Showing posts with label Windows 10. Show all posts
Showing posts with label Windows 10. Show all posts

Wednesday, August 29, 2018

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় সফটওয়ার সম্পর্কে জেনে নিন।

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় সফটওয়ার সম্পর্কে জেনে নিন।

আজ জেনে নিবো কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়ারের নাম। বিশেষ করে নতুন হিসাবে মনে অনেক প্রশ্ন থাকে যে, আপনি কোন কাজের জন্য কোন সফটওয়ার ব্যবহার করবেন। তাই চলুন দেরি না করে জেনে নেই কোন কাজের জন্য আমরা কোন সফটওয়ার ব্যবহার করবো।
ড্রাইভার সফটওয়ার সমূহঃ
প্রথমেই আপনার কম্পিউটারে ইউন্ডোজ দেওয়ার পর আপনাকে কিছু ড্রাইভার ইনষ্টল করতে হবে। তার মধ্যে রয়েছে Graphics Driver, Audio Driver, LAN Driver, WLAN Driver, Camera Driver, Bluetooth Driver. যেহেতু এক এক ধরনের পিসি অনুযায়ী এক এক ধরনের ড্রাইভার হয় তাই কোন ড্রাইভারের লিংক দিতে পারছি না। তবে আপনি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেনো, আপনার প্রয়োজনীয় ড্রাইভার এর সফটওয়ারগুলি আপনার কাছে সংরক্ষিত থাকে। কারন আপনি যখনই নতুন করে উইন্ডোজ সেটাপ করবেন তখনই আপনার নতুন করে সকল ড্রাইভারগুলি ইনষ্টল করতে হবে।

অফিসিয়াল সফটওয়ারঃ

বিশেষ করে লেখালেখি করা জন্য ও হিসাব নিকাশ করার জন্য আমরা যে সকল সফটওয়ার ব্যবহার করবো সেগুলি হলোঃ
Microsoft World: এইটা হলো সাধারনত লেখালেখি করার সফটওয়ার। লেখালেখি করার জন্য এই সফটওয়ার ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন পেজ এ লিখে তা কাগজে প্রিণ্ট করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করা হয়।
Microsoft Excel: গানিতিক হিসাব নিকাশ করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
Microsoft Powerpoint: প্রেজেন্টেশন তৈরি করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করা হয়। স্লাইডশো করার জন্য এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার।

VLC Media Player: এটি হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় মিডিয়া প্লেয়ার। আমি এই প্লেয়ারটি ব্যবহার করি। Mp3, mp4, mpeg, avi, mkv ফাইলসমূহ প্লে করার জন্য এই প্লেয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয়।
Download Link:  http://www.videolan.org/vlc/index.html

ওয়েব ব্রাউজারঃ

Google Chrome: গুগল ক্রোম হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। গুগলের প্রোডাক্ট যেহেতু আর কোন কথা বলার প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ব্রাউজারটি ব্যবহার করি সবসময়। আমার পছন্দের ব্রাউজার।
Download Link: https://www.google.com/chrome/
Mozila Firefox: Mozila ফায়ারফক্স হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার গুলির মধ্যে একটি। আপনি যদি কোন কারনে গুগল ক্রোম ব্যবহার না করেন তবে আপনি মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করবেন।
Download Link: https://www.mozilla.org/en-US/firefox/new/
তবে আমি মনে করি না নতুন ব্যবহারকারী হিসাবে আপনার অন্য কোন ব্রাউজার দরকার আছে। আমার মনে হয় যে, এই দুইটি এ যথেষ্ট।

ডিজাইনিং রিলেটেড সফটওয়ারঃ

Adobe Photoshop: এডোবি ফটোশপ হচ্ছে বিশ্বের এক নাম্বার গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সফটওয়ার। যা দিয়ে আপনি Photo Retouching, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সহ যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।
Adobe Illustrator: এডোবি ফটোশপের সাথে আপনার দরকার হবে Adobe Illustrator. যা দিয়ে আপনি ভেক্টর বেসড কাজ করতে পারবেন।
Adobe Premier Pro: ভিডিও ইডিটিং করার জন্য আপনার দরকার হবে এডোবি প্রিমিয়ার প্রো। এটি মূলত ভিডিও ইডিটিং সফটওয়ার।
Adobe After Effects: ইফেক্ট তৈরি করার জন্য এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার।
প্রাপ্তিস্থানঃ আপনি বাজারের যে কোন কম্পিউটারের দোকানে গেলে Adobe Master Collection নামে সিডি পাবেন। সেখান থেকে ঠিকঠাকমতো ইনষ্টল করলে আপনার ঝামেলা শেষ।

অন্যান্য প্রয়োজনীয় সফওয়ারের বর্ননাঃ

Net Speed Monitor: আপনার কম্পিউটারে কি পরিমান ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে তা এই সফটওয়ারের মাধ্যমে আপনি দেখে নিতে পারবেন। অত্যন্ত কাজের সফটওয়ার এটি।
Download Link:
https://netspeedmonitor.en.softonic.com/ (32 bit)
https://netspeedmonitor64.en.softonic.com/  (64 bit)
PostImage: এটি হলো কম্পিউটারের স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় সফটওয়ার। এই সফটওয়ারের বিভিন্ন সুবিধা থাকার কারনে আমি ব্যক্তিগত ভাবে এটি ব্যবহার করি।
Download Link: https://postimage.org/app.php
Winrar: আপনার যে কোন .zip ফাইলকে এক্সট্রাক্ট করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। যে কোন ফাইলকে আপনি চাইলে .zip ফাইল বানাতেও পারবেন এটি দিয়ে।
Download Link: http://www.win-rar.com/start.html?&L=0
Audacity: এটি হলো আপনার সবচেয়ে ভালো সাউন্ড রেকর্ডার। আপনি যদি প্রফেশনাল ভয়েস রেকর্ড করতে চান তবে এটি সবচেয়ে ভালো সফটওয়ার।
Download Link: http://www.audacityteam.org/download/
Color Pic: আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বা ওয়েব ডিজাইনিং এ কাজ করে থাকেন তবে Color Pic হচ্ছে কালার নেওয়ার জন্য খুবই চমৎকার একটি সফওয়ার।
Download Link: https://www.iconico.com/colorpic/
Shareit: আপনার কম্পিউটার থেকে যদি আপনি আপনার স্মার্টফোনে কোন ফাইল পাঠাতে চান কিংবা আপনি যদি স্মার্টফোন থেকে আপনি কম্পিউটারে নিতে চান তবে এটি হলো বেশ জনপ্রিয় সফওয়ার।
Download link: http://filehippo.com/download_shareit/
Adobe Reader: PDF ফাইল সমূহ ওপেন করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার কর হয়।
Download Link: https://get.adobe.com/reader/
Avro Keyboard: আপনি যদি অভ্র দিয়ে বাংলা লিখতে চান তবে এই সফটওয়ার দিয়ে আপনি বাংলিশ ষ্টাইলে বাংলা লিখতে পারেন।
Download Link: https://www.omicronlab.com/avro-keyboard.html
Bijoy Ekushe: বিজয় কী বোর্ড দিয়ে যারা বাংলা লিখতে চান তাদের জন্য এই সফটওয়ার।
Download Link: http://www.bijoyekushe.net/html/ekuDownload.html
Camtasia: আপনি যদি ভিডিও রেকর্ড করতে চান  এবং হালকা ইডিটিং করে তা ব্যবহার করতে চান তবে এটি হলো অত্যন্ত সহজ ও বেশ কাজের একটি সফটওয়ার।
Download Link: https://www.techsmith.com/camtasia.html
CC Cleaner: আপনার কম্পিউটারে জমা হওয়া অপ্রয়োজনীয় ফাইল সমূহ ডিলিট করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন।
Download Link: http://filehippo.com/download_ccleaner
Internet Download Manager: এটি হলো ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার জন্য সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় সফটওয়ার।
Download Link: https://www.internetdownloadmanager.com/
Ease Video Joiner: আপনার যদি ইডিটিং সফটওয়ার ছাড়া দুইটি ভিডিও ফাইলকে একত্রিত করার দরকার হয় তাহলে এই সফওয়ারটি আপনার খুব বেশি সহজে তা করে দিবে।
Download Link: http://www.brothersoft.com/easy-video-joiner-14213.html
Easus Data Ricovery Sotware: আপনার ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইল পূনরায় ফিরে পাওয়ার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারবেন।
Download Link: http://www.easeus.com/datarecoverywizard/free-data-recovery-software.htm
Easus Partition Master: আপনার হার্ডডিস্কের যদি পার্টিশনে কোন পরিবর্তন করতে চান তাহলে এই সফটওয়ারটি আপনার জন্য খুব উপকারে আসবে।
Download Link: http://www.partition-tool.com/
Everything Search Engine: আপনার কম্পিটারের সকল ফাইলগুলিকে হাতের তুড়িতে খুজে বের করতে পারেন এই সফটওয়ারের মাধ্যমে। যদিও উইন্ডোজে একটা সার্চ করার অপশন থাকে তবও এটি ব্যবহার করলে মজা পাবেন।
Download Link: https://www.voidtools.com/
Fast Stone: আপনি যদি সহজে ভিডিও রেকর্ড করতে চান তাহলে এই সফটওয়ারটি বেশ কাজে দিবে। এটি খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
Download Link: http://www.faststone.org/FSCapturerDownload.htm

Hotspot sheild: আপনি যদি আপনার কম্পিটারের আইপি পরিবর্তন করতে চান তাহলে এই সফটওয়ারটি আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। এটি ফ্রি। তবে পেইড ভার্সন ও আছে।
Download Link: https://www.hotspotshield.com/
Multi Skype Launcher: যদি আপনার একসাথে একাধিক স্কাইপ একাউন্টে লগিন করার দরকার হয় তবে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন।
Download Link: http://multi-skype-launcher.com/
Open Broadcaster Software: আপনি যদি ফেসবুক বা অন্য কোন ওয়েব এপ্লিকেশনের মাধ্যমে আপনার স্ক্রিনকে লাইভ ব্রডকাষ্ট করতে চান তবে এ সফটওয়ারটি আপনাকে ব্যবহার করতে হবে।
Download Link: https://obsproject.com/
Skype: স্কাইপ হলো ভিডিও কলিং, ম্যাসেজিং ও অডিও কলিং  এর জন্য ইউন্ডেজ বেসড সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার।
Download Link: https://www.skype.com/en/
Team Viewer: দূরের কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য একটি চমংকার সফটওয়ার হলো Team Viewer. আপনি চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের সমস্যা সমাধান করে দিতে পারেন।
Download Link: https://www.teamviewer.com/en/
Utorrent: টরেন্ট ওয়েবসাইট থেকে টরেন্ড ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে এই সফটওয়ারের সাহায্য নিতে হবে। বেশ দারুন একটি সফওয়ার।
Download Link: http://www.utorrent.com/intl/en/
Viber: কম্পিউটারে যদি আপনি ভাইবার চালাতে চান তবে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারবেন।
Download Link: https://www.viber.com/en/products/windows

ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলাপারদের প্রয়োজনীয় সফটওয়ারঃ

Xampp: আপনার কম্পিউটারকে যদি আপনি একটি সার্ভার বানাতে চান তাহলে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি অনেক জনপ্রিয় একটি সফটওয়ার।
Download Link: https://www.apachefriends.org/index.html
Sublime Text 3: এক্সপার্ট কোডার দের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার হলো Sublime Text 3. Notepad++ দিয়ে শুরু করলেও আপনি এই সফটওয়ারটি দিয়ে আরো দ্রুত ও খুব সহজে কোডিং করতে পারবেন।
Download Link: https://www.sublimetext.com/3
Notepad++: এটি হলো একটি কোড ইডিটর। আপনি যদি কোডিং নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে  পারেন। নতুনদের জন্য অনেক চতৎকার একটি সফটওয়ার।
Download Link: https://notepad-plus-plus.org/download/v7.2.2.html
HTTrack: কোন HTML ওয়েবসাইটকে কপি করার জন্য এই সফওয়ারটি দারুন কাজে দেয়।
Download Link: https://www.httrack.com/page/2/en/index.html
File Zilla: আপনি যদি ওয়েবসাইট সম্পর্কিত কোন কাজ করেন এবং আপনার কম্পিউটার থেকে আপনার সার্ভারে ডাটা ট্রান্সফার করতে হয় তবে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সফওয়ার এ কাজটি করার জন্য।
Download Link: https://filezilla-project.org/
GrepWin: যদি আপনি যদি কোডিং এর কাজ করে থাকেন তাহলে এই সফটওয়ারটি আপনার অনেক সময় বাচিয়ে দিবে। আপনার কোন নির্দিষ্ট কোড আপনার ফোল্ডারের কোন ফাইলে এবং তা কত নাম্বার লাইনে আছে তা বুঝার জন্য আপনি এ সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি অত্যন্ত চমৎকার একটি সফওয়ার।
Download Link: https://sourceforge.net/projects/grepwin/

Friday, July 27, 2018

নিমিষেই উইন্ডোজ ৭ মেয়াদ নেই স্ক্রিন কালো দূর করুন এখনই

নিমিষেই উইন্ডোজ ৭ মেয়াদ নেই স্ক্রিন কালো দূর করুন এখনই


বকিছুই এখন হাতের নাগালে । প্রযুক্তির সাথে আপডেট থাকতে অনেকেই হয়ত উইন্ডোজ ৮/৮.১ ব্যবহার করছেন। কিন্তু এখনো বিশাল একটি সংখ্যা উইন্ডোজ এক্সপি অথবা সেভেন ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বলছি, ক’জন লোক বা সংস্থা অরিজিনাল বা ক্রয় করে মাইক্রোসফটের পণ্য বা অন্য যেকোন সফটওয়্যার ব্যবহার করছি? খুবই সীমিত সংখ্যক ব্যক্তি বা সংস্থা টাকা দিয়ে ক্রয় করে ব্যবহার করছে। আর বেশির ভাগ পাইরেসি কপিই ব্যবহার করছি। আমি নিজেও। যাহোক, এভাবে হয়ত অনেকে উইন্ডোজ ৭ পাইরেসি কপি ব্যবহার করে আসছেন। পাইরেসি কপিতে কয়েকমাস পর স্ক্রিনটা কালো হয়ে যায় এবং ডেস্কটপের ডানকোনে নিচে উইন্ডোজ ভার্সন দেখায়। এটা নানা ভাবে দূর করা সম্ভব। তার মধ্যে একটি উপায় হলো রিমুভ ওয়াট ব্যবহার করে দূর করা। এটা খুবই সহজ একটি উপায়। শুধু সফটওয়্যারটি রান করলেই হলো। সয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট হবে। চালু হলে দেখবেন কালো স্ক্রিনটা আছে কিন্তু ভার্সন লেখাটা নেই। এখন আপনার কাজ হচ্ছে একটা থিম একটিভ করা অথবা যেকোন একটা পিকচারকে সেট এজ ওয়ালপেপার করা। আর কোনদিন আশাকরি স্ক্রিন কালো হবে না ইনশা আল্লাহ। সফটওয়্যারটি মাত্র ২ এমবি। ডাউনলোড করে আনজিপ করে রান করাতে হবে।

                                             DOWNNLOAD

ব্যস আর কি এবার windows 7 ব্যবহার করুন নিস্চিন্তে।।।

Lattest উইন্ডোজ ১০’র স্বয়ংক্রিয় আপডেট

Lattest উইন্ডোজ ১০’র স্বয়ংক্রিয় আপডেট

windows_10
টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফটের সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেম ‘উইন্ডোজ ১০’ সবার কম্পিউটারে ইনস্টল করার জন্য যেন উঠেপড়ে লেগেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। কিছুদিন আগেই মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৭ ও উইন্ডোজ ৮ ব্যবহারকারীদের ফ্রি আপগ্রেডের সুযোগ দেয় কর্তৃপক্ষ। আর এবার স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অপারেটিং সিস্টেমটি আপগ্রেড হবে।
এ পর্যন্ত ১০ কোটিরও বেশি যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০ আপডেট হয়েছে। এখন মাইক্রোসফট আরো সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। মাইক্রোসফট জানায়, ২০১৬ সালের প্রথম দিকেই উইন্ডোজ ১০ আপগ্রেডের জন্যে ‘রেকমেন্ডেন্ট আপগ্রেড’ ঘোষণা করবে মাইক্রোসফট।
নতুন ব্যবস্থায় বিদ্যমান অপারেটিং সিস্টেমেই একটি পপ আপ নোটিফিকেশন আসবে। সেখানে আপগ্রেড করে নেওয়ার অপশন থাকবে। এটি দেখাবে উইন্ডোজ সিস্টেম আপগ্রেড ফিচারে। যদি পিসি বা ল্যাপটপে অটোমেটিক আপডেট অপশনটি চালু থাকে, তবে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপগ্রেড হবে। পরে একটি ডায়ালগ বক্স পপ হয়ে আপগ্রেডের অনুমতি চাইবে। তবে স্বয়ংক্রিয় অপশনটি বন্ধ করে রাখলে একের পর এক নোটিফিকেশন আসতে থাকবে না।
এদিকে, আপগ্রেড করার পরও যদি সমস্যা হয় তাহলে কেউ পুরনো উইন্ডোজে ফিরে যেতে পারবেন ৩১ দিনের মধ্যে। উইন্ডোজে আগের সংস্করণের পুরোটা কপি হয়ে থাকবে। উইন্ডোজ ১০ ভালো না লাগলে পুরনোতে ফিরে যেতে অপশনটি রাখা হয়েছে ।

Wednesday, June 13, 2018

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

বর্তমানে উইন্ডোজ এর সর্বশেষ ভার্সন হল উইন্ডোজ ১০। আমার কাছে ভালই লাগে। তবে এখানে উইন্ডোজ অটো আপডেট বন্ধের অপশন নেই। তাই যারা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করেন তাদের হয়ত প্রবলেম হবে না তবে যারা মডেম ব্যবহার করেন তাদের জন্য একটা বিরাট দুঃসংবাদ। তাই ভাবলাম কি করে অন্য উপায়ে এই উইন্ডোজ ১০ অটো আপডেট বন্ধ করবেন সেটা একটু আপনাদের সাথে শেয়ার করি। তবে এই উপায়ে যেকোনো উইন্ডোজ এর অটো আপডেট বন্ধ করা যায়।

যাহোক কাজের কথায় আসি।

প্রথমে আপনার পিসির Run কমান্ড এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc এবং এন্টার প্রেস করুন। এরপর নিছের পথ ফলো করুন।

Computer Configuration > Administrative Templates > Windows Components যাবার পর ডান দিক থেকে Windows Update খুজে বের করে ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।






এরপর Configure Automatic Updates এ ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।


এখন দেখুন নিছের ছবির মত একটা উইন্ডো ওপেন হয়েছে। এখানে Disable এ ক্লিক করে ok বাটন এ প্রেস করুন।


বাস কাজ শেষ। আবার যদি অটো আপডেট অন করতে চান তাহলে উল্টো পদ্ধতি অনুসরন করুন।

Wednesday, November 1, 2017

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

মাঝে মাঝে আমাদের কম্পিউটার ক্র্যাশ করে অথবা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের কারণে BIOS এর সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন আমরা ইচ্ছে করলেই BIOS সেটিংস পূর্বে যেরকম ডিফল্ট ছিলো, আবার সেরকমে ফিরিয়ে আনতে পারি। এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের দেখাবো কীভাবে তিনটি পদ্ধতিতে BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে আনা যায়।

BIOS মেন্যু থেকে রিষ্টোর করুনঃ

এটা সবথেকে সহজ পদ্ধতি। নীচের ধাপগুলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যান।

প্রথম ধাপঃ

আপনার কম্পিউটার চালু হবার সময় উইন্ডোজের লোগো আসার মাঝের সময়টাতে কীবোর্ডের Del, F1 or F2 বাটন চাপতে থাকুন, BIOS মেন্যু এসে যাবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে Del, F1 or F2 বাটনের পার্থক্য থাকে। তবে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কম্পিউটার চালু হবার সময়ই BIOS সেটিংসের জন্য কোন বাটন চাপতে হবে সেটা সামান্য সময়ের জন্য স্ক্রীণে দেখিয়ে দেয়া থাকে।

দ্বিতীয় ধাপঃ

BIOS সেটিংস এ ঢুকে গেলে আপনি EXIT মেন্যুতে চলে যান।

তৃতীয় ধাপঃ

কীবোর্ডের arrow বাটন দিয়ে Load Setup Default সিলেক্ট করুন।
ছবিতে দেখানো হলো। তবে এটাও বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন Load Setup Default কথাটাই ভিন্নভাবে হয়তো নির্দেশ করা হয়েছে।

চতুর্থ ধাপঃ

এবার আপনি ENTER বাটন চেপে কনফার্ম করুন। এসময় আপনার সামনে হয়তো YES এর Y এবং NO এর N বাটন সিলেক্ট করার অপশন আসবে। আপনি YES এর Y বাটন চেপে উপরে EXIT & SAVE CHANGES সিলেক্ট করে ENTER চেপে বের হয়ে আসুন। ব্যস হয়ে গেলো!

MOTHER BOARD এ CLR CMOS jumper পরিবর্তন করাঃ

যদি আপনি BIOS এ ঢুকতে না পারেন তবে এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
কম্পিউটার বন্ধ করুন এবং কেচিং খুলে Motherboard এ চোখ রাখুন। নীচের ছবিতে লাল বৃত্তাকার এরমতো বস্তুটিই হচ্ছে CLR CMOS jumper. সেটি খুলুন, খুলে pins 1-2 থেকে pins 2-3 তে বসিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড পর আবার পুর্বের মতো pins 1-2 তে বসিয়ে দিন।

MOTHER BOARD থেকে ব্যাটারি খুলুনঃ

যদি আপনি CLR CMOS jumper খুঁজে না পান তবে এ পদ্ধতি ফলো করুন। ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি সহজেই আপনার চোখে পড়বে কারণ এটি দেখতে বহুল পরিচিত ঘড়ির ব্যাটারীর মতো, একটু বড় আকারে। নীচে ছবি দেখুন।
ব্যাটারী খুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর ব্যাটারি আবার যথাস্থানে বসিয়ে দিন। আপনার BIOS আবার ডিফল্টে ফিরে গেছে। উপরোক্ত ৩টি পদ্ধতির যেকোনো একটির সাহায্যে আপনি BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

Sunday, October 15, 2017

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]


অনেক সময় আমাদের কম্পিউটার খুব slow কাজ করে। আর সেটা খুব বিরক্তিকর লাগে।তবে এই বিরক্তি দূর করার জন্য আছে কিছু টিপস।ভাবছেন আমি মজা করছি,না আমি মজা করসি না।তাহলে কেন বিরক্তি দূর করার টিপস বললাম?এটাই হয়তো চিন্তা করছেন।আপনার slow কম্পিউটারকে যদি একটু fast করা যায় তাহলে কি আপনার বিরক্তি দূর হবে না?আশা করি হবে।তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার এর speed বাড়ানোর কিছু টিপস…
টিপসঃ
  1. ১। কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
  2. ২। Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন।অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
  3. ৩। কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।
  4. ৪। কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন।Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন। 

Thursday, February 23, 2017

নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার পরেও ভাইরাস কিভাবে পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে?এর থেকে প্রতিকার কি? [Tech Mitun]

নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার পরেও ভাইরাস কিভাবে পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে?এর থেকে প্রতিকার কি? [Tech Mitun]

আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি কম্পিউটার-এর ভাইরাস নামক কুখ্যাত প্রোগ্রাম-এর বিষয়ে কিছু আলোচনার বিষয় নিয়ে।

আমার আজকের টিউনে আমি আপনাদের জানাতে বা বুঝাতে চেস্টা করব যে বিষয়গুলো তা হচ্ছেঃ

  • ভাইরাস কি?
  • ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়?
  • নতুন উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাইরাস পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে।
  • পেন্ড্রাইভ বুটেবল করে নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল কিভাবে দেয়া যায়।
  • নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল দেবার পর পিসিকে কিভাবে  ১০০% ভাইরাস মুক্ত করা যায়।
  • দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনলেই কি তা আপনার পিসিকে ১০০% ভাইরাস মুক্ত করার সুরক্ষা দিতে পারবে?
  • কি কি ভাইরাস পিসিতে থাকলেও ভয়ংকর কিছু ঘটনা পিসিতে ঘটার সম্ভাবনা কম।
  • কোনো ওয়েবসাইট-এ ভাইরাস থাকলে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায়?
  • প্রথম বিষয় ভাইরাস কিঃ

    সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে ভাইরাস হচ্ছে কম্পিউটারের ক্ষতিকর কিছু প্রোগ্রাম। যা আপনার পিসিতে থাকা যেকোনো ডিফল্ট সিস্টেম পরিবর্তন করে পিসির যেকোনো সিস্টেম ব্যবস্থাকে সাময়িক বা অসাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হচ্ছেঃ আপনার পিসিতে আপনি দেখলেন হঠাত কোনো একদিন কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল দিতে গেলে তা ইন্সটল হচ্ছে না,পিসি হ্যাং হয়ে যাচ্ছে অতঃপর পিসি সাটডাউন হয়ে যায়। কিন্তু কোনো কিছু ইন্সটল না করলে সব ঠিকঠাক চলছে। আবার ইনস্টল করতে গেলেই পিসি পুনরায় হ্যাং হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখন বুঝে নিতে পারেন পিসির কোনো প্রোগ্রাম-এর সেটিং ঠিক না থাকায় এমন হচ্ছে। এখন কথা হল আপনি তো কোনো সেটিংস-এ হাতই দেন নি তাহলে এমন হল কিভাবে? তাহলে বেসিক চিন্তা করলে বুঝে নিতে পারেন আপনার পিসি ভাইরাসের কবলে পড়েছে।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।

    দ্বিতীয় বিষয় ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়ঃ

    এক কথায় বা সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে পিসিতে মাউস-এর প্রতি ডাবল ক্লিকে ভাইরাস ছড়াতে থাকে।
  • উদাহরণঃ অনেকেই দেখেছেন সর্টকাট ভাইরাস যুক্ত পেন্ড্রাইভ কারো পিসিতে কানেক্ট করলে পিসিতে ভাইরাস ঢুকে সমস্ত সফটওয়্যারের আইকন বা ফাইল-এর সর্টকাট বানিয়ে দেয়। এমন হবার কারন একটাই তা হচ্ছে, আপনি পেন্ড্রাইভে ইন করার সময় ডাবল ক্লিক করেছেন যার ফলে ভাইরাস আপনার পিসিতে ইন করেছে। এরপর আপনি ফাইল ওপেন করছেন, ডাবল ক্লিক করছেন অনবরত আর কিছুক্ষন পর দেখছেন আপনার পিসির সব ফোল্ডার-এর মধ্যেই সর্টকাট ভাইরাস তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি ডাবল ক্লিক না করে রাইট বাটন ক্লিক করে ওপেন ডায়লগ আসলে তারপর তা লেফট বাটন প্রেস করে ওপেন করলে ভাইরাস এত ক্ষতি কোনোভাবেই করতে পারবে না। (পরিক্ষিত নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।

    তৃতীয় বিষয় নতুন উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাইরাস পিসিকে পুনরায় আক্রমন করেঃ

    অনেকেই মনে করেন আমি পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দিয়েছি আমার পিসির সব ভাইরাস মরে ছারখার হয়ে গেছে এখন অনেক মজা। না এমন মনে করলেই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বোকামিতে আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন তাও আবার মনের অজান্তেই। হ্যা পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবার পর তা ১০০% ভাইরাস মুক্ত হয়েছে শুধু আপনার পিসির সি ড্রাইভ। এছাড়া অন্য ড্রাইভ-এ থাকা ভাইরাস কিন্তু দূর হয়নি। কেননা আপনি উইন্ডোজ দিতে শুধু বেসিকভাবে সি ড্রাইভটাকেই ফরম্যাট দিয়েছেন অন্য কোনো ড্রাইভ না। এখানে আরো একটা বিষয় হচ্ছে নতুন উইন্ডোজ দেবার পর পিসির অন্য যেমনঃ ডি-ই-এফ ইত্যাদি ড্রাইভে থাকা ভাইরাসগুলি জাস্ট কিছু সময়ার জন্য নিথর/অকার্যকর অবস্থায় হয়ে পড়ে রয়েছে। কিন্তু যখনই আপনি আবার সেই ড্রাইভে ইন করে ডাবল ক্লিক বা ভাইরাসযুক্ত ফাইল ওপেন দিবেন তখনই ভাইরাস কিন্তু আবার সক্রিয় হয়ে যাবে। সুতরাং উইন্ডোজ দিলেই ভাইরাস ১০০% ক্লিন হয় না (নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।

    চতুর্থ বিষয় পেনড্রাইভ বুটেবল করে নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল কিভাবে দেয়া যায়ঃ

    অনেক ভাই আছেন যারা অনলাইনে অনেকভাবে পেন্ড্রাইভ বুট করার সফটওয়্যার-এর কথা বলেন। সবার কথা মেনেই আমি অন্যভাবে বলছি, আমরা বেশিরভাগ মানুষই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারে অভ্যস্ত। তাই পেন্ড্রাইভ বুট করার একটা সফটওয়্যার আছে যা কিনা সয়ং মাইক্রোসফট অনুমোদিত।সেই সফটওয়্যারের নাম হচ্ছে উইন্ডোজ ৭ ইউ.এস.বি ডিভিডি ডাউনলোড টুল। এটি অত্যন্ত ভালোমানের উইন্ডোজ আই এস ও ফাইল পেন্ড্রাইভে বুট করার জন্য কার্যকর সফটওয়্যার। চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন  এখান  থেকে।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।
  • ইন্সটল শেষে সফটওয়্যার ওপেন করে ব্রাউজ করুনঃ
  • আপনার ড্রাইভে থাকা উইন্ডোজ অপারেটিং-এর যেকোনো ভার্শন যেমন ৭,৮,৮.১,১০-এর আই.এস.ও ফাইল সিলেক্ট করুনঃ

  • তারপর ইউ এসবি ডিভাইস সিলেক্ট করে পেন্ড্রাইভ- ক্লিক করে বিগান কপিতে ক্লিক করুন ব্যাস ১০০% কপি হলেই দেখবেন পেন্ড্রাইভ বুটেবল হয়ে গেছেঃ

    • কিভাবে পেন্ড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজ দিবেন বলতে গেলে আমার কথা হবে সিডি দিয়ে যেভাবে  উইন্ডোজ ইন্সটল দেন ঠিক সেভাবে শুধু ২টি বিষয়ে আপনাকে আলাদাভাবে জানতে হবে।
    • আপনার বায়োস সেটাপ-এ ইন করে হার্ডডিস্ক প্রিয়রিটি-তে ইন করে আপনার বুটেবল করা পেন্ড্রাইভ সিলেক্ট করে এফ১০ চেপে সেভ করে বের হয়ে যান।
    • সেটাপ স্টার্ট হলে সিডির মত সেটাপ-এর যাবতীয় কাজ করার পর পিসি ১ম বার রিস্টার্ট হলেই আপনি পেন্ড্রাইভ পিসি থেকে ডিস্কানেক্ট করে ফেলুন। যদি তা না করেন দেখবেন পুনরায় আবার সেটাপ শুরু হয়ে গেছে।
    • ব্যাস পেন্ড্রাইভ ডিস্কানেক্ট করার পর পিসি রিস্টার্ট হলে সিডির মত করেই নাম,পাসওয়ার্ড,টাইম ওকে করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর দেখবেন সেটাপ কমপ্লিট হয়ে ডেস্কটপ শো করছে।

    পঞ্চম বিষয় নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল দেবার পর পিসিকে কিভাবে  ১০০% ভাইরাস মুক্ত করা যায়ঃ

    ভালো হয় পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবার আগে অন্য একটি পেন্ড্রাইভে যেকোনো ১টি লেটেস্ট ভার্শন-এর এন্টিভাইরাস রাখা। অতঃপর নতুন উইন্ডোজ দেবার পর কোনো ডাবল ক্লিক না করে এন্টিভাইরাস থাকা পেন্ড্রাইভ-এ ইন করে এন্টিভাইরাসটি পিসিতে ইনস্টল করে পিসির ফুল সিস্টেম স্কেন করা। যেহেতু আমি আগেই বলেছি অন্য ড্রাইভে ভাইরাস থেকে যায় পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবের পরেও আর তা তখন থাকে অকার্যকর অবস্থায়, সেহেতু এভাবে স্কেন করলে আপনার সব ভাইরাস ডিলিট করা সম্ভব হবে ৯৯.৯৯%। এতে করে একটু সময় লাগতে পারে তবে ভেবে দেখুন এতে করে আপনি কি পাচ্ছেন? একদম ফ্রেশ একটি উইন্ডোজ যা আপনি নিজেই দেখতে পারবেন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।

    ষষ্ঠ বিষয় দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনলেই কি তা আপনার পিসিকে ১০০% ভাইরাস মুক্ত করার সুরক্ষা দিতে পারবেঃ

    পঞ্চম বিষয়ে তার উত্তর আপনি পেয়ে যাবেন। কিন্তু কিছু কথা আছে তা হল প্রতিদিন হ্যাকার নিত্যনতুন ভাইরাস তৈরি করে তা ইন্টারনেটের মাধ্যেমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। তো আপনি দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনে যদি ভাইরাস ডাটাবেজ আপডেট না করেন তা হলে পিসিতে ভাইরাস এটাক দিতেই পারে। কারন আপনার এন্টিভাইরাস-এর যেই ভার্শন আপনি পিসিতে ইনস্টল দিয়েছেন তার আপডেট ভার্শন-এর ভাইরাস আপনার পিসিতে ইন করলে তা আপনার ইন্সটল করা এন্টিভাইরাস কোনোভাবেই হয়ত ডিটেক্ট করতে পারবে না। তাই সবসময় ভাইরাস ডাটাবেজ আপডেট রাখুন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।

    সপ্তম বিষয় কি কি ভাইরাস পিসিতে থাকলেও ভয়ংকর কিছু ঘটনা পিসিতে ঘটার সম্ভাবনা কমঃ

    ভাইরাস মানেই খারাপ। তবুও দেখা যায় আমরা অনেকেই আছি যারা কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পিসিতে ইন্সটল করি তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে (ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার IDM)। তো আমরা জানি IDM ফুল ভার্শন করতে হলে আমাদের পেচ ফাইল ডাউনলোড করতে হয় এবং এই পেচ ফাইলও কিন্তু ভাইরাস। তবে এ জাতীয় ভাইরাস পিসিতে এন্টিভাইরাস ইন্সটল থাকলে তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারে না।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।

    অস্টম ও শেষ বিষয় কোনো ওয়েবসাইট-এ ভাইরাস থাকলে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায়ঃ

    সেক্ষেত্রে এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করা থাকলে আপনি কোনো ওয়েবসাইটে ইন করতে গেলে আর সেই ওয়েবসাইটে ভাইরাস থাকলে এন্টিভাইরাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে ওয়ার্নিং দিবে যে এই ওয়েবসাইটে ভাইরাস আছে।তখন পিসির সুরক্ষার কথা ভেবে সেই সমস্ত ওয়াবসাইট-এ ব্রাউজ করা থেকে বিরত থাকুন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)।
  • আমার এই টিউন হচ্ছে বিশেষ করে যারা কম্পিউটার জগতে নতুন তাদের জন্য। এক্সপার্ট ভাইদের জন্য না। আমার এই টিউন-এর বিষয়ে যেকোনো মুল্যবান মতামত জানাতে সবাই আমাকে টিউমেন্টস করতে ভুলবেন না।