Showing posts with label Computer. Show all posts
Showing posts with label Computer. Show all posts

Friday, September 13, 2019

Friday, August 31, 2018

Hard Disk না SSD Storage কোনটি বেটার?

Hard Disk না SSD Storage কোনটি বেটার?

কম্পিউটারে ডেটার স্থায়িত্বের বিবেচনায় মোটামুটি তিন ধরণের মেমোরি ডিভাইস রয়েছে। একটা হচ্ছে রিড-অনলি, যেমন মাদারবোর্ড/প্রসেসর বা বায়োসে স্থায়ীভাবে যেসব স্টোরেজে প্রোগ্রাম দেয়া হয় সেগুলো। এগুলো থেকে ডেটা রিড করা বা পড়া যায়
, কিন্তু এতে নতুন ডেটা যোগ করা কিংবা বিদ্যমান ডেটা মোছা যায়না। অন্য একটি মেমোরি টাইপ হচ্ছে RAM। এটাতে ডেটা যোগ-বিয়োগ করা যায়, কিন্তু এটা ক্ষণস্থায়ী। পিসি চলতে চলতে বিদ্যুৎ চলে গেমন- Random Access Memoryহই। পিসিতে আমরা কোনো ফাইল সংরক্ষণ করতে যে মোমোরি ডিভাইস ব্যবহার করি,আসলে সেগুলো ডেটার সবচেয়ে বেশিক্ষণ স্থায়িত্ব প্রদান করে। এক্ষেত্রে সাধারণত হার্ড ড্রাইভ ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বর্তমানে কম্পিউটারে স্টোরেজ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে হার্ড ডিস্ক। এতে পিসির অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য ইউজার-ফাইল সংরক্ষিত থাকে। হার্ডডিস্কের দাম তুলনামূলক কম, এর স্পিডও একটু কম হয়ে থাকে। বেশি স্পিড পেতে এজন্য অনেকেই ব্যবহার করেন এসএসডি স্টোরেজ। এগুলো হার্ডডিস্কের বিকল্প স্টোরেজ ডিভাইস SSD Storage এর পূর্ণরূপ হচ্ছে solid-state drive.
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের মধ্যে অনেকগুলো ম্যাগনেটিক কোটিং দেয়া প্লেট থাকে যেগুলো কাজের সময় ঘুরতে থাকে এবং বিশেষ রিড-রাইট হেড এই ধাতব চাকতি বা প্লেট গুলোতে ডেটা আদানপ্রদান করে।
অপরদিকে, সলিড-স্টেড ড্রাইভ বা এসএসডি স্টোরেজে ঘূর্ণায়মান কোনো পার্ট থাকেনা। এর মধ্যে পরস্পর-সংযুক্ত ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ থাকে যেগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে ডেটা সংরক্ষিত হয়। কোনো চৌম্বক শক্তির দরকার হয়না। এর মধ্যে কোনো রিড-রাইট হেডও নেই।
তো এবার চলুন দেখি আপনি কোন কোন বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন যে কম্পিউটারে হার্ডডিস্ক ব্যবহার করবেন, নাকি SSD Storage?
গতি
হার্ড ডিস্কের মধ্যে ঘুর্ণায়মান অংশ থাকে এবং এজন্য হেডটি তার সঠিক স্থান থেকে ডেটা সংগ্রহ করতে কিছুটা সময় নেবে। এগুলোসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত কারণে এসএসডির চেয়ে হার্ডডিস্কের ডেটা এক্সেস টাইম একটু বেশি। অর্থাৎ, SSD Storage এর চেয়ে হার্ডডিস্ক একটু ধীরগতিতে কাজ করে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, এসএসডি’যুক্ত পিসি ৭-১০ সেকেন্ডেই চালু হয়, যেখানে হার্ডডিস্ক’যুক্ত পিসি চালু হতে কমপক্ষে আধমিনিট সময় নেয়। এরপর পিসি চালু হয়ে স্টার্টাপ প্রোগ্রামগুলো রেডি হতে আরও মিনিটখানেক সময় তো লাগেই। এসএসডিতে ফাইল রিড-রাইট টাইম প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ২০০ থেকে ৫৫০ মেগাবাইট হয়ে থাকে। হার্ড ডিস্কে অ্যাভারেজ ফাইল রিড-রাইট টাইম ৫০ থেকে ১২০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
হার্ডডিস্কযুক্ত পিসিতে আপনি যদি এসএসডি লাগান (অন্তত সিস্টেম ড্রাইভ হিসেবে), তাহলে আগের চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ বেশি স্পিড পাবেন। হার্ডডিস্কের তুলনায় এসএসডির স্পিড আকাশ-পাতাল পার্থক্য বলে মনে হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি যদি পিসিতে স্পিড চান, তাহলে স্টোরেজে এসএসডিই হবে আপনার সেরা পছন্দ।
স্থায়িত্ব
হার্ডডিস্কের তুলনায় এSSD Storage ডিভাইসের স্থায়িত্ব বেশি বলেই জানা যায়। তাই স্থায়িত্বের দিক দিয়েও এসএসডি এগিয়ে।
বিদ্যুৎ খরচ
হার্ড ডিস্কের তুলনায় এসএসডি কম বিদ্যুৎ খরচ করে। এসএসডি যেখানে ২-৩ ওয়াটের হয়, সেখানে হার্ড ডিস্ক হয়ে থাকে ৬-৭ ওয়াট। যেহেতু সলিড স্টেট ড্রাইভ কম বিদ্যুৎ খরচ করে, তাই এসএসডি স্টোরেজ আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি ব্যাকআপ কমপক্ষে ৩০ মিনিট বৃদ্ধি করবে।
ধারণ
বর্তমানে ল্যাপটপের জন্য যেসব এসএসডি পাওয়া যায়, সেগুলোর ধারণক্ষমতা সাধারণত ১ টেরাবাইটের বেশি হয়না। ডেস্কটপের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪ টেরাবাইট ধারণক্ষমতার এসএসডি পাওয়া যায়। অপরদিকে, হার্ড ডিস্কের ধারণক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। ল্যাপটপের জন্য সর্বোচ্চ ২ টেরাবাইট এবং ডেস্কটপের জন্য ১০ টেরাবাইট পর্যন্ত হার্ড ডিস্ক পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে উভয়ের ক্যাপাসিটিই আরও বাড়বে। আপনার যদি অনেক বেশি স্টোরেজ লাগে, তাহলে হার্ড ডিস্ক বেছে নিতে পারেন।
শব্দ ও কম্পন
হার্ড ডিস্কের মধ্যে ঘুর্ণায়মান অংশ থাকার কারণে এগুলো থেকে শব্দ (নয়েজ) উৎপন্ন হয়। কিন্তু এসএসডিতে কোনো ঘুর্ণায়মান পার্টস না থাকায় এটা থেকে কোনো শব্দ ও ভাইব্রেশন উৎপন্ন হয়না।
দাম
একটা বিজ্ঞাপনে নিশ্চয়ই দেখেছেন “জিনিস যেটা ভাল, দাম তার একটু বেশি”। সেরকমই, এসএসডি যেহেতু আপনাকে এত বেশি সুবিধা দিচ্ছে, তাই এর দামটাও একটু বেশি হবে। ২৫০ গিগাবাইট SSD Storage এর দাম পড়বে ৮ হাজার টাকার মত, যেখানে ৫০০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ড্রাইভের দাম পড়বে মোটামুটি সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
আপনি যদি বাজেট একটু বাড়াতে পারেন, তাহলে হার্ডডিস্কের বদলে এসএসডি স্টোরেজ বেছে নিতে পারেন। কিছু কিছু ল্যাপটপে এসএসডি স্টোরেজ দেয়াই থাকে। সেগুলো কিনলে বাড়তি দাম দিয়ে আর এসএসডি কিনতে হবেনা, এবং মোট দামেও অনেকটা সাশ্রয় হবে। এরকম কিছু এসএসডিযুক্ত ল্যাপটপ হচ্ছে আসুসের VivoBook S14 S410UN, VivoBook S15 S510UQ, VivoBook Pro 15 N580VD, ASUS ZenBook UX430UQ প্রভৃতি। আপনি চাইলে এদের কিছু কিছু মডেলে এসএসডি ও হার্ড ডিস্ক উভয়ই পেতে পারেন।
হার্ড ডিস্কের তুলনায় এসএসডির দাম বেশি হয়ে থাকে, সেই সাথে তার স্পিডও বেশি হয়। আপনার পিসিতে যদি একাধিক ড্রাইভ লাগানোর ব্যবস্থা থাকে, তাহলে সিস্টেম ড্রাইভ হিসেবে এসএসডি, এবং ফাইল স্টোরেজ হিসেবে হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি একটিই ড্রাইভ লাগানোর জায়গা থাকে, তাহলে বাজেট অনুযায়ী এসএসডি নিলে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি কম পেলেও স্পিড পাবেন চমৎকার আকার।

Wednesday, August 29, 2018

মোবাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বলেছিলেন স্টিভ জবস

মোবাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বলেছিলেন স্টিভ জবস

অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস। তিনি প্রথম আইফোন উন্মুক্ত করার পর যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তা সত্য হয়েছে।
২৫ জুলাই, বুধবার দ্য ইনফরম্যাশন এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল যৌথভাবে স্টিভ জবসের ২০০৮ সালে নিক উইংফিল্ডকে দেওয়া এক অডিও সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে।
ওই সাক্ষাৎকারে স্টিভ জবস বলেছিলেন, ‘আমিসহ অনেকেই বিশ্বাস করেন, মোবাইল অতি প্রয়োজনীয় জিনিস হয়ে উঠবে। কারণ এটি দিয়ে অনেক কিছুই করা যাবে। এজন্য সব সময় মোবাইল সাথেই রাখতে চাইবে মানুষ।
মোবাইলে এমন সব পরিষেবা পাওয়া যাবে, যা ডেস্কটপে প্রাসঙ্গিক নয়। যেমন অবস্থান-ভিত্তিক পরিষেবাগুলো, যা আপনার অ্যাপ্লিকেশনে সমন্বিত থাকবে। আমি মনে করি, এটি বিশাল কিছু হতে যাচ্ছে।’
ভবিষ্যতের অ্যাপ স্টোর নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়েছে স্টিভ জবসের। তিনি বলেছিলেন, ‘কে জানে? সম্ভবত এটি একটি বিলিয়ন ডলারের বাজারে পরিণত হবে একসময়।’
একটি সম্পূর্ণ নতুন বিলিয়ন ডলারের বাজার খুলেছে অ্যাপ স্টোর, যা প্রথম ৩০ দিনেই ৩৬০ মিলিয়ন ডলার হয়েছে। চলতি বছর অ্যাপ স্টোরের ১০ বছর পূর্তি হয়েছে। আর বর্তমান অ্যাপ স্টোরের ব্যবহারকারী সাপ্তাহে ৫০ কোটি, যারা ডেভলপারদের ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ে সহযোগিতা করে থাকে।
বিস্ময়কর কিশোর রিফত সারুক, নাসা’র জন্য ক্ষুদ্রতম স্যাটেলাইট তৈরি করে চমকে দিল গোটা বিশ্বকে!

বিস্ময়কর কিশোর রিফত সারুক, নাসা’র জন্য ক্ষুদ্রতম স্যাটেলাইট তৈরি করে চমকে দিল গোটা বিশ্বকে!

বয়স খুব বেশি না,মাত্র আঠার। কিন্তু এই অল্প বয়সেই নিজের আবিষ্কার দিয়ে তাক লাগিয়ে দিল গোটা বিশ্বকে। রিফত সারুক, বাড়ি ভারতের তামিল নাড়ুর পাল্লাপতি শহরে। ছোটোবেলা থেকেই মহাকাশের প্রতি প্রবল আগ্রহ তার। এই আগ্রহ থেকেই নাসা’র কিডস ক্লাবের সদস্য হয় সে। সম্প্রতি ‘কিউবস ইন স্পেস’ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল নাসা। আর সেখানেই পরিচিতি পায় রিফতের তৈরি এই ক্ষুদ্রতম উপগ্রহটি। দেখতে অনেকটা লুডোর ছক্কার গুটির মতো। মাত্র ৬৪ গ্রাম ওজন। আর খুবই হাল্কা। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম আজাদের নামানুসারে এই উপগ্রহটির নাম রাখা হয় ‘কালামস্যাট’। এই ছোট্ট স্যাটেলাইটি একটি ৪ ঘনমিটারের বাক্সের মধ্যে রাখা আছে।
এক সাক্ষাৎকারে রিফত জানায়,মুলত দেশিও উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়েছে এই উপগ্রহটি। এটির কাঠামো তৈরি হয়েছে থ্রি-ডি প্রিন্টারের সাহায্যে, রিয়ন ফোরস’ড কার্বন ফাইবার পলিমার দিয়ে। এতে ৮ টি সেন্সর আছে যা দিয়ে পৃথিবীর ত্বরণ, ঘূর্ণন, ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের নানা দিক পরীক্ষা করা যাবে।
নাসা সূত্রমতে, আগামী ২১ শে জুন অয়াল্পস দ্বীপ থেকে ‘কালামস্যাট’ মহাকাশে পাঠানো হবে। পুরো মিশনটি সম্পন্ন হতে ২৪০ মিনিটের মতো সময় লাগতে পারে। উপগ্রহটি মহাকাশের মাইক্রো গ্রাভিটি পরিবেশে মাত্র ১২ মিনিট থাকবে। উপগ্রহটি পাঠানোর মুল উদ্দেশ্য হল থ্রি-ডি প্রিন্টেড কার্বন ফাইবারের কর্মদক্ষতা পরীক্ষা করা।
হার্ডড্রাইভ ঠিক আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

হার্ডড্রাইভ ঠিক আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে


ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মতো হার্ড ডিস্কেরও আয়ু থাকে। কম্পিউটারের ইন্টারনাল স্টোরেজের আয়ু সাধারণত ৫-১০ বছর ধরা হয় আর এক্সটারনাল হার্ডডিস্কের আয়ু ধরা হয় ৩-৫ বছর। তবে আয়ুর বিষয়টি তাপমাত্রার ওঠানামা, আর্দ্রতা ও নানা বাহ্যিক অবস্থার ওপরেও অনেকটা নির্ভর করে। এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ সহজে বহনযোগ্য বলে অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এতে এর আয়ু কমে যায়। হার্ডড্রাইভের আয়ু কীভাবে ধীরে ধীরে কমে যায় তা জেনে নিন:
১. কম্পিউটার গতি কমতে থাকলে এবং কম্পিউটার বারবার হ্যাং হতে শুরু করলে বা ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ দেখালে বুঝবেন আপনার হার্ডড্রাইভ শেষের পথে। এগুলো হার্ডড্রাইভের কার্যক্ষমতা কমার সম্ভাব্য লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা হয়তো সব সময় দেখবেন না কিন্তু উইন্ডোজ সেফ মোড বা নতুন করে ইনস্টলেশন দেওয়ার সময় যদি এ ধরনের সমস্যা দেখেন তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভ ঠিকমতো কাজ করছে না।
২. যদি খুব বেশি ব্যাড সেক্টর দেখতে পান তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভের অবস্থা শোচনীয়। ব্যাড সেক্টর হচ্ছে হার্ডড্রাইভের ত্রুটিপূর্ণ এলাকা যে এলাকাগুলো ডাটা রিড বা রাইট করার অনুরোধ পেলেও সাড়া দেয় না। বড় আকারের ডিস্ক ব্যবহার করা হলে এগুলো শনাক্ত করা কঠিন। উইন্ডোজে এসব ব্যাড সেক্টর পরীক্ষা করতে মাই পিসি থেকে ড্রাইভ পার্টিশন অংশে যেতে হবে। মাই পিসিতে রাইট ক্লিক করে প্রপার্টিজে আগে যেতে হবে। এরপর টুলস থেকে এরর চেকিংয়ে ক্লিক করতে হবে। অপ্টিমাইজেশন করতে অপটিমাইজ অ্যান্ড ডিফ্র্যাগমেন্ট ড্রাইভ করা যাবে।
৩. হার্ডড্রাইভ থেকে যদি একই শব্দ বারবার শোনা যায় বা কোনো কিছু গুঁড়ো করার মতো শব্দ আসতেই থাকে তবে হার্ডড্রাইভ প্রায় শেষের পথে। বারবার শব্দ আসার বিষয়টিকে ‘ক্লিক অব ডেথ’ বলা হয়। কোনো কিছু রাইট করতে বা এরর ঠিক করার প্রক্রিয়ার সময় এ শব্দ তৈরি হয়।
৪. হার্ডড্রাইভ অকার্যকর হওয়ার আরেকটি সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে ফাইল না খোলা এবং কোনো কারণ ছাড়াই ফাইল গায়েব হওয়া বা ফাইল করাপ্ট হয়ে যাওয়া।

Friday, August 24, 2018

আপনার কম্পিটারের USB port বন্ধ করুন

আপনার কম্পিটারের USB port বন্ধ করুন

কম্পিউটার একটি ব্যাক্তিগত জিনিস। কম্পিউটারে আমাদের অনেক ব্যাক্তিগত তথ্য জমা থাকে।  অনেক সময় এই তথ্য বা ব্যাক্তিগত অনেক জিনিস চুরি বা হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই আপনার কম্পিটারের USB port closed করে দিন। যাতে কেও চুরি করতে না পারে। চলুন শুরু করা যাক।

প্রথমে আপনার কম্পিটারে ডেস্কটপ পেজে my computer এর উপর মাউস পয়েন্টার রেখে ডান বাটন ক্লিক করে manage এ ক্লিক করুন।  একটি বক্স আসবে সেখানে  Device manager এ ক্লিক করে universal serial bus controllers থেকে USB root hub থেকে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Disable করে দিন। তাহলেই কোন USB শো করবেনা। USB port closed হয়ে যাবে। সিস্টেম ঠিক করতে same সিস্টেমে enable করে দিন
আপনার কম্পিউটার রিফ্রেশ করুন নিজেই তৈরী করুন Tree.

আপনার কম্পিউটার রিফ্রেশ করুন নিজেই তৈরী করুন Tree.

আপনার কম্পিউটার চলতে চলতে মাঝে মাঝে দূর্বল হয়ে পরে। তখন এর সমাধানে কম্পিউটার রিফ্রেশ করতে হয়। রিফ্রেশ করার জন্য আমরা  tree নামে বিভিন্ন সফ্টওয়ার ব্যাবহার করি। এই সফ্টওয়ার আপনি নিজেই তৈরী করুন।  খুবই সোজা।  কিভাবে তৈরী করবেন বিস্তারিত নিচে দেওয়া হল।

প্রথমেই আপনাকে যা করতে হবে তা হলো: আপনার কম্পিউটারের ডেস্কটপ পেজে প্রবেশ করুন। তারপর ফাকা জায়গায় মাউসের ডান বাটন ক্লিক করি।  একটা লিস্ট আসবে সেখানে  sortcurt লেখা একটি অপশন আছে  সেটি সিলেক্ট করি। একটি বক্স আসবে সেখানে টাইপ করি tree. এবং  next দিতে থাকি। তারপর ফিনিশ দেওয়ার পর দেখুন ডেস্কটপ এ একটি tree নামে ফাইল তৈরী হয়েছে। ব্যাস আপনার কাজ শেষ তার সেই ফাইলে ডাবল ক্লিক করুন এবং দেখুন আপনার কম্পিউটার রিফ্রেশ হচ্ছে।

কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কিছু কারন সমূহ

কম্পিউটার হঠাৎ রিস্টার্ট নেওয়ার কিছু কারন সমূহ

কম্পিউটার ব্যবহার করতে কে না ভালোবাসে। ছোট-বড় সবাই কম্পিউটার ব্যবহার করে নানান কারণে। আমার মতে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯.৯ মানুষ তাদের কম্পিউটারকে ভালোবাসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে কম্পিউটার মাঝে মাঝে এমন সব আচার-আচরণ করে যেগুলো সত্যই আমাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কারণ হচ্ছে কম্পিউটার হঠাৎ রির্স্টাট নেওয়া। মুলত এটি বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে। ইনসাআল্লাহ আজকের এই পোষ্টে কম্পিউটার রিস্টার্ট এর কারণ সম্পর্কে আপনাদের কিছুটা জানানোর চেষ্টা করবো।
 
  • কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।
  • RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
  • হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।
  • ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।
  • বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।
  • বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
  • বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।
  • প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।
যদি লেখাটি ভাল লেগে থাকে তাহলে দয়া করে পোষ্টটি প্রমোট করেন। শেয়ার করুন আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে। ধন্যবাদ সবাইকে।

Tuesday, August 14, 2018

Computer CORE I3, 4GB RAM 500GB HARD DISK FULL PC 22"LED TV

Computer CORE I3, 4GB RAM 500GB HARD DISK FULL PC 22"LED TV



Price৳ 23,999



FOR PHONE ORDER 24/7
01839244246

!!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি পর টাকা পরিশোধ করবেন। ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা যেকোন প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন, রাতে অথবা দিনে কল করুন আমাদের Customer Care Number এ 01839244246


Product Code: ML201276471
Intel Core i3 6MB 3.00GHz Processor (1 Year Guaranty)
Samsung DDR-3, 4GB Ram (1 Year Guaranty)
Samsung 500GB Hard Disk (1 Year Guaranty)
Intel DDR-3 H55 Motherboard (1 Year Guaranty)
Intel DDR-3 H55 Motherboard (1 Year Guaranty)
Stander & Gaming Style PC Casing
Samsung DVD Drive
Power Cable
Keyboard + Mouse
LED TV (22”INCH)




1 বছরেরall parts +panel রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ 5 বছরের Servicing ওয়্যারেন্টি (LED TV)

ফুল HD পিকচার
কম্পিউটারে মনিটর হিসেবা চালাতে পারবেন।
পেন্ড্রাইব/মোবাইল দ্বারা ভিডিও দেখতে পারবেন।
DVD/CD থেকে আউটপুট মনিটর করতে পারবেন।
HDMI দ্বারা সকল Feature ব্যবহার করতে পারবেন।
TV মনিটরের সাথে ২টি স্পিকার Built-in করা আছে।
সাথে পাচ্ছেন টেবিল স্টান এবং রিমট।
সাইজঃ 22 ইঞ্চি
পোর্টঃ USB/পেনড্রাইভ,VGA,HDMI,Audio/DVD আউটপুট কম্পিউটারের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে
টিভির পেছনে ঘরের দেয়ালে লাগানোর জন্য আলাদা পয়েন্ট আছে
Computer DUAL CORE 2GB RAM 1,000GB HARD DISK FULL PC 19"

Computer DUAL CORE 2GB RAM 1,000GB HARD DISK FULL PC 19"



Price৳ 17,999



FOR PHONE ORDER 24/7
01839244246

!!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি পর টাকা পরিশোধ করবেন। ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা যেকোন প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন, রাতে অথবা দিনে কল করুন আমাদের Customer Care Number এ 01839244246


Product Code: ML201295457
Dual Core 2.4GHz Processor (1 Year Guaranty)
Samsung 2GB Ram (1 Year Guaranty)
Samsung 1000GB Hard Disk (1 Year Guaranty)
ATX 550w A.Tech Power Supply
Intel DDR-2 Gaming Motherboard (1 Year Guaranty)
Stander & Gaming Style PC Casing
Samsung DVD Drive
Power Cable
Keyboard + Mouse
 LED TV (19”INCH)



1 বছরেরall parts +panel রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ 5 বছরের Servicing ওয়্যারেন্টি ( LED TV)

ফুল HD পিকচার
কম্পিউটারে মনিটর হিসেবা চালাতে পারবেন।
পেন্ড্রাইব/মোবাইল দ্বারা ভিডিও দেখতে পারবেন।
DVD/CD থেকে আউটপুট মনিটর করতে পারবেন।
HDMI দ্বারা সকল Feature ব্যবহার করতে পারবেন।
TV মনিটরের সাথে ২টি স্পিকার Built-in করা আছে।
সাথে পাচ্ছেন টেবিল স্টান এবং রিমট।
সাইজঃ 19 ইঞ্চি
পোর্টঃ USB/পেনড্রাইভ,VGA,HDMI,Audio/DVD আউটপুট কম্পিউটারের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে
টিভির পেছনে ঘরের দেয়ালে লাগানোর জন্য আলাদা পয়েন্ট আছে
Computer DUAL CORE 2GB RAM 320GB HARD DISK FULL PC 19"

Computer DUAL CORE 2GB RAM 320GB HARD DISK FULL PC 19"



Price
৳ 15,999


FOR PHONE ORDER 24/7
01839244246

!!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি পর টাকা পরিশোধ করবেন। ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা যেকোন প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন, রাতে অথবা দিনে কল করুন আমাদের Customer Care Number এ 01839244246


Product Code: ML201764965
Dual Core 2.4GHz Processor (1 Year Guaranty)
Samsung 2GB Ram (1 Year Guaranty)
Samsung 320GB Hard Disk (1 Year Guaranty)
ATX 550w A.Tech Power Supply
Intel DDR-2 Gaming Motherboard (1 Year Guaranty)
Stander & Gaming Style PC Casing
Samsung DVD Drive
Power Cable
Keyboard + Mouse
 LED TV (19”INCH)


1 বছরেরall parts +panel রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ 5 বছরের Servicing ওয়্যারেন্টি (LED TV)

ফুল HD পিকচার
কম্পিউটারে মনিটর হিসেবা চালাতে পারবেন।
পেন্ড্রাইব/মোবাইল দ্বারা ভিডিও দেখতে পারবেন।
DVD/CD থেকে আউটপুট মনিটর করতে পারবেন।
HDMI দ্বারা সকল Feature ব্যবহার করতে পারবেন।
TV মনিটরের সাথে ২টি স্পিকার Built-in করা আছে।
সাথে পাচ্ছেন টেবিল স্টান এবং রিমট।
সাইজঃ 19 ইঞ্চি
পোর্টঃ USB/পেনড্রাইভ,VGA,HDMI,Audio/DVD আউটপুট কম্পিউটারের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে
টিভির পেছনে ঘরের দেয়ালে লাগানোর জন্য আলাদা পয়েন্ট আছে
Computer DUAL CORE 2GB RAM 80GB HARD DISK FULL SET PC 19"

Computer DUAL CORE 2GB RAM 80GB HARD DISK FULL SET PC 19"



Price
৳ 13,999



FOR PHONE ORDER 24/7
01839244246

!!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি পর টাকা পরিশোধ করবেন। ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা যেকোন প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন, রাতে অথবা দিনে কল করুন আমাদের Customer Care Number এ 01839244246


Product Code: ML201485338

Dual Core 2.4GHz Processor (1 Year Guaranty)

Samsung 2GB Ram (1 Year Guaranty)

Samsung 80GB Hard Disk (1 Year Guaranty)

ATX 550w A.Tech Power Supply

Intel DDR-2 Gaming Motherboard (1 Year Guaranty)

Stander & Gaming Style PC Casing

Samsung DVD Drive

Power Cable

Keyboard + Mouse

LED TV (19”INCH)



1 বছরের all parts +panel রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ 5 বছরের Servicing ওয়্যারেন্টি ( LED TV)

ফুল HD পিকচার
কম্পিউটারে মনিটর হিসেবা চালাতে পারবেন।
পেন্ড্রাইব/মোবাইল দ্বারা ভিডিও দেখতে পারবেন।
DVD/CD থেকে আউটপুট মনিটর করতে পারবেন।
HDMI দ্বারা সকল Feature ব্যবহার করতে পারবেন।
TV মনিটরের সাথে ২টি স্পিকার Built-in করা আছে।
সাথে পাচ্ছেন টেবিল স্টান এবং রিমট।
সাইজঃ 19 ইঞ্চি
পোর্টঃ USB/পেনড্রাইভ,VGA,HDMI,Audio/DVD আউটপুট কম্পিউটারের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে
টিভির পেছনে ঘরের দেয়ালে লাগানোর জন্য আলাদা পয়েন্ট আছে

Monday, July 30, 2018

ল্যাপটপ কেনার সময় যে ১০টি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে

ল্যাপটপ কেনার সময় যে ১০টি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে



কেউ যখন কাউকে প্রশ্ন করে যে কোন ল্যাপটপটি সবচেয়ে ভালো, তখন প্রায়শই এই কথা শোনা যায় যে এই প্রশ্নের কোন পরিষ্কার উত্তর নেই। বাজারে এখন বিভিন্ন ধরণের ল্যাপটপ আছে যেগুলো একটি আরেকটি থেকে দামে এবং কনফিগারেশনে সম্পুর্ণ আলাদা। এই পোস্টে আমরা মূলত উইন্ডোজ ল্যাপটপ কেনার ব্যাপারে আলোচনা করব। অ্যাপল ম্যাকবুক কেনা নিয়ে অন্যদিন পোস্ট দেয়ার আশা রাখছি। উইন্ডোজ ল্যাপটপ কেনার সময় যে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা দরকার সেগুলো হলঃ



১। আকারঃ ল্যাপটপ কেনার সময় মুখ্য বিষয় হয় যদি বহন করা, তাহলে নোটবুক কেনাই যথাযথ । নোটবুক কেনার সময় নোটবুকের ওজন দেখে নেওয়া দরকার। যেকোন ল্যাপটপ যেগুলো আল্ট্রাবুক হিসেবে চিহ্নিত থাকে সেগুলো কেনাই সবচেয়ে ভালো কারণ এটা যেমন হালকা তেমন সরু। সাধারণত যেসকল ল্যাপটপের স্ক্রিন সাইজ ১২.৫-১৩.৩ এর মধ্যে থাকে সেগুলোর ওজন ১ থেকে ১.৫ কেজির মধ্যে থাকে। তবে মাঝামাঝি দামে (৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকায়) আল্ট্রাবুক পাবেন না। ১৫.৬ ইঞ্চি স্ক্রিনের ল্যাপটপ হতে পারে আদর্শ সাইজের নোটবুক

২। স্ক্রিনের মানঃ যেহেতু ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে আপনাকে সবসময় তাকিয়ে থাকতে হবে, তাই এমন স্ক্রিনের ল্যাপটপ কেনা উচিত যাতে স্ক্রিনটি আপনার সাথে খাপ খাইয়ে যায়। স্ক্রিনের আরো একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এর রেজুলেশন কত তা দেখে ল্যাপটপ কেনা। এক্ষেত্রে ১৯২০x১০৮০ পিক্সেল এর স্ক্রিন সকল কাজের জন্য আদর্শ বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এবং কেনার সময় অবশ্যই একবার ল্যাপটপটি চালিয়ে দেখে নেওয়া উচিত। স্ক্রিন যদি আলো প্রতিফলন না করে তবে সেটা যেকোনো স্থানে চালানোর জন্য ভাল হবে।

৩। কিবোর্ডঃ ক্রেতা যে ধরণের কি বোর্ডের সাথে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাকে অবশ্যই সে কি বোর্ড সম্বলিত ল্যাপটপটি কিনতে হবে। কেনার সময় অবশ্যই দেখে নেওয়া উচিত যে কিবোর্ডটিতে ব্যাকলিট আছে কিনা। ব্যাকলিট থাকলে অন্ধকারেও ল্যাপটপের বোতাম গুলো দেখা যায়। মাঝারি দামের ল্যাপটপের কিবোর্ডেও আজকাল লাইট থাকে।

৪। সিপিইউ এবং গ্রাফিক্সঃ বাজারে এখন ইন্টেলের কোর আই সিরিজের সিপিইউ/প্রসেসরগুলো বেশি চলছে কারণ এগুলো একই সময়ে বিভিন্ন কাজ একই সাথে করতে পারে। সাধারণ হিসেবে কোর আই ৭ সিপিউ সম্বলিত ল্যাপটপগুলো কেনা ভালো কারণ এটি সচরাচর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ ভাল সেবা প্রদান করে থাকে। বাজেট মাঝামাঝি হলে কোর আই ৫ বা কোর আই ৩ প্রসেসরের ল্যাপটপও নিতে পারেন।



আর গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে, আপনি যদি সচরাচর ভিডিও এডিটিং না করেন, থ্রিডি গ্রাফিক্সের কাজ না করেন, ও ভারী গেম না খেলেন তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত ল্যাপটপ আপনার না হলেও চলবে। আর আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ করেন ও হাই-এন্ড গেমস খেলেন, তাহলে গ্রাফিক্স চিপ দরকার হবে। এক্ষেত্রে মোটামুটি বাজেটের মধ্যে হলে এনভিডিয়া জিটিএক্স ১০৫০ থেকে শুরু করে ১০৮০ (উচ্চমূল্যের) বা আরও আধুনিক কোনো গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত ল্যাপটপ নিতে পারেন। এজন্য আসুসের গেমিং ল্যাপটপ আরওজি স্ট্রিক্স স্কার এডিশন দেখতে পারেন। আপনার বাজেট যদি বেশি থাকে, তাহলে আসুস আরওজি জেফ্রাস হতে পারে আপনার সেরা পছন্দের গেমিং বা হাই-কনফিগ ল্যাপটপ।

৫। র‌্যামঃ আপনাকে অবশ্যই ৪ জিবি অথবা তার থেকে বেশি র‌্যামের ল্যাপটপ কিনতে হবে যদি আপনি আপনার ল্যাপটপ স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মসৃণ গতিতে চালাতে চান।

৬। হার্ডড্রাইভঃ ল্যাপটপের হার্ডড্রাইভ বেশি দেখে কেনা উচিত যাতে করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণের জন্য জায়গার অভাবে ভুগতে না হয়। ৭৫০ জিবি হার্ডডিস্ক স্পেস খারাপ না, কী বলেন? প্রচলিত হার্ডডিস্ক সময়ের সাথে স্লো হয়ে যায়। আপনি যদি বাজেট একটু বৃদ্ধি করতে পারেন, তাহলে হার্ডডিস্ক বদলে এসএসডি স্টোরেজ নিতে পারেন। ২৫০জিবি এসএসডি স্টোরেজের দাম প্রায় ৮ হাজার টাকা, যেখানে ৫০০জিবি হার্ডডিস্ক পড়বে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মত।

৭। ব্যাটারিঃ ল্যাপটপের ব্যাটারির গায়ে যে রেটিং দেওয়া থাকে সেটি দেখে ল্যাপটপের ব্যাটারি কেনা উচিত। যে সকল ব্যাটারীর গায়ে 44Wh বা 50Wh লেখা থাকে সেগুলো বেশি সময় ধরে চার্জ় সংরক্ষণ করতে পারে। বর্তমানে ব্যাটারি প্রযুক্তির উন্নয়ন হয়েছে। ল্যাপটপের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট দেখে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ টাইম সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেবেন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী এটা বিভিন্ন হতে পারে। তবে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ব্যাকআপ হলে ভাল হয়।



৮। ওয়্যারলেস কানেকশন এবং ব্লুটুথঃ ওয়াই ফাই অ্যাডাপ্টরের ক্ষমতা দেখে ল্যাপটপ কিনতে হবে যাতে নির্বিঘ্নে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক চালনো যায়। ডুয়াল ব্যান্ডের যেসকল অ্যাডাপ্টর পাওয়া যায় সেগুলো ভাল মানের হয়ে থাকে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে এখন বাজারে ব্লুটুথ ৪.o নির্ভরযোগ্য।

৯। ফুল সাইজের এসডি কার্ডের পোর্টঃ ল্যাপটপে অনেক সময় এসডি কার্ড লাগানোর দরকার পড়ে । এজন্য ল্যাপটপের সাথে এসডি কার্ডের স্লট আছে কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত।

১০। ইউএসবি ৩.০: ইউ এসবি ৩ পোর্ট এর মাধ্যমে ইউএসবি ২ এর তুলনায় দ্রুত গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করা যায়। এজন্য ল্যাপটপের পোর্টগুলো ইউ এসবি ৩ কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত। অবশ্য বর্তমানে অধিকাংশ ল্যাপটপেই ইউএসবি ২ এবং ইউএসবি ৩ পোর্ট থাকে।

এই সকল বিষয় যদি বাজেটের সাথে মেলে তাহলে সবচেয়ে সুবিধাজনক ল্যাপটপটি কেনা উচিত। তবে সবসময় বাজেট নাও মিলতে পারে। এজন্য যেকোন একটি বিষয়ে ক্রেতাকে ছাড় দিতে হতে পারে।

Saturday, July 28, 2018

ফাংশন কি’র কাজ Computer

ফাংশন কি’র কাজ Computer

আমরা অনেকেই জানি ফাংশন কি” কাকে বলে, কিবোর্ডে এফ-১ থেকে এফ-১২ পর্যন্ত ১২টি চাবি বা কি দেখা যায়। এগুলোকে বলা হয় ফাংশন কি।
চলুন আজ জানা যাক এগুলোর কাজ সম্পর্কে…।।

০১। ফাংশন কি-১ (এফ-১)

কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে এই কি এর দকার হয়। যেকোনো প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ফাংশন কি-১ চাপলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘হেল্প’ বা সাহায্য অপশনটি খুলে যাবে।

০২। ফাংশন কি-২ (এফ-২)

কোনো ফাইল বা ফোল্ডারকে ‘রিনেম’ করতে, অর্থাৎ পুনরায় নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে ফাংশন কি-২ এর ব্যবহার হয়।

০৩। ফাংশন কি-৩ (এফ-৩)

চালু থাকা অ্যাপ্লিকেশনের সার্চ ফিচার  খুঁজে দেওয়ার কাজ হলো ফাংশন কি-৩।

 ০৪। ফাংশন কি-৪ (এফ-৪)

কিবোর্ডের অল্টার কির সঙ্গে ফাংশন কি-৪ চাপলেই চালু থাকা উইন্ডোটি বন্ধ হয়ে যাবে।

০৫। ফাংশন কি-৫ (এফ-৫)

ডেস্কটপ বা ল্যাপটপকে রিফ্রেশ বা রিলোড করতে ফাংশন কি-৫ই যথেষ্ট।

০৬। ফাংশন কি-৬ (এফ-৬)

মাউসের কার্সরকে সরাসরি অ্যাড্রেস বারে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে ফাংশন কি-৬ ।

০৭। ফাংশন কি-৭ (এফ-৭)

কম্পিউটারে লিখতে গিয়ে বানান ভুল? ব্যাকরণগত সমস্যা?এই সমস্যা দূর করবে ফাংশন কি-৭।

০৮। ফাংশন কি-৮ (এফ-৮)

কম্পিউটার চালু করার সময় বুট মেন্যুতে ঢোকার মাধ্যম হলো ফাংশন কি-৮ ।

০৯। ফাংশন কি-৯ (এফ-৯)

ফাংশন কি-৯-এর কাজ ২ টি। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টেকে রিফ্রেশ করার জন্য এবং মাইক্রোসফট আউটলুকে ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্যও ফাংশন কি-৯-এর ব্যবহার করা যায়।

১০। ফাংশন কি-১০ (এফ-১০)

কম্পিউটারে মেন্যুবার খোলার অন্যতম সহজ উপায় হচ্ছে ফাংশন কি-১০। শুধু ফাংশন কি-১০ চাপলেই মেন্যুবার খোলা যাবে না। কিবোর্ডের শিফট বাটন চেপে ফাংশন কি-১০ চাপতে হবে।

১১। ফাংশন কি-১১ (এফ-১১)

কম্পিউটারকে ফুলস্ক্রিন বা পূর্ণ পর্দায় রূপান্তরিত করার সহজ উপায় ফাংশন কি-১১।

১২। ফাংশন কি-১২ (এফ-১২)

অভ্র সফটওয়্যার দ্রুত চালু করতেই ফাংশন কি-১২ ব্যবহার করা হয় না। কম্পিউটারে ‘সেভ অ্যাজ’ ডায়লগ বক্স চালু করে ফাংশন কি-১২।

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)

How To slow computer High Spreed Bangla ( Ma Studio Sandwip)


**কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

**Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
**কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।

** কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।

Thursday, July 26, 2018

দ্রুত টাইপ শিখুন টাইপিং মাস্টার সফটওয়্যার দিয়ে

দ্রুত টাইপ শিখুন টাইপিং মাস্টার সফটওয়্যার দিয়ে

আপনি কি এখনো কীবোর্ড দেখে টাইপ করেন? ধীর গতির কাজের জন্য সব সময় পিছনে পড়ে থাকেন? টাইপ স্পীড স্লো তাই অফিসিয়াল কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে? দ্রুত টাইপ  করা কিংবা কিবোর্ড টাইপিং দ্রুত করার জন্য কিছু অভিনব কৌশল রয়েছে, যেটি আয়ত্ব করলে সহজেই আপনি আপনার টাইপিং গতি বাড়াতে সক্ষম হবেন । তবে দ্রুতটাইপ করতে হলে আপনাকে নিয়মিত টাইপ করতে হবে, অর্থাৎ টাইপিং অনুশীলনের বিকল্প নেই।
দেখে দেখে আপনি যদি এখনো টাইপ করেন তাহলে নিশ্চিত থাকেন আপনার টাইপ স্পীড বেশি হলে ২৫ wpm অর্থাৎ মিনিটে ২৫ টি শব্দ লিখতে পারেন। অথচ আপনি যদি না দেখে টাইপ করা শিখতে পারেন তাহলে অনায়াসেই ৫০ wpm গতিতে টাইপ করতে পারবেন অর্থাত দি্বগুন। ধীরে ধীরে এই গতি আরো বাড়বে। তাহলে শুরু করুন টাইপ বাড়ানোর অনুশীলন।
প্রথমে আগে আপনার টাইপ স্পীড মেপে নিন। অনলাইনে টাইপ স্পীড মাপার জন্য এক মিনিটের এই পরীক্ষা দিতে পারেন।
আপনি খুব সহজেই টাইপিং মাস্টার প্রো (TypingMaster pro) সফটওয়্যার দিয়ে এই কাজটি চালিয়ে যেতে পারেন। কিভাবে বাড়াবে স্পীড? এক নজরে দেখা যাক।
১২টি লেসন থেকে আপনি খুব সহজেই A-Z শিখতে পারবেন। এই সফটওয়্যারটির প্রিমিয়াম সংস্করণের পাশাপাশি বিনামুল্যের সংস্করণ রয়েছে ।

ডাউনলোড

লেখাটি আপনাদের ভাল লেগেছে? 

Saturday, July 21, 2018

 Boss USB Paiche software) ডাউনলোড ! বস ইউএসবি পাইছে" সফটওয়্যার ডাউনলোড ! Tech Mitun

Boss USB Paiche software) ডাউনলোড ! বস ইউএসবি পাইছে" সফটওয়্যার ডাউনলোড ! Tech Mitun

মানুষ সবসময়ই ভিন্নধর্মী কিছু পছন্দ করে । তাই অনেকেই চান, বিভিন্ন কাজ করার নিজের কম্পিউটার বাংলায় কথা বলে উঠুক ! হ্যাঁ, এটাও সম্ভব । আপনি ইচ্ছে করলে আপনার নিজের কথাও শুনতে পারেন ! সে জন্য অবশ্য কিছু প্রসেস আছে । যাইহোক, সেটি নিয়ে আর আলোচনা না করি, ওটা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে হয়ত আসল জিনিসই উপস্থাপন করার সময় পাওয়া যাবে না !


"বস ইউএসবি পাইছে" এই ব্যাপারটা মূলত বাংলায় রেকর্ড করা কিছু Audio ক্লিপ দিয়ে সিস্টেম সাউন্ড চেঞ্জ করার কৌশল । তবে Windows VISTA, 7, 8, 8.1 এ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তাজনিত কারণে আপনি নরমালি এটি করতে পারবেন না, কারণ এটি করতে গেলে আপনাকে Trustedinstaller এর পারমিশন লাগবে । তবে আমার তৈরি করা Bangla System Sound v1.1 ব্যবহার করে আপনি শুধুমাত্র কয়েকটা ক্লিক করেই মুহূর্তের মাঝেই কাজটি সেরে ফেলতে পারবেন, আপনাকে Trustedinstaller এর পারমিশন নিয়ে ভাবতে হবে না ! এটা ইন্সটল করার জন্য প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । এরপরে RAR ফাইলটি WinRAR (এই লিঙ্কে ফুল ভার্শন WinRAR পাবেন) বা অন্য যে কোন Archive Manager সফটওয়্যার দিয়ে Extract  করে নিন । এরপরে Bangla System Sound v1.1 Installer.exe ফাইলটি রান করুন এবং পাসওয়ার্ড দিন । তাহলেই ইন্সটল হয়ে যাবে ! এখন কম্পিউটারে কোন USB Drive সংযুক্ত করলেই শুনতে পাবেন, "বস, ইউএসবি পাইছে, ভাইরাস চেক করেন" । আবার রিসাইকেল বিন খালি করলে শুনতে পারবেন "বস, আমাকে ডিলেক্ট করলেন ?" (আসল উচ্চারণ হবে "ডিলিট", ডিলেক্ট নয়) । আবার কম্পিউটার চালু বা বন্ধ করার সময়ও বাংলায় কথা শুনতে পাবেন । তা ছাড়া আরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাংলায় কথা শুনতে পাবেন ।

তবে ঐ কথাগুলো শুনতে আমার একদমই ভালো লাগে না, বিশেষ করে "বস" বলে সম্বোধন ! কিন্তু অনেকে উইন্ডোজ ৭, ৮, ৮.১ ব্যবহারকারীরদের অনুরোধের কারনেই মূলত এটি তৈরি করা । হয়ত এটি উইন্ডোজ ১০ এও কাজ করবে । তবে পরবর্তীতে সময় পেলে সকল সিস্টেম সাউন্ড ফিমেল ভয়েসে চেঞ্জ করার জন্য Bangla System Sound (বাংলা সিস্টেম সাউন্ড) এর আরেকটা ভার্শন (ফিমেল ভার্শন) বের করার ইচ্ছে আছে । তবে ফিমেল ভার্শন অবশ্যই মার্জিত ভাষায় হবে এবং স্টার্টআপ ও শাটডাউন সাউন্ড হিসেবে থাকবে খুব সুন্দর একটা শর্ট মিউজিক 

Download

Thursday, June 14, 2018

Windows 7 এর ফুল ব্যাকআপ

Windows 7 এর ফুল ব্যাকআপ

উইন্ডোজ ৭, বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। আজ উইন্ডোজ সেভেনের একটি ফিচার নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করাতে চলে এলাম। আর তা হলো উইন্ডোজ ইমেজ ব্যাকআপ ও রিস্টোর!


সাধারণত কম্পিউটারে উইন্ডোজ নিয়ে কোনো সমস্যা হলে তার সমাধান হিসেবে যেকেউই প্রথমেই যেটা বলবে সেটা হলো ভাই পিসিতে উইন্ডোজ মারুন। অর্থ্যাৎ পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ সেটআপ দিন। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন সমস্যার কারণে পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়া হয়ে উঠে না। আবার নতুন করে উইন্ডোজ দেবার পর পিসিতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলস এবং সফটওয়্যারগুলো মুছে যায়, যার কারণে পিসিকে আগের মত করে সাজিয়ে নেওয়া সময়সাধ্য ব্যাপার।
কিন্তু আজ আপনাদেরকে উইন্ডোজ ৭ এর একটি ফিচার দেখাবো যার মাধ্যমে পুরো উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমের ইমেজ ফাইল তৈরি করে ফুল সিস্টেম ব্যাকআপ ও রিস্টোর করা যায়। এই পদ্ধতির প্রধান সুবিধা হলো, ব্যাকআপ করার সময় আপনার পিসির যে রকম অবস্থায় ছিলো, রিস্টোর করার পর ঠিক একই কন্ডিশনে তা ফিরে পাবেন।
সিস্টেম ইমেজ  কি?? সিস্টেম ইমেজ হলো আপনার সিস্টেম ড্রাইভের একটি অবিকল কপি যা একটি ফাইলে ব্যাকআপ রূপে সেভ হয়ে থাকে। পরবর্তীতে যদি উইন্ডোজ সংক্রান্ত সমস্যার দেখা দেয় তখন নতুন করে উইন্ডোজ দেবার পরিবর্তে আপনি এই সিস্টেম ইমেজ ফাইল রিস্টোর করে আগের মতো উইন্ডোজ ফিরে পেতে পারবেন। আপনি যদি সিস্টেম রিস্টোর অপশন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর হচ্ছে ঠিক একই প্রকার কাজ তবে এখানে পুরো সিস্টেম ড্রাইভকে রিস্টোর করা হয়।
আসুন দেখে নেই কিভাবে উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি করে ব্যাপআপ এবং রিস্টোর করবেন :

উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি :

এখন আমি আপনাদের দেখাবে কিভাবে উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেজ তৈরি করতে হয়। এই ধাপগুলো উইন্ডোজ ৮ এবং উইন্ডোজ ১০ প্রায় একই।
➡ প্রথমে আপনাকে ব্যাপআপ এন্ড রিস্টোর অপশনে যেতে হবে। এর জন্য নিজের যেকোনো একটি পদ্ধতি অনুসরণ করুন:
  • ১। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে সার্চ অপশনে backup লিখে সার্চ দিন। Backup and Restore অপশনটি দেখতে পাবেন।
  • ২। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে All Programs > Maintenance > Backup and Restore অপশনে চলে যান।
  • ৩। সরাসরি কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Backup and Restore অপশনে চলে যান।
➡ ব্যাকআপ এন্ড রিস্টোর টুল উইন্ডো থেকে বাম দিকের Create a system image অপশনে ক্লিক করুন।
এখন Create a system image উইন্ডো আসবে।
এখন এখানে সিস্টেম ইমেইজ কোথায় সেভ হবে তা নির্ধারণ করে দিন। হার্ডডিক্স, ডিভিডি ড্রাইভে কিংবা নেটওর্য়াক লোকেশন অপশন থেকে যেকোনো একটি অপশন বেছে নিন। পোর্টেবল হার্ডডিক্স বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ করতে চাইলে সেটাও আপনি On a hard disk ড্রপ ডাউন উইন্ডোতে গিয়ে পাবেন। তবে যে ড্রাইভগুলোর ব্যাপআপ নিবেন কখনো সে ড্রাইভগুলোতে সিস্টেম ইমেইজ সেভ করতে পারবেন না। নিচের মতো সর্তক বার্তা আসবে।
এটা এড়াতে আপনি পেনড্রাইভ বা পোর্টেবল হার্ডডিক্স বা আলদা হার্ডডিক্স পার্টিশন ব্যবহার করুন।
➡ এরপর আপনি সিস্টেম ইমেইজ ব্যাকআপে আপনার পিসির কি কি ড্রাইভ অন্তর্ভুক্ত করতে চান না নির্বাচন করে দিন।
লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, উপরের দুটি ড্রাইভ অটো সিলেক্ট হয়ে রয়েছে, এগুলো সিস্টেম ড্রাইভ যা ব্যাকআপ প্রক্রিয়াতে লাগবে তাই আপনি চাইলেও এইদুটি ড্রাইভ ডিসিলেক্ট করতে পারবেন না।
➡ ফাইনাল কনফার্মেশন উইন্ডোতে Backup and Restore টুল আপনাকে বলে দিবে যে কতটুকু জায়গা লাগবে ব্যাকআপ করার জন্য।
এখান থেকে Start backup বাটনে ক্লিক করলে ব্যাকআপ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ব্যাকআপ করতে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টাও লাগতে পারে, এটা আপনার পিসির স্পিড এবং ব্যাকআপ করা ডাটার পরিমানের উপর নির্ভর করবে।

ব্যাকআপ প্রক্রিয়া হয়ে গেলে আপনাকে আরেকটি অপশন দেওয়া হবে সেটা হলো সিস্টেম রিপেয়ার ডিক্স তৈরি করবেন কিনা, আপনার কাছে যদি অরিজিনাল উইন্ডোজ ৭ ডিক্স না থাকে তাহলে এই অপশনে যাবার দরকার নেই।

উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করা:

আপনার পিসিতে যদি কোনো উইন্ডোজ ভিত্তিক সমস্যা দেখা দেয় বা উইন্ডোজ যদি বুট না নেয় তাহলে সচারচর নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। নতুন করে উইন্ডোজ না দিয়ে আমরা উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করে এই সমস্যার চমৎকার সমাধান করতে পারি।
উইন্ডোজ সিস্টেম ইমেইজ রিস্টোর করার কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে, যা নিচে দেওয়া হলো:

➡ ১ম পদ্ধতি:

কন্ট্রোল প্যানেল এ যেতে হবে। এখান থেকে Recovery অপশনে ক্লিক করে Advanced Recovery methods অপশনে ক্লিক করতে হবে।
এবার এখানে “Use a system image you created earlier to recover your compute“  অপশনে ক্লিক করতে হবে। সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর আপনার সিস্টেমের সকল ফাইলস ডিলেট করে দিবে তাই আপনাকে আবারো ফাইল ব্যাকআপের অপশন দেওয়া হবে। সিস্টেম ইমেজ তৈরির সময় কোনো ফাইন মিসিং করে গেলে বা সিস্টেম ইমেজ তৈরির পর কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ব্যাকআপের অন্তভূর্ক্ত করে নেবার জন্য এই অপশন দেওয়া হবে। যদি আপনার এরকম ফাইলস ব্যাকআপ করার প্রয়োজন থাকে তাহলে Backup Now অপশনে ক্লিক করুন অথবা Skip বাটনে ক্লিক করে এটি এড়িয়ে যান। রিস্টোর প্রক্রিয়া হয়ে গেলে পিসি  রিস্টার্ট নেবে।

➡ ২য় পদ্ধতি:

যদি আপনার উইন্ডোজ স্টার্ট না নেয় তাহলে এই পদ্ধতি আপনার জন্য উপযুক্ত। পিসি চালু করে F8 বাটনে প্রেস করতে থাকুন, এডভান্সড বুট অপশন আসবে। এখান থেকে Repair Your Computer সিলেক্ট করুন।
রিকোভারি মোড লোড হতে কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। বায়োসে যদি কোনো ইউজার নেম ও পাসওর্য়াড দিয়ে থাকেন তাহলে এখানে সেগুলো দিতে হবে। এবার সিস্টেম রিকোভারি অপশন উইন্ডো চলে আসবে
এখান থেকে সিস্টেম ইমেজ রিকোভারি অপশনে ক্লিক করে রিস্টোর করে নিন।

➡ ৩য় পদ্ধতি:

হার্ডডিক্সের বুট সেক্টর বা মাস্টার বুট রেকর্ড যদি নস্ট হয়ে যায় তাহলে আপনি F8 Advance Boot Options Menu তে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে আপনি ব্যাপআপ রিস্টোরের জন্য ৩য় পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। এই পদ্ধতির জন্য আপনার উইন্ডোজ ৭ সিস্টেম রিপেয়ার ডিক্স বা উইন্ডোজ ৭ এর সেটআপ ডিক্স দরকার হবে।
ডিক্স ড্রাইভে ঢুকিয়ে ডিক্স বুট দিন। বুট হয়ে গেলে Windows Install উইন্ডো থেকে নিচের বামদিকের Repair your computer অপশনে ক্লিক করুন।
কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর সিস্টেম রিকোভারি অপশন আসবে, এখান থেকে “Restore your computer using a system image that you created earlier” তে ক্লিক করুন।
উপরের যেকোনো পদ্ধতিই অনুসরণ করুন না কেন আপনাকে এই সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ স্ক্রিণে আসতে হবে। আপনি যদি ইমেজ ব্যাকআপ ফাইলটি হার্ডডিক্সে রেখে থাকেন তাহলে তা অটোমেটিক সিলেক্ট হয়ে যাবে, আর তারপর Next বাটনে ক্লিক করে রিস্টোর প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। তবে যদি পেনড্রাইভ, ডিভিডি ব্যাকআপ বা নেটওর্য়াট লোকেশন থেকে রিস্টোর করাতে চান তাহলে Select a system image অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর করতে পারবেন।
আপনি যদি সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপের পর পিসির পার্টিশন স্ট্রাকচার পরিবর্তন করে থাকেন তাহলে ১ম ও ২য় পদ্ধতিতে সিস্টেম ইমেজ রিস্টোর করতে পারবেন না। আপনাকে তাহলে ৩য় পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এখানে আপনি ব্যাকআপকৃত ইমেজের সাথে আপনার পিসির বর্তমান পার্টিশন মিলানোর জন্য রিফরমেট করে নিতে হবে। এই অপশনটি যারা পিসি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন তাদের জন্য উপযুক্ত!
কিছু কনফারমেশন স্ক্রিণের পর রিস্টোর প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং রিস্টোর প্রক্রিয়া শেষ হলে পিসি অটো রিস্টার্ট নেবে আর তারপর আপনার পিসির উইন্ডোজ আগের মতো ফিরে পাবেন।

সিস্টেম ইমেইজ ব্যাকআপ এবং রিস্টোরের কিছু কথা:

ব্যাকআপ করা ড্রাইভ বা ভলিউমগুলোর পার্টিশন স্ট্রাকচার পরিবর্তন করা উচিৎ নয়। এতে রিস্টোর প্রক্রিয়া ফেইল হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনারে পুনরায় পার্টিশন ফরম্যাট দিতে হতে পারে।
  • সিস্টেম ইমেইজ আপনার সিস্টেমের সকল ফাইলস ব্যাকআপ করে নেবে রিস্টোরের জন্য, এখানে আপনি ফাইলস বা ফোল্ডার বেছে নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র ড্রাইভ বেছে নিতে পারবেন।
  • নেটওর্য়াকে ব্যাকআপ ফিচারটি উইন্ডোজ ৭ হোম প্রিমিয়াম / হোম বেসিক সংস্করণে নেই।
  • শুধুমাত্র NTFS ফরমেটের পার্টিশনগুলোর ব্যাকআপ নেওয়া যাবে, আপনি যদি পেনড্রাইভে বা পোর্টেবল হার্ডডিক্সে ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে লক্ষ্য রাখবেন সেটার ফরমেট NTFS কিনা।
  • উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমেও এই অপশনটি আছে। যা আপনি কন্ট্রোল প্যানেল > উইন্ডোজ ৭ ফাইল রিকোভারি তে পাবেন।
  • আপনি যদি রিপেয়ার ডিস্কে ব্যাকআপ নিতে চান তাহলে লক্ষ্য রাখবেন ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট যাতে মিক্স না হয়ে যা। আপনার উইন্ডোজ যদি ৩২বিট হয় তাহলে ৩২ বিট উইন্ডোজ রিপেয়ার ডিক্স ব্যবহার করুন।
  • হার্ডডিক্সে যদি আগে থেকেই একটি সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ থেকে থাকে তাহলে একসাথে দুটি ইমেজ ব্যাকআপ থেকে নতুন ব্যাকআপ টি রেখে পুরাতন ব্যাকআপটি ডিলেট করে দিবেন। এতে রিস্টোরের সময় সুবিধা হবে।
আশা করবো সিস্টেম ইমেজ ব্যাকআপ ও রিস্টোর প্রক্রিয়ার মাধ্যমগুলো আপনাদের সামনে ভালো মতো ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি। নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়ার চেয়ে এই ইমেজ রিস্টোরের মাধ্যমে আপনার সিস্টেমের ফাইলস এবং সফটওয়্যার সেটিং থাকে অবিকৃত।

Wednesday, June 13, 2018

How To Hotspot add Othres Mobile Or Pc (ওয়াইফাই হটস্পট করে ফোনের ইন্টারনেট শেয়ার করুন)

How To Hotspot add Othres Mobile Or Pc (ওয়াইফাই হটস্পট করে ফোনের ইন্টারনেট শেয়ার করুন)

কিভাবে ফোনের ইন্টারনেট ল্যাপটপে বা ডেক্সটপে ব্যবহার করা যায়

আমরা অনেকেই স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করছি সাথে মোবাইল ইন্টারনেট ও। আজ দেখবো কিভাবে ফোনের ইন্টারনেট ল্যাপটপে বা ডেক্সটপে ব্যবহার করা যায়। মোটামুটি সব স্মার্ট ফোনেই এই শুবিধা আছে । আমরা আলোচনা করবো এন্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারনেট ল্যাপটপে কিভাবে শেয়ার করা যায় সে বিষয়টি নিয়ে ।  ফোনের ইন্টারনেট দুই ভাবে শেয়ার করা যায় ল্যাপটপ কিংবা ডেক্সটপ মেশিন গুলোতে । এক হল ওয়াইফাই হটস্পট (WiFi HotSpot ) দিয়ে আর একটি হচ্ছে USB Cable এর মাধ্যমে । আমরা প্রথমে আলোচনা করবো কিভারে ওয়াইফাই হটস্পট করে ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় ।

ওয়াইফাই হটস্পট করে ফোনের ইন্টারনেট শেয়ার করা

মোবাইল ফোনের নেট হটস্পট করে চালাতে গেলে আপনাকে আগে হটস্পট কনফিগার করে নিতে হবে প্রথম বারের মতো । সেটি করার জন্য আপনার এন্ড্রয়েড ফোনের সেটিংস এ গিয়ে  More এ টাচ করুন, Wireless & Networks এর অপশন গুলো ওপেন হয়ে গেলে সেখান থেকে Tethering & portable hotspot এ চাপুন ।  নিচের ছবিতে দেখানো হলো , কোন কোন ফোনের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন হতে পারে ।
এরপর দেখবেন Tethering & portable hotspot ওপেন হয়ে গেলে এবং সেখান থেকে Portable Wi-Fi hospot এ চাপুন এবং পরের ধাপে চাপুন Configure Wi-Fi hotspot এ । এবার সে অপশনটি আসবে সেখানে আমরা সেট করবো Wi-Fi hospot  এর নামে সেটাকে আসলে Network SSID বলা হয় । WiFi hotspot এর সটকার্ট আইকন এর উপর বেশ কিছুটা সময় চেপে ধরে থাকলেও সরাসরি Portable Wi-Fi hospot এর অপশন টি পেয়ে যাবেন ।
 
 Network SSID হিসেবে আপনি আপনার নাম ও ব্যবহার করতে পারেন কিংবা যেকোন ওয়ার্ড আর দিয়ে নিন ৮ ডিজিটের পাসওয়ার্ড ।  এর পর Save করে বের হয়ে আসুন । WiFi Hotspot configuration এর কাজ শেষ, এবার চলুন দেখে নেই কিভাবে কম্পিউটারে কানেক্ট করা যায় । কম্পিউটারে কানেক্ট করার আগে মোবাইলের হটস্পট টি চালু করে নিন। সেটি করবার জন্য মোবাইল এর Shortcuts থেকে WiFi Hotspot এ চাপুন কিংবা সেটিংস থেকে Portable WiFi Hotspot  থেকে চালু করে নিন । এবার আপনার ল্যাপটপ ওপেন করে Network Icon টি দেখবেন হলুদ রংএর একটি চিহ্ন, এটিতে  ক্লিক করুন ( ল্যাপটপ এ Wireless Network Driver ইন্সটল না থাকলে কাজ করেনা, সাধারনত দেয়াই থাকে, না থাকলে ইন্সটল করে নিন ) ।
দেখুন কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক কানেকশন এ মোবাইলের দেয়া Network SSID টি দেখাচ্ছে, এটিতে ক্লিক করে Network SSID এর সাথে দেয়া Password টি দিয়ে কানেক্ট করুন আপনার ল্যাপটপকে কানেক্ট করুন মোবাইলের ইন্টারনেটের সাথে ।

                              USB দিয়ে ফোনের ইন্টারনেট শেয়ার করা



Desktop PC গুলোতে সাধারনত WiFi Receiver থাকেনা, কিংবা আপনার ল্যাপটপে Wireless Network Driver ইন্সটল না থাকলে ফোনের ইন্টারনেট ল্যাপটপে ব্যবহার করা যায় ।  মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করবার জন্য আপনার ফোনটিকে ল্যাপটপ কিংবা ডেক্সটপ এর সাথে USB Cable দিয়ে কানেক্ট করে নিন । এরপর আগের দেখানো নিয়মেই Settings থেকে Tethering & portable hotspot  এ গিয়ে USB tethering এ চাপুন । দেখবেন আপনার ল্যাপটপ কিংবা ডেক্সটপ এ ইন্টারনেট চলে এসেছে ।


তবে আপনার ফোনে যদি ইন্টারনেট না থাকে তো USB tethering  কিংবা WiFi Hotspot কোনটাতেই আপনি ইন্টারনেট পাবেন না আপনার পিসি তে, কারন যে নেট শেয়ার করছে তারই আগে নেট দরকার 
তো এই ছিলো মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করার একটি টিউটোরিয়াল, ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন ।