Showing posts with label Hp Leptop. Show all posts
Showing posts with label Hp Leptop. Show all posts

Wednesday, June 13, 2018

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

বর্তমানে উইন্ডোজ এর সর্বশেষ ভার্সন হল উইন্ডোজ ১০। আমার কাছে ভালই লাগে। তবে এখানে উইন্ডোজ অটো আপডেট বন্ধের অপশন নেই। তাই যারা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করেন তাদের হয়ত প্রবলেম হবে না তবে যারা মডেম ব্যবহার করেন তাদের জন্য একটা বিরাট দুঃসংবাদ। তাই ভাবলাম কি করে অন্য উপায়ে এই উইন্ডোজ ১০ অটো আপডেট বন্ধ করবেন সেটা একটু আপনাদের সাথে শেয়ার করি। তবে এই উপায়ে যেকোনো উইন্ডোজ এর অটো আপডেট বন্ধ করা যায়।

যাহোক কাজের কথায় আসি।

প্রথমে আপনার পিসির Run কমান্ড এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc এবং এন্টার প্রেস করুন। এরপর নিছের পথ ফলো করুন।

Computer Configuration > Administrative Templates > Windows Components যাবার পর ডান দিক থেকে Windows Update খুজে বের করে ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।






এরপর Configure Automatic Updates এ ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।


এখন দেখুন নিছের ছবির মত একটা উইন্ডো ওপেন হয়েছে। এখানে Disable এ ক্লিক করে ok বাটন এ প্রেস করুন।


বাস কাজ শেষ। আবার যদি অটো আপডেট অন করতে চান তাহলে উল্টো পদ্ধতি অনুসরন করুন।

Thursday, November 2, 2017

কিভাবে কোনো প্রোগ্রাম কাজ না করলে বন্ধ করতে হয় (How To End a Program in Computer) [Tech Mitun]

কিভাবে কোনো প্রোগ্রাম কাজ না করলে বন্ধ করতে হয় (How To End a Program in Computer) [Tech Mitun]

কম্পিউটার এ কাজ করার মধ্যে অনেক সময় কোনো প্রোগ্রাম সাড়া নাও দিতে পারে . এটাকে সাধারণত Hang হয়ে যাওয়া বলে. আমরা অনেকেই এ অবস্থায় কম্পিউটার Restart দিয়ে সমাধান করে থাকি .
তবে এর থেকে অনেক সহজ সমাধান ও রয়েছে ,দেখা যাক সেটা কি ?


Windows Task Manager :
১// কীবোর্ড থেকে Ctrl + Alt + Delete চাপুন .
Windows 7 হলে Logging পেজ চলে আসবে ,সেখান থেকে Start Task Manager ক্লিক করুন
অথবা
Task Bar এ Mouse এর Right বাটন ক্লিক করে Start Task Manager নির্বাচন করুন .





২// Task Manager উইন্ডো চলে আসবে.যে প্রোগ্রাম বন্ধ করতে চান সেটাতে ক্লিক করে End Task চাপুন .




প্রোগ্রাম টি বন্ধ হয়ে যাবে .এভাবে কম্পিউটার Restart না দিয়েও যে কোনো প্রোগ্রাম সরাসরি বন্ধ করতে পারেন .

Wednesday, November 1, 2017

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

মাঝে মাঝে আমাদের কম্পিউটার ক্র্যাশ করে অথবা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের কারণে BIOS এর সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন আমরা ইচ্ছে করলেই BIOS সেটিংস পূর্বে যেরকম ডিফল্ট ছিলো, আবার সেরকমে ফিরিয়ে আনতে পারি। এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের দেখাবো কীভাবে তিনটি পদ্ধতিতে BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে আনা যায়।

BIOS মেন্যু থেকে রিষ্টোর করুনঃ

এটা সবথেকে সহজ পদ্ধতি। নীচের ধাপগুলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যান।

প্রথম ধাপঃ

আপনার কম্পিউটার চালু হবার সময় উইন্ডোজের লোগো আসার মাঝের সময়টাতে কীবোর্ডের Del, F1 or F2 বাটন চাপতে থাকুন, BIOS মেন্যু এসে যাবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে Del, F1 or F2 বাটনের পার্থক্য থাকে। তবে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কম্পিউটার চালু হবার সময়ই BIOS সেটিংসের জন্য কোন বাটন চাপতে হবে সেটা সামান্য সময়ের জন্য স্ক্রীণে দেখিয়ে দেয়া থাকে।

দ্বিতীয় ধাপঃ

BIOS সেটিংস এ ঢুকে গেলে আপনি EXIT মেন্যুতে চলে যান।

তৃতীয় ধাপঃ

কীবোর্ডের arrow বাটন দিয়ে Load Setup Default সিলেক্ট করুন।
ছবিতে দেখানো হলো। তবে এটাও বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন Load Setup Default কথাটাই ভিন্নভাবে হয়তো নির্দেশ করা হয়েছে।

চতুর্থ ধাপঃ

এবার আপনি ENTER বাটন চেপে কনফার্ম করুন। এসময় আপনার সামনে হয়তো YES এর Y এবং NO এর N বাটন সিলেক্ট করার অপশন আসবে। আপনি YES এর Y বাটন চেপে উপরে EXIT & SAVE CHANGES সিলেক্ট করে ENTER চেপে বের হয়ে আসুন। ব্যস হয়ে গেলো!

MOTHER BOARD এ CLR CMOS jumper পরিবর্তন করাঃ

যদি আপনি BIOS এ ঢুকতে না পারেন তবে এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
কম্পিউটার বন্ধ করুন এবং কেচিং খুলে Motherboard এ চোখ রাখুন। নীচের ছবিতে লাল বৃত্তাকার এরমতো বস্তুটিই হচ্ছে CLR CMOS jumper. সেটি খুলুন, খুলে pins 1-2 থেকে pins 2-3 তে বসিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড পর আবার পুর্বের মতো pins 1-2 তে বসিয়ে দিন।

MOTHER BOARD থেকে ব্যাটারি খুলুনঃ

যদি আপনি CLR CMOS jumper খুঁজে না পান তবে এ পদ্ধতি ফলো করুন। ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি সহজেই আপনার চোখে পড়বে কারণ এটি দেখতে বহুল পরিচিত ঘড়ির ব্যাটারীর মতো, একটু বড় আকারে। নীচে ছবি দেখুন।
ব্যাটারী খুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর ব্যাটারি আবার যথাস্থানে বসিয়ে দিন। আপনার BIOS আবার ডিফল্টে ফিরে গেছে। উপরোক্ত ৩টি পদ্ধতির যেকোনো একটির সাহায্যে আপনি BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

Sunday, October 15, 2017

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]


অনেক সময় আমাদের কম্পিউটার খুব slow কাজ করে। আর সেটা খুব বিরক্তিকর লাগে।তবে এই বিরক্তি দূর করার জন্য আছে কিছু টিপস।ভাবছেন আমি মজা করছি,না আমি মজা করসি না।তাহলে কেন বিরক্তি দূর করার টিপস বললাম?এটাই হয়তো চিন্তা করছেন।আপনার slow কম্পিউটারকে যদি একটু fast করা যায় তাহলে কি আপনার বিরক্তি দূর হবে না?আশা করি হবে।তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার এর speed বাড়ানোর কিছু টিপস…
টিপসঃ
  1. ১। কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
  2. ২। Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন।অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
  3. ৩। কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।
  4. ৪। কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন।Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন। 

Monday, October 9, 2017

Hp Leptop  ক্ষতিকর প্রোগ্রাম! [Tech Mitun]

Hp Leptop ক্ষতিকর প্রোগ্রাম! [Tech Mitun]

সুইজারল্যান্ডের একটি তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান মডজিরো তাদের সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে লিখেছে, এইচপি নির্মিত বেশ কিছু মডেলের ল্যাপটপে কি-লগার (ক্ষতিকর প্রোগ্রাম) ইনস্টল করা আছে। এইচপির দুই ডজনের বেশি মডেলের ল্যাপটপের অডিও ড্রাইভারে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে, যেগুলো কম্পিউটারের প্রতিটি কি-প্রেস সংরক্ষণ করে রাখে।
ফলে ব্যবহারকারীদের ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডও সেইভ করে রাখছে এই অডিও ড্রাইভার, যা পিসিতে সংরক্ষিত হয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তার জন্য মারাত্নক হুমকি হতে পারে।
যেসব এইচপি ল্যাপটপ মডেল এই সমস্যায় আক্রান্ত, মডজিরো তাদের ব্লগ পোস্টে তার একটি লিস্ট প্রকাশ করেছে। পিসিগুলো হচ্ছেঃ
  • HP EliteBook 820 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 828 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 840 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 848 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 850 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 640 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 650 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 645 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 655 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 450 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 430 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 440 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 446 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 470 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 455 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 725 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 745 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 755 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 1030 G1 Notebook PC
  • HP ZBook 15u G3 Mobile Workstation
  • HP Elite x2 1012 G1 Tablet
  • HP Elite x2 1012 G1 with Travel Keyboard
  • HP Elite x2 1012 G1 Advanced Keyboard
  • HP EliteBook Folio 1040 G3 Notebook PC
  • HP ZBook 17 G3 Mobile Workstation
  • HP ZBook 15 G3 Mobile Workstation
  • HP ZBook Studio G3 Mobile Workstation
  • HP EliteBook Folio G1 Notebook PC
কোনেক্সান্ট কোম্পানির তৈরি অডিও ড্রাইভারে এই ত্রুটি পাওয়া গেছে। এটি মূলত ২০১৫ সাল থেকে বাজারজাতকৃত নির্দিষ্ট কিছু এইচপি ল্যাপটপের সাথে চলে এসেছে। ড্রাইভার কর্তৃক রেকর্ডকৃত কি-প্রেসের লগ ফাইলগুলো প্রতিবার ল্যাপটপ বুট করার সাথে সাথে মুছে যায়। তারপরেও প্লেইন-টেক্সটে পাসওয়ার্ড, মেসেজ, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের তথ্য প্রভৃতি সেইভ করা থাকলে ঝুঁকি রয়েই যায়।
আপনার এইচপি ল্যাপটপে উপরোক্ত ক্ষতিকর প্রোগ্রাম ইনস্টল করা আছে কিনা তা জানতে সিস্টেম ড্রাইভের (অর্থাৎ সি ড্রাইভ) উইন্ডোজ ফোল্ডারের মধ্যে সিস্টেম৩২ ফোল্ডার ওপেন করুন (C:\Windows\System32\)। সেখানে MicTray64.exe অথবা MicTray.exe নামের কোনো ফাইল আছে কিনা খুঁজে দেখুন। যদি পাওয়া যায়, তাহলে মডজিরোর পরামর্শ হচ্ছে, সেই ফাইলটি (MicTray64.exe অথবা MicTray.exe) মুছে ফেলা অথবা রিনেইম করা, যাতে এটি আর কাজ করতে না পারে। যদিও এতে দুয়েকটি স্পেশাল ফাংশন কি কাজ করা বন্ধ করতে পারে।
এরপর পিসির C:\Users\Public\ (অর্থাৎ সি ড্রাইভের ইউজারস > পাবলিক ফোল্ডার) ওপেন করে দেখুন সেখানে MicTray.log নামের কোনো ফাইল আছে কিনা। এটাতেই আপনার সব কি-প্রেস রেকর্ড করা আছে। সেই ফাইলটিও ডিলিট করে ফেলুন।
এইচপি এই ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে এবং বলেছে ড্রাইভার আপডেট দিয়ে শীঘ্রই এটা সমাধান করবে কোম্পানিটি। সেক্ষেত্রে এইচপির ওয়েবসাইট ভিজিট করে অথবা পিসির আপডেট চেক করে অডিও ড্রাইভার আপডেট করে নিতে হবে