Showing posts with label MIcrosoft Acces. Show all posts
Showing posts with label MIcrosoft Acces. Show all posts

Thursday, November 9, 2017

Microsoft Word Bangla full [Tech Mitun]

Microsoft Word Bangla full [Tech Mitun]

Microsoft Office 
১. এম. এস- ওয়ার্ড কি ?
আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফ্‌ট কর্পোরেশন কর্তৃক বাজারজাতকৃত Microsoft Word কে সংক্ষেপে MS-Word বলে। তা Windows এরঅধীনে একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজপ্রোগ্রাম MS.Word দিয়ে লেখালেখির যাবতীয়কাজ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের Drawing এরকাজ করা যায়

২. এম. এস. ওয়ার্ড চালু করন
Start Menu বার এ ক্লিক করুন  অথবা কম্পিউটার এর
   উইন্ডোজ কী তে চাপুন ।
Programs ক্লিক করুন।
Microsoft Word ক্লিক করুন।
৩. কিভাবে লেখা নির্বাচন করা যায় ?

১. মাউস ব্যবহার কর    :
যে Text টি র্নিবাচন করতে হবে Insertion Point টি সেই  Texএর প্রথমে/শেষে Insertion Point টি টেনে নির্বাচন করতে হবে।
২. কী বোর্ড ব্যবহার করে :
যেখান থেকে Text টি নির্বাচন করতে হবেInsertion
Point টি সেই Text এর প্রথমে/ শেষে রাখতে হবে।
Shift + Arrow Key (←,↑,→,↓)

  ৪. কিভাবে কোন অপ্রযোজনীয় লেখা মুছা যায় ?

যে Text বা যে তথ্য টি মুছতে চান তা মাউস বা কী বোর্ড দিয়ে (Select / Block / Drag The Desire Textনিবার্চন করুন।
তারপর কী বোর্ড এর Delete বাটন চাপুন ।

এ অধ্যায়ে Microsoft Word এর File Manu নিয়ে আলোচনা করবো :
১. কিভাবে এম.এস. ওয়ার্ড বন্ধ করবনে ?
*  File মেনু তে ক্লিক করুন।
*  Close এ ক্লিক করুন।
Click Yes/No ( Save করতে চান তাহলে Yesআর Save করতে না চাইলে No করুন)
* কি বোর্ড শর্টকার্ট :Ctrl+F4
২. ফাইল কিভাবে সংরক্ষন করতে হয় ?
* File মেনু তে ক্লিক করুন।
* Save এ ক্লিক করুন।
Save in Box এ  কোথায় Save করবেন দেখিয়ে দিন। তারপর
  File Name Box আপনি যে নামে Save ক্লিক করতে চান সে
 নামটি লিখুন। লিখা শেষ হলে Save বাটনে ক্লিক করুন।
* কি বোর্ড এ Ctrl+S চাপলেই হবে।
৩. সংরক্ষন করা ফাইল কিভাবে খুলতে হয় ?
* File মেনু তে ক্লিক করুন ।
* Open এ ক্লিক করুন ।
আপনি যে ফাইটি খুলতে চান সেই টি Select করুন ।
তার পর Open এ ক্লিক করুন ।      
৪.কিভাবে ফাইল পুনরায় সংরক্ষন করবেন ?

* File মেনু তে ক্লিক করুন ।
Save এ ক্লিক করুন ।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl + S
৫. কি ভাবে নতুন ডকুমন্টে খুলবেন ?
*  File মেনু তে ক্লিক করুন।
*  New এ ক্লিক করুন ।( ডান পাশে এক টি নিউ New
   Document নামে বক্স আসবে )
New Document বক্স থেকে Blank Document লিখাটিতেক্লিক করুন ।

৬. একেই ফাইল অন্য নামে Save করা জন্য?
* File মেনু তে ক্লিক করুন ।
Save as এ ক্লিক করুন ।
 Save in Box এ  কোথায় Save করবেন দেখিয়ে দিন। তার পর File Name Box আপনি যে নামে পূনরায় Save করতে চান সেই নামটি লিখুন। লিখা শেষ হলে Save বাটনে ক্লিক করুন।
৮. Save As Web PageHTML এর কাজ কি?
* File মেনু তে ক্লিক করুন।
*  Save As Web Page এ ক্লিক করুন ।
>> ডকুমেন্ট ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অন্যত্র পাঠানোর জন্য  HTML ফরম্যাটে সেভ করতে হয়।ফলে ডকুমেন্ট  একটি ওয়বে পেইজ এ পরিণত হয়।

৯. Web Page preview এর কাজ কি?
* File মেনু তে ক্লিক করুন।
*  Web Page preview  এ ক্লিক করুন ।
>> ডকুমেন্ট ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অন্যত্র পাবলিশ করলে কেমন দেখা তা সহজেই বুঝতে পারবনে।
১১. Page setup করবেন ?
*  File মেনু তে ক্লিক করুন।
*  Page Setup এ ক্লিক করুন । তারপর আপনার প্রয়োজন
 অনুযায়ী Page টি সেটআপ করে নিন।
১২. Send to এর কাজ ?
*  File মেনু তে ক্লিক করুন।
*  Send to এ ক্লিক করুন । এই ডকুমেন্টকে অণ্যান্য প্রোগ্রামে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে অন্যত্র পাঠানো ব্যবস্থা আছে।
১৩. কি ভাবে প্রিন্ট করার পূর্বে ডকুমন্টেটি দেখা যায় ?
File মেনু তে ক্লিক করুন ।
Print Preview এ ক্লিক করুন ।

>> ডকুমেন্ট তৈরী করে ছাপানোর পরে উহাকে কমেন দেখাবে তা প্রিন্ট করার পূর্বে দেখার জন্য ফাইল মেনুস্থ print previewঅপশানটি সিলেক্ট করতে হবে।
১৪. কি ভাবে প্রিন্ট করবেন ?
File মেনু তে ক্লিক করুন ।
Print এ ক্লিক করুন । প্রিন্ট মেনুবার আসবে।
All Page Select করে প্রিন্ট দিলে যত গুলো ডকুমেন্ট
  থাকবে সব গুলো প্রিন্ট হবে।
Current Page Select করে প্রিন্ট দিলে যে ডকুমেন্ট
    Select করবেন শুধু এই ডকুমেন্টটিই  প্রিন্ট হবে।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl +P

১৫. কি ভাবে প্রিন্ট করবেন ?
File মেনু তে ক্লিক করুন ।
Properties এ ক্লিক করুন ।
Properties থেকে আপনার ডকুমন্টের সকল বিবরন জানতেপারবেন।

১৬. Exit এর দিয়ে ডকুমেন্ট বন্ধ করা ?
* File মেনু তে ক্লিক করুন ।
Exit  ক্লিক করুন ।  
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl + F4
এ অধ্যায়ে Microsoft Word এর Edit  Manu নিয়ে আলোচনা করবো :
১. Undo Typing এর কাজ ?
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
Undo Typing এ ক্লিক করুন ।
wKfv‡e ‡Kvb †jLv c~e©ve¯’vq wdwi‡q Avbv hvq?
>>ভুল ক্রমে লেখা মুছে গেলে, নষ্ট হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে Undo Typing ব্যবহার করে লেখা ফিরিয়ে আনা যায়।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl + Z
২. Redo Typing এর কাজ ?
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
Redo এ ক্লিক করুন ।
>> সঙ্গে সঙ্গে আন্ডু করা লেখাটি বাদ দিতে চাইলে Redo এ ক্লিক করুন।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl + Z
৩. Copy  এর কাজ ?
* যে অংশ টুকু Copy  করতে চান সে অংশ টুকু
   Select করুন 
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
Copy এ ক্লিক করুন ।
* এবার Copy  করা অংশ টুকু যেখানে বসাতে চান
   সেখানে Insertion Point টি রাখুন।
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
* Paste এ ক্লিক করুন ।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl +V

৩. Cut  এর কাজ ?
* যে অংশ টুকু Cut  করতে চান সে অংশ টুকু
   Select করুন।
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
Cut এ ক্লিক করুন ।
* এবার Cut করা অংশ টুকু যেখানে বসাতে চান সেখানে
  Insertion Point টি রাখুন।
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
* Paste এ ক্লিক করুন ।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl +X
      ৪. কিভাবে সম্পূর্ন ডকুমেন্ট নির্বাচন করা যায় ?
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
Select All এ ক্লিক করুন । সম্পূর্ন ডকুমেন্ট নির্বাচন
  করা হয়ে যাবে।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl +A

৫. কিভাবে নিদির্ষ্ট লেখা খুজে বের করা যায় ?
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
Find এ ক্লিক করুন ।
>> What Box এ আপনি যে লেখাটি খুজছেন তা লিখে Enter চাপুন। লক্ষ্য রাখুন আপন যে শব্দটি খুজছেন সেই শব্দটি Block বা কালো হয়ে গেছে।
  ৬. কিভাবে নির্দিষ্ট পুষ্ঠায় যাওয়া যায়?
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
Go to এ ক্লিক করুন ।
Go To What  বক্স থেকে Page অপশনটিSelect করুন তারপর
Page Number Box এ Page নাম্বার Typeকরে Enter চাপুন।
* কি বোর্ড শর্টকার্ট : Ctrl +G

 ৭. Object এর কাজ ?
Edit মেনু তে ক্লিক করুন ।
* Object এ ক্লিক করুন ।
>> Ms Word ডকুমেন্ট কিংবা অন্য কোন প্রোগ্রামের Object কে সনাক্ত এবং উক্ত Objectকে  Edit, Open এবং Convert করার জন্য এই অপশনের সাহায্য নিতে হয়।  

       এ অধ্যায়ে Microsoft Word এর View  Manu নিয়ে আলোচনা করবো :
১.Normal এর কাজ ?
* View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Normal এ ক্লিক করুন ।
>> Normal অপশনে ক্লিক করলে আপনি ডকুমেন্ট টি কে আকার দেখতে পাবেন।
২.Web Layout এর কাজ ?
View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
* Web Layout এ ক্লিক করুন ।
>> Web Layout অপশনে ক্লিক করলে আপনি ডকুমেন্ট টি কে ওয়েব পেজ আকারে ভিউ করতে পারবেন।





৩. Print Layout এর কাজ ?
View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Print Layout এ ক্লিক করুন ।
>> আমরা সাধারনত যে কোন কাজPrint Layout অপশনে রেখে করে থাকি। কারন কোন পেজে ডকুমেন্ট এর কতটুকু প্রিন্ট হবে তা বুঝা যায়। 

৪. Outline এর কাজ ?
View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Outline এ ক্লিক করুন ।
>> Outline ভিউতে ডকুমেন্টের স্ট্রাকচার সহজেই অবগত হওয়া যায়। Outline ভিউতে Header and Footer, Page Boundaries,এবং Background প্রদর্শন করে না।
৫. Taskpane এর কাজ ?
* View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Taskpane এ ক্লিক করুন ।
>> মাক্রোসফট ওয়ার্ডে নাত্য দিনের কাজ সমূহ সহজে করার সুবিধার্থে কতিপয় কমান্ড টাস্কপেন অর্ন্তভুক্ত হয়েছে।
৬. Toolsbars  এর কাজ ?
View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Toolsbars এ ক্লিক করুন ।
>>  Toolsbars অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে সহজেই যে কোন Toolsbars প্রর্দশন করা যায়। যেমন : Standard, Formatting ইত্যাদি টুলবার।
৬. Ruler  এর কাজ ?
View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Ruler এ ক্লিক করুন ।
>>  উইন্ডোতে রুলার লুকানো কিংবা প্রর্দশন করাতে Ruler
    অপশন টি সিলেক্ট করতে হয়।
৬. Ruler  এর কাজ ?
* View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Ruler এ ক্লিক করুন ।
>>  উইন্ডোতে রুলার লুকানো কিংবা প্রর্দশন করাতে Ruler
    অপশন টি সিলেক্ট করতে হয়।
         ৭. Header & Footer এর কাজ ?
* View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
* Header & Footer এ ক্লিক করুন ।
>>  ডকুমেন্ট এ পৃষ্ঠায় শীর্ষে বা পাদদেশে কিছু লেখার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়।

৮. Zoom এর কাজ ?
View  মেনু তে ক্লিক করুন ।
Zoom এ ক্লিক করুন ।
>>  Zoom অপশন টি ক্লিক করলে ডকুমেন্ট এর বিভিন্ন অংশ বড় আকারে দেখতে পারবেন ।

Wednesday, November 1, 2017

খুব সহজেই মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করুন  [Tech Mitun]

খুব সহজেই মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করুন [Tech Mitun]

আজকাল প্রেজেন্টেশনের ক্ষেত্রে ভিডিও থাকাটা খুবই জরুরী। কোনো প্রেজেন্টেশনে ভিডিও থাকলে আশেপাশের মানুষ আপনার প্রেজেন্টেশনের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠবে। তবে ভিডিও ফাইল অনেক সময়ই খুব বড় হয়ে যায়, বিশেষ করে HD কোয়ালিটির ভিডিওগুলো, যেগুলো আপনার প্রেজেন্টেশন ফাইলকে খুব বড় করে দেয় এবং প্রেজেন্টেশনের সময় পাওয়ার পয়েন্ট হ্যাং হয়ে বিরক্তির কারণ হয়। তবে ইন্টারনেট থেকে সরাসরি যদি ভিডিও বসানো যায় পাওয়ার পয়েন্টে বিশেষ করে Youtube Video, তবে এসব ঝামেলা আর হবে না। আজকের টিউটোরিয়ালে সে পদ্ধতিই দেখানো হবে।

youtube-power-pint-ttj-logo-001 খুব সহজেই মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করুন [ফুল টিউটোরিয়াল]
প্রথমেই আপনার মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে চালু করুন এবং নতুন একটি স্লাইড খুলুন। নীচের পরপর দুটি চিত্রের প্রথম চিত্রে দেখুন, এটি মাইক্রোসফট অফিস ২০১৩ এর পাওয়ার পয়েন্ট, আমি একটি Blank Presentation খুলছি। এবং দ্বিতীয় চিত্রে দেখুন, উপরের নেভিগেশন মেন্যু থেকে আমি Insert ট্যাবটি সিলেক্ট করেছি।
এবার লক্ষ্য করুন, Insert ট্যাবের ডান দিকে একদম কোনায় Media নামে আলাদা একটি ক্যাটাগরি আছে। সেখানে Video এর নীচে ড্রপডাউন মেন্যুতে ক্লিক করুন। নীচের ছবি দুটি দেখুন।
একটি নতুন উইন্ডো চালু হবে, এখানে From a Video Embed Code নামে একটি খালি বক্স পাবেন এখানেই Youtube এর Video Embed Code কোড বসাতে হবে। নীচের ছবিটি দেখুন।
এবার আসুন দেখি, এই Video Embed Code কীভাবে বসাতে হবে। প্রথমেই যেকোনো Youtube Videoতে চলে যান, ভিডিওটির নীচে ছবি অনুযায়ী Share বাটনে ক্লিক করুন, এবার Embed ক্লিক করুন, এরপর আপনি একটি বক্স দেখতে পাবেন যেখানে কোডটি দেয়া আছে, তবে তার আগে একটু নীচে দেখুন Use old embed code (ছবিতে দেখুন ৩ নাম্বার) নামে একটি অপশন আছে, এতে আপনি টিক চিহ্ন দিন। এবার বক্সের কোডটি কপি করুন।
এবার পাওয়ার পয়েন্টে যে From a Video Embed Code এর পাশে খালি বক্সটি ছিলো, সেখানে এই কোডটি পেস্ট করে দিন।
এবার কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, আপনার ভিডিওটি লোড হবে। ভিডিওটি লোড হলে উপরের নেভিগেশন মেন্যুতে Format নামে একটি ট্যাব আসবে, এখান থেকে আপনি আপনার ভিডিওটি বিভিন্ন আকার আকৃতি চাইলে একটু ইফেক্টও দিতে পারবেন, যেমনঃ Frames, Video Shape, Borders এসব দিতে পারবেন।
এবার বামপাশে দেখবেন Play বাটন যুক্ত হয়েছে। আপনি এখন ভিডিওটি প্রেজেন্টেশনেই চালাতে পারবেন!

Thursday, February 23, 2017

নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার পরেও ভাইরাস কিভাবে পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে?এর থেকে প্রতিকার কি? [Tech Mitun]

নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার পরেও ভাইরাস কিভাবে পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে?এর থেকে প্রতিকার কি? [Tech Mitun]

আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি কম্পিউটার-এর ভাইরাস নামক কুখ্যাত প্রোগ্রাম-এর বিষয়ে কিছু আলোচনার বিষয় নিয়ে।

আমার আজকের টিউনে আমি আপনাদের জানাতে বা বুঝাতে চেস্টা করব যে বিষয়গুলো তা হচ্ছেঃ

  • ভাইরাস কি?
  • ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়?
  • নতুন উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাইরাস পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে।
  • পেন্ড্রাইভ বুটেবল করে নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল কিভাবে দেয়া যায়।
  • নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল দেবার পর পিসিকে কিভাবে  ১০০% ভাইরাস মুক্ত করা যায়।
  • দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনলেই কি তা আপনার পিসিকে ১০০% ভাইরাস মুক্ত করার সুরক্ষা দিতে পারবে?
  • কি কি ভাইরাস পিসিতে থাকলেও ভয়ংকর কিছু ঘটনা পিসিতে ঘটার সম্ভাবনা কম।
  • কোনো ওয়েবসাইট-এ ভাইরাস থাকলে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায়?
  • প্রথম বিষয় ভাইরাস কিঃ

    সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে ভাইরাস হচ্ছে কম্পিউটারের ক্ষতিকর কিছু প্রোগ্রাম। যা আপনার পিসিতে থাকা যেকোনো ডিফল্ট সিস্টেম পরিবর্তন করে পিসির যেকোনো সিস্টেম ব্যবস্থাকে সাময়িক বা অসাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হচ্ছেঃ আপনার পিসিতে আপনি দেখলেন হঠাত কোনো একদিন কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল দিতে গেলে তা ইন্সটল হচ্ছে না,পিসি হ্যাং হয়ে যাচ্ছে অতঃপর পিসি সাটডাউন হয়ে যায়। কিন্তু কোনো কিছু ইন্সটল না করলে সব ঠিকঠাক চলছে। আবার ইনস্টল করতে গেলেই পিসি পুনরায় হ্যাং হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখন বুঝে নিতে পারেন পিসির কোনো প্রোগ্রাম-এর সেটিং ঠিক না থাকায় এমন হচ্ছে। এখন কথা হল আপনি তো কোনো সেটিংস-এ হাতই দেন নি তাহলে এমন হল কিভাবে? তাহলে বেসিক চিন্তা করলে বুঝে নিতে পারেন আপনার পিসি ভাইরাসের কবলে পড়েছে।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    দ্বিতীয় বিষয় ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়ঃ

    এক কথায় বা সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে পিসিতে মাউস-এর প্রতি ডাবল ক্লিকে ভাইরাস ছড়াতে থাকে।
  • উদাহরণঃ অনেকেই দেখেছেন সর্টকাট ভাইরাস যুক্ত পেন্ড্রাইভ কারো পিসিতে কানেক্ট করলে পিসিতে ভাইরাস ঢুকে সমস্ত সফটওয়্যারের আইকন বা ফাইল-এর সর্টকাট বানিয়ে দেয়। এমন হবার কারন একটাই তা হচ্ছে, আপনি পেন্ড্রাইভে ইন করার সময় ডাবল ক্লিক করেছেন যার ফলে ভাইরাস আপনার পিসিতে ইন করেছে। এরপর আপনি ফাইল ওপেন করছেন, ডাবল ক্লিক করছেন অনবরত আর কিছুক্ষন পর দেখছেন আপনার পিসির সব ফোল্ডার-এর মধ্যেই সর্টকাট ভাইরাস তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি ডাবল ক্লিক না করে রাইট বাটন ক্লিক করে ওপেন ডায়লগ আসলে তারপর তা লেফট বাটন প্রেস করে ওপেন করলে ভাইরাস এত ক্ষতি কোনোভাবেই করতে পারবে না। (পরিক্ষিত নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    তৃতীয় বিষয় নতুন উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাইরাস পিসিকে পুনরায় আক্রমন করেঃ

    অনেকেই মনে করেন আমি পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দিয়েছি আমার পিসির সব ভাইরাস মরে ছারখার হয়ে গেছে এখন অনেক মজা। না এমন মনে করলেই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বোকামিতে আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন তাও আবার মনের অজান্তেই। হ্যা পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবার পর তা ১০০% ভাইরাস মুক্ত হয়েছে শুধু আপনার পিসির সি ড্রাইভ। এছাড়া অন্য ড্রাইভ-এ থাকা ভাইরাস কিন্তু দূর হয়নি। কেননা আপনি উইন্ডোজ দিতে শুধু বেসিকভাবে সি ড্রাইভটাকেই ফরম্যাট দিয়েছেন অন্য কোনো ড্রাইভ না। এখানে আরো একটা বিষয় হচ্ছে নতুন উইন্ডোজ দেবার পর পিসির অন্য যেমনঃ ডি-ই-এফ ইত্যাদি ড্রাইভে থাকা ভাইরাসগুলি জাস্ট কিছু সময়ার জন্য নিথর/অকার্যকর অবস্থায় হয়ে পড়ে রয়েছে। কিন্তু যখনই আপনি আবার সেই ড্রাইভে ইন করে ডাবল ক্লিক বা ভাইরাসযুক্ত ফাইল ওপেন দিবেন তখনই ভাইরাস কিন্তু আবার সক্রিয় হয়ে যাবে। সুতরাং উইন্ডোজ দিলেই ভাইরাস ১০০% ক্লিন হয় না (নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    চতুর্থ বিষয় পেনড্রাইভ বুটেবল করে নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল কিভাবে দেয়া যায়ঃ

    অনেক ভাই আছেন যারা অনলাইনে অনেকভাবে পেন্ড্রাইভ বুট করার সফটওয়্যার-এর কথা বলেন। সবার কথা মেনেই আমি অন্যভাবে বলছি, আমরা বেশিরভাগ মানুষই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারে অভ্যস্ত। তাই পেন্ড্রাইভ বুট করার একটা সফটওয়্যার আছে যা কিনা সয়ং মাইক্রোসফট অনুমোদিত।সেই সফটওয়্যারের নাম হচ্ছে উইন্ডোজ ৭ ইউ.এস.বি ডিভিডি ডাউনলোড টুল। এটি অত্যন্ত ভালোমানের উইন্ডোজ আই এস ও ফাইল পেন্ড্রাইভে বুট করার জন্য কার্যকর সফটওয়্যার। চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন  এখান  থেকে।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)
  • ইন্সটল শেষে সফটওয়্যার ওপেন করে ব্রাউজ করুনঃ
  • আপনার ড্রাইভে থাকা উইন্ডোজ অপারেটিং-এর যেকোনো ভার্শন যেমন ৭,৮,৮.১,১০-এর আই.এস.ও ফাইল সিলেক্ট করুনঃ

  • তারপর ইউ এসবি ডিভাইস সিলেক্ট করে পেন্ড্রাইভ- ক্লিক করে বিগান কপিতে ক্লিক করুন ব্যাস ১০০% কপি হলেই দেখবেন পেন্ড্রাইভ বুটেবল হয়ে গেছেঃ

    • কিভাবে পেন্ড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজ দিবেন বলতে গেলে আমার কথা হবে সিডি দিয়ে যেভাবে  উইন্ডোজ ইন্সটল দেন ঠিক সেভাবে শুধু ২টি বিষয়ে আপনাকে আলাদাভাবে জানতে হবে।
    • আপনার বায়োস সেটাপ-এ ইন করে হার্ডডিস্ক প্রিয়রিটি-তে ইন করে আপনার বুটেবল করা পেন্ড্রাইভ সিলেক্ট করে এফ১০ চেপে সেভ করে বের হয়ে যান।
    • সেটাপ স্টার্ট হলে সিডির মত সেটাপ-এর যাবতীয় কাজ করার পর পিসি ১ম বার রিস্টার্ট হলেই আপনি পেন্ড্রাইভ পিসি থেকে ডিস্কানেক্ট করে ফেলুন। যদি তা না করেন দেখবেন পুনরায় আবার সেটাপ শুরু হয়ে গেছে।
    • ব্যাস পেন্ড্রাইভ ডিস্কানেক্ট করার পর পিসি রিস্টার্ট হলে সিডির মত করেই নাম,পাসওয়ার্ড,টাইম ওকে করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর দেখবেন সেটাপ কমপ্লিট হয়ে ডেস্কটপ শো করছে।

    পঞ্চম বিষয় নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল দেবার পর পিসিকে কিভাবে  ১০০% ভাইরাস মুক্ত করা যায়ঃ

    ভালো হয় পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবার আগে অন্য একটি পেন্ড্রাইভে যেকোনো ১টি লেটেস্ট ভার্শন-এর এন্টিভাইরাস রাখা। অতঃপর নতুন উইন্ডোজ দেবার পর কোনো ডাবল ক্লিক না করে এন্টিভাইরাস থাকা পেন্ড্রাইভ-এ ইন করে এন্টিভাইরাসটি পিসিতে ইনস্টল করে পিসির ফুল সিস্টেম স্কেন করা। যেহেতু আমি আগেই বলেছি অন্য ড্রাইভে ভাইরাস থেকে যায় পিসিতে নতুন উইন্ডোজ দেবের পরেও আর তা তখন থাকে অকার্যকর অবস্থায়, সেহেতু এভাবে স্কেন করলে আপনার সব ভাইরাস ডিলিট করা সম্ভব হবে ৯৯.৯৯%। এতে করে একটু সময় লাগতে পারে তবে ভেবে দেখুন এতে করে আপনি কি পাচ্ছেন? একদম ফ্রেশ একটি উইন্ডোজ যা আপনি নিজেই দেখতে পারবেন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    ষষ্ঠ বিষয় দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনলেই কি তা আপনার পিসিকে ১০০% ভাইরাস মুক্ত করার সুরক্ষা দিতে পারবেঃ

    পঞ্চম বিষয়ে তার উত্তর আপনি পেয়ে যাবেন। কিন্তু কিছু কথা আছে তা হল প্রতিদিন হ্যাকার নিত্যনতুন ভাইরাস তৈরি করে তা ইন্টারনেটের মাধ্যেমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। তো আপনি দোকান থেকে এন্টিভাইরাস কিনে যদি ভাইরাস ডাটাবেজ আপডেট না করেন তা হলে পিসিতে ভাইরাস এটাক দিতেই পারে। কারন আপনার এন্টিভাইরাস-এর যেই ভার্শন আপনি পিসিতে ইনস্টল দিয়েছেন তার আপডেট ভার্শন-এর ভাইরাস আপনার পিসিতে ইন করলে তা আপনার ইন্সটল করা এন্টিভাইরাস কোনোভাবেই হয়ত ডিটেক্ট করতে পারবে না। তাই সবসময় ভাইরাস ডাটাবেজ আপডেট রাখুন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    সপ্তম বিষয় কি কি ভাইরাস পিসিতে থাকলেও ভয়ংকর কিছু ঘটনা পিসিতে ঘটার সম্ভাবনা কমঃ

    ভাইরাস মানেই খারাপ। তবুও দেখা যায় আমরা অনেকেই আছি যারা কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পিসিতে ইন্সটল করি তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে (ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার IDM)। তো আমরা জানি IDM ফুল ভার্শন করতে হলে আমাদের পেচ ফাইল ডাউনলোড করতে হয় এবং এই পেচ ফাইলও কিন্তু ভাইরাস। তবে এ জাতীয় ভাইরাস পিসিতে এন্টিভাইরাস ইন্সটল থাকলে তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারে না।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)

    অস্টম ও শেষ বিষয় কোনো ওয়েবসাইট-এ ভাইরাস থাকলে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায়ঃ

    সেক্ষেত্রে এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করা থাকলে আপনি কোনো ওয়েবসাইটে ইন করতে গেলে আর সেই ওয়েবসাইটে ভাইরাস থাকলে এন্টিভাইরাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে ওয়ার্নিং দিবে যে এই ওয়েবসাইটে ভাইরাস আছে।তখন পিসির সুরক্ষার কথা ভেবে সেই সমস্ত ওয়াবসাইট-এ ব্রাউজ করা থেকে বিরত থাকুন।(নিজস্ব অভিমত বুঝানোর জন্য)
  • আমার এই টিউন হচ্ছে বিশেষ করে যারা কম্পিউটার জগতে নতুন তাদের জন্য। এক্সপার্ট ভাইদের জন্য না। আমার এই টিউন-এর বিষয়ে যেকোনো মুল্যবান মতামত জানাতে সবাই আমাকে টিউমেন্টস করতে ভুলবেন না।