Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts

Saturday, September 1, 2018

ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

আপনি কি নতুন ফেসবুক পেজ খুলতে যাচ্ছেন? কিংবা আপনার অনেক লাইকের একটি পেজ আছে? কিছু নিয়ম না মানলে পেজ বন্ধ হতে পারে। পেজ চালনার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আনছে ফেসবুক। পেজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী এখন বিশেষ থিম দিচ্ছে। যেমন আপনার যদি রেস্টুরেন্ট পেজ হয় তবে তা রেস্টুরেন্ট আদলের থিম নিতে পারবেন। এতে ফেসবুকের পক্ষে পেজ আইডেন্টটিফাই করতে সহজ হয়। ফেসবুক যেসব পেজে সন্দেহ করছে বা ভুয়া বলে মনে করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক পেজ অ্যাডমিনদের পরিচয় গোপন করার দিন শেষ। এমনকি ফেসবুকে যা খুশি তা প্রকাশ করা যাবে না। এতে ব্লক হয়ে যাবে পেজ। পেজ মার্জ করার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা আনছে ফেসবুক।
ফেসবুক বলছে, ভুয়া খবর ছড়ানো ঠেকাতে তারা বেশ কিছু আপডেট আর চেঞ্জ আনছে। এ পরিবর্তন আসলে ফেসবুক পেজ ম্যানেজারদের জন্য কঠোর নিয়মনীতি মানতে হবে। চেঞ্জগুলো হচ্ছে—অথোরাইজেশন, পেজ মার্জ, প্রাইমারি হোম লোকেশন, ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ প্রভৃতি।
‘পেজেস পাবলিশিং অথোরাইজেশন’ বা পেজ প্রকাশের অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়। পেজটি কোন দেশ থেকে তৈরি তা লোকেশন বা অবস্থান অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। কোনো পেজ যদি মার্জ করা হয় বা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তাও দেখার সুবিধা থাকতে হবে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, যারা ফেসবুক পেজ চালান বা ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোর হতে যাচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। পেজে পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতির মধ্যে থাকতে হবে। তাদের এখন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং কোনো কিছু পোস্ট করার আগে তাদের অবস্থান (প্রাইমারি হোম লোকেশন) ফেসবুককে নিশ্চিত করতে হবে।
ভুয়া খবর প্রকাশ ঠেকানোর লক্ষ্য নিয়ে তারা এ প্রক্রিয়া চালু করছে। হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধেও এতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। জোর করে অনুমোদনের এ প্রক্রিয়া চলতি মাসের শেষদিকে শুরু হবে।
পেজ হিস্ট্রি পেজের মধ্যে কোন পেজের সঙ্গে কোন পেজ কখন একত্রিত করা হয়েছে তা প্রদর্শন করা হবে। এতে ওই পেজের অনুসারীদের কাছে পেজের স্বচ্ছতা থাকবে। এ ছাড়া অনুসারীরা সচেতন থাকতে পারবেন। এ ছাড়া পেজের সঙ্গে ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ নামে একটি সেকশন বা বিভাগ যুক্ত হবে যেখানে পেজ ব্যবস্থাপকদের সম্পর্কে তথ্য থাকবে।

Friday, August 31, 2018

জীবন সহায়ক প্রযুক্তি

জীবন সহায়ক প্রযুক্তি

প্রযুক্তি এ সময়ে যেন এক আশীর্বাদ। রোজকার জীবনের ছোট ছোট ভাবনার দায়িত্বও যেন নিয়ে নিতে চায়।
-ডেইলি ইয়োগা
প্রতিদিনের ইয়োগার প্রশিক্ষণ এবং যোগাসনের ভঙ্গি কেমন হবে তা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে লেখা ও ভিডিওর মাধ্যমে দেখে ও শিখে নেওয়ার চমৎকার একটি অ্যাপ্লিকেশন এটি। ৪০০টিরও বেশি ভিডিওতে খুব সুন্দরভাবে দেখানো আছে করণীয় সব কার্যাবলি। সঙ্গে অনুশীলনের সময় স্বস্তিকর বাদ্যযন্ত্রের বাজনা আপনার অনুশীলনকে আরও প্রশান্ত করে মনকে করে তুলবে সতেজ।
-প্রযুক্তিময় জীবন
একবিংশ শতাব্দীর এই পৃথিবীতে নিজেদের জীবনকে কীভাবে আরও সহজ করে তোলা যায়, কীভাবে একটি কঠিন কাজকে খুব সহজে শেষ করা যায় এই ভাবনায় আমরা নিজেদের ব্যস্ত রাখতে পছন্দ করি। বর্তমান সময়ে এসে আমরা আমাদের অনেক কাজই মোবাইল অথবা কম্পিউটারের সাহায্যে করে থাকি। খাবার খাওয়া, কাপড় ধোয়া কিংবা ঘর পরিস্কার- সবকিছুর সমাধান এখন ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে। আর সে ক্ষেত্রে মোবাইলের ব্যবহার কম্পিউটারের থেকে অনেকাংশেই বেশি। এখন চাইলেই আপনি কখন পানি খাবেন, আপনার ওষুধের দরদাম, প্রতিদিন কতক্ষণ হাঁটবেন, কোন খাবার কতটুকু খাবেন অথবা বাসায় বসেই ইয়োগা কীভাবে করবেন তা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে জানতে পারবেন খুব সহজেই। আজ তেমনই কিছু মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের নাম এবং এদের কার্যকারিতা সম্পর্কিত তথ্য আপনাদের জন্য।
-সেভেন মিনিট ওয়ার্কআউট চ্যালেঞ্জ অ্যাপ
এই অ্যাপটির ডিজাইন করা হয়েছিল এমন মানুষদের জন্য, যারা তাদের ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ব্যস্ত। বাজারে আসার পরেই এ অ্যাপটি সবার কাছেই জনপ্রিয় হতে লাগল। ফলে সব থেকে বেশি ডাউনলোড হওয়া অ্যাপ্লিকেশন এটা এখন। এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সাত মিনিট অনুশীলন করে খুব সহজেই আপনি আপনার শরীরের আকার পরিবর্তন করে নিজেকে ফিট হিসেবে প্রকাশ করতে পারবেন।
-সেভেন মিনিট ওয়ার্কআউট
মূলত কার্যক্ষেত্রে বসেও যেন মানুষ তাদের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে পারে এই লক্ষ্যেই অ্যাপ্লিকেশনটির ডিজাইন করা হয়। দুই কোটিরও বেশি মানুষের মোবাইলে নিত্যদিন ব্যবহার হচ্ছে এ অ্যাপ্লিকেশনটি। যেখানে ১০০০-এর থেকেও বেশি অনুশীলন, নিজের মতো করে সূচি তৈরি করা, ২০টিরও বেশি ধাপ ছাড়াও বন্ধুদের চ্যালেঞ্জ জানানো আর নিজের অনুশীলনের তথ্য ভাগাভাগির সুবিধাও রয়েছে।
-ডায়েটপয়েন্ট
পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের জন্য ১৩০টিরও বেশি পরিকল্পনা রয়েছে অ্যাপটিতে। ৫০০টিরও বেশি পরামর্শ রয়েছে, যা আপনার পরিকল্পাকে সফল করার পথ দেখাবে। সঙ্গে করে আপনার বাজারের ফর্দটিও তৈরি করে দেবে। ডাউনলোড বিনামূল্যে করা গেলেও বিভিন্নভাবে এই অ্যাপের সদস্য হয়ে বাড়তি কিছু সুবিধা আদায় করা যায়। যার জন্য সামান্য কিছু ডলার খরচ করতে হবে আপনাকে।
-ফুডুকেট
ফুডুকেট আপনার স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং ওজন সঠিকভাবে রক্ষা করতে ও আপনার দৈনন্দিন কার্যকলাপকে রক্ষা করে আপনার লক্ষ্যর দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। দুই লাখ ৫০ হাজারের ওপর খাদ্যের পুষ্টিগুণ দেওয়া আছে, সঙ্গে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দেবে। আপনার ঘুম, মেজাজ, মর্জি ও ক্ষুধার খবরও রাখবে এবং এখানেই আপনি আপনার পছন্দের খাবারের তালিকা রাখতে পারবেন।
-ডাক্তারবাড়ি
যে কোনো প্রয়োজনে যে কোনো সময় ডাক্তারের পরামর্শ পেতে পারেন অথবা ডাক্তারের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্যও সাহায্য পাবেন। সব থেকে বড় সুবিধা হলো, আপনাকে সময়মতো ওষুধ খাবার কথা মনে করিয়ে দেবে এই অ্যাপ্লিকেশনটি। তাছাড়া জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ব্লাড ব্যাংক, ফার্মেসির সঙ্গে প্রতিদিন বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ তো আছেই।
-লাইফসাম
আপনার যদি সময়মতো পানি খেতে মনে না থাকে, তৃষ্ণায় ছটফট না করা পর্যন্ত আপনি পানি পান করতে ভুলে যান তবে লাইফসাম নামের অ্যাপটি আপনার জন্য। কারণ এ অ্যাপটি আপনাকে পানি খাবার সময় মনে করিয়ে দেবে, সঙ্গে সঙ্গে যে লক্ষ্যটি আপনি ঠিক করেছেন সেটা পূরণ করতেও সাহায্য করবে ভালোভাবেই।
-টনিক
টনিকে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে আপনি তাদের ডাক্তারদের কাছ থেকে পরামর্শ পেতে পারবেন যে কোনো সময়। তাছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ছাড় পাওয়া যায় বছরের সবসময়ই।
-হ্যাপিফাই
আবেগপ্রবণ মানসিকতার মানুষদের জন্য। আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে উদ্বেগ, হতাশা, নেতিবাচক মনোভাবকে দূরে ঠেলে দিয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাত্রা পরিচালনা করার জন্য এই অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্য নিয়ে দেখতেই পারেন।
-আস্ক অ্যাপোলো
মেম্বারদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করে থাকে অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া ডাক্তারের সাক্ষাতের জন্যও সাহায্য ও পরামর্শ দিয়ে থাকে। সব থেকে ভালো সাহায্য যেটা করে তাহলো অনলাইনে অর্ডার নিয়ে বিনামূল্যে পৌঁছে দেয় ক্রেতাদের বাসায়।
-কাল্ম
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনটা মানসিক অশান্তি, উদ্বেগ আর চাপ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক প্রশান্তি, আনন্দ ও স্বচ্ছতার সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপ্লিকেশনটি। ৭-২১ দিনের মেডিটেশন প্রোগ্রামে ২৫টির ওপরে পথনির্দেশ দেওয়া আছে, যার প্রতিটি নির্দেশ এক মিনিট থেকে শুরু করে ২০ মিনিট পর্যন্ত ব্যাপ্তি।

Wednesday, August 29, 2018

১০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে নইলে নিশ্চিহ্ন হবে সমগ্র মানবজাতি, এমনটাই স্টিফেন হকিং এর ভবিষৎবাণী।

১০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে নইলে নিশ্চিহ্ন হবে সমগ্র মানবজাতি, এমনটাই স্টিফেন হকিং এর ভবিষৎবাণী।

সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে আমাদের জীবনে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন টেকনোলজি। যা দৈনন্দিক জীবন যাপন অনেক সহজ ও আরামের করে দিচ্ছে। নতুন আবিষ্কারের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিল্প কল-কাঁরখানা। সেই সাথে বাড়ছে অপচনশীল বর্জ্য, বিষাক্ত কালো ধোঁয়া যা পরিবেশ দূষণনের কারণ। বাড়ছে উষ্ণায়ন, খুব তাড়াতাড়ি হয়ত গোটা পৃথিবীটাই বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। আর সেটা কত তাড়াতাড়ি ঘটতে পারে তারই একটা আভাস পাওয়া গেছে।
“তাড়াতাড়ি খুঁজে নিতে হবে বসবাসযোগ্য নতুন কোন গ্রহ,হাতে আছে আর মাত্র ১০০ টা বছর এর মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে অন্যথা নিশ্চিহ্ন হবে সমগ্র মানবজাতি”, এমনটাই বলেছেন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বিবিসির নির্মিত নতুন তথ্যচিত্র “এক্সপেডিশান নিউ আর্থ” এ তিনি এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি আগেও কয়েকবার এবিষয়ে কথা বলেছেন তবে এবার খুবই জোর দিয়ে বলেছেন।
সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এক ভাষণে তিনি বলেন, “নতুন কোন বসবাস উপযোগী গ্রহের উপর সমগ্র মানবজাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে, যত দ্রুত সম্ভব এই ক্ষণস্থায়ী গ্রহ (পৃথিবীকে) পরিত্যাগ করতে হবে নাহলে সমূহ বিপদ।” পরে তিনি এই সমস্যার বুদ্ধিদীপ্ত সম্ভাব্য সমাধান ও ইতিবাচক আশা ব্যক্ত করে ভাষণ শেষ করেন।
কেন স্টিফেন হকিং এধরনের ভবিষৎবাণী করলেন?
তার মতে, পৃথিবীর পরিবেশ আবহাওয়া খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। আগামিতে এই পরিবর্তনের হার আরও বেড়ে যাবে। বাড়বে উষ্ণায়ন, সমুদ্র পৃষ্ঠের জলস্তর। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে অক্সিজেন কমে যাবে, মহামারী দেখা দেবে, জনসংখ্যা বাড়বে, ছোটো বড় গ্রহ-গ্রহানু পৃথিবীর উপর আছড়ে পরবে। পৃথিবী পুরোপুরি বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসযোগ্য নতুন কোন গ্রহ খুঁজে না পেলে মানবজাতির সম্পূর্ণ বিলুপ্তি হবে।
কিভাবে হাজার অগণিত সৌরমণ্ডলএর মাঝে বাসযোগ্য কোন নতুন গ্রহ খুঁজে পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানা যাবে বিবিসির নির্মিত নতুন তথ্যচিত্র “এক্সপেডিশান নিউ আর্থ” নতুন পর্বগুলো থেকে। আর এ বিষয় নিয়ে বেষণা চলছে ।