Showing posts with label Hot News. Show all posts
Showing posts with label Hot News. Show all posts

Saturday, September 1, 2018

দীর্ঘ আট বছর পর ‘সেন্সরড’ গুগল সার্চ চালু হতে যাচ্ছে চীনে

দীর্ঘ আট বছর পর ‘সেন্সরড’ গুগল সার্চ চালু হতে যাচ্ছে চীনে

দীর্ঘ আট বছর অনুপস্থিত থাকার পর চীনে সার্চ জায়ান্ট গুগল তাদের সার্চ ইঞ্জিনের সেন্সরড সংস্করণ চালু করার পরিকল্পনা করেছে।
দ্য ইন্টারসেপ্টে ফাঁস হওয়া লিখিত কাগজের বরাত দিয়ে বিজনেস ইনসাইডারের খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই চীন সরকারের সাথে বৈঠকে বসেছিলেন।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রকল্পের কোডনেম ‘ড্রাগনফ্লাই’ এবং প্রকৌশলীরা ‘মাওতাই’ ও লংফেই’ নামে একটি কাস্টম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে।
অ্যাপটি চীনের কর্মকর্তাদের দেখানো হয়েছে এবং চূড়ান্ত সংস্করণ আগামী ছয় থেকে নয় মাসের মধ্যে উন্মুক্ত হতে পারে।
এই সার্চ ইঞ্জিন মানবাধিকার, গণতন্ত্র, ধর্ম এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বিষয়গুলো গোপন করবে। এমনকি এই বিবিসি কিংবা উইকিপিডিয়ার মতো সাইটগুলো ব্লক থাকতে পারে এই সার্চে।
দ্য ইন্টারসেপ্ট এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চীন সরকারের কাছ থেকে এই সার্চ ইঞ্জিন এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
গুগলের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে বিজনেস ইনসাইডারকে বলেন, ‘চীনা ডেভেলপারদের সহায়তা করতে আমরা চীনে গুগল ট্রান্সলেট ও ফাইলস গো এর মতো কয়েকটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করি এবং জেডি.কমের মতো চীনা কোম্পানিগুলিতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করে থাকি।’
কিন্তু ভবিষ্যতের পরিকল্পনার ব্যাপারে অনুমানের বিষয়ে মন্তব্য করার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
যদি গুগল আবারো চীনে আসতে পারে তাহলে এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল মাইলফলক হবে। গুগল চীনে সেন্সরড সার্চ রেজাল্টে অসম্মতি জানালে ২০১০ সাল থেকে চীনে গুগলের সেবা বন্ধ হয়ে যায়।
অনলাইন আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে চাইলে বিস্তারিত পড়ুন

অনলাইন আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে চাইলে বিস্তারিত পড়ুন

ব্যবহার কমানোর জন্য বড় ডিভাইস
নিজের স্মার্টফোন আসক্তি সম্পর্কে নিজেকে সতর্ক করতে ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছিলেন এনভিশনিং টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা মিশেল জাপ্পা। তিনি আইফোনের বদলে ব্যবহার শুরু করেন আইপ্যাড মিনি। এতে আইফোনের সব সুবিধা আছে, শুধু কল করা যায় না। তবে আকারে বড় হওয়ায় আইফোনের মতো স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করতে পারতেন না। যখনই হাতে আইপ্যাড তুলে নিতেন, তাঁর মনে হতো যে সময় নষ্ট করছেন। খুব দরকার না পড়লে ট্যাব ব্যবহার করা বন্ধ করে দেন। পরে ট্যাব ছেড়ে আইফোনে ফিরে গিয়েছিলেন, তবে ব্যবহারে সচেতনতা বেড়েছিল অনেক।
ভূমিতেই এয়ারপ্লেন মোড
সপ্তাহ কয়েকের জন্য ইনস্টাগ্রাম অ্যাপ মুছে ফেলেন ফাস্ট কোম্পানির সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার জন কনভার্স টাউনসেন্ড। একই সঙ্গে প্রতি রাতে নিজের স্মার্টফোনের এয়ারপ্লেন মোড চালু করে রাখতে শুরু করেন। বন্ধুদের অনুরোধে আবারও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার শুরু করেন, তবে এখনো প্রতি রাতে ফোনে এয়ারপ্লেন মোড চালু রাখতে ভোলেন না। এতে অন্তত ঘুমের ব্যাঘাত বন্ধ হয়ে যায়।
ব্যবহার কঠিন করে তুলুন
গ্রাফিক ডিজাইনার সারাহ লরেন্সের মতে, প্রথম পদক্ষেপ হলো ‘মোমেন্ট’-এর মতো অ্যাপ ইনস্টল করা। স্বাভাবিকের চেয়ে স্মার্টফোন বেশি ব্যবহার শুরু করলেই এই অ্যাপ ব্যবহারকারীকে মনে করিয়ে দেয়। একই সঙ্গে দিনে কতবার ফোন ব্যবহার করছেন, তা-ও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে। নিজের ওপর আরেকটি পরীক্ষা চালান সারাহ। দুই সপ্তাহ স্বাভাবিক রঙে এবং পরের দুই সপ্তাহ ফোনের পর্দা সাদাকালো করে ব্যবহার শুরু করেন। তিনি দেখলেন, পর্দা সাদাকালো করে রাখলে অযথাই যখন-তখন মুঠোফোনের ব্যবহার কমে যায়।
চোখ-কান বন্ধ করে মুছে ফেলুন
২০১২ সালের দিকে গুগল ভেঞ্চারের সাবেক ডিজাইন পার্টনার জ্যাক ন্যাপের আইফোন ব্যবহার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। এতটাই বেশি যে শিশুসন্তানদের সময় দিতে পারছিলেন না। এদিকে মুঠোফোন ব্যবহার বন্ধ করাও সম্ভব ছিল না। তখন তিনি ভেবে দেখলেন টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবের মতো অ্যাপগুলোতেই বেশি সময় ব্যয় করছেন। দ্বিতীয়বার চিন্তা না করে অ্যাপগুলো মুছে ফেলেন। নিজেকে পরীক্ষার জন্য নেওয়া সে পদক্ষেপ ছয় বছর পর আজও দিব্যি বলবৎ আছে।
রেখে আসুন অন্য ঘরে
এক থেরাপিস্টের পরামর্শ মেনে কোনো ঘরে ঢোকার আগে মুঠোফোন আরেক ঘরে ফেলে আসা শুরু করেন ইয়োনি রেখটম্যান নামের বিনিয়োগকারী। মূলত ফোন থেকে দূরে থাকাই ছিল উদ্দেশ্য। প্রথমে হয়তো ১৫ মিনিটের জন্য, পরে সময়টা ধীরে ধীরে বাড়াতে বলেন তাঁর থেরাপিস্ট। ইয়োনি বলেন, ‘আমি এ কাজটি এখনো পুরোপুরি রপ্ত করে উঠতে পারিনি, তবে আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি।
ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

আপনি কি নতুন ফেসবুক পেজ খুলতে যাচ্ছেন? কিংবা আপনার অনেক লাইকের একটি পেজ আছে? কিছু নিয়ম না মানলে পেজ বন্ধ হতে পারে। পেজ চালনার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আনছে ফেসবুক। পেজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী এখন বিশেষ থিম দিচ্ছে। যেমন আপনার যদি রেস্টুরেন্ট পেজ হয় তবে তা রেস্টুরেন্ট আদলের থিম নিতে পারবেন। এতে ফেসবুকের পক্ষে পেজ আইডেন্টটিফাই করতে সহজ হয়। ফেসবুক যেসব পেজে সন্দেহ করছে বা ভুয়া বলে মনে করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক পেজ অ্যাডমিনদের পরিচয় গোপন করার দিন শেষ। এমনকি ফেসবুকে যা খুশি তা প্রকাশ করা যাবে না। এতে ব্লক হয়ে যাবে পেজ। পেজ মার্জ করার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা আনছে ফেসবুক।
ফেসবুক বলছে, ভুয়া খবর ছড়ানো ঠেকাতে তারা বেশ কিছু আপডেট আর চেঞ্জ আনছে। এ পরিবর্তন আসলে ফেসবুক পেজ ম্যানেজারদের জন্য কঠোর নিয়মনীতি মানতে হবে। চেঞ্জগুলো হচ্ছে—অথোরাইজেশন, পেজ মার্জ, প্রাইমারি হোম লোকেশন, ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ প্রভৃতি।
‘পেজেস পাবলিশিং অথোরাইজেশন’ বা পেজ প্রকাশের অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়। পেজটি কোন দেশ থেকে তৈরি তা লোকেশন বা অবস্থান অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। কোনো পেজ যদি মার্জ করা হয় বা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তাও দেখার সুবিধা থাকতে হবে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, যারা ফেসবুক পেজ চালান বা ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোর হতে যাচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। পেজে পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতির মধ্যে থাকতে হবে। তাদের এখন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং কোনো কিছু পোস্ট করার আগে তাদের অবস্থান (প্রাইমারি হোম লোকেশন) ফেসবুককে নিশ্চিত করতে হবে।
ভুয়া খবর প্রকাশ ঠেকানোর লক্ষ্য নিয়ে তারা এ প্রক্রিয়া চালু করছে। হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধেও এতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। জোর করে অনুমোদনের এ প্রক্রিয়া চলতি মাসের শেষদিকে শুরু হবে।
পেজ হিস্ট্রি পেজের মধ্যে কোন পেজের সঙ্গে কোন পেজ কখন একত্রিত করা হয়েছে তা প্রদর্শন করা হবে। এতে ওই পেজের অনুসারীদের কাছে পেজের স্বচ্ছতা থাকবে। এ ছাড়া অনুসারীরা সচেতন থাকতে পারবেন। এ ছাড়া পেজের সঙ্গে ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ নামে একটি সেকশন বা বিভাগ যুক্ত হবে যেখানে পেজ ব্যবস্থাপকদের সম্পর্কে তথ্য থাকবে।

Wednesday, October 18, 2017

ব্লু হোয়েল থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশের এক স্কুল ছাত্র।দেখুন কিভাবে নিজেকে রক্ষা করলো। [Tech Mitun]

ব্লু হোয়েল থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশের এক স্কুল ছাত্র।দেখুন কিভাবে নিজেকে রক্ষা করলো। [Tech Mitun]

সাম্প্রতিক বাংলাদেশের এক কলেজ ছাত্র ব্লু হোয়েল এর শিকার হয়েছে।পুলিশ তাকে গ্রেফতার  করেছে।

নিল তিমি সম্পারকে জানি
ধাপে ধাপে প্ররোচিত করে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়া কথিত অনলাইন গেম ব্লু হোয়েল (নীল তিমি) বাংলাদেশে খেলা হচ্ছে—এ ধরনের প্রামাণিক কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে একজন স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনার পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, ব্লু হোয়েল গেম খেলার কারণে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। মূলত এর পরপরই ফেসবুকে ব্লু হোয়েল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ ও মেয়েটির পরিবার নিশ্চিত করেছে, এই আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে ব্লু হোয়েল গেমের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। মেয়েটির মৃতদেহে গেমের বৈশিষ্ট্যের কোনো চিহ্ন ছিল না।
এদিকে ব্লু হোয়েল গেমের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদকে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আমরা শুনেছি, ইন্টারনেট-নির্ভর একটি গেমে আসক্ত হয়ে একজন আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।’
মানসিক বিকারগ্রস্ত এক রুশ তরুণের তৈরি ব্লু হোয়েল এমন একটি অনলাইন গেম, যা ইন্টারেনেটে প্রকাশ্য কোনো ওয়েবসাইটে (পাবলিক ডোমেইন) পাওয়া যায় না। ইন্টারেনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মো. আমিনুল হাকিম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই গেম কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ স্টোরে থাকে না। কারও কাছ থেকে পাওয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা (লিংক) থেকে গেমটি নামিয়ে (ডাউনলোড) নিয়ে খেলতে হয়। বাংলাদেশে কোনো নেটওয়ার্কে এখনো ব্লু হোয়েলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।’
এমন মরণঘাতী গেম এই প্রথম নয়; এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে স্ট্রেনজার মেন নামের একটি উইন্ডোজভিত্তিক গেম তৈরি করা হয়েছিল। সেটির কারণে দুজন গেম খেলোয়াড় মারা গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।
তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ বলেন, ব্লু হোয়েলের মতো গেম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইনস্টাগ্রামসহ কয়েকটি মাধ্যমে এরই মধ্যে গেমটির লিংক বা ছবি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সুমন আহমেদ এই ব্লু হোয়েলকে গেম নয়, বরং একটি অপরাধচক্র হিসেবেই মনে করেন। এই গেম কারিগরিভাবে বন্ধ করার কিছু নেই, এটি ঠেকাতে হবে সামাজিক সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে। যাদের মধ্যে মানসিকভাবে আত্মহত্যার প্রবণতা রয়েছে, তারা যাতে এ গেম খেলতে না পারে, সে ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
২১ বছর বয়সী রুশ ছাত্র ফিলিপ বুদেইকিন ২০১৩ সালে প্রথম ব্লু হোয়েল গেমটি তৈরি করেন। তাঁর পড়াশোনার বিষয় ছিল মনোবিজ্ঞান। এই গেম ২০১৬ সাল থেকে ছড়াতে থাকে। গেমটির মূল লক্ষ্য দুর্বলচিত্তের মানুষ, বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীরা। চলতি বছর পর্যন্ত রাশিয়া, ভারতসহ ব্লু হোয়েল খেলে বেশ কিছু আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর এসেছে। ইউটিউবের অনেক ভিডিওতেও এগুলোর কিছু নমুনা পাওয়া গেলেও তার বেশির ভাগই ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে।
ব্লু হোয়েল অন্য গেমগুলোর মতো ইন্টারঅ্যাকটিভ নয়। এই গেমে খেলোয়াড়ের কাছে লিখিত বার্তায় গেম প্রশাসকের নির্দেশনা আসে। সেখানে একটা একটা করে কাজের নির্দেশ বা চ্যালেঞ্জ থাকে। সে কাজটা করার পর ছবি তুলে বা ভিডিও করে গেম প্রশাসককে পাঠাতে হয়। এভাবে ৫০তম ধাপ বা ৫০তম দিনে সবশেষ নির্দেশটি আসে। এই নির্দেশ হলো আত্মহত্যা করার।
তথ্যপ্রযুক্তি নৈতিকতাবিষয়ক গবেষক ইউনিভার্সিটি অব ওলংগং ইন দুবাইয়ের সহযোগী অধ্যাপক জিনাত রেজা খান গতকাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো কোনো ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে বসে থাকা যাবে না। অপেক্ষা করার কোনো সুযোগই নেই। এই গেমের অস্তিত্ব বিশ্বে রয়েছে। ভারতে প্রামাণিক ভিডিও পাওয়া গেছে, যেখানে দেখা যায়, ব্লু হোয়েল খেলে আত্মহত্যা করেছে।’
জিনাত রেজা খান বলেন, ব্লু হোয়েলের নির্মাতা রুশ ছেলেটিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ছেলে মানসিক বিকারগ্রস্ত। সে মনে করে, যাদের মানসিক শক্তি কম, যারা বিষণ্নতায় ভোগে, তারা ‘বায়োলজিক্যাল ওয়েস্ট’। এসব ‘জঞ্জাল’ পৃথিবী থেকে দূর করাই নাকি তার উদ্দেশ্য। তাই মা-বাবাদের সচেতন হতে হবে। সন্তানকে সময় দিয়ে বুঝিয়ে বলতে হবে এ রকম গেমের চরম পরিণতি সম্পর্কে। শুধু মা-বাবা নয়, শিক্ষকদেরও এই গেম সম্পর্কে জেনে শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে। সচেতনতা ছাড়া এ রকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যাবে না।