Showing posts with label Leptop. Show all posts
Showing posts with label Leptop. Show all posts

Friday, August 24, 2018

কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কিছু কারন সমূহ

কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কিছু কারন সমূহ

কম্পিউটার ব্যবহার করতে কে না ভালোবাসে। ছোট-বড় সবাই কম্পিউটার ব্যবহার করে নানান কারণে। আমার মতে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯.৯ মানুষ তাদের কম্পিউটারকে ভালোবাসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে কম্পিউটার মাঝে মাঝে এমন সব আচার-আচরণ করে যেগুলো সত্যই আমাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কারণ হচ্ছে কম্পিউটার হঠাৎ রির্স্টাট নেওয়া। মুলত এটি বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে। ইনসাআল্লাহ আজকের এই পোষ্টে কম্পিউটার রিস্টার্ট এর কারণ সম্পর্কে আপনাদের কিছুটা জানানোর চেষ্টা করবো।
 
  • কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।
  • RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
  • হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।
  • ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।
  • বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।
  • বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
  • বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।
  • প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।
যদি লেখাটি ভাল লেগে থাকে তাহলে দয়া করে পোষ্টটি প্রমোট করেন। শেয়ার করুন আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে। ধন্যবাদ সবাইকে।

Saturday, July 28, 2018

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)


**কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

**Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
**কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।

** কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।

Friday, July 27, 2018

লেনোভোর নতুন ল্যাপটপ

লেনোভোর নতুন ল্যাপটপ

দেশের বাজারে এসেছে লেনোভো ব্র্যান্ডের আইডিয়াপ্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপ। নতুন এই সিরিজের ল্যাপটপ আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ।

ইন্টেল ষষ্ঠ প্রজন্মের আওতায় কোর আই-৩, কোর আই-৫ এবং কোর আই-৭ এই তিন ধরনের প্রসেসর সমৃদ্ধ আইডিয়াপ্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপ বাজারে এসেছে। ল্যাপটপগুলোতে রয়েছে ডিডিআর-৪ প্রযুক্তির  ৪ জিবি থেকে ৮ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম এবং ১ টিবি হার্ডডিস্ক। এছাড়াও রয়েছে ইন্টেল এইচডি ৫২০ গ্রাফিক্স যা স্বচ্ছ ও নয়নাভিরাম ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট দিয়ে থাকে এবং ১৪ ইঞ্চি ও ১৫.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ফলে এতে মুভি দেখা থেকে শুরু করে অন্যান্য দৈনন্দিন কাজগুলো করা যাবে স্বাচ্ছন্দ্যে। দারুন মিউজিক এর জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ডলবি মিউজিক।

আইডিয়াপ্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপগুলোর ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী এবং অধিক সময় ব্যাকআপ দিয়ে থাকে। এই ল্যাপটপকে বিশেষায়িত করে এর স্টাইলিশ মোড যার মাধ্যমে ল্যাপটপের ডিসপ্লে ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ভাঁজ করা যায়।

লোনোভো আইডিয়া প্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপ বাজারে এনেছে অনুমোদিত পরিবেশক গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড। লেনোভোর ডিজিএম হাসান রিয়াজ বলেন, ‘এই ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে।’

অপারেটিং সিস্টেম ডস সমৃদ্ধ এসব ল্যাপটপের মূল্য ৩৭,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। রয়েছে ১ বছরের (আরো অতিরিক্ত ১ বছর রেজিস্ট্রেশেনের মাধ্যমে) ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টি। আরো জানতে ভিজিট:www.globalbrand.com.bd

Saturday, July 21, 2018

 Boss USB Paiche software) ডাউনলোড ! বস ইউএসবি পাইছে" সফটওয়্যার ডাউনলোড ! Tech Mitun

Boss USB Paiche software) ডাউনলোড ! বস ইউএসবি পাইছে" সফটওয়্যার ডাউনলোড ! Tech Mitun

মানুষ সবসময়ই ভিন্নধর্মী কিছু পছন্দ করে । তাই অনেকেই চান, বিভিন্ন কাজ করার নিজের কম্পিউটার বাংলায় কথা বলে উঠুক ! হ্যাঁ, এটাও সম্ভব । আপনি ইচ্ছে করলে আপনার নিজের কথাও শুনতে পারেন ! সে জন্য অবশ্য কিছু প্রসেস আছে । যাইহোক, সেটি নিয়ে আর আলোচনা না করি, ওটা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে হয়ত আসল জিনিসই উপস্থাপন করার সময় পাওয়া যাবে না !


"বস ইউএসবি পাইছে" এই ব্যাপারটা মূলত বাংলায় রেকর্ড করা কিছু Audio ক্লিপ দিয়ে সিস্টেম সাউন্ড চেঞ্জ করার কৌশল । তবে Windows VISTA, 7, 8, 8.1 এ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তাজনিত কারণে আপনি নরমালি এটি করতে পারবেন না, কারণ এটি করতে গেলে আপনাকে Trustedinstaller এর পারমিশন লাগবে । তবে আমার তৈরি করা Bangla System Sound v1.1 ব্যবহার করে আপনি শুধুমাত্র কয়েকটা ক্লিক করেই মুহূর্তের মাঝেই কাজটি সেরে ফেলতে পারবেন, আপনাকে Trustedinstaller এর পারমিশন নিয়ে ভাবতে হবে না ! এটা ইন্সটল করার জন্য প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । এরপরে RAR ফাইলটি WinRAR (এই লিঙ্কে ফুল ভার্শন WinRAR পাবেন) বা অন্য যে কোন Archive Manager সফটওয়্যার দিয়ে Extract  করে নিন । এরপরে Bangla System Sound v1.1 Installer.exe ফাইলটি রান করুন এবং পাসওয়ার্ড দিন । তাহলেই ইন্সটল হয়ে যাবে ! এখন কম্পিউটারে কোন USB Drive সংযুক্ত করলেই শুনতে পাবেন, "বস, ইউএসবি পাইছে, ভাইরাস চেক করেন" । আবার রিসাইকেল বিন খালি করলে শুনতে পারবেন "বস, আমাকে ডিলেক্ট করলেন ?" (আসল উচ্চারণ হবে "ডিলিট", ডিলেক্ট নয়) । আবার কম্পিউটার চালু বা বন্ধ করার সময়ও বাংলায় কথা শুনতে পাবেন । তা ছাড়া আরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাংলায় কথা শুনতে পাবেন ।

তবে ঐ কথাগুলো শুনতে আমার একদমই ভালো লাগে না, বিশেষ করে "বস" বলে সম্বোধন ! কিন্তু অনেকে উইন্ডোজ ৭, ৮, ৮.১ ব্যবহারকারীরদের অনুরোধের কারনেই মূলত এটি তৈরি করা । হয়ত এটি উইন্ডোজ ১০ এও কাজ করবে । তবে পরবর্তীতে সময় পেলে সকল সিস্টেম সাউন্ড ফিমেল ভয়েসে চেঞ্জ করার জন্য Bangla System Sound (বাংলা সিস্টেম সাউন্ড) এর আরেকটা ভার্শন (ফিমেল ভার্শন) বের করার ইচ্ছে আছে । তবে ফিমেল ভার্শন অবশ্যই মার্জিত ভাষায় হবে এবং স্টার্টআপ ও শাটডাউন সাউন্ড হিসেবে থাকবে খুব সুন্দর একটা শর্ট মিউজিক 

Download

Thursday, June 14, 2018

Windows 7 এর ফুল ব্যাকআপ

Windows 7 এর ফুল ব্যাকআপ

উইন্ডোজ ৭, বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। আজ উইন্ডোজ সেভেনের একটি ফিচার নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করাতে চলে এলাম। আর তা হলো উইন্ডোজ ইমেজ ব্যাকআপ ও রিস্টোর!


সাধারণত কম্পিউটারে উইন্ডোজ নিয়ে কোনো সমস্যা হলে তার সমাধান হিসেবে যেকেউই প্রথমেই যেটা বলবে সেটা হলো ভাই পিসিতে উইন্ডোজ মারুন। অর্থ্যাৎ পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ সেটআপ দিন। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন সমস্যার কারণে পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়া হয়ে উঠে না। আবার নতুন করে উইন্ডোজ দেবার পর পিসিতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলস এবং সফটওয়্যারগুলো মুছে যায়, যার কারণে পিসিকে আগের মত করে সাজিয়ে নেওয়া সময়সাধ্য ব্যাপার।
কিন্তু আজ আপনাদেরকে উইন্ডোজ ৭ এর একটি ফিচার দেখাবো যার মাধ্যমে পুরো উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমের ইমেজ ফাইল তৈরি করে ফুল সিস্টেম ব্যাকআপ ও রিস্টোর করা যায়। এই পদ্ধতির প্রধান সুবিধা হলো, ব্যাকআপ করার সময় আপনার পিসির যে রকম অবস্থায় ছিলো, রিস্টোর করার পর ঠিক একই কন্ডিশনে তা ফিরে পাবেন।
সিস্টেম ইমেজ  কি?? সিস্টেম ইমেজ হলো আপনার সিস্টেম ড্রাইভের একটি অবিকল কপি যা একটি ফাইলে ব্যাকআপ রূপে সেভ হয়ে থাকে। পরবর্তীতে যদি উইন্ডোজ সংক্রান্ত সমস্যার দেখা দেয় তখন নতুন করে উইন্ডোজ দেবার পরিবর্তে আপনি এই সিস্টেম ইমেজ ফাইল রিস্টোর করে আগের মতো উইন্ডোজ ফিরে পেতে পারবেন। আপনি যদি সিস্টেম রিস্টোর অপশন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর হচ্ছে ঠিক একই প্রকার কাজ তবে এখানে পুরো সিস্টেম ড্রাইভকে রিস্টোর করা হয়।
আসুন দেখে নেই কিভাবে উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি করে ব্যাপআপ এবং রিস্টোর করবেন :

উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি :

এখন আমি আপনাদের দেখাবে কিভাবে উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি করতে হয়। এই ধাপগুলো উইন্ডোজ ৮ এবং উইন্ডোজ ১০ প্রায় একই।
➡ প্রথমে আপনাকে ব্যাপআপ এন্ড রিস্টোর অপশনে যেতে হবে। এর জন্য নিজের যেকোনো একটি পদ্ধতি অনুসরণ করুন:
  • ১। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে সার্চ অপশনে backup লিখে সার্চ দিন। Backup and Restore অপশনটি দেখতে পাবেন।
  • ২। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে All Programs > Maintenance > Backup and Restore অপশনে চলে যান।
  • ৩। সরাসরি কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Backup and Restore অপশনে চলে যান।
➡ ব্যাকআপ এন্ড রিস্টোর টুল উইন্ডো থেকে বাম দিকের Create a system image অপশনে ক্লিক করুন।
এখন Create a system image উইন্ডো আসবে।
এখন এখানে সিস্টেম ইমেইজ কোথায় সেভ হবে তা নির্ধারণ করে দিন। হার্ডডিক্স, ডিভিডি ড্রাইভে কিংবা নেটওর্য়াক লোকেশন অপশন থেকে যেকোনো একটি অপশন বেছে নিন। পোর্টেবল হার্ডডিক্স বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ করতে চাইলে সেটাও আপনি On a hard disk ড্রপ ডাউন উইন্ডোতে গিয়ে পাবেন। তবে যে ড্রাইভগুলোর ব্যাপআপ নিবেন কখনো সে ড্রাইভগুলোতে সিস্টেম ইমেইজ সেভ করতে পারবেন না। নিচের মতো সর্তক বার্তা আসবে।
এটা এড়াতে আপনি পেনড্রাইভ বা পোর্টেবল হার্ডডিক্স বা আলদা হার্ডডিক্স পার্টিশন ব্যবহার করুন।
➡ এরপর আপনি সিস্টেম ইমেইজ ব্যাকআপে আপনার পিসির কি কি ড্রাইভ অন্তর্ভুক্ত করতে চান না নির্বাচন করে দিন।
লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, উপরের দুটি ড্রাইভ অটো সিলেক্ট হয়ে রয়েছে, এগুলো সিস্টেম ড্রাইভ যা ব্যাকআপ প্রক্রিয়াতে লাগবে তাই আপনি চাইলেও এইদুটি ড্রাইভ ডিসিলেক্ট করতে পারবেন না।
➡ ফাইনাল কনফার্মেশন উইন্ডোতে Backup and Restore টুল আপনাকে বলে দিবে যে কতটুকু জায়গা লাগবে ব্যাকআপ করার জন্য।
এখান থেকে Start backup বাটনে ক্লিক করলে ব্যাকআপ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ব্যাকআপ করতে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টাও লাগতে পারে, এটা আপনার পিসির স্পিড এবং ব্যাকআপ করা ডাটার পরিমানের উপর নির্ভর করবে।

ব্যাকআপ প্রক্রিয়া হয়ে গেলে আপনাকে আরেকটি অপশন দেওয়া হবে সেটা হলো সিস্টেম রিপেয়ার ডিক্স তৈরি করবেন কিনা, আপনার কাছে যদি অরিজিনাল উইন্ডোজ ৭ ডিক্স না থাকে তাহলে এই অপশনে যাবার দরকার নেই।

উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করা:

আপনার পিসিতে যদি কোনো উইন্ডোজ ভিত্তিক সমস্যা দেখা দেয় বা উইন্ডোজ যদি বুট না নেয় তাহলে সচারচর নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। নতুন করে উইন্ডোজ না দিয়ে আমরা উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করে এই সমস্যার চমৎকার সমাধান করতে পারি।
উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করার কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে, যা নিচে দেওয়া হলো:

➡ ১ম পদ্ধতি:

কন্ট্রোল প্যানেল এ যেতে হবে। এখান থেকে Recovery অপশনে ক্লিক করে Advanced Recovery methods অপশনে ক্লিক করতে হবে।
এবার এখানে “Use a system image you created earlier to recover your compute“  অপশনে ক্লিক করতে হবে। সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর আপনার সিস্টেমের সকল ফাইলস ডিলেট করে দিবে তাই আপনাকে আবারো ফাইল ব্যাকআপের অপশন দেওয়া হবে। সিস্টেম ইমেজ তৈরির সময় কোনো ফাইন মিসিং করে গেলে বা সিস্টেম ইমেজ তৈরির পর কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ব্যাকআপের অন্তভূর্ক্ত করে নেবার জন্য এই অপশন দেওয়া হবে। যদি আপনার এরকম ফাইলস ব্যাকআপ করার প্রয়োজন থাকে তাহলে Backup Now অপশনে ক্লিক করুন অথবা Skip বাটনে ক্লিক করে এটি এড়িয়ে যান। রিস্টোর প্রক্রিয়া হয়ে গেলে পিসি  রিস্টার্ট নেবে।

➡ ২য় পদ্ধতি:

যদি আপনার উইন্ডোজ স্টার্ট না নেয় তাহলে এই পদ্ধতি আপনার জন্য উপযুক্ত। পিসি চালু করে F8 বাটনে প্রেস করতে থাকুন, এডভান্সড বুট অপশন আসবে। এখান থেকে Repair Your Computer সিলেক্ট করুন।
রিকোভারি মোড লোড হতে কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। বায়োসে যদি কোনো ইউজার নেম ও পাসওর্য়াড দিয়ে থাকেন তাহলে এখানে সেগুলো দিতে হবে। এবার সিস্টেম রিকোভারি অপশন উইন্ডো চলে আসবে
এখান থেকে সিস্টেম ইমেজ রিকোভারি অপশনে ক্লিক করে রিস্টোর করে নিন।

➡ ৩য় পদ্ধতি:

হার্ডডিক্সের বুট সেক্টর বা মাস্টার বুট রেকর্ড যদি নস্ট হয়ে যায় তাহলে আপনি F8 Advance Boot Options Menu তে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে আপনি ব্যাপআপ রিস্টোরের জন্য ৩য় পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। এই পদ্ধতির জন্য আপনার উইন্ডোজ ৭ সিস্টেম রিপেয়ার ডিক্স বা উইন্ডোজ ৭ এর সেটআপ ডিক্স দরকার হবে।
ডিক্স ড্রাইভে ঢুকিয়ে ডিক্স বুট দিন। বুট হয়ে গেলে Windows Install উইন্ডো থেকে নিচের বামদিকের Repair your computer অপশনে ক্লিক করুন।
কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর সিস্টেম রিকোভারি অপশন আসবে, এখান থেকে “Restore your computer using a system image that you created earlier” তে ক্লিক করুন।
উপরের যেকোনো পদ্ধতিই অনুসরণ করুন না কেন আপনাকে এই সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ স্ক্রিণে আসতে হবে। আপনি যদি ইমেজ ব্যাকআপ ফাইলটি হার্ডডিক্সে রেখে থাকেন তাহলে তা অটোমেটিক সিলেক্ট হয়ে যাবে, আর তারপর Next বাটনে ক্লিক করে রিস্টোর প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। তবে যদি পেনড্রাইভ, ডিভিডি ব্যাকআপ বা নেটওর্য়াট লোকেশন থেকে রিস্টোর করাতে চান তাহলে Select a system image অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর করতে পারবেন।
আপনি যদি সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপের পর পিসির পার্টিশন স্ট্রাকচার পরিবর্তন করে থাকেন তাহলে ১ম ও ২য় পদ্ধতিতে সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর করতে পারবেন না। আপনাকে তাহলে ৩য় পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এখানে আপনি ব্যাকআপকৃত ইমেজের সাথে আপনার পিসির বর্তমান পার্টিশন মিলানোর জন্য রিফরমেট করে নিতে হবে। এই অপশনটি যারা পিসি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন তাদের জন্য উপযুক্ত!
কিছু কনফারমেশন স্ক্রিণের পর রিস্টোর প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং রিস্টোর প্রক্রিয়া শেষ হলে পিসি অটো রিস্টার্ট নেবে আর তারপর আপনার পিসির উইন্ডোজ আগের মতো ফিরে পাবেন।

সিস্টেম ইমেইজ ব্যাকআপ এবং রিস্টোরের কিছু কথা:

ব্যাকআপ করা ড্রাইভ বা ভলিউমগুলোর পার্টিশন স্ট্রাকচার পরিবর্তন করা উচিৎ নয়। এতে রিস্টোর প্রক্রিয়া ফেইল হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনারে পুনরায় পার্টিশন ফরম্যাট দিতে হতে পারে।
  • সিস্টেম ইমেইজ আপনার সিস্টেমের সকল ফাইলস ব্যাকআপ করে নেবে রিস্টোরের জন্য, এখানে আপনি ফাইলস বা ফোল্ডার বেছে নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র ড্রাইভ বেছে নিতে পারবেন।
  • নেটওর্য়াকে ব্যাকআপ ফিচারটি উইন্ডোজ ৭ হোম প্রিমিয়াম / হোম বেসিক সংস্করণে নেই।
  • শুধুমাত্র NTFS ফরমেটের পার্টিশনগুলোর ব্যাকআপ নেওয়া যাবে, আপনি যদি পেনড্রাইভে বা পোর্টেবল হার্ডডিক্সে ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে লক্ষ্য রাখবেন সেটার ফরমেট NTFS কিনা।
  • উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমেও এই অপশনটি আছে। যা আপনি কন্ট্রোল প্যানেল > উইন্ডোজ ৭ ফাইল রিকোভারি তে পাবেন।
  • আপনি যদি রিপেয়ার ডিস্কে ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে লক্ষ্য রাখবেন ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট যাতে মিক্স না হয়ে যা। আপনার উইন্ডোজ যদি ৩২বিট হয় তাহলে ৩২ বিট উইন্ডোজ রিপেয়ার ডিক্স ব্যবহার করুন।
  • হার্ডডিক্সে যদি আগে থেকেই একটি সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ থেকে থাকে তাহলে একসাথে দুটি ইমেজ ব্যাকআপ থেকে নতুন ব্যাকআপ টি রেখে পুরাতন ব্যাকআপটি ডিলেট করে দিবেন। এতে রিস্টোরের সময় সুবিধা হবে।
আশা করবো সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ ও রিস্টোর প্রক্রিয়ার মাধ্যমগুলো আপনাদের সামনে ভালো মতো ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি। নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়ার চেয়ে এই ইমেজ রিস্টোরের মাধ্যমে আপনার সিস্টেমের ফাইলস এবং সফটওয়্যার সেটিং থাকে অবিকৃত।

Wednesday, June 13, 2018

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

How to Windows 10 Auto Update Off (উইন্ডোজ ১০ এ অটো আপডেট বন্ধ করার উপায় )

বর্তমানে উইন্ডোজ এর সর্বশেষ ভার্সন হল উইন্ডোজ ১০। আমার কাছে ভালই লাগে। তবে এখানে উইন্ডোজ অটো আপডেট বন্ধের অপশন নেই। তাই যারা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করেন তাদের হয়ত প্রবলেম হবে না তবে যারা মডেম ব্যবহার করেন তাদের জন্য একটা বিরাট দুঃসংবাদ। তাই ভাবলাম কি করে অন্য উপায়ে এই উইন্ডোজ ১০ অটো আপডেট বন্ধ করবেন সেটা একটু আপনাদের সাথে শেয়ার করি। তবে এই উপায়ে যেকোনো উইন্ডোজ এর অটো আপডেট বন্ধ করা যায়।

যাহোক কাজের কথায় আসি।

প্রথমে আপনার পিসির Run কমান্ড এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc এবং এন্টার প্রেস করুন। এরপর নিছের পথ ফলো করুন।

Computer Configuration > Administrative Templates > Windows Components যাবার পর ডান দিক থেকে Windows Update খুজে বের করে ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।






এরপর Configure Automatic Updates এ ক্লিক করুন। না বুঝলে ছবির দিকে খেয়াল করুন।


এখন দেখুন নিছের ছবির মত একটা উইন্ডো ওপেন হয়েছে। এখানে Disable এ ক্লিক করে ok বাটন এ প্রেস করুন।


বাস কাজ শেষ। আবার যদি অটো আপডেট অন করতে চান তাহলে উল্টো পদ্ধতি অনুসরন করুন।

Wednesday, November 1, 2017

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

মাঝে মাঝে আমাদের কম্পিউটার ক্র্যাশ করে অথবা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের কারণে BIOS এর সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন আমরা ইচ্ছে করলেই BIOS সেটিংস পূর্বে যেরকম ডিফল্ট ছিলো, আবার সেরকমে ফিরিয়ে আনতে পারি। এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের দেখাবো কীভাবে তিনটি পদ্ধতিতে BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে আনা যায়।

BIOS মেন্যু থেকে রিষ্টোর করুনঃ

এটা সবথেকে সহজ পদ্ধতি। নীচের ধাপগুলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যান।

প্রথম ধাপঃ

আপনার কম্পিউটার চালু হবার সময় উইন্ডোজের লোগো আসার মাঝের সময়টাতে কীবোর্ডের Del, F1 or F2 বাটন চাপতে থাকুন, BIOS মেন্যু এসে যাবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে Del, F1 or F2 বাটনের পার্থক্য থাকে। তবে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কম্পিউটার চালু হবার সময়ই BIOS সেটিংসের জন্য কোন বাটন চাপতে হবে সেটা সামান্য সময়ের জন্য স্ক্রীণে দেখিয়ে দেয়া থাকে।

দ্বিতীয় ধাপঃ

BIOS সেটিংস এ ঢুকে গেলে আপনি EXIT মেন্যুতে চলে যান।

তৃতীয় ধাপঃ

কীবোর্ডের arrow বাটন দিয়ে Load Setup Default সিলেক্ট করুন।
ছবিতে দেখানো হলো। তবে এটাও বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন Load Setup Default কথাটাই ভিন্নভাবে হয়তো নির্দেশ করা হয়েছে।

চতুর্থ ধাপঃ

এবার আপনি ENTER বাটন চেপে কনফার্ম করুন। এসময় আপনার সামনে হয়তো YES এর Y এবং NO এর N বাটন সিলেক্ট করার অপশন আসবে। আপনি YES এর Y বাটন চেপে উপরে EXIT & SAVE CHANGES সিলেক্ট করে ENTER চেপে বের হয়ে আসুন। ব্যস হয়ে গেলো!

MOTHER BOARD এ CLR CMOS jumper পরিবর্তন করাঃ

যদি আপনি BIOS এ ঢুকতে না পারেন তবে এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
কম্পিউটার বন্ধ করুন এবং কেচিং খুলে Motherboard এ চোখ রাখুন। নীচের ছবিতে লাল বৃত্তাকার এরমতো বস্তুটিই হচ্ছে CLR CMOS jumper. সেটি খুলুন, খুলে pins 1-2 থেকে pins 2-3 তে বসিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড পর আবার পুর্বের মতো pins 1-2 তে বসিয়ে দিন।

MOTHER BOARD থেকে ব্যাটারি খুলুনঃ

যদি আপনি CLR CMOS jumper খুঁজে না পান তবে এ পদ্ধতি ফলো করুন। ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি সহজেই আপনার চোখে পড়বে কারণ এটি দেখতে বহুল পরিচিত ঘড়ির ব্যাটারীর মতো, একটু বড় আকারে। নীচে ছবি দেখুন।
ব্যাটারী খুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর ব্যাটারি আবার যথাস্থানে বসিয়ে দিন। আপনার BIOS আবার ডিফল্টে ফিরে গেছে। উপরোক্ত ৩টি পদ্ধতির যেকোনো একটির সাহায্যে আপনি BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

Sunday, October 15, 2017

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]


অনেক সময় আমাদের কম্পিউটার খুব slow কাজ করে। আর সেটা খুব বিরক্তিকর লাগে।তবে এই বিরক্তি দূর করার জন্য আছে কিছু টিপস।ভাবছেন আমি মজা করছি,না আমি মজা করসি না।তাহলে কেন বিরক্তি দূর করার টিপস বললাম?এটাই হয়তো চিন্তা করছেন।আপনার slow কম্পিউটারকে যদি একটু fast করা যায় তাহলে কি আপনার বিরক্তি দূর হবে না?আশা করি হবে।তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার এর speed বাড়ানোর কিছু টিপস…
টিপসঃ
  1. ১। কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
  2. ২। Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন।অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
  3. ৩। কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।
  4. ৪। কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন।Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন। 

Monday, October 9, 2017

Hp Leptop  ক্ষতিকর প্রোগ্রাম! [Tech Mitun]

Hp Leptop ক্ষতিকর প্রোগ্রাম! [Tech Mitun]

সুইজারল্যান্ডের একটি তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান মডজিরো তাদের সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে লিখেছে, এইচপি নির্মিত বেশ কিছু মডেলের ল্যাপটপে কি-লগার (ক্ষতিকর প্রোগ্রাম) ইনস্টল করা আছে। এইচপির দুই ডজনের বেশি মডেলের ল্যাপটপের অডিও ড্রাইভারে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে, যেগুলো কম্পিউটারের প্রতিটি কি-প্রেস সংরক্ষণ করে রাখে।
ফলে ব্যবহারকারীদের ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডও সেইভ করে রাখছে এই অডিও ড্রাইভার, যা পিসিতে সংরক্ষিত হয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তার জন্য মারাত্নক হুমকি হতে পারে।
যেসব এইচপি ল্যাপটপ মডেল এই সমস্যায় আক্রান্ত, মডজিরো তাদের ব্লগ পোস্টে তার একটি লিস্ট প্রকাশ করেছে। পিসিগুলো হচ্ছেঃ
  • HP EliteBook 820 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 828 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 840 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 848 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 850 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 640 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 650 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 645 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 655 G2 Notebook PC
  • HP ProBook 450 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 430 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 440 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 446 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 470 G3 Notebook PC
  • HP ProBook 455 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 725 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 745 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 755 G3 Notebook PC
  • HP EliteBook 1030 G1 Notebook PC
  • HP ZBook 15u G3 Mobile Workstation
  • HP Elite x2 1012 G1 Tablet
  • HP Elite x2 1012 G1 with Travel Keyboard
  • HP Elite x2 1012 G1 Advanced Keyboard
  • HP EliteBook Folio 1040 G3 Notebook PC
  • HP ZBook 17 G3 Mobile Workstation
  • HP ZBook 15 G3 Mobile Workstation
  • HP ZBook Studio G3 Mobile Workstation
  • HP EliteBook Folio G1 Notebook PC
কোনেক্সান্ট কোম্পানির তৈরি অডিও ড্রাইভারে এই ত্রুটি পাওয়া গেছে। এটি মূলত ২০১৫ সাল থেকে বাজারজাতকৃত নির্দিষ্ট কিছু এইচপি ল্যাপটপের সাথে চলে এসেছে। ড্রাইভার কর্তৃক রেকর্ডকৃত কি-প্রেসের লগ ফাইলগুলো প্রতিবার ল্যাপটপ বুট করার সাথে সাথে মুছে যায়। তারপরেও প্লেইন-টেক্সটে পাসওয়ার্ড, মেসেজ, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের তথ্য প্রভৃতি সেইভ করা থাকলে ঝুঁকি রয়েই যায়।
আপনার এইচপি ল্যাপটপে উপরোক্ত ক্ষতিকর প্রোগ্রাম ইনস্টল করা আছে কিনা তা জানতে সিস্টেম ড্রাইভের (অর্থাৎ সি ড্রাইভ) উইন্ডোজ ফোল্ডারের মধ্যে সিস্টেম৩২ ফোল্ডার ওপেন করুন (C:\Windows\System32\)। সেখানে MicTray64.exe অথবা MicTray.exe নামের কোনো ফাইল আছে কিনা খুঁজে দেখুন। যদি পাওয়া যায়, তাহলে মডজিরোর পরামর্শ হচ্ছে, সেই ফাইলটি (MicTray64.exe অথবা MicTray.exe) মুছে ফেলা অথবা রিনেইম করা, যাতে এটি আর কাজ করতে না পারে। যদিও এতে দুয়েকটি স্পেশাল ফাংশন কি কাজ করা বন্ধ করতে পারে।
এরপর পিসির C:\Users\Public\ (অর্থাৎ সি ড্রাইভের ইউজারস > পাবলিক ফোল্ডার) ওপেন করে দেখুন সেখানে MicTray.log নামের কোনো ফাইল আছে কিনা। এটাতেই আপনার সব কি-প্রেস রেকর্ড করা আছে। সেই ফাইলটিও ডিলিট করে ফেলুন।
এইচপি এই ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে এবং বলেছে ড্রাইভার আপডেট দিয়ে শীঘ্রই এটা সমাধান করবে কোম্পানিটি। সেক্ষেত্রে এইচপির ওয়েবসাইট ভিজিট করে অথবা পিসির আপডেট চেক করে অডিও ড্রাইভার আপডেট করে নিতে হবে

Tuesday, January 17, 2017

কম্পিউটার ভাইভার কিছু প্রশ্ন ও উত্তর, শিখে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে লাগবে (মেগা টিউনস) [Tech Mitun]

কম্পিউটার ভাইভার কিছু প্রশ্ন ও উত্তর, শিখে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে লাগবে (মেগা টিউনস) [Tech Mitun]

উত্তর: কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র। যাতে পূর্ব থেকে কিছু তথ্য দেয়া থাকে, যা ইনপুট ডিভাইস এর মাধ্যমে ইনপুটকৃত গাণিতিক ও যৌক্তিক ডাটা সমূহকে প্রসেসর দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত সুনির্দিষ্ট আউটপুট প্রদান করে।
কম্পিউটার সংগঠনের অংশগুলো নিুরূপ-
র. ইনপুট ইউনিট: যে ইউনিটের মাধ্যমে কম্পিউটারকে যাবতীয় তথ্য বা উপাত্ত প্রদান করা হয়, তাকে ইনপুট ইউনিট বলে। যেমন-
* কীবোর্ড;
* মাউস;
* স্ক্যানার;
* জয়স্টিক;
* লাইটপেন;
* ডিজিটাল ক্যামেরা;
* পাঞ্চকার্ড রিডার;
* অপটিকাল মার্ক রিডার;
* অপটিকাল ক্যারেকটার রিডার এবং
* পেপার টেপ রিডার।
মেমরি ইউনিট: যে ইউনিটে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে উত্তোলন করা যায়, তাকে মেমরি ইউনিট বলে। যেমন-
* হার্ডডিস্ক;
* ফ্লপি ডিস্ক সিডি;
* ডিভিডি এবং
* ফ্ল্যাশ ড্রাইভ।
গাণিতিক ও যৌক্তিক ইউনিট: গাণিতিক ও যৌক্তিক ইউনিট যাবতীয় হিসাব যেমন: যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কার্য সম্পন্ন করে।
রা. নিয়ন্ত্রণ ইউনিট: এই অংশ কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
আউটপুট ইউনিট: যে ইউনিটের মাধ্যমে কম্পিউটার যাবতীয় ফলাফল প্রদান করে, তাকে আউটপুট ইউনিট বলে।
যেমন-
* মনিটর;
* প্রিন্টার;
* ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে;
* ফিল্ম রেকর্ডার;
* ¯পীকার এবং
* মাইক্রোফোন।
প্রশ্ন-২. কম্পিউটারের কাজ লিখ।
উত্তর: কম্পিউটার নিম্নলিখিত ৪টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। যথা-
* সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরি প্রোগ্রাম কম্পিউটার গ্রহণ করে মেমরিতে সংরক্ষণ করে এবং
ব্যবহারকারীর নির্দেশে কম্পিউটার প্রোগ্রাম নির্বাহ করে;
* ইনপুট ডিভাইস-এর মাধ্যমে ডাটা গ্রহণ করে;
* ডেটা প্রসেস করে এবং
* আউটপুট ডিভাইস-এর মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করে।
প্রশ্ন-৩. সিপিউ কে কম্পিউটারের মস্তিস্ক বলা হয় কে?
উত্তর: কম্পিউটারের সাংগঠনিক অংশগুলোর মধ্যে সিপিউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজ করার সময় আমরা যে সব নির্দেশ দিয়ে থাকি সেগুলোর গাণিতিক বিশ্লেষণ, যুক্তিমূলক বিন্যাস, নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ; এক কথায় যাবতীয় প্রক্রিয়াকরণের কাজ এই অংশে হয়ে থাকে। প্রাণির মস্তিস্ক যেমন যাবতীয় কাজ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেহকে সচল রাখে, কম্পিউটার সিপিউ তেমনি যাবতীয় কর্মসম্পাদনের মাধ্যমে কম্পিউটারকে কার্যউপযোগী রাখে। এজন্য সিপিউকে কম্পিউটারের মস্তিস্ক বলা হয়।
প্রশ্ন-৪. কম্পিউটারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর: নির্ভুলতা, দ্রুতগতি, সুক্ষতা, যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত, বহুমূখীতা, মেমরি, স্বয়ংক্রিয়তা এবং সহনশীলতা।
প্রশ্ন-৫. কম্পিউটারের মৌলিক সীমাবদ্ধতা কী ? কম্পিউটারের কি চিন্তা শক্তি আছে?
উত্তর: কম্পিউটার একটি যন্ত্র মাত্র। এর চিন্তা শক্তি নেই, নেই বুদ্ধিমত্তা বা বিচার বিশ্লেষণ এবং বিবেচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা।
প্রশ্ন-৬. বিভিন্ন প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য সমূহ লিখ।
উত্তর: প্রথম প্রজন্ম (১৯৫১-১৯৫৯)
* আকারে বড় বিধায় প্রচুর তাপ উৎপাদনকারী;
* মেমরি অত্যন্ত অল্প;
* ভ্যাকুয়াম টিউব দিয়ে তৈরি;
* মেমরি চৌম্বকীয় ড্রামের;
* কোড ব্যবহার করে প্রোগ্রাম চালানোর ব্যবস্থা;
* এই কম্পিউটারের যান্ত্রিক গোলযোগ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পাওয়ার খরচ বেশি এবং
* এই প্রজন্মের কম্পিউটারে যান্ত্রিক ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা হত।
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৯-১৯৬৫)
* এটিতে মডিউল ডিজাইন ব্যবহার করে সার্কিটের প্রধান প্রধান অংশগুলো আলাদা বোর্ডে তৈরি করা যেত;
* অধিক নির্ভরশীল, অধিক ধারণক্ষমতা এবং তথ্য স্থানান্তরের সুবিধা;
* সাইজে ছোট, গতি বেশি এবং বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন কম;
* ট্রানজিস্টর দ্বারা তৈরি ও মেমরি চুম্বক কোরের এবং
* অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা হত।
তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৫-১৯৭১)
* বিভিন্ন প্রকার উন্নত মেমরি ব্যবস্থার উদ্ভাবন;
* ব্যাপক একীভূত বর্তনীর ব্যবহার;
* সাইজ ছোট বলে বিদ্যুৎ খরচ কম এবং
* উচ্চ ভাষা দিয়ে প্রোগ্রাম লিখা তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে শুরু হয়।
চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১- বর্তমান)
* উন্নত চিপ এর ব্যবহার ও ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার;
* বিশাল পরিমাণ মেমরি ও অত্যন্ত গতি এবং
* টেলিযোগাযোগ লাইন ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান।
পঞ্চম প্রজন্ম (ভবিষ্যৎ প্রজন্ম)
* এই ধরণের কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ১০-১৫ কোটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
* শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে। ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটার শুনতে পারবে এবং কথা বলতে পারবে।
* এই প্রজন্মের কম্পিউটারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে। ফলে কম্পিউটার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে তা সিদ্ধান্ত গ্রহণে
ব্যবহার করতে পারবে।
* ভিজুয়্যাল ইনপুট বা ছবি থেকে ডাটা গ্রহণ করতে পারবে।
প্রশ্ন-৭. অ্যাবাকাস কি?
উত্তর: অ্যাবাকাস হচ্ছে আড়াআড়ি তারে ছোট্ট গোলক বা পুঁতি লাগানো চারকোণা কাঠের একটি কাঠামো। এখনকার কম্পিউটারের মত অ্যাবাকাসও সংখ্যাকে সংকেত বা কোড হিসেবে বিবেচনা করে- কাঠামোতে তারের অবস্থান ও তারে পুঁতির উপস্থিতি সংকেত নিরূপন করে। খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালে ব্যাবিলনে এটি আবিস্কার হয় বলে ধারণা করা হয়। অ্যাবাকাস দিয়ে সাধারণত যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, বর্গ ও বর্গমূল নিরূপন করা যেত।
প্রশ্ন-৮. অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন কী?
উত্তর: চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৪ সালে যেকোন প্রকার হিসাবকার্যে সক্ষম এরূপ একটি হিসাব যন্ত্রের পরিকল্পনা শুরু করেন। যাতে প্রোগ্রাম নির্বাহ ও পাঞ্চকার্ডে হিসাবকার্যের নির্দেশসমূহকে সংরক্ষণের পরিকল্পনা ছিল। এই যন্ত্রটি অ্যানালিটিক্যাল
ইঞ্জিন নামে পরিচিত।
প্রশ্ন-৯. চার্লস ব্যাবেজ কে? কেন তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়?
উত্তর: চার্লস ব্যাবেজ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক। তিনি ১৮৩৪ সালে আধুনিক কম্পিউটারের মত নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক ও যৌক্তিক অংশ, স্মৃতি অংশ এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সম্বলিত অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে একটি মেকানিক্যাল কম্পিউটারের পরিকল্পনা করেছিলেন। চার্লস ব্যাবেজের এই যন্ত্রটি আধুনিক কম্পিউটারের পূর্বসূরি হয়ে
আছে বলে চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
প্রশ্ন-১০. কাকে প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং কেন?
উত্তর: ইংরেজ কবি লড বায়রনের কন্যা অ্যাডা অগাস্টাকে প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে বিবেচনা করা হয় । কারণ তিনিই আধুনিক কম্পিউটারের পূর্বসূরি অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন-এর জন্য প্রোগ্রাম রচনা করেন।
প্রশ্ন-১১. মেমরিতে রক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের ধারণা কে প্রদান করেন?
উত্তর: ১৯৪৫ সালে প্রখ্যাত গণিতবিদ জন ভন নিউম্যান সর্বপ্রথম মেমরিতে রক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের ধারণা প্রদান করেন।
প্রশ্ন-১২. কম্পিউটার আবিস্কার করেন কে ? কেন তাকে কম্পিউটারের আবিস্কারক বলা হয়?
উত্তর: কম্পিউটার আবিস্কার করেন হাওয়ার্ড এইচ একিন। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম এর যৌথ উদ্যোগে এবং হাওয়ার্ড এইচ একিন-এর তত্ত্বাবধানে ১৯৪৩ সালে মার্ক-১ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কম্পিউটার নির্মিত হয়। এজন্য হাওয়ার্ড এইচ একিন কে কম্পিউটারের আবিস্কারক বলা হয়।
প্রশ্ন-১৩. কবে এবং কারা ট্রানজিস্টর তৈরি করেন?
উত্তর: ১৯৪৮ সালে আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে উইলিয়াম শকলে, জন বার্ডিন এবং এইচ ব্রিটেন সম্মিলিতভাবে ট্রানজিস্টর তৈরি করেন।
প্রশ্ন-১৪. আই.সি (ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট) তৈরি করেন কারা?
উত্তর: টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্ট- এর জ্যাক কিলবি ও ফেয়ারচাইল্ড- এর রবার্ট নয়েস ১৯৫৮ সালে আইসি তৈরি করেন।
প্রশ্ন-১৫. কে এবং কবে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেন?
উত্তর: ড. টেড হফ ১৯৭১ সালে (প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ইন্টেল- ৪০০৪) মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেন।
প্রশ্ন-১৬. মাইক্রোকম্পিউটারের জনক কে? কেন তাকে মাইক্রোকম্পিউটারের জনক বলা হয়?
উত্তর: তড়িৎ প্রকৌশলী এইচ এডওয়ার্ড রবার্টসকে মাইক্রোকম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি ১৯৭৫ সালে অলটেয়ার-৮৮০ নামে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করেন। এজন্য তড়িৎ প্রকৌশলী এইচ এডওয়ার্ড রবার্টসকে মাইক্রোকম্পিউটারের জনক বলা হয়।
প্রশ্ন-১৮. আই.বি.এম (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেসিন) পিসি তৈরি হয় কবে?
উত্তর: ১৯৮১ সালের ১২ আগস্ট থেকে বের হয় পার্সোনাল কম্পিউটার।
প্রশ্ন-১৯. মাইক্রোসফ্ট কবে এবং কারা প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ১৯৭৫ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়- এর ছাত্র বিল গেটস ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ওয়াশিংটন স্টেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পল অ্যালেন ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি-এর জন্য বেসিক প্রোগ্রাম লিখেন। পল অ্যালেন বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে ম্যাসচুস্টেস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে যোগদান করলেও বিল গেটস সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার জগতে প্রবেশ করেন এবং ১৯৭৭ সালে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রশ্ন-২০. কবে এবং কারা অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস ও স্টিফেন উযনিয়াক মিলে অ্যাপল-১ কম্পিউটার তৈরি করেন। এর পরবর্তী বছরই তারা অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রশ্ন-২১. ইন্টারনেটের জনক কে?
উত্তর: ইন্টারনেটের জনক ভিন্টন জি কার্ফ
প্রশ্ন-২৩. ই-মেইল (ইলেকট্রনিক মেইল) এর প্রবর্তন করেন কে?
উত্তর: ১৯৭১ সালে রে টমলিনসন ই-মেইল এর প্রবর্তন করেন।
প্রশ্ন-২৪.জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের প্রতিষ্ঠাতা কারা?
উত্তর: ১৯৯৪ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেজ জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রশ্ন-২৫. জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুক- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর: জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুক- এর প্রতিষ্ঠা করেন মার্ক জুকারবাগ
প্রশ্ন-২৬. সফ্টওয়্যার কি ও কত প্রকার?
উত্তর: কোন সমস্যা সমাধানের জন্য ধারাবাহিক নির্দেশাবলির সমষ্টিকে সফ্টওয়্যার বলে।
সফ্টওয়্যার প্রধানত দুই প্রকার:
* সিস্টেম সফ্টওয়্যার (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম) এবং
* অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার (যেমন: মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড)।
প্রশ্ন-২৭. ফার্মওয়্যার কি ?
উত্তর: কম্পিউটারকে প্রাথমিকভাবে পরিচালনার জন্য রম-এ স্থায়ীভাবে কিছু তথ্য জমা থাকে, এই তথ্যগুলোকে ফার্মওয়্যার বলে।
প্রশ্ন-২৮. অপারেটিং সিস্টেম কী?
উত্তর: কম্পিউটারের নিজের নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।
যেমন- উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিস্তা এবং লিনাক্স।
প্রশ্ন-২৯. মাল্টিমিডিয়া কাকে বলে?
উত্তর: কোন বিষয়কে উপস্থাপনের জন্য টেক্সট, অ্যানিমেশন, অডিও এবং ভিডিও এর সমন্বিত রূপকে মাল্টিমিডিয়া বলে।
প্রশ্ন-৩০. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কাকে বলে?
উত্তর: ডাটা বা রিসোর্স শেয়ার করার উদ্দেশ্যে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের সংযুক্তিকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।
প্রশ্ন-৩১. ইন্টারনেট কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড-এর নেটওয়ার্ককে মধ্যবর্তী সিস্টেম (যেমন: গেটওয়ে, রাউটার)-এর মাধ্যমে
আন্ত-সংর্যুক্ত করে যে মিশ্র প্রকৃতির নেটওয়ার্কের ডিজাইন করা হয়, তাকে ইন্টারনেট বলে।
প্রশ্ন-৩২. ই-মেইল কী?
উত্তর: ইলেকট্রনিক মেইল এর সংক্ষিপ্ত রূপ ই-মেইল। ই-মেইল এর সাহায্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করে দ্রুতগতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। যেখানে সাধারণ ডাকযোগে চিঠি প্রেরণে কয়েকদিন সময় লাগে; সেখানে ই-মেইল এর সাহায্যে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
প্রশ্ন-৩৩. বাংলাদেশে কত সালে এবং কোথায় প্রথম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
উ: ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি গবেষণা কেন্দ্রে।
প্রশ্ন-৩৪. বাংলাদেশে অনলাইন ইন্টারনেট সেবা কবে চালু হয়?
উত্তর: বাংলাদেশে অনলাইন ইন্টারনেট সেবা চালু হয় ১৯৯৬ সালের ৪ জুন।
প্রশ্ন-৩৫. কম্পিউটার ভাইরাস কী?উত্তর: VIRUS এর পূর্ণনাম Vital Information Resource Under Seize । কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে এক ধরনের অনিষ্টকারী প্রোগ্রাম। ইহা কম্পিউটারের স্বাভাবিক প্রোগ্রামগুলোর কাজে বিঘœ ঘটায়। ১৯৮৮ সালে ফ্রাইড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাস শনাক্ত করেন।

প্রয়োজনীয় লেখা তাই শেয়ার করলাম কোন অভিযোগ থাকলে সরিয়ে দিবো ।

Thursday, January 12, 2017

যখন ল্যাপটপের কি–বোর্ড কাজ করে না ।কি করবেন দেখে নিন । [Tech Mitun]

যখন ল্যাপটপের কি–বোর্ড কাজ করে না ।কি করবেন দেখে নিন । [Tech Mitun]

ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের বড় সমস্যা হঠাৎ কি-বোর্ড কাজ না করা। যন্ত্রাংশ বা সফটওয়্যারের কারণে কি-বোর্ড কাজ করতে চায় না কখনো কখনো। কিন্তু কি-বোর্ডে কখনো বেশি চাপ পড়লে বা অসাবধানতায় এর ওপর তরল পদার্থ পড়লে কি-গুলো শর্ট হয়ে যায়। তবে যন্ত্রাংশের বড় ধরনের সমস্যা না হলে কিছু পদক্ষেপ নিলে ল্যাপটপের কি-বোর্ডকে আবার কার্যকর করা যায়।

যা করবেন
ডিভাইস সফটওয়্যার চেক: স্টার্ট মেন্যুতে devmgmt.msc লিখুন। ডিভাইস ম্যানেজার এলে তাতে ক্লিক করে খুলুন। অনেক সময় হার্ডওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড ড্রাইভ এখানে লুকিয়ে থাকে। তাই ডিভাইস ম্যানেজারের View মেন্যুতে ক্লিক করে Show hidden devices-এ ক্লিক করুন। এবার এই তালিকার Keyboards এ ডবল ক্লিক করলে আপনার ল্যাপটপের ডিভাইসের নাম দেখতে পাবেন। এখানে হলুদ ত্রিভুজের মধ্যে বিস্ময়বোধক চিহ্ন দেখা গেলে ল্যাপটপ নির্মাতার ওয়েবসাইটে গিয়ে ল্যাপটপের মডেল দিয়ে ড্রাইভার খুঁজে নিয়ে তার সর্বশেষ সংস্করণ নামিয়ে ব্যবহার করলে কি-বোর্ড সচল হয়ে যাবে। না হলে কি-বোর্ড ড্রাইভারে ডান ক্লিক করে Uninstall-এ ক্লিক করুন। আনইনস্টল শেষে Action মেন্যুতে ক্লিক করে Scan for hardware changes এ ক্লিক করুন। এবার কম্পিউটার আবার চালু (রি-স্টার্ট) করুন তাহলে কি-বোর্ড পুনরায় ইনস্টল হয়ে আবার কাজের উপযোগী হবে।
বায়োস সেটিংস: কম্পিউটার রি-স্টার্ট করে কি-বোডের্র Esc চেপে ধরে থাকুন। যদি স্টার্ট-আপ মেন্যু না আসে তাহলে বুঝতে হবে কি-বোডের্র হার্ডওয়্যার সমস্যা। সে জন্য এক্সটার্নাল কি-বোর্ড লাগিয়ে নিয়ে আবার Esc key চেপে ধরে রাখুন স্টার্ট-আপ মেন্যুর পর্দা আসা পর্যন্ত। এইচপির ল্যাপটপের জন্য স্টার্ট-আপ মেন্যু এলে F10 key চেপে বায়োসে (অন্য ব্র্যান্ড ব্যবহারকারীরা তাদের ল্যাপটপের বায়োস কি চেপে) ঢুকুন। এবার F5 চাপলে load the default settings করুন। F10 কি চাপলে সেটিংস সেভ হয়ে কম্পিউটার পুনরায় চালু করলে অনেক সময় কি-বোর্ড ঠিক হয়ে যায়। এ ছাড়াও সফটওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড কাজ না করলে উইন্ডোজের সিস্টেম রিস্টোর করে দেখতে পারেন। অনেক সময় তৃতীয় পক্ষের কিছু সফটওয়্যারের জন্য কি-বোর্ড কাজ করে না। তাই জেনে-বুঝে সফটওয়্যার ইনস্টল করুন প্রয়োজনে ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটার স্ক্যান করে নিন। আবার কি-বোর্ডের ভেতর ময়লা জমে গেলে কি আর কাজ করে না। তাই ল্যাপটপ বন্ধ অবস্থায় কি-গুলোকে ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে দেখতে পারেন। প্রয়োজনে উইন্ডোজের অন-স্ক্রিন কি-বোর্ড ব্যবহার করতে পারেন।

Friday, January 6, 2017

হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান [Tech Mitun]

হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান [Tech Mitun]


আপনার হার্ডডিস্কটি যে কোনো সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা ত্রুটি দেখা দিতে পারে। ছোটখাট ত্রুটিগুলো আপনি যেকোনো Disk First Aid Tool Kit দিয়ে সেরে নিতে পারেন। তবে বড় আকারের কোনো ত্রুটি হলে সেটাকে কোনো ক্রমেই মেরামত করা যায় না। সেই স্থলে একটা নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হয়।
আপনার হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলে কম্পিউটার চালানোর সময় ডস প্রম্পটে নিচের লেখা দিতে পারেঃ NO SYSTEM DISK IS FOUND
অর্থাৎ, আপনার কম্পিউটার চালানোর জন্যে সিস্টেম ডিস্কটি খুঁজে পাচ্ছে না সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ। অবশ্য, সবসময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেই যে এই ধরনের মেসেজ দিবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় ডসে কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে। তাছাড়া আপনার Ram স্লটে কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা পাওয়ার ইউনিটে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্কের কেবল ঠিকমতো লাগানো না থাকলে বা ঠিলা হয়ে থাকলে এইধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
আপনার হার্ডডিস্কে সত্যিকার অর্থে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আপনাকে আরো একটু সতর্ক হতে হবে।

কম্পিউটারের স্টার্ট সুইচ চাপ দিয়ে যখন কম্পিউটার চালু হতে থাকবে তখন সিস্টেম ইউনিটের কাছে আপনার কান নিয়ে যান।
হার্ডডিস্কে বড়ো আকারের কোনো সমস্যা থাকলে এইসময় “ঢং ঢং, টিট টিট, পিপ পিপ” এই ধরনের কিছু ব্যড সাউন্ড হবে। এছাড়া ফ্লেক্সিবল ঘূর্ণায়মান ঝির ঝির শব্দ থেমে থেমে হতে পারে। এমনটি ঘটলে বুঝে নিতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বড় আকারের কোনো ত্রুটি দেখা দিয়েছে।

যদি এমনটি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারের সমস্যা অন্য কোনো জায়গায়। এই অবস্থায় আপনার সিস্টেম ইউনিট বাক্সটা খুলে হার্ডডিস্কে কেবলগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা চেক করে নিন। Ram স্লটগুলো ঠিক জায়গা মতো আছে কিনা চেক করে নিন। পাওয়ার কানেকশন ঠিকমতো মাদারবোর্ডে আছে কিনা চেক করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারপর বক্সটির কভার লাগিয়ে সিপিইউ এর সুইচ অন করুন।
আশাকরি এবার আপনার কম্পিউটার ঠিকঠাক মতো অন হয়ে যাবে। এটা না হলে বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা আছে। এইসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় অন্যকোন অ্যাকটিভ কম্টিউটারে আপনার হার্ডডিস্ক সেট করে চেক করে নেয়া- এটা সত্যি নষ্ট হয়েছে কিনা।
যদি সত্যি সত্যি তা নষ্ট হয়ে থাকে তবে সেটা পাল্টে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
পাওয়ার সাপ্লাইটা কি ঠিক আছে [Tech Mitun]

পাওয়ার সাপ্লাইটা কি ঠিক আছে [Tech Mitun]

  • পিসিতে পাওয়ার না আসা।
  • পাওয়ার সাপ্লাই এর ফ্যান ঘোরে কিন্তু কোন কাজ হয় না।
  • প্রসেসরের ফ্যান ঘোরে কিন্তু কোন কাজ হয় না।
  • পিসি মাঝে মাঝে রির্স্টাট হয়
    মাদারবোর্ডের লাইট জ্বলে কিন্তু পাওয়ার সাপ্লাই ও প্রসেসরের ফ্যান ঘোরে না।
  • পিসির কাছ থেকে কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যায়না।

    বাড়িয়ে নিন আপনার কম্পিউটারের গতি                 

    পরিস্কার এর মাধ্যমে পিসির কাজ কে আরো দ্রুত করে।

  ল্যান কাডের সমস্যা সমাধান  [Tech Mitun]

ল্যান কাডের সমস্যা সমাধান [Tech Mitun]

১. ল্যান কাডের ভিতরের সোনালী নচ এর ভিতরে ইনসুলেশন থাকতে পারে। চিকন স্ক্র-ড্রাইভার দিয়ে সুক্ষভাবে নচ গুলো পরিষ্কার করুন।
২. ল্যান কাডটি অন্য একটি ভালো পিসিতে লাগিয়ে সিউর হয়ে নিন ল্যান কাড ঠিক আছে কিনা।
৩. যদি ঠিক থাকে, তবে অন্য একটি পিসিআই স্লটে বসিয়ে দেখতে পারেন।
৪.  বায়োসের ব্যাটারী চেঞ্জ করুন এবং বায়োসকে ডিফোল্ট সেটআপ করুন।
সফটওয়্যার জানিত সমস্যার সমাধান:
১. মাই নেটওয়ারক প্লেস এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপারটিস এ ক্লিক করুন। যদি ল্যান কারড সো না করে তবে ডিভাইজ ম্যানেজার থেকে নেটওয়ারক এডাপ্টার এ নেটওয়ারক কাড এ যদি ল্যান কারড এর কোনো সিম্বল শো করে কিনা দেখুন। নেটওয়ারক এডাপ্টার এ রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপারটিজ এ ক্লিক করুন। ড্রাইভার ট্যাবে ক্লিক করে আপগেড ড্রাইভার এ ক্লিক করে ড্রাইভার আপগ্রেড করে নিন।