Showing posts with label Windows Xp. Show all posts
Showing posts with label Windows Xp. Show all posts

Friday, July 27, 2018

নিমিষেই উইন্ডোজ ৭ মেয়াদ নেই স্ক্রিন কালো দূর করুন এখনই

নিমিষেই উইন্ডোজ ৭ মেয়াদ নেই স্ক্রিন কালো দূর করুন এখনই


বকিছুই এখন হাতের নাগালে । প্রযুক্তির সাথে আপডেট থাকতে অনেকেই হয়ত উইন্ডোজ ৮/৮.১ ব্যবহার করছেন। কিন্তু এখনো বিশাল একটি সংখ্যা উইন্ডোজ এক্সপি অথবা সেভেন ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বলছি, ক’জন লোক বা সংস্থা অরিজিনাল বা ক্রয় করে মাইক্রোসফটের পণ্য বা অন্য যেকোন সফটওয়্যার ব্যবহার করছি? খুবই সীমিত সংখ্যক ব্যক্তি বা সংস্থা টাকা দিয়ে ক্রয় করে ব্যবহার করছে। আর বেশির ভাগ পাইরেসি কপিই ব্যবহার করছি। আমি নিজেও। যাহোক, এভাবে হয়ত অনেকে উইন্ডোজ ৭ পাইরেসি কপি ব্যবহার করে আসছেন। পাইরেসি কপিতে কয়েকমাস পর স্ক্রিনটা কালো হয়ে যায় এবং ডেস্কটপের ডানকোনে নিচে উইন্ডোজ ভার্সন দেখায়। এটা নানা ভাবে দূর করা সম্ভব। তার মধ্যে একটি উপায় হলো রিমুভ ওয়াট ব্যবহার করে দূর করা। এটা খুবই সহজ একটি উপায়। শুধু সফটওয়্যারটি রান করলেই হলো। সয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট হবে। চালু হলে দেখবেন কালো স্ক্রিনটা আছে কিন্তু ভার্সন লেখাটা নেই। এখন আপনার কাজ হচ্ছে একটা থিম একটিভ করা অথবা যেকোন একটা পিকচারকে সেট এজ ওয়ালপেপার করা। আর কোনদিন আশাকরি স্ক্রিন কালো হবে না ইনশা আল্লাহ। সফটওয়্যারটি মাত্র ২ এমবি। ডাউনলোড করে আনজিপ করে রান করাতে হবে।

                                             DOWNNLOAD

ব্যস আর কি এবার windows 7 ব্যবহার করুন নিস্চিন্তে।।।

Wednesday, November 1, 2017

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

কম্পিউটার এর BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্ট করে নিন.........!!!!!! [Tech Mitun]

মাঝে মাঝে আমাদের কম্পিউটার ক্র্যাশ করে অথবা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের কারণে BIOS এর সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন আমরা ইচ্ছে করলেই BIOS সেটিংস পূর্বে যেরকম ডিফল্ট ছিলো, আবার সেরকমে ফিরিয়ে আনতে পারি। এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের দেখাবো কীভাবে তিনটি পদ্ধতিতে BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে আনা যায়।

BIOS মেন্যু থেকে রিষ্টোর করুনঃ

এটা সবথেকে সহজ পদ্ধতি। নীচের ধাপগুলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যান।

প্রথম ধাপঃ

আপনার কম্পিউটার চালু হবার সময় উইন্ডোজের লোগো আসার মাঝের সময়টাতে কীবোর্ডের Del, F1 or F2 বাটন চাপতে থাকুন, BIOS মেন্যু এসে যাবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে Del, F1 or F2 বাটনের পার্থক্য থাকে। তবে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কম্পিউটার চালু হবার সময়ই BIOS সেটিংসের জন্য কোন বাটন চাপতে হবে সেটা সামান্য সময়ের জন্য স্ক্রীণে দেখিয়ে দেয়া থাকে।

দ্বিতীয় ধাপঃ

BIOS সেটিংস এ ঢুকে গেলে আপনি EXIT মেন্যুতে চলে যান।

তৃতীয় ধাপঃ

কীবোর্ডের arrow বাটন দিয়ে Load Setup Default সিলেক্ট করুন।
ছবিতে দেখানো হলো। তবে এটাও বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন Load Setup Default কথাটাই ভিন্নভাবে হয়তো নির্দেশ করা হয়েছে।

চতুর্থ ধাপঃ

এবার আপনি ENTER বাটন চেপে কনফার্ম করুন। এসময় আপনার সামনে হয়তো YES এর Y এবং NO এর N বাটন সিলেক্ট করার অপশন আসবে। আপনি YES এর Y বাটন চেপে উপরে EXIT & SAVE CHANGES সিলেক্ট করে ENTER চেপে বের হয়ে আসুন। ব্যস হয়ে গেলো!

MOTHER BOARD এ CLR CMOS jumper পরিবর্তন করাঃ

যদি আপনি BIOS এ ঢুকতে না পারেন তবে এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
কম্পিউটার বন্ধ করুন এবং কেচিং খুলে Motherboard এ চোখ রাখুন। নীচের ছবিতে লাল বৃত্তাকার এরমতো বস্তুটিই হচ্ছে CLR CMOS jumper. সেটি খুলুন, খুলে pins 1-2 থেকে pins 2-3 তে বসিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড পর আবার পুর্বের মতো pins 1-2 তে বসিয়ে দিন।

MOTHER BOARD থেকে ব্যাটারি খুলুনঃ

যদি আপনি CLR CMOS jumper খুঁজে না পান তবে এ পদ্ধতি ফলো করুন। ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি সহজেই আপনার চোখে পড়বে কারণ এটি দেখতে বহুল পরিচিত ঘড়ির ব্যাটারীর মতো, একটু বড় আকারে। নীচে ছবি দেখুন।
ব্যাটারী খুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর ব্যাটারি আবার যথাস্থানে বসিয়ে দিন। আপনার BIOS আবার ডিফল্টে ফিরে গেছে। উপরোক্ত ৩টি পদ্ধতির যেকোনো একটির সাহায্যে আপনি BIOS সেটিংসকে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

Sunday, October 15, 2017

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]

Computer speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস Super Speed Computer [Tech Mitun]


অনেক সময় আমাদের কম্পিউটার খুব slow কাজ করে। আর সেটা খুব বিরক্তিকর লাগে।তবে এই বিরক্তি দূর করার জন্য আছে কিছু টিপস।ভাবছেন আমি মজা করছি,না আমি মজা করসি না।তাহলে কেন বিরক্তি দূর করার টিপস বললাম?এটাই হয়তো চিন্তা করছেন।আপনার slow কম্পিউটারকে যদি একটু fast করা যায় তাহলে কি আপনার বিরক্তি দূর হবে না?আশা করি হবে।তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার এর speed বাড়ানোর কিছু টিপস…
টিপসঃ
  1. ১। কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
  2. ২। Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন।অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
  3. ৩। কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।
  4. ৪। কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন।Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন। 

Friday, January 6, 2017

 XP তে Fax সেটআপ করা [Tech Mitun]

XP তে Fax সেটআপ করা [Tech Mitun]


যারা windows xp ব্যবহার করেন তারা শুধুমাত্র একটি Fax modem এর মাধ্যেম কম্পিউটারে Fax এর সুবিধা গ্রহন করতে পারেন। প্রথমে আপনার কম্পিউটারে Fax modem আছে কিনা নিশ্চিত হউন। না থাকেল নতুন Fax modem ( সেটি যে কোন কোম্পানীর হতে পারে।) আপনার কম্পিউটারে সেটআপ করে নিন। এবার Start > Printer and Fax এ ক্লিক করে Printer and Fax window চালু করেন। window এর ডান কোণার কমন টাস্ক মেনু স্লাইড বার হতে Setup Faxing এ ক্লিক করেন। এই অবস্থায়  windows xp এর সেটআট ডিস্ক চাইবে। windows xp এর সিডিটি রমড্রাইভে প্রবেশ করান। কিছুক্ষনের মধেই Fax আইকন দেখা যাবে। এবার Fax আইকনে ডাবল ক্লিক করুন।
welcome Fax configuration window হতে Next এ ক্লিক করুন। Select informatiom  হতে আপনার প্রয়োনীয় তথ্য গুলি টাইপ করে Next এ ক্লিক করুন। অতপর Finish এ ক্লিক করুন। Windows security Alert হতে Unblock  ক্লিক করুন । Fax করার জন্য এবার যে কোন প্রোগাম হতে Print command দিন এবং printer name drop down box হতে Fax select করে OK বাটনে ক্লিক করুন। আর Fax Recive অটোমেটিক ভাবে কল আসেল হয়ে যাবে।
উইন্ডোজ এক্সপিতে ডাবল ক্লিক করে ড্রাইভ না খুললে (যা করবেন)

উইন্ডোজ এক্সপিতে ডাবল ক্লিক করে ড্রাইভ না খুললে (যা করবেন)

উইন্ডোজে অনেক সময় ডাবল ক্লিক করে ড্রাইভ খোলা যায় না। সাধারণত Autorun.inf ফাইলটির 
কারণে এ সমস্যা হয়ে থাকে। ড্রাইভ থেকে এ ফাইলটিকে ডিলেট করে দিলেই সমস্যা শেষ। এই ফাইলটিকে ডিলেট করার জন্য নীচের কাজগুলো করুন।
C: ড্রাইভ থেকে ডিলেট করার জন্য

  1. Start থেকে Run এ গিয়ে টাইপ করুন cmd এবং enter চাপুন
  2. টাইপ করুন cd.. এবং এন্টার চাপুন
  3. আবার টাইপ করুন cd.. এবং এন্টার চাপুন
  4. টাইপ করুন, attrib -r -h -s autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
  5. টাইপ করুন , del autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
  6. D: ড্রাইভ থেকে ডিলেট করার জন্য
  7. Start থেকে Run এ গিয়ে টাইপ করুন cmd এবং enter চাপুন
  8. টাইপ করুন, d: এবং এন্টার চাপুন
  9. টাইপ করুন, attrib -r -h -s autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
  10. টাইপ করুন , del autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
সবগুলো ড্রাইভ থেকে এইভাবে autorun.inf ফাইলটি ডিলেট করে কম্পিউটার রিষ্টার্ট দিন। রিষ্টার্ট দেয়ার আগে ড্রাইভে না ঢুকাই ভাল।
চলুন এবার দেখি আসলে কমান্ডগুলো দিয়ে কি হচ্ছে-
run এ cmd টাইপ করাতে command prompt চালু হয়। এসময় ফোকাস c: ড্রাইভের ইউজার এর ভেতর থাকে। দুইবার cd.. টাইপ করে এন্টার চাপাতে c: ড্রাইভের Root এ প্রবেশ করা হল (মাই কম্পিউটার থেকে কোন ড্রাইভে প্রবেশ করার পর প্রথম যে উইন্ডোটি তাই ড্রাইভের Root । কিন্তু ড্রাইভে প্রবেশ করে অন্য কোন ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক করে সেই ফোল্ডারে প্রবেশ করা মাত্র আপনি Root থেকে সরে গেলেন)। attrib দ্বারা attribute বুঝায় যার বাংলা অর্থ গুণ বা ধর্ম। এখানে attrib টাইপ করার পর স্পেস দিয়ে দিয়ে -r -h -s টাইপ করার অর্থ হল আপনি ফাইলটির Read only, Hidden, System এই তিনটি attribute তুলে দিলেন (অনেক সময় এ তিনটি attribute এর সাথে -a ও দেয়া হয় যার দ্বারা archive বুঝায়) । এ ক্ষেত্রে ফাইলটি হল autorun.inf যার এই attribute গুলো তুলে দেয়া হল। del কমান্ড দ্বারা ডিলেট বুঝায়।