Showing posts with label 320GB HARD DISK. Show all posts
Showing posts with label 320GB HARD DISK. Show all posts

Friday, August 31, 2018

Hard Disk না SSD Storage কোনটি বেটার?

Hard Disk না SSD Storage কোনটি বেটার?

কম্পিউটারে ডেটার স্থায়িত্বের বিবেচনায় মোটামুটি তিন ধরণের মেমোরি ডিভাইস রয়েছে। একটা হচ্ছে রিড-অনলি, যেমন মাদারবোর্ড/প্রসেসর বা বায়োসে স্থায়ীভাবে যেসব স্টোরেজে প্রোগ্রাম দেয়া হয় সেগুলো। এগুলো থেকে ডেটা রিড করা বা পড়া যায়
, কিন্তু এতে নতুন ডেটা যোগ করা কিংবা বিদ্যমান ডেটা মোছা যায়না। অন্য একটি মেমোরি টাইপ হচ্ছে RAM। এটাতে ডেটা যোগ-বিয়োগ করা যায়, কিন্তু এটা ক্ষণস্থায়ী। পিসি চলতে চলতে বিদ্যুৎ চলে গেমন- Random Access Memoryহই। পিসিতে আমরা কোনো ফাইল সংরক্ষণ করতে যে মোমোরি ডিভাইস ব্যবহার করি,আসলে সেগুলো ডেটার সবচেয়ে বেশিক্ষণ স্থায়িত্ব প্রদান করে। এক্ষেত্রে সাধারণত হার্ড ড্রাইভ ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বর্তমানে কম্পিউটারে স্টোরেজ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে হার্ড ডিস্ক। এতে পিসির অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য ইউজার-ফাইল সংরক্ষিত থাকে। হার্ডডিস্কের দাম তুলনামূলক কম, এর স্পিডও একটু কম হয়ে থাকে। বেশি স্পিড পেতে এজন্য অনেকেই ব্যবহার করেন এসএসডি স্টোরেজ। এগুলো হার্ডডিস্কের বিকল্প স্টোরেজ ডিভাইস SSD Storage এর পূর্ণরূপ হচ্ছে solid-state drive.
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের মধ্যে অনেকগুলো ম্যাগনেটিক কোটিং দেয়া প্লেট থাকে যেগুলো কাজের সময় ঘুরতে থাকে এবং বিশেষ রিড-রাইট হেড এই ধাতব চাকতি বা প্লেট গুলোতে ডেটা আদানপ্রদান করে।
অপরদিকে, সলিড-স্টেড ড্রাইভ বা এসএসডি স্টোরেজে ঘূর্ণায়মান কোনো পার্ট থাকেনা। এর মধ্যে পরস্পর-সংযুক্ত ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ থাকে যেগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে ডেটা সংরক্ষিত হয়। কোনো চৌম্বক শক্তির দরকার হয়না। এর মধ্যে কোনো রিড-রাইট হেডও নেই।
তো এবার চলুন দেখি আপনি কোন কোন বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন যে কম্পিউটারে হার্ডডিস্ক ব্যবহার করবেন, নাকি SSD Storage?
গতি
হার্ড ডিস্কের মধ্যে ঘুর্ণায়মান অংশ থাকে এবং এজন্য হেডটি তার সঠিক স্থান থেকে ডেটা সংগ্রহ করতে কিছুটা সময় নেবে। এগুলোসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত কারণে এসএসডির চেয়ে হার্ডডিস্কের ডেটা এক্সেস টাইম একটু বেশি। অর্থাৎ, SSD Storage এর চেয়ে হার্ডডিস্ক একটু ধীরগতিতে কাজ করে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, এসএসডি’যুক্ত পিসি ৭-১০ সেকেন্ডেই চালু হয়, যেখানে হার্ডডিস্ক’যুক্ত পিসি চালু হতে কমপক্ষে আধমিনিট সময় নেয়। এরপর পিসি চালু হয়ে স্টার্টাপ প্রোগ্রামগুলো রেডি হতে আরও মিনিটখানেক সময় তো লাগেই। এসএসডিতে ফাইল রিড-রাইট টাইম প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ২০০ থেকে ৫৫০ মেগাবাইট হয়ে থাকে। হার্ড ডিস্কে অ্যাভারেজ ফাইল রিড-রাইট টাইম ৫০ থেকে ১২০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
হার্ডডিস্কযুক্ত পিসিতে আপনি যদি এসএসডি লাগান (অন্তত সিস্টেম ড্রাইভ হিসেবে), তাহলে আগের চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ বেশি স্পিড পাবেন। হার্ডডিস্কের তুলনায় এসএসডির স্পিড আকাশ-পাতাল পার্থক্য বলে মনে হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি যদি পিসিতে স্পিড চান, তাহলে স্টোরেজে এসএসডিই হবে আপনার সেরা পছন্দ।
স্থায়িত্ব
হার্ডডিস্কের তুলনায় এSSD Storage ডিভাইসের স্থায়িত্ব বেশি বলেই জানা যায়। তাই স্থায়িত্বের দিক দিয়েও এসএসডি এগিয়ে।
বিদ্যুৎ খরচ
হার্ড ডিস্কের তুলনায় এসএসডি কম বিদ্যুৎ খরচ করে। এসএসডি যেখানে ২-৩ ওয়াটের হয়, সেখানে হার্ড ডিস্ক হয়ে থাকে ৬-৭ ওয়াট। যেহেতু সলিড স্টেট ড্রাইভ কম বিদ্যুৎ খরচ করে, তাই এসএসডি স্টোরেজ আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি ব্যাকআপ কমপক্ষে ৩০ মিনিট বৃদ্ধি করবে।
ধারণ
বর্তমানে ল্যাপটপের জন্য যেসব এসএসডি পাওয়া যায়, সেগুলোর ধারণক্ষমতা সাধারণত ১ টেরাবাইটের বেশি হয়না। ডেস্কটপের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪ টেরাবাইট ধারণক্ষমতার এসএসডি পাওয়া যায়। অপরদিকে, হার্ড ডিস্কের ধারণক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। ল্যাপটপের জন্য সর্বোচ্চ ২ টেরাবাইট এবং ডেস্কটপের জন্য ১০ টেরাবাইট পর্যন্ত হার্ড ডিস্ক পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে উভয়ের ক্যাপাসিটিই আরও বাড়বে। আপনার যদি অনেক বেশি স্টোরেজ লাগে, তাহলে হার্ড ডিস্ক বেছে নিতে পারেন।
শব্দ ও কম্পন
হার্ড ডিস্কের মধ্যে ঘুর্ণায়মান অংশ থাকার কারণে এগুলো থেকে শব্দ (নয়েজ) উৎপন্ন হয়। কিন্তু এসএসডিতে কোনো ঘুর্ণায়মান পার্টস না থাকায় এটা থেকে কোনো শব্দ ও ভাইব্রেশন উৎপন্ন হয়না।
দাম
একটা বিজ্ঞাপনে নিশ্চয়ই দেখেছেন “জিনিস যেটা ভাল, দাম তার একটু বেশি”। সেরকমই, এসএসডি যেহেতু আপনাকে এত বেশি সুবিধা দিচ্ছে, তাই এর দামটাও একটু বেশি হবে। ২৫০ গিগাবাইট SSD Storage এর দাম পড়বে ৮ হাজার টাকার মত, যেখানে ৫০০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ড্রাইভের দাম পড়বে মোটামুটি সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
আপনি যদি বাজেট একটু বাড়াতে পারেন, তাহলে হার্ডডিস্কের বদলে এসএসডি স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। কিছু কিছু ল্যাপটপে এসএসডি স্টোরেজ দেয়াই থাকে। সেগুলো কিনলে বাড়তি দাম দিয়ে আর এসএসডি কিনতে হবেনা, এবং মোট দামেও অনেকটা সাশ্রয় হবে। এরকম কিছু এসএসডিযুক্ত ল্যাপটপ হচ্ছে আসুসের VivoBook S14 S410UN, VivoBook S15 S510UQ, VivoBook Pro 15 N580VD, ASUS ZenBook UX430UQ প্রভৃতি। আপনি চাইলে এদের কিছু কিছু মডেলে এসএসডি ও হার্ড ডিস্ক উভয়ই পেতে পারেন।
হার্ড ডিস্কের তুলনায় এসএসডির দাম বেশি হয়ে থাকে, সেই সাথে তার স্পিডও বেশি হয়। আপনার পিসিতে যদি একাধিক ড্রাইভ লাগানোর ব্যবস্থা থাকে, তাহলে সিস্টেম ড্রাইভ হিসেবে এসএসডি, এবং ফাইল স্টোরেজ হিসেবে হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি একটিই ড্রাইভ লাগানোর জায়গা থাকে, তাহলে বাজেট অনুযায়ী এসএসডি নিলে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি কম পেলেও স্পিড পাবেন চমৎকার আকার।

Wednesday, August 29, 2018

হার্ডড্রাইভ ঠিক আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

হার্ডড্রাইভ ঠিক আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে


ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মতো হার্ড ডিস্কেরও আয়ু থাকে। কম্পিউটারের ইন্টারনাল স্টোরেজের আয়ু সাধারণত ৫-১০ বছর ধরা হয় আর এক্সটারনাল হার্ডডিস্কের আয়ু ধরা হয় ৩-৫ বছর। তবে আয়ুর বিষয়টি তাপমাত্রার ওঠানামা, আর্দ্রতা ও নানা বাহ্যিক অবস্থার ওপরেও অনেকটা নির্ভর করে। এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ সহজে বহনযোগ্য বলে অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এতে এর আয়ু কমে যায়। হার্ডড্রাইভের আয়ু কীভাবে ধীরে ধীরে কমে যায় তা জেনে নিন:
১. কম্পিউটার গতি কমতে থাকলে এবং কম্পিউটার বারবার হ্যাং হতে শুরু করলে বা ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ দেখালে বুঝবেন আপনার হার্ডড্রাইভ শেষের পথে। এগুলো হার্ডড্রাইভের কার্যক্ষমতা কমার সম্ভাব্য লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা হয়তো সব সময় দেখবেন না কিন্তু উইন্ডোজ সেফ মোড বা নতুন করে ইনস্টলেশন দেওয়ার সময় যদি এ ধরনের সমস্যা দেখেন তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভ ঠিকমতো কাজ করছে না।
২. যদি খুব বেশি ব্যাড সেক্টর দেখতে পান তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভের অবস্থা শোচনীয়। ব্যাড সেক্টর হচ্ছে হার্ডড্রাইভের ত্রুটিপূর্ণ এলাকা যে এলাকাগুলো ডাটা রিড বা রাইট করার অনুরোধ পেলেও সাড়া দেয় না। বড় আকারের ডিস্ক ব্যবহার করা হলে এগুলো শনাক্ত করা কঠিন। উইন্ডোজে এসব ব্যাড সেক্টর পরীক্ষা করতে মাই পিসি থেকে ড্রাইভ পার্টিশন অংশে যেতে হবে। মাই পিসিতে রাইট ক্লিক করে প্রপার্টিজে আগে যেতে হবে। এরপর টুলস থেকে এরর চেকিংয়ে ক্লিক করতে হবে। অপ্টিমাইজেশন করতে অপটিমাইজ অ্যান্ড ডিফ্র্যাগমেন্ট ড্রাইভ করা যাবে।
৩. হার্ডড্রাইভ থেকে যদি একই শব্দ বারবার শোনা যায় বা কোনো কিছু গুঁড়ো করার মতো শব্দ আসতেই থাকে তবে হার্ডড্রাইভ প্রায় শেষের পথে। বারবার শব্দ আসার বিষয়টিকে ‘ক্লিক অব ডেথ’ বলা হয়। কোনো কিছু রাইট করতে বা এরর ঠিক করার প্রক্রিয়ার সময় এ শব্দ তৈরি হয়।
৪. হার্ডড্রাইভ অকার্যকর হওয়ার আরেকটি সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে ফাইল না খোলা এবং কোনো কারণ ছাড়াই ফাইল গায়েব হওয়া বা ফাইল করাপ্ট হয়ে যাওয়া।

Tuesday, August 14, 2018

Computer DUAL CORE 2GB RAM 320GB HARD DISK FULL PC 19"

Computer DUAL CORE 2GB RAM 320GB HARD DISK FULL PC 19"



Price
৳ 15,999


FOR PHONE ORDER 24/7
01839244246

!!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি পর টাকা পরিশোধ করবেন। ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা যেকোন প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন, রাতে অথবা দিনে কল করুন আমাদের Customer Care Number এ 01839244246


Product Code: ML201764965
Dual Core 2.4GHz Processor (1 Year Guaranty)
Samsung 2GB Ram (1 Year Guaranty)
Samsung 320GB Hard Disk (1 Year Guaranty)
ATX 550w A.Tech Power Supply
Intel DDR-2 Gaming Motherboard (1 Year Guaranty)
Stander & Gaming Style PC Casing
Samsung DVD Drive
Power Cable
Keyboard + Mouse
 LED TV (19”INCH)


1 বছরেরall parts +panel রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ 5 বছরের Servicing ওয়্যারেন্টি (LED TV)

ফুল HD পিকচার
কম্পিউটারে মনিটর হিসেবা চালাতে পারবেন।
পেন্ড্রাইব/মোবাইল দ্বারা ভিডিও দেখতে পারবেন।
DVD/CD থেকে আউটপুট মনিটর করতে পারবেন।
HDMI দ্বারা সকল Feature ব্যবহার করতে পারবেন।
TV মনিটরের সাথে ২টি স্পিকার Built-in করা আছে।
সাথে পাচ্ছেন টেবিল স্টান এবং রিমট।
সাইজঃ 19 ইঞ্চি
পোর্টঃ USB/পেনড্রাইভ,VGA,HDMI,Audio/DVD আউটপুট কম্পিউটারের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে
টিভির পেছনে ঘরের দেয়ালে লাগানোর জন্য আলাদা পয়েন্ট আছে