Showing posts with label Leptop. Show all posts
Showing posts with label Leptop. Show all posts

Friday, August 24, 2018

কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কিছু কারন সমূহ

কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কিছু কারন সমূহ

কম্পিউটার ব্যবহার করতে কে না ভালোবাসে। ছোট-বড় সবাই কম্পিউটার ব্যবহার করে নানান কারণে। আমার মতে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯.৯ মানুষ তাদের কম্পিউটারকে ভালোবাসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে কম্পিউটার মাঝে মাঝে এমন সব আচার-আচরণ করে যেগুলো সত্যই আমাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কারণ হচ্ছে কম্পিউটার হঠাৎ রির্স্টাট নেওয়া। মুলত এটি বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে। ইনসাআল্লাহ আজকের এই পোষ্টে কম্পিউটার রিস্টার্ট এর কারণ সম্পর্কে আপনাদের কিছুটা জানানোর চেষ্টা করবো।
 
  • কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।
  • RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
  • হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।
  • ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।
  • বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।
  • বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
  • বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।
  • প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।
যদি লেখাটি ভাল লেগে থাকে তাহলে দয়া করে পোষ্টটি প্রমোট করেন। শেয়ার করুন আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে। ধন্যবাদ সবাইকে।

Saturday, July 28, 2018

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)


**কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

**Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
**কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।

** কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।

Friday, July 27, 2018

লেনোভোর নতুন ল্যাপটপ

লেনোভোর নতুন ল্যাপটপ

দেশের বাজারে এসেছে লেনোভো ব্র্যান্ডের আইডিয়াপ্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপ। নতুন এই সিরিজের ল্যাপটপ আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ।

ইন্টেল ষষ্ঠ প্রজন্মের আওতায় কোর আই-৩, কোর আই-৫ এবং কোর আই-৭ এই তিন ধরনের প্রসেসর সমৃদ্ধ আইডিয়াপ্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপ বাজারে এসেছে। ল্যাপটপগুলোতে রয়েছে ডিডিআর-৪ প্রযুক্তির  ৪ জিবি থেকে ৮ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম এবং ১ টিবি হার্ডডিস্ক। এছাড়াও রয়েছে ইন্টেল এইচডি ৫২০ গ্রাফিক্স যা স্বচ্ছ ও নয়নাভিরাম ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট দিয়ে থাকে এবং ১৪ ইঞ্চি ও ১৫.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ফলে এতে মুভি দেখা থেকে শুরু করে অন্যান্য দৈনন্দিন কাজগুলো করা যাবে স্বাচ্ছন্দ্যে। দারুন মিউজিক এর জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ডলবি মিউজিক।

আইডিয়াপ্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপগুলোর ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী এবং অধিক সময় ব্যাকআপ দিয়ে থাকে। এই ল্যাপটপকে বিশেষায়িত করে এর স্টাইলিশ মোড যার মাধ্যমে ল্যাপটপের ডিসপ্লে ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ভাঁজ করা যায়।

লোনোভো আইডিয়া প্যাড ৩১০ সিরিজের ল্যাপটপ বাজারে এনেছে অনুমোদিত পরিবেশক গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড। লেনোভোর ডিজিএম হাসান রিয়াজ বলেন, ‘এই ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে।’

অপারেটিং সিস্টেম ডস সমৃদ্ধ এসব ল্যাপটপের মূল্য ৩৭,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। রয়েছে ১ বছরের (আরো অতিরিক্ত ১ বছর রেজিস্ট্রেশেনের মাধ্যমে) ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টি। আরো জানতে ভিজিট:www.globalbrand.com.bd।

Saturday, July 21, 2018

 Boss USB Paiche software) ডাউনলোড ! বস ইউএসবি পাইছে" সফটওয়্যার ডাউনলোড ! Tech Mitun

Boss USB Paiche software) ডাউনলোড ! বস ইউএসবি পাইছে" সফটওয়্যার ডাউনলোড ! Tech Mitun

মানুষ সবসময়ই ভিন্নধর্মী কিছু পছন্দ করে । তাই অনেকেই চান, বিভিন্ন কাজ করার নিজের কম্পিউটার বাংলায় কথা বলে উঠুক ! হ্যাঁ, এটাও সম্ভব । আপনি ইচ্ছে করলে আপনার নিজের কথাও শুনতে পারেন ! সে জন্য অবশ্য কিছু প্রসেস আছে । যাইহোক, সেটি নিয়ে আর আলোচনা না করি, ওটা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে হয়ত আসল জিনিসই উপস্থাপন করার সময় পাওয়া যাবে না !


"বস ইউএসবি পাইছে" এই ব্যাপারটা মূলত বাংলায় রেকর্ড করা কিছু Audio ক্লিপ দিয়ে সিস্টেম সাউন্ড চেঞ্জ করার কৌশল । তবে Windows VISTA, 7, 8, 8.1 এ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তাজনিত কারণে আপনি নরমালি এটি করতে পারবেন না, কারণ এটি করতে গেলে আপনাকে Trustedinstaller এর পারমিশন লাগবে । তবে আমার তৈরি করা Bangla System Sound v1.1 ব্যবহার করে আপনি শুধুমাত্র কয়েকটা ক্লিক করেই মুহূর্তের মাঝেই কাজটি সেরে ফেলতে পারবেন, আপনাকে Trustedinstaller এর পারমিশন নিয়ে ভাবতে হবে না ! এটা ইন্সটল করার জন্য প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । এরপরে RAR ফাইলটি WinRAR (এই লিঙ্কে ফুল ভার্শন WinRAR পাবেন) বা অন্য যে কোন Archive Manager সফটওয়্যার দিয়ে Extract  করে নিন । এরপরে Bangla System Sound v1.1 Installer.exe ফাইলটি রান করুন এবং পাসওয়ার্ড দিন । তাহলেই ইন্সটল হয়ে যাবে ! এখন কম্পিউটারে কোন USB Drive সংযুক্ত করলেই শুনতে পাবেন, "বস, ইউএসবি পাইছে, ভাইরাস চেক করেন" । আবার রিসাইকেল বিন খালি করলে শুনতে পারবেন "বস, আমাকে ডিলেক্ট করলেন ?" (আসল উচ্চারণ হবে "ডিলিট", ডিলেক্ট নয়) । আবার কম্পিউটার চালু বা বন্ধ করার সময়ও বাংলায় কথা শুনতে পাবেন । তা ছাড়া আরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাংলায় কথা শুনতে পাবেন ।

তবে ঐ কথাগুলো শুনতে আমার একদমই ভালো লাগে না, বিশেষ করে "বস" বলে সম্বোধন ! কিন্তু অনেকে উইন্ডোজ ৭, ৮, ৮.১ ব্যবহারকারীরদের অনুরোধের কারনেই মূলত এটি তৈরি করা । হয়ত এটি উইন্ডোজ ১০ এও কাজ করবে । তবে পরবর্তীতে সময় পেলে সকল সিস্টেম সাউন্ড ফিমেল ভয়েসে চেঞ্জ করার জন্য Bangla System Sound (বাংলা সিস্টেম সাউন্ড) এর আরেকটা ভার্শন (ফিমেল ভার্শন) বের করার ইচ্ছে আছে । তবে ফিমেল ভার্শন অবশ্যই মার্জিত ভাষায় হবে এবং স্টার্টআপ ও শাটডাউন সাউন্ড হিসেবে থাকবে খুব সুন্দর একটা শর্ট মিউজিক 

Download

Thursday, June 14, 2018

Windows 7 এর ফুল ব্যাকআপ

Windows 7 এর ফুল ব্যাকআপ

উইন্ডোজ ৭, বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। আজ উইন্ডোজ সেভেনের একটি ফিচার নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করাতে চলে এলাম। আর তা হলো উইন্ডোজ ইমেজ ব্যাকআপ ও রিস্টোর!


সাধারণত কম্পিউটারে উইন্ডোজ নিয়ে কোনো সমস্যা হলে তার সমাধান হিসেবে যেকেউই প্রথমেই যেটা বলবে সেটা হলো ভাই পিসিতে উইন্ডোজ মারুন। অর্থ্যাৎ পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ সেটআপ দিন। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন সমস্যার কারণে পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়া হয়ে উঠে না। আবার নতুন করে উইন্ডোজ দেবার পর পিসিতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলস এবং সফটওয়্যারগুলো মুছে যায়, যার কারণে পিসিকে আগের মত করে সাজিয়ে নেওয়া সময়সাধ্য ব্যাপার।
কিন্তু আজ আপনাদেরকে উইন্ডোজ ৭ এর একটি ফিচার দেখাবো যার মাধ্যমে পুরো উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমের ইমেজ ফাইল তৈরি করে ফুল সিস্টেম ব্যাকআপ ও রিস্টোর করা যায়। এই পদ্ধতির প্রধান সুবিধা হলো, ব্যাকআপ করার সময় আপনার পিসির যে রকম অবস্থায় ছিলো, রিস্টোর করার পর ঠিক একই কন্ডিশনে তা ফিরে পাবেন।
সিস্টেম ইমেজ  কি?? সিস্টেম ইমেজ হলো আপনার সিস্টেম ড্রাইভের একটি অবিকল কপি যা একটি ফাইলে ব্যাকআপ রূপে সেভ হয়ে থাকে। পরবর্তীতে যদি উইন্ডোজ সংক্রান্ত সমস্যার দেখা দেয় তখন নতুন করে উইন্ডোজ দেবার পরিবর্তে আপনি এই সিস্টেম ইমেজ ফাইল রিস্টোর করে আগের মতো উইন্ডোজ ফিরে পেতে পারবেন। আপনি যদি সিস্টেম রিস্টোর অপশন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর হচ্ছে ঠিক একই প্রকার কাজ তবে এখানে পুরো সিস্টেম ড্রাইভকে রিস্টোর করা হয়।
আসুন দেখে নেই কিভাবে উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি করে ব্যাপআপ এবং রিস্টোর করবেন :

উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি :

এখন আমি আপনাদের দেখাবে কিভাবে উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি করতে হয়। এই ধাপগুলো উইন্ডোজ ৮ এবং উইন্ডোজ ১০ প্রায় একই।
➡ প্রথমে আপনাকে ব্যাপআপ এন্ড রিস্টোর অপশনে যেতে হবে। এর জন্য নিজের যেকোনো একটি পদ্ধতি অনুসরণ করুন:
  • ১। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে সার্চ অপশনে backup লিখে সার্চ দিন। Backup and Restore অপশনটি দেখতে পাবেন।
  • ২। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে All Programs > Maintenance > Backup and Restore অপশনে চলে যান।
  • ৩। সরাসরি কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Backup and Restore অপশনে চলে যান।
➡ ব্যাকআপ এন্ড রিস্টোর টুল উইন্ডো থেকে বাম দিকের Create a system image অপশনে ক্লিক করুন।
এখন Create a system image উইন্ডো আসবে।
এখন এখানে সিস্টেম ইমেইজ কোথায় সেভ হবে তা নির্ধারণ করে দিন। হার্ডডিক্স, ডিভিডি ড্রাইভে কিংবা নেটওর্য়াক লোকেশন অপশন থেকে যেকোনো একটি অপশন বেছে নিন। পোর্টেবল হার্ডডিক্স বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ করতে চাইলে সেটাও আপনি On a hard disk ড্রপ ডাউন উইন্ডোতে গিয়ে পাবেন। তবে যে ড্রাইভগুলোর ব্যাপআপ নিবেন কখনো সে ড্রাইভগুলোতে সিস্টেম ইমেইজ সেভ করতে পারবেন না। নিচের মতো সর্তক বার্তা আসবে।
এটা এড়াতে আপনি পেনড্রাইভ বা পোর্টেবল হার্ডডিক্স বা আলদা হার্ডডিক্স পার্টিশন ব্যবহার করুন।
➡ এরপর আপনি সিস্টেম ইমেইজ ব্যাকআপে আপনার পিসির কি কি ড্রাইভ অন্তর্ভুক্ত করতে চান না নির্বাচন করে দিন।
লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, উপরের দুটি ড্রাইভ অটো সিলেক্ট হয়ে রয়েছে, এগুলো সিস্টেম ড্রাইভ যা ব্যাকআপ প্রক্রিয়াতে লাগবে তাই আপনি চাইলেও এইদুটি ড্রাইভ ডিসিলেক্ট করতে পারবেন না।
➡ ফাইনাল কনফার্মেশন উইন্ডোতে Backup and Restore টুল আপনাকে বলে দিবে যে কতটুকু জায়গা লাগবে ব্যাকআপ করার জন্য।
এখান থেকে Start backup বাটনে ক্লিক করলে ব্যাকআপ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ব্যাকআপ করতে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টাও লাগতে পারে, এটা আপনার পিসির স্পিড এবং ব্যাকআপ করা ডাটার পরিমানের উপর নির্ভর করবে।

ব্যাকআপ প্রক্রিয়া হয়ে গেলে আপনাকে আরেকটি অপশন দেওয়া হবে সেটা হলো সিস্টেম রিপেয়ার ডিক্স তৈরি করবেন কিনা, আপনার কাছে যদি অরিজিনাল উইন্ডোজ ৭ ডিক্স না থাকে তাহলে এই অপশনে যাবার দরকার নেই।

উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করা:

আপনার পিসিতে যদি কোনো উইন্ডোজ ভিত্তিক সমস্যা দেখা দেয় বা উইন্ডোজ যদি বুট না নেয় তাহলে সচারচর নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। নতুন করে উইন্ডোজ না দিয়ে আমরা উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করে এই সমস্যার চমৎকার সমাধান করতে পারি।
উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করার কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে, যা নিচে দেওয়া হলো:

➡ ১ম পদ্ধতি:

কন্ট্রোল প্যানেল এ যেতে হবে। এখান থেকে Recovery অপশনে ক্লিক করে Advanced Recovery methods অপশনে ক্লিক করতে হবে।
এবার এখানে “Use a system image you created earlier to recover your compute“  অপশনে ক্লিক করতে হবে। সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর আপনার সিস্টেমের সকল ফাইলস ডিলেট করে দিবে তাই আপনাকে আবারো ফাইল ব্যাকআপের অপশন দেওয়া হবে। সিস্টেম ইমেজ তৈরির সময় কোনো ফাইন মিসিং করে গেলে বা সিস্টেম ইমেজ তৈরির পর কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ব্যাকআপের অন্তভূর্ক্ত করে নেবার জন্য এই অপশন দেওয়া হবে। যদি আপনার এরকম ফাইলস ব্যাকআপ করার প্রয়োজন থাকে তাহলে Backup Now অপশনে ক্লিক করুন অথবা Skip বাটনে ক্লিক করে এটি এড়িয়ে যান। রিস্টোর প্রক্রিয়া হয়ে গেলে পিসি  রিস্টার্ট নেবে।

➡ ২য় পদ্ধতি:

যদি আপনার উইন্ডোজ স্টার্ট না নেয় তাহলে এই পদ্ধতি আপনার জন্য উপযুক্ত। পিসি চালু করে F8 বাটনে প্রেস করতে থাকুন, এডভান্সড বুট অপশন আসবে। এখান থেকে Repair Your Computer সিলেক্ট করুন।
রিকোভারি মোড লোড হতে কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। বায়োসে যদি কোনো ইউজার নেম ও পাসওর্য়াড দিয়ে থাকেন তাহলে এখানে সেগুলো দিতে হবে। এবার সিস্টেম রিকোভারি অপশন উইন্ডো চলে আসবে
এখান থেকে সিস্টেম ইমেজ রিকোভারি অপশনে ক্লিক করে রিস্টোর করে নিন।

➡ ৩য় পদ্ধতি:

হার্ডডিক্সের বুট সেক্টর বা মাস্টার বুট রেকর্ড যদি নস্ট হয়ে যায় তাহলে আপনি F8 Advance Boot Options Menu তে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে আপনি ব্যাপআপ রিস্টোরের জন্য ৩য় পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। এই পদ্ধতির জন্য আপনার উইন্ডোজ ৭ সিস্টেম রিপেয়ার ডিক্স বা উইন্ডোজ ৭ এর সেটআপ ডিক্স দরকার হবে।
ডিক্স ড্রাইভে ঢুকিয়ে ডিক্স বুট দিন। বুট হয়ে গেলে Windows Install উইন্ডো থেকে নিচের বামদিকের Repair your computer অপশনে ক্লিক করুন।
কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর সিস্টেম রিকোভারি অপশন আসবে, এখান থেকে “Restore your computer using a system image that you created earlier” তে ক্লিক করুন।
উপরের যেকোনো পদ্ধতিই অনুসরণ করুন না কেন আপনাকে এই সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ স্ক্রিণে আসতে হবে। আপনি যদি ইমেজ ব্যাকআপ ফাইলটি হার্ডডিক্সে রেখে থাকেন তাহলে তা অটোমেটিক সিলেক্ট হয়ে যাবে, আর তারপর Next বাটনে ক্লিক করে রিস্টোর প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। তবে যদি পেনড্রাইভ, ডিভিডি ব্যাকআপ বা নেটওর্য়াট লোকেশন থেকে রিস্টোর করাতে চান তাহলে Select a system image অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর করতে পারবেন।
আপনি যদি সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপের পর পিসির পার্টিশন স্ট্রাকচার পরিবর্তন করে থাকেন তাহলে ১ম ও ২য় পদ্ধতিতে সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর করতে পারবেন না। আপনাকে তাহলে ৩য় পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এখানে আপনি ব্যাকআপকৃত ইমেজের সাথে আপনার পিসির বর্তমান পার্টিশন মিলানোর জন্য রিফরমেট করে নিতে হবে। এই অপশনটি যারা পিসি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন তাদের জন্য উপযুক্ত!
কিছু কনফারমেশন স্ক্রিণের পর রিস্টোর প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং রিস্টোর প্রক্রিয়া শেষ হলে পিসি অটো রিস্টার্ট নেবে আর তারপর আপনার পিসির উইন্ডোজ আগের মতো ফিরে পাবেন।

সিস্টেম ইমেইজ ব্যাকআপ এবং রিস্টোরের কিছু কথা:

ব্যাকআপ করা ড্রাইভ বা ভলিউমগুলোর পার্টিশন স্ট্রাকচার পরিবর্তন করা উচিৎ নয়। এতে রিস্টোর প্রক্রিয়া ফেইল হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনারে পুনরায় পার্টিশন ফরম্যাট দিতে হতে পারে।
  • সিস্টেম ইমেইজ আপনার সিস্টেমের সকল ফাইলস ব্যাকআপ করে নেবে রিস্টোরের জন্য, এখানে আপনি ফাইলস বা ফোল্ডার বেছে নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র ড্রাইভ বেছে নিতে পারবেন।
  • নেটওর্য়াকে ব্যাকআপ ফিচারটি উইন্ডোজ ৭ হোম প্রিমিয়াম / হোম বেসিক সংস্করণে নেই।
  • শুধুমাত্র NTFS ফরমেটের পার্টিশনগুলোর ব্যাকআপ নেওয়া যাবে, আপনি যদি পেনড্রাইভে বা পোর্টেবল হার্ডডিক্সে ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে লক্ষ্য রাখবেন সেটার ফরমেট NTFS কিনা।
  • উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমেও এই অপশনটি আছে। যা আপনি কন্ট্রোল প্যানেল > উইন্ডোজ ৭ ফাইল রিকোভারি তে পাবেন।
  • আপনি যদি রিপেয়ার ডিস্কে ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে লক্ষ্য রাখবেন ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট যাতে মিক্স না হয়ে যা। আপনার উইন্ডোজ যদি ৩২বিট হয় তাহলে ৩২ বিট উইন্ডোজ রিপেয়ার ডিক্স ব্যবহার করুন।
  • হার্ডডিক্সে যদি আগে থেকেই একটি সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ থেকে থাকে তাহলে একসাথে দুটি ইমেজ ব্যাকআপ থেকে নতুন ব্যাকআপ টি রেখে পুরাতন ব্যাকআপটি ডিলেট করে দিবেন। এতে রিস্টোরের সময় সুবিধা হবে।
আশা করবো সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ ও রিস্টোর প্রক্রিয়ার মাধ্যমগুলো আপনাদের সামনে ভালো মতো ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি। নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়ার চেয়ে এই ইমেজ রিস্টোরের মাধ্যমে আপনার সিস্টেমের ফাইলস এবং সফটওয়্যার সেটিং থাকে অবিকৃত।