত থাকে এই লোকেশন রেকর্ড। আর এর ফলে বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এবং অসংখ্য আইফোন গ্রাহক গুগল ব্যবহার করেন, তাদের লোকেশন তথ্য চুরি করছে গুগল।
আর এপির এই তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে গুগলকে প্রশ্ন করা হলে, তাদের মুখপাত্র যথারীতি দায় সেরেছেন এই বলে ‘লোকেশন হিস্ট্রি, ওয়েব ও অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি এবং ডিভাইস লেভেল লোকেশন সার্ভিসের মতো একাধিক পরিষেবার মাধ্যমে গুগল তাদের অ্যাকাউন্টধারীর লোকেশন এবং গুগল ব্যবহারের অভিজ্ঞতা প্রতিনিয়ত উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যায়। তবে যে কেউ ইচ্ছা করলে এগুলো যখন খুশি আলাদা আলাদা ভাবে বন্ধ করে দিতেই পারেন।’ এগুলো করা হয় গ্রাহকস্বার্থেই।