Showing posts with label Internet. Show all posts
Showing posts with label Internet. Show all posts

Saturday, September 1, 2018

দীর্ঘ আট বছর পর ‘সেন্সরড’ গুগল সার্চ চালু হতে যাচ্ছে চীনে

দীর্ঘ আট বছর পর ‘সেন্সরড’ গুগল সার্চ চালু হতে যাচ্ছে চীনে

দীর্ঘ আট বছর অনুপস্থিত থাকার পর চীনে সার্চ জায়ান্ট গুগল তাদের সার্চ ইঞ্জিনের সেন্সরড সংস্করণ চালু করার পরিকল্পনা করেছে।
দ্য ইন্টারসেপ্টে ফাঁস হওয়া লিখিত কাগজের বরাত দিয়ে বিজনেস ইনসাইডারের খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই চীন সরকারের সাথে বৈঠকে বসেছিলেন।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রকল্পের কোডনেম ‘ড্রাগনফ্লাই’ এবং প্রকৌশলীরা ‘মাওতাই’ ও লংফেই’ নামে একটি কাস্টম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে।
অ্যাপটি চীনের কর্মকর্তাদের দেখানো হয়েছে এবং চূড়ান্ত সংস্করণ আগামী ছয় থেকে নয় মাসের মধ্যে উন্মুক্ত হতে পারে।
এই সার্চ ইঞ্জিন মানবাধিকার, গণতন্ত্র, ধর্ম এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বিষয়গুলো গোপন করবে। এমনকি এই বিবিসি কিংবা উইকিপিডিয়ার মতো সাইটগুলো ব্লক থাকতে পারে এই সার্চে।
দ্য ইন্টারসেপ্ট এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চীন সরকারের কাছ থেকে এই সার্চ ইঞ্জিন এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
গুগলের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে বিজনেস ইনসাইডারকে বলেন, ‘চীনা ডেভেলপারদের সহায়তা করতে আমরা চীনে গুগল ট্রান্সলেট ও ফাইলস গো এর মতো কয়েকটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করি এবং জেডি.কমের মতো চীনা কোম্পানিগুলিতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করে থাকি।’
কিন্তু ভবিষ্যতের পরিকল্পনার ব্যাপারে অনুমানের বিষয়ে মন্তব্য করার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
যদি গুগল আবারো চীনে আসতে পারে তাহলে এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল মাইলফলক হবে। গুগল চীনে সেন্সরড সার্চ রেজাল্টে অসম্মতি জানালে ২০১০ সাল থেকে চীনে গুগলের সেবা বন্ধ হয়ে যায়।
ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

আপনি কি নতুন ফেসবুক পেজ খুলতে যাচ্ছেন? কিংবা আপনার অনেক লাইকের একটি পেজ আছে? কিছু নিয়ম না মানলে পেজ বন্ধ হতে পারে। পেজ চালনার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আনছে ফেসবুক। পেজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী এখন বিশেষ থিম দিচ্ছে। যেমন আপনার যদি রেস্টুরেন্ট পেজ হয় তবে তা রেস্টুরেন্ট আদলের থিম নিতে পারবেন। এতে ফেসবুকের পক্ষে পেজ আইডেন্টটিফাই করতে সহজ হয়। ফেসবুক যেসব পেজে সন্দেহ করছে বা ভুয়া বলে মনে করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক পেজ অ্যাডমিনদের পরিচয় গোপন করার দিন শেষ। এমনকি ফেসবুকে যা খুশি তা প্রকাশ করা যাবে না। এতে ব্লক হয়ে যাবে পেজ। পেজ মার্জ করার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা আনছে ফেসবুক।
ফেসবুক বলছে, ভুয়া খবর ছড়ানো ঠেকাতে তারা বেশ কিছু আপডেট আর চেঞ্জ আনছে। এ পরিবর্তন আসলে ফেসবুক পেজ ম্যানেজারদের জন্য কঠোর নিয়মনীতি মানতে হবে। চেঞ্জগুলো হচ্ছে—অথোরাইজেশন, পেজ মার্জ, প্রাইমারি হোম লোকেশন, ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ প্রভৃতি।
‘পেজেস পাবলিশিং অথোরাইজেশন’ বা পেজ প্রকাশের অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়। পেজটি কোন দেশ থেকে তৈরি তা লোকেশন বা অবস্থান অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। কোনো পেজ যদি মার্জ করা হয় বা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তাও দেখার সুবিধা থাকতে হবে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, যারা ফেসবুক পেজ চালান বা ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোর হতে যাচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। পেজে পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতির মধ্যে থাকতে হবে। তাদের এখন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং কোনো কিছু পোস্ট করার আগে তাদের অবস্থান (প্রাইমারি হোম লোকেশন) ফেসবুককে নিশ্চিত করতে হবে।
ভুয়া খবর প্রকাশ ঠেকানোর লক্ষ্য নিয়ে তারা এ প্রক্রিয়া চালু করছে। হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধেও এতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। জোর করে অনুমোদনের এ প্রক্রিয়া চলতি মাসের শেষদিকে শুরু হবে।
পেজ হিস্ট্রি পেজের মধ্যে কোন পেজের সঙ্গে কোন পেজ কখন একত্রিত করা হয়েছে তা প্রদর্শন করা হবে। এতে ওই পেজের অনুসারীদের কাছে পেজের স্বচ্ছতা থাকবে। এ ছাড়া অনুসারীরা সচেতন থাকতে পারবেন। এ ছাড়া পেজের সঙ্গে ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ নামে একটি সেকশন বা বিভাগ যুক্ত হবে যেখানে পেজ ব্যবস্থাপকদের সম্পর্কে তথ্য থাকবে।

Friday, August 31, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এয়ারপ্লেন মোড কেন থাকে : যা জানা খুবই জরুরী

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এয়ারপ্লেন মোড কেন থাকে : যা জানা খুবই জরুরী

অ্যান্ড্রয়েডের এয়ারপ্লেন মোড কি?
এয়ারপ্লেন মোড হচ্ছে একটি সেটিংস যা প্রায় সকল স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং অনুরূপ ডিভাইসগুলোতে থাকে। আপনি যখন এটি অ্যাকটিভ করবেন তখন এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনের সব ধরনের সিগন্যাল পাঠানো বন্ধ রাখবে। এই মোড চালু থাকা অবস্থায় ফোনের স্ট্যাটাস বারে একটি বিমান আইকন দেখতে পাবেন।
এয়ারপ্লেন মোডের কাজ কী?
এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনের সব ধরনের ওয়্যারলেস ফাংশন নিষ্ক্রিয় রাখে। যার মধ্যে রয়েছে-
* ব্লুটুথ : ব্লুটুথ হচ্ছে খুব সীমিত রেঞ্জের সংযোগ, যা আপনার ফোনকে স্পিকার, হেডফোন এবং আরো কিছুর সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুবিধা দেয়। এয়ারপ্লেন মোড এটিকে নিষ্ক্রিয় রাখে।
* মোবাইল সংযোগ: আপনি কল করতে পারবেন না, টেক্সট মেসেজ পাঠাতে পারবেন না বা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মোবাইল ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন না।
* ওয়াই-ফাই : আপনার ফোনো বিদ্যমান থাকা সব ধরনের ওয়াই-ফাই সংযোগগুলো নিষ্ক্রিয় হবে এবং কোনো নতুন ওয়াই-ফাই সংযোগের সঙ্গে যুক্ত হবে না।
এয়ারপ্লেন মোডে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যায়?
উত্তরটা নির্ভর করে আপনার ডিভাইসের ওপর। তবে বেশিরভাগ আধুনিক ফোনগুলো ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুবিধা দেয়, ফোন এয়ারপ্লেন মোডে থাকা সত্ত্বেও। আপনি যখন এয়ারপ্লেন মোড চালু করবেন তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াই-ফাই বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি ম্যানুয়ালি আবার ওয়াই-ফাই চালু করতে পারবেন।
এয়ারপ্লেন মোড চালু থাকা অবস্থায় কুইক সেটিংস থেকে ওয়াই-ফাই অপশনে ক্লিক করুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অন হয়ে যাবে ওয়াই-ফাই এবং কানেক্ট হবে যদি আপনার ফোন অনুমতি দেয়।
এয়ারপ্লেন মোড ব্যাটারি সাশ্রয় করে?
হ্যাঁ, এয়ারপ্লেন মোড স্পষ্টভাবে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ রক্ষায় সাহায্য করে। বিভিন্ন রেডিও তরঙ্গের কার্যক্রমে ফোনের অনেক শক্তির প্রয়োজন হয় যেমন ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপসের নোটিফিকেশন, ব্লুটুথ ডিভাইসগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, লোকেশন চেক করা প্রভৃতি। এসব কাজ ফোনের ব্যাটারি শক্তি শেষ করে, এয়ারপ্লেন মোড একসঙ্গে সবকিছু নিস্ক্রিয় করে দেওয়ায় ফোনের ব্যাটারি শক্তি দারুন ভাবে সাশ্রয় হয়। যেহেতু এয়ারপ্লেন মোডে আপনার ফোন বেশি কাজে ব্যস্ত থাকে না তাই এই মোডে ফোন চার্জও হতে পারে দ্রুত।
অনেক বিমানেই এখন ইন ফ্লাইট ওয়াই-ফাই সেবা বিদ্যমান, সুতরাং আপনি এই ফিচারটি চালু করে উপভোগ করতে পারেন। নিশ্চিত না হয়ে থাকলে, ওয়াই-ফাই কানেক্ট করার আগে বিমানকর্মীর কাছ থেকে জেনে নিন। বিমানে শুধুমাত্র দশ হাজার ফুট ওপরে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। তাই বিমান টেকঅফ এবং ল্যান্ডিংয়ের সময় ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখার ব্যাপারে সচেতন থাকুন। এমনকি অবতরণের পরও।
গেম খেলায় এয়ারপ্লেন মোড কিভাবে সাহায্য করে?
আপনি যদি ফোনে গেম খেলতে পছন্দ করেন কিন্তু বিজ্ঞাপনে বিরক্তবোধ করেন তাহলে এয়ারপ্লেন মোড সাহায্য করতে পারে। কারণ এটি ইন্টারনেট সংযোগ নিষ্ক্রিয় করে, তাই এয়ারপ্লেন মোডে গেম খেলার সময় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন হবে না। যাহোক, যে গেমগুলো সবসময় অনলাইনে খেলা লাগে সেগুলোর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হবে না। সুতরাং আপনি আপনার পছন্দের কোনো অফলাইন গেম এয়ারপ্লেন মোডে খেলতে পারেন।
এয়ারপ্লেন মোডে ব্লুটুথ কাজ করে?
ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথের ঘটনা একই। এয়ারপ্লেন মোড চালু করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লুটুথ নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলেও, বেশিরভাগে ফোনে ম্যানুয়ালি আবার ব্লুটুথ চালু করা যায়। বিমান সংস্থাগুলো ব্লুটুথের ব্যাপারে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন, কারণ এর রেঞ্জ খুব সীমিত।
ব্লুটুথ চালু করে ব্লুটুথ সুবিধার হেডফোন, কিবোর্ড এবং অনুরূপ ডিভাইসগুলো স্মার্টফোনে সংযুক্ত করতে পারবেন। এমনকি যখন আপনি বিমান ভ্রমণ করছেন না, তখন এয়ারপ্লেন মোডে ব্লুটুথ হেডফোনের মাধ্যমে অফলাইন মিউজিক উপভোগ করে ব্যাটারি সাশ্রয় করতে পারেন।
এয়ারপ্লেন মোডে ডাটা ব্যবহার করা যায়?
না। কারণ এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনকে মোবাইল নেওয়ার্ক টাওয়ারের সঙ্গে সংযুক্ত হতে বাধা দেয়। তাই এই মোডে কোনো ধরনের ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন না।
এয়ারপ্লেন মোডে ফোনে কল কিংবা মেসেজ আসবে?
না, কারণ এয়ারপ্লেন মোডে মোবাইল কানেকশন বন্ধ হয়ে যায়। আপনার ফোন এয়ারপ্লেন মোডে থাকা অবস্থায় কেউ যদি আপনাকে ফোন করে তাহলে ফোন বন্ধ রয়েছে শোনাবে। আর সেসময়ের টেক্সট মেসেজ আসবে এয়ারপ্লেন মোড অফ করার পরপরই।
এয়ারপ্লেন মোডে ফোনের অ্যালার্ম কাজ করে?
হ্যাঁ। অ্যালার্ম স্বাভাবিক থাকবে এয়ারপ্লেন মোডেও। অ্যালার্ম ইন্টারনেট কানেকশনের ওপর নির্ভর করে না। অ্যালার্ম অ্যাপ অন করে নিশ্চিতে অ্যালার্ম সেট করুন। এয়ারপ্লেন মোডে যদিও ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না, তবে ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার জন্য অ্যালার্ম সেট করতে পারে।
মিউজিক যেভাবে উপভোগ করবেন এয়ারপ্লেন মোডে
এয়ারপ্লেন মোডে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় গুগল প্লে মিউজিক, স্পোটিফাইয়ের মতো মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপগুলো কাজ করবে না। এয়ারপ্লেন মোডে মিউজিক উপভোগে দুইটি অপশন রয়েছে-
প্রথমত যদি আপনি মিউজিক স্ট্রিমিংয়ের পেইড সার্ভিস ব্যবহার করে থাকেন যেমন স্পোটিফাই প্রিমিয়াম অথবা গুগল প্লে মিউজক অল অ্যাকসেস, তাহলে আপনি ডিভাইসে মিউজিক ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এমনকি এয়ারপ্লেন মোডেও তা শোনার সুবিধা পাবেন।
ই-মেইল পাঠানোর আগে যে বিষয় গুলো জানা খুবই জরুরী

ই-মেইল পাঠানোর আগে যে বিষয় গুলো জানা খুবই জরুরী

মেইলে অযথা আর্জেন্ট মার্ক যুক্ত করবেন না: মেইলে আর্জেন্ট বা জরুরি শব্দটি ব্যবহারের আগে কয়েকবার ভাবুন। আপনি যে মেইলটি পাঠাচ্ছেন, সেটা কী আসলেই গুরুত্বপূর্ণ বা জরুরি কিছু? যদি তেমনটি না হয়, তাহলে আর্জেন্ট ব্যবহার করবেন না। এতে প্রাপক বিরক্ত হতে পারে।
স্পেলিং মিসটেক বা বানান ভুল হওয়া চলবে না: অনেক সময় দ্রুত টাইপ করতে গিয়ে অনেকেই বানান ভুল করেন। কিন্তু এই আধুনিক সময়ে এসে এ ধরনের ভুল একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। কারণ, বর্তমানে প্রতিটি ডিভাইসেই রয়েছে অটোকারেক্ট অপশন। তাই বানানের প্রতি যত্নবান হোন।
ই-মেইলকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ‘ফরমাল’ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই এ সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে জেনে নেওয়া দরকার। এমন কিছু বিষয় আছে যা করলে মেইলের প্রাপক বিরক্ত হতে পারেন। তাই সচেতনভাবে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
বিষয় লিখতে ভুলে যাওয়া: ই-মেইলে বিষয় লিখতে ভুলবেন না। কারণ, আপনার মেইলের প্রাপক বিষয়ের লাইনটি পড়েই পুরো মেইল সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে যান। এছাড়া কোনও মেইল সার্চ করে পেতে হলে সাবজেক্ট লাইনের দরকার হয়।
মেইলে ‘এসএমএস ল্যাঙ্গুয়েজ’ ব্যবহার করবেন না: যেহেতু ই-মেলকে যোগাযোগের ফরমাল মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই এতে এসএমএস ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করবেন না। যেমন- Thanks কে কখনোই Thnx কিংবা Sorry কে কখনোই Sry লিখবেন না।
মেইলে ইমোজির ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন: ই-মেইলে কোনও ধরনের ইমোজি ব্যবহার না করাই ভালো। আপনি বেশ খুশি থাকলে কোনও ধরনের ইমোজি ব্যবহারের পরিবর্তে লিখুন- আই অ্যাম ডিলাইটেড। মনে রাখতে হবে, ই-মেইল,
ফেসবুক মেসেঞ্জার, স্ন্যাপচ্যাট এক নয়।
সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন: ই-মেইল পাঠানোর সময় সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন। ফন্টের আকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন। এটা যেন খুব বেশি বড় বা ছোট না হয়। একই সঙ্গে ফন্টের কালার সম্পর্কেও সচেতন থাকতে হবে।
গুগল ! বর্গফুট মেপে নজরদারি চালাচ্ছে

গুগল ! বর্গফুট মেপে নজরদারি চালাচ্ছে

একেবারে ‘ল্যাটিচিউড-লঙ্গিচিউড’ ধরে মোবাইলধারীর লোকেশন দিন-রাত তাদের অ্যাকাউন্টে রেকর্ড করছে গুগল ,চান বা না-চান, মোবাইলে লোকেশন সার্ভিস চালু রাখুন বা না-রাখুন। নজরদারির বহর এতটাই যে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা আইফোনে ইন্টারনেট চালু থাকলে, যেকোনো সময় গ্রাহকের অবস্থান একেবারে বর্গফুট পর্যন্ত নিখুঁতভাবে তোলা থাকে গুগলের খাতায় এটি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) দাবি।
এপি-র পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তথ্যগুলো একাধিক সংস্থাকে বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা রোজগার করছে গুগল।
এমনকি স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে যে, কেন এতসব নজরদারি চালাচ্ছে গুগল?
নিজে গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে (https://adssettings.google.com/authenticated) ওয়েবপেজে ঢুকে দেখুন। দেখে অবশ্যই চমকে যাবেন, আপনার বয়স-লিঙ্গ-শখ-শিক্ষা-রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’সহ একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য বিচার করে সাজিয়ে-গুছিয়ে আপনার জন্য ‘পার্সোনালাইজড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট প্রোফাইল বা সাইকোগ্রাফিক প্রোফাইল’ বানিয়ে রাখার পুরো বন্দোবস্ত করে রেখেছে গুগল। শুধু ইন্টারনেটে সার্চই নয়, আপনি থার্ড পার্টি অ্যাপ যেভাবে ব্যবহার করেন, তার সব তথ্যও রয়েছে (https://myaccount.google.com/permissions?pli=1) গুগলের ভাঁড়ারে। এটি ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যায়।
ফলস্বরূপ তাদের মাধ্যমে গুগল এমন খুঁটিয়ে যার উপর খুশি নজর রাখতে পারে পিছনে গোয়েন্দা লাগিয়েও কারও সম্পর্কে এত তথ্য এক লহমায় জানা সম্ভব নয়। শতকরা ১০০ ভাগ মানুষই ওই ফাইন-প্রিন্ট পড়ার হ্যাপায় না গিয়ে তা করেন না।
অনেকে অজান্তেই বা জেনেবুঝে তার অ্যাকাউন্টে বা স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপের লোকেশন সার্ভিস ‘অন’ করে রেখে দেন৷ ফলে যেটা হয়, আপনি যেখানে যেখানে যাচ্ছেন, গুগলের একটি নির্দিষ্ট পেজে (https://www.google.com/maps/timeline?pb) তা রেকর্ড হয়ে থাকে৷ যাওয়া-আসা গৌণ, লোকেশন অন থাকা অবস্থায় কীভাবে কতটা পথ গেছেন, গাড়িতে ও হেঁটে তাও রেকর্ড করে গুগল৷ সংস্থার পক্ষে প্রক্রিয়াগত দাবি, লোকেশন সার্ভিস কোনও গ্রাহক ‘অফ’ করে দিলে আর সেই তথ্য রেকর্ড করে না গুগল।
বাস্তবে ইন্টারনেটে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় বা মোবাইলে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করার সময় গুগলকে কোন কোন সম্মতি আপনি দিয়ে দেন তাড়াহুড়োয় ‘ক্লিক’ করে, তা কি আপনি নজর করেন?
ম্যাপ ছাড়াই শুধু গুগল ব্রাউজারে বিশেষ কিছু ‘কী-ওয়ার্ড’ (যেমন, ‘চকোলেট চিপ কুকিজ’ বা ‘কিডস সায়েন্স কিটস’) দিয়ে সার্চ দিলেও মোবাইলধারীর লোকেশন দেখে নেয় গুগল বলে জানিয়েছে এপি। চাঞ্চল্যকর এক তদন্তে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) দাবি, গুগলের এই দাবি সর্বৈব মিথ্যা। আপনার অনুমতি ছাড়াই যতবার গ্রাহক তার স্মার্টফোনে ‘গুগল ম্যাপ’ অ্যাপটি খোলেন সেই মুহূর্তে আপনি যেখানে আছেন, সময় রেকর্ড করে সেই লোকেশন-এর একটি ‘স্ন্যাপশট’ তুলে নিয়ে নিজের ভাড়াঁরে জমা করে নেয় গুগল। এতো না হয় গুগল ম্যাপ সম্পর্কিত। তাদের আরও দাবি, বর্গফুট পর্যন্ত নিখুঁত থাকে এই লোকেশন রেকর্ড। আর এর ফলে বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এবং অসংখ্য আইফোন গ্রাহক গুগল ব্যবহার করেন, তাদের লোকেশন তথ্য চুরি করছে গুগল।
আর এপির এই তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে গুগলকে প্রশ্ন করা হলে, তাদের মুখপাত্র যথারীতি দায় সেরেছেন এই বলে ‘লোকেশন হিস্ট্রি, ওয়েব ও অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি এবং ডিভাইস লেভেল লোকেশন সার্ভিসের মতো একাধিক পরিষেবার মাধ্যমে গুগল তাদের অ্যাকাউন্টধারীর লোকেশন এবং গুগল ব্যবহারের অভিজ্ঞতা প্রতিনিয়ত উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যায়। তবে যে কেউ ইচ্ছা করলে এগুলো যখন খুশি আলাদা আলাদা ভাবে বন্ধ করে দিতেই পারেন।’ এগুলো করা হয় গ্রাহকস্বার্থেই।