Showing posts with label HARDWARE. Show all posts
Showing posts with label HARDWARE. Show all posts

Wednesday, August 29, 2018

হার্ডড্রাইভ ঠিক আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

হার্ডড্রাইভ ঠিক আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে


ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মতো হার্ড ডিস্কেরও আয়ু থাকে। কম্পিউটারের ইন্টারনাল স্টোরেজের আয়ু সাধারণত ৫-১০ বছর ধরা হয় আর এক্সটারনাল হার্ডডিস্কের আয়ু ধরা হয় ৩-৫ বছর। তবে আয়ুর বিষয়টি তাপমাত্রার ওঠানামা, আর্দ্রতা ও নানা বাহ্যিক অবস্থার ওপরেও অনেকটা নির্ভর করে। এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ সহজে বহনযোগ্য বলে অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এতে এর আয়ু কমে যায়। হার্ডড্রাইভের আয়ু কীভাবে ধীরে ধীরে কমে যায় তা জেনে নিন:
১. কম্পিউটার গতি কমতে থাকলে এবং কম্পিউটার বারবার হ্যাং হতে শুরু করলে বা ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ দেখালে বুঝবেন আপনার হার্ডড্রাইভ শেষের পথে। এগুলো হার্ডড্রাইভের কার্যক্ষমতা কমার সম্ভাব্য লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা হয়তো সব সময় দেখবেন না কিন্তু উইন্ডোজ সেফ মোড বা নতুন করে ইনস্টলেশন দেওয়ার সময় যদি এ ধরনের সমস্যা দেখেন তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভ ঠিকমতো কাজ করছে না।
২. যদি খুব বেশি ব্যাড সেক্টর দেখতে পান তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভের অবস্থা শোচনীয়। ব্যাড সেক্টর হচ্ছে হার্ডড্রাইভের ত্রুটিপূর্ণ এলাকা যে এলাকাগুলো ডাটা রিড বা রাইট করার অনুরোধ পেলেও সাড়া দেয় না। বড় আকারের ডিস্ক ব্যবহার করা হলে এগুলো শনাক্ত করা কঠিন। উইন্ডোজে এসব ব্যাড সেক্টর পরীক্ষা করতে মাই পিসি থেকে ড্রাইভ পার্টিশন অংশে যেতে হবে। মাই পিসিতে রাইট ক্লিক করে প্রপার্টিজে আগে যেতে হবে। এরপর টুলস থেকে এরর চেকিংয়ে ক্লিক করতে হবে। অপ্টিমাইজেশন করতে অপটিমাইজ অ্যান্ড ডিফ্র্যাগমেন্ট ড্রাইভ করা যাবে।
৩. হার্ডড্রাইভ থেকে যদি একই শব্দ বারবার শোনা যায় বা কোনো কিছু গুঁড়ো করার মতো শব্দ আসতেই থাকে তবে হার্ডড্রাইভ প্রায় শেষের পথে। বারবার শব্দ আসার বিষয়টিকে ‘ক্লিক অব ডেথ’ বলা হয়। কোনো কিছু রাইট করতে বা এরর ঠিক করার প্রক্রিয়ার সময় এ শব্দ তৈরি হয়।
৪. হার্ডড্রাইভ অকার্যকর হওয়ার আরেকটি সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে ফাইল না খোলা এবং কোনো কারণ ছাড়াই ফাইল গায়েব হওয়া বা ফাইল করাপ্ট হয়ে যাওয়া।

Saturday, August 11, 2018

Wednesday, June 13, 2018

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

বর্তমানে উইন্ডোজ এর সর্বশেষ ভার্সন হল উইন্ডোজ ১০। আমার কাছে ভালই লাগে। তবে এখানে উইন্ডোজ অটো আপডেট বন্ধের অপশন নেই। তাই যারা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করেন তাদের হয়ত প্রবলেম হবে না তবে যারা মডেম ব্যবহার করেন তাদের জন্য একটা বিরাট দুঃসংবাদ। তাই ভাবলাম কি করে অন্য উপায়ে এই উইন্ডোজ ১০ অটো আপডেট বন্ধ করবেন সেটা একটু আপনাদের সাথে শেয়ার করি। তবে এই উপায়ে যেকোনো উইন্ডোজ এর অটো আপডেট বন্ধ করা যায়।

যাহোক কাজের কথায় আসি।

প্রথমে আপনার পিসির Run কমান্ড এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc এবং এন্টার প্রেস করুন। এরপর নিছের পথ ফলো করুন।

Computer Configuration > Administrative Templates > Windows Components যাবার পর ডান দিক থেকে Windows Update খুজে বের করে ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।






এরপর Configure Automatic Updates এ ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।


এখন দেখুন নিছের ছবির মত একটা উইন্ডো ওপেন হয়েছে। এখানে Disable এ ক্লিক করে ok বাটন এ প্রেস করুন।


বাস কাজ শেষ। আবার যদি অটো আপডেট অন করতে চান তাহলে উল্টো পদ্ধতি অনুসরন করুন।

Wednesday, November 1, 2017

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

মাঝে মাঝে আমাদের কম্পিউটার ক্র্যাশ করে অথবা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের কারণে BIOS এর সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন আমরা ইচ্ছে করলেই BIOS সেটিংস পূর্বে যেরকম ডিফল্ট ছিলো, আবার সেরকমে ফিরিয়ে আনতে পারি। এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের দেখাবো কীভাবে তিনটি পদ্ধতিতে BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে আনা যায়।

BIOS মেন্যু থেকে রিষ্টোর করুনঃ

এটা সবথেকে সহজ পদ্ধতি। নীচের ধাপগুলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যান।

প্রথম ধাপঃ

আপনার কম্পিউটার চালু হবার সময় উইন্ডোজের লোগো আসার মাঝের সময়টাতে কীবোর্ডের Del, F1 or F2 বাটন চাপতে থাকুন, BIOS মেন্যু এসে যাবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে Del, F1 or F2 বাটনের পার্থক্য থাকে। তবে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কম্পিউটার চালু হবার সময়ই BIOS সেটিংসের জন্য কোন বাটন চাপতে হবে সেটা সামান্য সময়ের জন্য স্ক্রীণে দেখিয়ে দেয়া থাকে।

দ্বিতীয় ধাপঃ

BIOS সেটিংস এ ঢুকে গেলে আপনি EXIT মেন্যুতে চলে যান।

তৃতীয় ধাপঃ

কীবোর্ডের arrow বাটন দিয়ে Load Setup Default সিলেক্ট করুন।
ছবিতে দেখানো হলো। তবে এটাও বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন Load Setup Default কথাটাই ভিন্নভাবে হয়তো নির্দেশ করা হয়েছে।

চতুর্থ ধাপঃ

এবার আপনি ENTER বাটন চেপে কনফার্ম করুন। এসময় আপনার সামনে হয়তো YES এর Y এবং NO এর N বাটন সিলেক্ট করার অপশন আসবে। আপনি YES এর Y বাটন চেপে উপরে EXIT & SAVE CHANGES সিলেক্ট করে ENTER চেপে বের হয়ে আসুন। ব্যস হয়ে গেলো!

MOTHER BOARD এ CLR CMOS jumper পরিবর্তন করাঃ

যদি আপনি BIOS এ ঢুকতে না পারেন তবে এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
কম্পিউটার বন্ধ করুন এবং কেচিং খুলে Motherboard এ চোখ রাখুন। নীচের ছবিতে লাল বৃত্তাকার এরমতো বস্তুটিই হচ্ছে CLR CMOS jumper. সেটি খুলুন, খুলে pins 1-2 থেকে pins 2-3 তে বসিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড পর আবার পুর্বের মতো pins 1-2 তে বসিয়ে দিন।

MOTHER BOARD থেকে ব্যাটারি খুলুনঃ

যদি আপনি CLR CMOS jumper খুঁজে না পান তবে এ পদ্ধতি ফলো করুন। ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি সহজেই আপনার চোখে পড়বে কারণ এটি দেখতে বহুল পরিচিত ঘড়ির ব্যাটারীর মতো, একটু বড় আকারে। নীচে ছবি দেখুন।
ব্যাটারী খুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর ব্যাটারি আবার যথাস্থানে বসিয়ে দিন। আপনার BIOS আবার ডিফল্টে ফিরে গেছে। উপরোক্ত ৩টি পদ্ধতির যেকোনো একটির সাহায্যে আপনি BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

Sunday, October 15, 2017

কম্পিউটারের বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি চলছে... [Tech Mitun]

কম্পিউটারের বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি চলছে... [Tech Mitun]

ভর্তি চলছে.....ভর্তি চলছে.....ভর্তি চলছে
কম্পিউটারের বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি চলছে...
মাত্র ৩০ দিনে কম্পিউটার শিখুন...!
#মা_স্টুডিও_সন্দ্বীপ
Ma Studio Sandwip
আমাদের কোর্স সমূহ:
১) মাইক্রোসপ্ট ওয়ার্ড। ১,২০০/=
২) এডোবি ফটোশপ। ১,৩০০/=
৩) গ্রাফিক্স ডিজাইন। ১,৫০০/=
৪) ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। ১,০০০/=
৫) ওয়েব ডিজাইন। ২,০০০/=
6) ভিডিও এডিটিং। ২০০০/=


বি:দ্র: আপনাকে এস.এস.সি পাশ হতে হবে।
এবং ভর্তি হওয়ার সময় আপনাকে অবশ্যই ১কপি জন্ম সনদ ১কপি এস.এস,সি সার্টিফিকেট ও ১কপি ছবি জমা দিতে হবে।
কোর্সের শেষে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা উর্ওীন ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।


যোগাযোগের ঠিকানা: মা স্টুডিও সন্দ্বীপ। নতুন বাজার,আকবর হাটের, পশ্চিম মাথায়, ৩ রাস্তার মোড়।
মোবাইল: 01839244246 (মিটুন)
ইমেল: Mastudiosandwip@gmail.com
ওয়েব সাইট: Tech Mitun
ফেইসবুক ফেইজ : www.fb.com/TechMitun
ইউটিউব: 
Tech Mitun_(টেক মিটুন)
ধন্যবাদ।
তাছাড়া ও কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল এর যেকোন সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকি...!!!
আপনার কম্পিউটারে হার্ডওয়্যারের সমস্যা নাকি সফটওয়্যারের সমস্যা? [Tech Mitun]

আপনার কম্পিউটারে হার্ডওয়্যারের সমস্যা নাকি সফটওয়্যারের সমস্যা? [Tech Mitun]

জকের দিনে কম্পিউটার এমন একটি মেশিন/যন্ত্র, যাকে ছাড়া এক মুহূর্তও কল্পনা করা যায় না। আর আপনি যদি একজন কম্পিউটার গুরু হোন, তো নিঃসন্দেহে প্রতিদিন ১৫ ঘণ্টা আপনার কম্পিউটারের সাথেই কাটে। আর এতো গুরুত্বপূর্ণ এই যন্ত্রটিতে যখন কোন সমস্যা দেখা দেয়, এর চেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার আর কিছু হতে পারে না (অন্তত আমার কাছে)। কিন্তু আরো মুশকিলের ব্যাপার এসে দাঁড়াতে পারে, এটা নির্ণয় করতে, কম্পিউটারটি হার্ডওয়্যার জনিত কারণে সমস্যা করছে, নাকি সফটওয়্যার থেকে সমস্যাটির সৃষ্টি হয়েছে? —কারণ বেশিরভাগ সময় সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার জনিত সমস্যার একই ফলাফল হতে পারে, তাই এটা ঠিকঠাক নির্ণয় করা অনেক কঠিন ব্যাপার হিসেবে প্রমাণিত হয়। এই আর্টিকেল থেকে আপনাকে কিছু নির্দেশ শেয়ার করার চেষ্টা করবো, যার মাধ্যমে আপনি সঠিক সমস্যাটি নির্ণয় করতে সক্ষম হবেন।

স্লো কম্পিউটার

কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়া—আমার মতে প্রায় বেশিরভাগ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে একটি কমন সমস্যা। হার্ডওয়্যার জনিত কারণে, আপনার কম্পিউটারটি হয়তো অন্যের কম্পিউটার থেকে স্লো মনে হতে পারে, কিন্তু আপনার কম্পিউটার সাধারন স্পীড থেকে স্লো হয়ে গেলে সেটা সবসময় সফটওয়্যারেরই সমস্যা হয়। বেশিরভাগ সময়, আপনার কম্পিউটারের ক্ষমতার চেয়ে বেশি সফটওয়্যার ইন্সটল করলে এবং স্টার্টআপে (কম্পিউটার বুট নেওয়ার সাথে সাথে যে প্রোগ্রাম গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে রান হয়ে যায়) অনেক প্রোগ্রাম এড করে রাখলে, আপনার কম্পিউটার স্লো হয়ে পড়তে পারে।
আবার বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার দ্বারা আপনার কম্পিউটারটি আক্রান্ত হয়ে পড়ার কারণেও আপনার কম্পিউটারটি স্লো হয়ে যেতে পারে। ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার গুলো অঝথা ব্যাকগ্রাউন্ডে রান হয়ে থাকে এবং কম্পিউটার থেকে রিসোর্স নষ্ট করে। তাছাড়া হতে পারে, হ্যাকার আপনার পিসিতে ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার ইন্সটল করিয়ে আপনার কম্পিউটারকে বটনেট হিসেবে ব্যবহার করছে, মানে আপনার কম্পিউটারকে হ্যাকার নিজের মতো করে ব্যবহার করছে, ফলে আপনি কাজ করতে গিয়ে আর স্পীড পাচ্ছেন  না।
আগেই বললাম, হার্ডওয়্যার সমস্যা থেকে খুব কম সময়ই কম্পিউটার স্লো হতে পারে। তবে আপনার কম্পিউটার সিপিইউ যদি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, তাহলে সিপিইউ তার সিস্টেমকে ঠাণ্ডা করার জন্য স্পীড নিজে থেকেই ডাউনক্লক করে নেবে, আর ফলে কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে, সেটা হার্ডওয়্যার জনিত কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করা যাবে। —তাছাড়া সাধারনত হার্ডওয়্যার থেকে কম্পিউটার স্লো হয়না।

ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ

আজকের দিনের কম্পিউটার গুলোর সাথে সাথে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমও অনেক উন্নতি পেয়েছে। যদি কথা বলি, উইন্ডোজ ১০ নিয়ে, যেটা বর্তমানের সবচাইতে লেটেস্ট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, এটা আগের সকল উইন্ডোজ ভার্সন গুলো থেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য। তাছাড়া আজকের হার্ডওয়্যার গুলো তৈরির পদ্ধতিও পরিবর্তন হয়েছে, সাথে হার্ডওয়্যার ড্রাইভার গুলোর জন্যও করা হয় উচ্চমানের প্রোগ্রামিং—যাতে হার্ডওয়্যার গুলো বিন্দু মাত্র সমস্যা ছাড়া অপারেটিং সিস্টেমের সাথে কাজ করতে পারে। তাই স্বাভাবিকভাবে এখন আর উইন্ডোজে ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ (Blue Screens of Death) খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়।
ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ হলো একটি অনাকাঙ্ক্ষিত নীল স্ক্রীন আলার্ট, যখন উইন্ডোজ কোন ক্রিটিক্যাল সমস্যায় পড়ে এবং সেটা রিকভার করতে পারে না, সাধারনত তখনই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। আপনার কম্পিউটার চলতে চলতে যেকোনো মুহূর্তে হঠাৎ করে হ্যাং হয়ে যায় এবং একটি নীল স্ক্রীন প্রদর্শন করে, যেখানে একেক সময় একেক এরর ম্যাসেজ শো করতে পারে, তারপরে আপনার কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট হয়ে যায়।
মনে রাখবেন, বেশিরভাগ সময়ই এই সমস্যা আপনার কম্পিউটার হার্ডওয়্যার জনিত কারণে ঘটে থাকবে। তাছাড়া গরিবভাবে প্রোগ্রাম করা হার্ডওয়্যার ড্রাইভারের জন্যও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে যখনই এই ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে, এর সাথে এটি কেন আসলো তার এরর ম্যাসেজও প্রদর্শিত করে, এরর ম্যাসেজটি দ্বারা গুগল করে আপনি কারণটি জানতে পারবেন। তাছাড়া যদি আপনার কম্পিউটারে বারবার এই সমস্যা দেখাতেই থাকে, তবে সম্পূর্ণ উইন্ডোজ রি-ইন্সটল করুণ, এবং লেটেস্ট হার্ডওয়্যার ড্রাইভার ইন্সটল করুণ। তারপরেও যদি এই সমস্যা না দূর হয়, তবে নিশ্চিত থাকুন এটা আর কোন সফটওয়্যার সমস্যা নয়, আপনার কম্পিউটার হার্ডওয়্যার থেকেই সমস্যাটির সৃষ্টি হচ্ছে।

বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ফেইল থেকে সৃষ্ট সমস্যা


#হার্ডড্রাইভ; মনে রাখবেন, আপনার কম্পিউটারের যখন হার্ডওয়্যার ফেইল করবে, সেটা থেকে তৎক্ষণাৎ সমস্যার সৃষ্টি ঘটবে। যেমন হঠাৎ আপনার কম্পিউটার অফ হয়ে যাবে আর অন হতে চাইবে না, বা ডিভিডি রমের সমস্যা হলে, কোন ডিভিডি সাপোর্টই করবে না। কিন্তু সফটওয়্যার প্রবলেম সাধারনত অনেক দের পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায়। যেমন- আপনার কম্পিউটার ধীরেধীরে স্লো হয়ে যাচ্ছে, দিনের দিনের পর বেশি বেশি করে কম্পিউটার রিস্টার্ট নিচ্ছে, ইত্যাদি। আপনার কম্পিউটারে হার্ডড্রাইভ ফেইল করলে, বিশেষ করে ফাইল গুলো করাপ্টেড হয়ে যাবে এবং কোন ফোল্ডার বা ফাইল ওপেন করতে বা হার্ডড্রাইভ অ্যাক্সেস করতে অনেক সময় লেগে যাবে। আবার ক্রিটিক্যালভাবে হার্ডড্রাইভ ফেইল করলে কম্পিউটার বুটই নিতে চাইবে না—কেনোনা অপারেটিং সিস্টেম ফিজিক্যালি হার্ডড্রাইভেই থাকে।
#প্রসেসর; আপনার কম্পিউটার প্রসেসর বা সিপিইউ যদি কোন কারণে ফেইল করে—নিঃসন্দেহে আপনার কম্পিউটার বুট নেবে না। তবে যদি সিপিইউতে কোন সমস্যা দেখা দেয়, যেমন- সিপিইউ ওভার হিটিং প্রবলেম, তবে কম্পিউটার স্লো কাজ করতে পারে, কেনোনা সিপিইউ সিস্টেমকে ঠাণ্ডা রাখতে নিজের পারফর্মেন্স কমিয়ে দেবে। সিপিইউ এর উপর ওভারলোড দেওয়া হলে বিশেষ করে সিপিইউ ওভারহিট জেনারেট করতে পারে। যেমন- ভারি গেমিং করলে, ভিডিও বা ৩ডি গ্রাফিক্স রেন্ডার করার সময় সিপিইউ ওভারহিট হয়ে যেতে পারে, এতে কম্পিউটার স্লো হয়ে যায়।
#র‍্যাম; র‍্যাম ফেইল করলে বারবার কম্পিউটারে ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ প্রদর্শিত করতে পারে। তাছাড়া র‍্যাম ফেইল করার মাধ্যমে, এটি ঠিকঠাক মতো ডাটা প্রসেসরকে সরবরাহ করা থেকে ব্যর্থ হতে পারে, ফলে আপনার কম্পিউটার সিস্টেমটি সম্পূর্ণভাবে কাজ করা থেকে বিরত হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া ঘনঘন অ্যাপ্লিকেশন ক্র্যাশ করা, অ্যাপ্লিকেশন হ্যাং হয়ে যাওয়া, ঠিকঠাক মতো সফটওয়্যার রান না হতে পারা—এই সমস্যা গুলো র‍্যামের ফেইল হওয়ার কারণে ঘটতে পারে।
#জিপিইউ; জিপিইউ বা গ্রাফিক্স কার্ড, আপনার কম্পিউটারের সকল গ্রাফিক্সকে হান্ডেল করে। এতে সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণে আপনার ডেক্সটপ হ্যাং হয়ে যেতে পারে, গেম হ্যাং হয়ে যেতে পারে, ভিডিও এনকোডিং এ এরর হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া গ্রাফিক্স ড্রাইভারকে ক্র্যাশ করে দিতে পারে, এতে ডেক্সটপ স্ক্রীন ব্ল্যাক হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া জিপিইউ ওভারহিটিং হওয়ার ফলে গেমে আটকা আটকি নজরে আসতে পারে।
#ফান; আপনার কম্পিউটারের ফান কোন কারণে কাজ করা বন্ধ করে দিলে, সিস্টেম সহজেই ওভারহিট হয়ে যাবে, ফলে পারফর্মেন্স ডাউন হবে। সিপিইউ, জিপিইউ ওভারহিট হলে উপরের বর্ণিত সমস্যা গুলোর সৃষ্টি হতে পারে, তাছাড়া অত্যাধিক ওভারহিটিং প্রবলেম কম্পিউটারের যেকোনো হার্ডওয়্যার ইউনিটকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে। এমনকি আপনার কম্পিউটার চিকেন তান্দুরিতেও পরিণত হতে পারে।
#মাদারবোর্ড; যেহেতু আপনার সম্পূর্ণ সিস্টেমটিই মাদারবোর্ডের উপর বসানো থাকে, তাই এটি ফেইল হলে আপনার কম্পিউটারের ক্রিটিক্যাল ড্যামেজ দেখা দিতে পারে। প্রথমত আপনার কম্পিউটারে ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ প্রদর্শিত করতে পারে। তারপরে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অফ/অন/রিস্টার্ট প্রবলেম দেখা দিতে পারে এবং বারবার এটি ঘটতেই থাকছে, এমনটা হতে পারে। তাছাড়া আপনার কম্পিউটার থেকে পোড়া গন্ধ বেড় হতে পারে, এবং যেকোনো হার্ডওয়্যার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আপনি যদি দেখতে পান, একে একে আপনার সকল হার্ডওয়্যার গুলো ড্যামেজ হয়ে যাচ্ছে, তবে হতে পারে সেটা মাদারবোর্ড প্রবলেম।
#পাওয়ার সাপ্লাই; পাওয়ার সাপ্লাই ফেইল করার কারণে আপনার কম্পিউটার পুড়ে কাবাবে পরিণত হতে পারে। ত্রুটি যুক্ত পাওয়ার সাপ্লাই আপনার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারে ওভার ভোল্টেজ সরবরাহ করতে পারে, ফলে সব পার্টস পুড়ে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সিদ্ধান্ত

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে আপনার নিশ্চয় মোটামুটি ভালো ধারণা হয়ে গেছে, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারে কি কি ধরনের সমস্যা ঘটাতে পারে। তবে কিছু কিছু সমস্যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উভয় কারনেই ঘটতে পারে, যেমন ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ। তাহলে কিভাবে বুঝবেন, কার সমস্যা?
প্রথমে আপনার কম্পিউটারটির ডাটা ব্যাকআপ করে নিন, এবং উইন্ডোজ রি-ইন্সটল করুণ। উইন্ডোজ ফ্রেস ইন্সটল করার পরে আগের হার্ডওয়্যার ড্রাইভার গুলো ইন্সটল না করায় ভালো, নতুন আপডেটেড ড্রাইভার ডাউনলোড করুণ এবং আপনার সিস্টেমে ইন্সটল করুণ। সাথে কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার স্ক্যান করুণ, দেখুন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। এবার লক্ষ্য করুণ, আগের সমস্যা গুলো পুনরায় ঘটছে কিনা। যদি আপনার কম্পিউটার এই পর্যায়ে এসে ঠিক হয়ে যায়, তবে অবশ্যই এতে সফটওয়্যারের জন্য সমস্যা ছিল, কিন্তু যদি এখনো আগের সমস্যা গুলো থেকেই যায় তাহলে এখানে সফটওয়্যারের আর কোন সমস্যা নেই। তাহলে অবশ্যই আপনার সিস্টেমে হার্ডওয়্যার প্রবলেম দেখা দিয়েছে। আর সমস্যা দূর করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই হার্ডওয়্যার রিপ্লেস বা আর না হলে কম্পিউটার ফিক্স করতে হবে।

শেষ কথা

আশা করছি এই আর্টিকেল পড়ার পরে আপনার কম্পিউটারের সাথে কি ধরনের প্রবলেম হচ্ছে, সেটা নির্ণয় করা অনেকটা সহজ ব্যাপার হবে, যদিও এখানে এ-জেড বিষয় গুলো আলোচনা করা সম্ভব হয় নি, তারপরেও আপনার মোটামুটি ধারণার পাওয়ার জন্য যথেষ্ট আলোচনা করা হয়েছে। তারপরেও আপনি যদি এমন কোন কম্পিউটার সমস্যায় ভোগেন, যেটা ঠিকঠাক নির্ণয় করতে পারছেন না, তাহলে নিচে টিউমেন্ট করতে পারেন। আমি আপনার সমস্যা নির্ণয় করতে এবং সমস্যার সমধান করতে আপনাকে সাহায্য করবো।
Any Help 01839244246

 

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]


অনেক সময় আমাদের কম্পিউটার খুব slow কাজ করে। আর সেটা খুব বিরক্তিকর লাগে।তবে এই বিরক্তি দূর করার জন্য আছে কিছু টিপস।ভাবছেন আমি মজা করছি,না আমি মজা করসি না।তাহলে কেন বিরক্তি দূর করার টিপস বললাম?এটাই হয়তো চিন্তা করছেন।আপনার slow কম্পিউটারকে যদি একটু fast করা যায় তাহলে কি আপনার বিরক্তি দূর হবে না?আশা করি হবে।তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার এর speed বাড়ানোর কিছু টিপস…
টিপসঃ
  1. ১। কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
  2. ২। Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন।অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
  3. ৩। কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।
  4. ৪। কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন।Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন। 

Thursday, January 12, 2017

যখন ল্যাপটপের কি–বোর্ড কাজ করে না ।কি করবেন দেখে নিন । [Tech Mitun]

যখন ল্যাপটপের কি–বোর্ড কাজ করে না ।কি করবেন দেখে নিন । [Tech Mitun]

ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের বড় সমস্যা হঠাৎ কি-বোর্ড কাজ না করা। যন্ত্রাংশ বা সফটওয়্যারের কারণে কি-বোর্ড কাজ করতে চায় না কখনো কখনো। কিন্তু কি-বোর্ডে কখনো বেশি চাপ পড়লে বা অসাবধানতায় এর ওপর তরল পদার্থ পড়লে কি-গুলো শর্ট হয়ে যায়। তবে যন্ত্রাংশের বড় ধরনের সমস্যা না হলে কিছু পদক্ষেপ নিলে ল্যাপটপের কি-বোর্ডকে আবার কার্যকর করা যায়।

যা করবেন
ডিভাইস সফটওয়্যার চেক: স্টার্ট মেন্যুতে devmgmt.msc লিখুন। ডিভাইস ম্যানেজার এলে তাতে ক্লিক করে খুলুন। অনেক সময় হার্ডওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড ড্রাইভ এখানে লুকিয়ে থাকে। তাই ডিভাইস ম্যানেজারের View মেন্যুতে ক্লিক করে Show hidden devices-এ ক্লিক করুন। এবার এই তালিকার Keyboards এ ডবল ক্লিক করলে আপনার ল্যাপটপের ডিভাইসের নাম দেখতে পাবেন। এখানে হলুদ ত্রিভুজের মধ্যে বিস্ময়বোধক চিহ্ন দেখা গেলে ল্যাপটপ নির্মাতার ওয়েবসাইটে গিয়ে ল্যাপটপের মডেল দিয়ে ড্রাইভার খুঁজে নিয়ে তার সর্বশেষ সংস্করণ নামিয়ে ব্যবহার করলে কি-বোর্ড সচল হয়ে যাবে। না হলে কি-বোর্ড ড্রাইভারে ডান ক্লিক করে Uninstall-এ ক্লিক করুন। আনইনস্টল শেষে Action মেন্যুতে ক্লিক করে Scan for hardware changes এ ক্লিক করুন। এবার কম্পিউটার আবার চালু (রি-স্টার্ট) করুন তাহলে কি-বোর্ড পুনরায় ইনস্টল হয়ে আবার কাজের উপযোগী হবে।
বায়োস সেটিংস: কম্পিউটার রি-স্টার্ট করে কি-বোডের্র Esc চেপে ধরে থাকুন। যদি স্টার্ট-আপ মেন্যু না আসে তাহলে বুঝতে হবে কি-বোডের্র হার্ডওয়্যার সমস্যা। সে জন্য এক্সটার্নাল কি-বোর্ড লাগিয়ে নিয়ে আবার Esc key চেপে ধরে রাখুন স্টার্ট-আপ মেন্যুর পর্দা আসা পর্যন্ত। এইচপির ল্যাপটপের জন্য স্টার্ট-আপ মেন্যু এলে F10 key চেপে বায়োসে (অন্য ব্র্যান্ড ব্যবহারকারীরা তাদের ল্যাপটপের বায়োস কি চেপে) ঢুকুন। এবার F5 চাপলে load the default settings করুন। F10 কি চাপলে সেটিংস সেভ হয়ে কম্পিউটার পুনরায় চালু করলে অনেক সময় কি-বোর্ড ঠিক হয়ে যায়। এ ছাড়াও সফটওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড কাজ না করলে উইন্ডোজের সিস্টেম রিস্টোর করে দেখতে পারেন। অনেক সময় তৃতীয় পক্ষের কিছু সফটওয়্যারের জন্য কি-বোর্ড কাজ করে না। তাই জেনে-বুঝে সফটওয়্যার ইনস্টল করুন প্রয়োজনে ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটার স্ক্যান করে নিন। আবার কি-বোর্ডের ভেতর ময়লা জমে গেলে কি আর কাজ করে না। তাই ল্যাপটপ বন্ধ অবস্থায় কি-গুলোকে ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে দেখতে পারেন। প্রয়োজনে উইন্ডোজের অন-স্ক্রিন কি-বোর্ড ব্যবহার করতে পারেন।

Friday, January 6, 2017

হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান [Tech Mitun]

হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান [Tech Mitun]


আপনার হার্ডডিস্কটি যে কোনো সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা ত্রুটি দেখা দিতে পারে। ছোটখাট ত্রুটিগুলো আপনি যেকোনো Disk First Aid Tool Kit দিয়ে সেরে নিতে পারেন। তবে বড় আকারের কোনো ত্রুটি হলে সেটাকে কোনো ক্রমেই মেরামত করা যায় না। সেই স্থলে একটা নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হয়।
আপনার হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলে কম্পিউটার চালানোর সময় ডস প্রম্পটে নিচের লেখা দিতে পারেঃ NO SYSTEM DISK IS FOUND
অর্থাৎ, আপনার কম্পিউটার চালানোর জন্যে সিস্টেম ডিস্কটি খুঁজে পাচ্ছে না সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ। অবশ্য, সবসময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেই যে এই ধরনের মেসেজ দিবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় ডসে কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে। তাছাড়া আপনার Ram স্লটে কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা পাওয়ার ইউনিটে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্কের কেবল ঠিকমতো লাগানো না থাকলে বা ঠিলা হয়ে থাকলে এইধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
আপনার হার্ডডিস্কে সত্যিকার অর্থে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আপনাকে আরো একটু সতর্ক হতে হবে।

কম্পিউটারের স্টার্ট সুইচ চাপ দিয়ে যখন কম্পিউটার চালু হতে থাকবে তখন সিস্টেম ইউনিটের কাছে আপনার কান নিয়ে যান।
হার্ডডিস্কে বড়ো আকারের কোনো সমস্যা থাকলে এইসময় “ঢং ঢং, টিট টিট, পিপ পিপ” এই ধরনের কিছু ব্যড সাউন্ড হবে। এছাড়া ফ্লেক্সিবল ঘূর্ণায়মান ঝির ঝির শব্দ থেমে থেমে হতে পারে। এমনটি ঘটলে বুঝে নিতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বড় আকারের কোনো ত্রুটি দেখা দিয়েছে।

যদি এমনটি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারের সমস্যা অন্য কোনো জায়গায়। এই অবস্থায় আপনার সিস্টেম ইউনিট বাক্সটা খুলে হার্ডডিস্কে কেবলগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা চেক করে নিন। Ram স্লটগুলো ঠিক জায়গা মতো আছে কিনা চেক করে নিন। পাওয়ার কানেকশন ঠিকমতো মাদারবোর্ডে আছে কিনা চেক করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারপর বক্সটির কভার লাগিয়ে সিপিইউ এর সুইচ অন করুন।
আশাকরি এবার আপনার কম্পিউটার ঠিকঠাক মতো অন হয়ে যাবে। এটা না হলে বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা আছে। এইসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় অন্যকোন অ্যাকটিভ কম্টিউটারে আপনার হার্ডডিস্ক সেট করে চেক করে নেয়া- এটা সত্যি নষ্ট হয়েছে কিনা।
যদি সত্যি সত্যি তা নষ্ট হয়ে থাকে তবে সেটা পাল্টে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
পাওয়ার সাপ্লাইটা কি ঠিক আছে [Tech Mitun]

পাওয়ার সাপ্লাইটা কি ঠিক আছে [Tech Mitun]

  • পিসিতে পাওয়ার না আসা।
  • পাওয়ার সাপ্লাই এর ফ্যান ঘোরে কিন্তু কোন কাজ হয় না।
  • প্রসেসরের ফ্যান ঘোরে কিন্তু কোন কাজ হয় না।
  • পিসি মাঝে মাঝে রির্স্টাট হয়
    মাদারবোর্ডের লাইট জ্বলে কিন্তু পাওয়ার সাপ্লাই ও প্রসেসরের ফ্যান ঘোরে না।
  • পিসির কাছ থেকে কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যায়না।

    বাড়িয়ে নিন আপনার কম্পিউটারের গতি                 

    পরিস্কার এর মাধ্যমে পিসির কাজ কে আরো দ্রুত করে।

  ল্যান কাডের সমস্যা সমাধান  [Tech Mitun]

ল্যান কাডের সমস্যা সমাধান [Tech Mitun]

১. ল্যান কাডের ভিতরের সোনালী নচ এর ভিতরে ইনসুলেশন থাকতে পারে। চিকন স্ক্র-ড্রাইভার দিয়ে সুক্ষভাবে নচ গুলো পরিষ্কার করুন।
২. ল্যান কাডটি অন্য একটি ভালো পিসিতে লাগিয়ে সিউর হয়ে নিন ল্যান কাড ঠিক আছে কিনা।
৩. যদি ঠিক থাকে, তবে অন্য একটি পিসিআই স্লটে বসিয়ে দেখতে পারেন।
৪.  বায়োসের ব্যাটারী চেঞ্জ করুন এবং বায়োসকে ডিফোল্ট সেটআপ করুন।
সফটওয়্যার জানিত সমস্যার সমাধান:
১. মাই নেটওয়ারক প্লেস এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপারটিস এ ক্লিক করুন। যদি ল্যান কারড সো না করে তবে ডিভাইজ ম্যানেজার থেকে নেটওয়ারক এডাপ্টার এ নেটওয়ারক কাড এ যদি ল্যান কারড এর কোনো সিম্বল শো করে কিনা দেখুন। নেটওয়ারক এডাপ্টার এ রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপারটিজ এ ক্লিক করুন। ড্রাইভার ট্যাবে ক্লিক করে আপগেড ড্রাইভার এ ক্লিক করে ড্রাইভার আপগ্রেড করে নিন।
RAM সমস্যা ওমাধান [Tech Mitun]

RAM সমস্যা ওমাধান [Tech Mitun]

অন্য একটি Ram স্লট লাগিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা।
Ram স্লট খোলার জন্যে আপনি আপনার দুই হাত ব্যবহার করবেন। দুই হাতের তর্জনী আঙুলের সাহায্যে Ram স্লটের দুইপাশের ক্লিপে চাপ দিন। Ram স্লট সুন্দরভাবে খুলে আসবে।
ত্রুটিপূর্ণ Ram সিপিউতে লাগিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারেণ Ram স্লটের দাম খুব একটা বেশি না। সুতরাং কোনো Ram ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে বুঝতে পারার সাথে সাথে সেটি বদলে ফেলাই ভালো। নতুবা, পরবর্তীতে এর প্রভাব পড়তে পারে আপনার দামী মাদারবোর্ডে। কিংবা অন্য কোনো যন্ত্রাংশের উপর।
হার্ডডিস্ক সমস্যা ও সমাধান [Tech Mitun]

হার্ডডিস্ক সমস্যা ও সমাধান [Tech Mitun]

 
সবসময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেই যে এই ধরনের মেসেজ দিবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় ডসে কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে। তাছাড়া আপনার Ram স্লটে কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা পাওয়ার ইউনিটে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্কের কেবল ঠিকমতো লাগানো না থাকলে বা ঠিলা হয়ে থাকলে এইধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
আপনার হার্ডডিস্কে সত্যিকার অর্থে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আপনাকে আরো একটু সতর্ক হতে হবে।
কম্পিউটারের স্টার্ট সুইচ চাপ দিয়ে যখন কম্পিউটার চালু হতে থাকবে তখন সিস্টেম ইউনিটের কাছে আপনার কান নিয়ে যান।যদি এমনটি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারের সমস্যা অন্য কোনো জায়গায়। এই অবস্থায় আপনার সিস্টেম ইউনিট বাক্সটা খুলে হার্ডডিস্কে কেবলগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা চেক করে নিন। Ram স্লটগুলো ঠিক জায়গা মতো আছে কিনা চেক করে নিন। পাওয়ার কানেকশন ঠিকমতো মাদারবোর্ডে আছে কিনা চেক করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারপর বক্সটির কভার লাগিয়ে সিপিইউ এর সুইচ অন করুন।
 XP তে Fax সেটআপ করা [Tech Mitun]

XP তে Fax সেটআপ করা [Tech Mitun]


যারা windows xp ব্যবহার করেন তারা শুধুমাত্র একটি Fax modem এর মাধ্যেম কম্পিউটারে Fax এর সুবিধা গ্রহন করতে পারেন। প্রথমে আপনার কম্পিউটারে Fax modem আছে কিনা নিশ্চিত হউন। না থাকেল নতুন Fax modem ( সেটি যে কোন কোম্পানীর হতে পারে।) আপনার কম্পিউটারে সেটআপ করে নিন। এবার Start > Printer and Fax এ ক্লিক করে Printer and Fax window চালু করেন। window এর ডান কোণার কমন টাস্ক মেনু স্লাইড বার হতে Setup Faxing এ ক্লিক করেন। এই অবস্থায়  windows xp এর সেটআট ডিস্ক চাইবে। windows xp এর সিডিটি রমড্রাইভে প্রবেশ করান। কিছুক্ষনের মধেই Fax আইকন দেখা যাবে। এবার Fax আইকনে ডাবল ক্লিক করুন।
welcome Fax configuration window হতে Next এ ক্লিক করুন। Select informatiom  হতে আপনার প্রয়োনীয় তথ্য গুলি টাইপ করে Next এ ক্লিক করুন। অতপর Finish এ ক্লিক করুন। Windows security Alert হতে Unblock  ক্লিক করুন । Fax করার জন্য এবার যে কোন প্রোগাম হতে Print command দিন এবং printer name drop down box হতে Fax select করে OK বাটনে ক্লিক করুন। আর Fax Recive অটোমেটিক ভাবে কল আসেল হয়ে যাবে।
ল্যাপটপ টিপস [Tech Mitun]

ল্যাপটপ টিপস [Tech Mitun]


  • ব্যাটারীতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
  • দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন
  • মাঝে মাঝে ব্যাটারীর কানেক্টর লাইন পরিস্কার করুন।
  • হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারন সিডি/ডিভিডি রম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
  • এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করে এমন ভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।
  • সাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
  • ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন
  • ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। তবে অবশ্যই নরটন এন্টিভাইরাস না, কারন সিস্টেমকে অনেক স্লো করে।
  • হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ এর মেইনটিনেন্স কোন কাজ করবেন না।
  • ব্যাটারী দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারী থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারী আয়ু  কমে যাবে।
  •  অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
  •  মাঝে মাঝে মেমরী ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimizer, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram,
  •  নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
  •  আপাতত দরকার নাই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।