Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts

Wednesday, August 29, 2018

আবিষ্কৃত হলো মেধা বিকাশের কৃত্রিম উপায়

আবিষ্কৃত হলো মেধা বিকাশের কৃত্রিম উপায়

হলিউডের মুভি বা সায়েন্স ফিকশনে আমরা অনেকেই দেখেছি মানুষকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করতে। এক্স ম্যান মুভিতে প্রফেসর জেভিয়ার একটি হেলমেট পরিধানের মাধ্যমে নিজের মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে পৃথিবীর সকল মিউটান্টদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারতেন। তবে এই কল্পবিজ্ঞানের গল্পটিকে সত্যিতে পরিণত করে দেখালো লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি এবং গোল্ডস্মিথস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।
মানব মস্তিষ্ক আজও বিজ্ঞানীদের কাছে রহস্যের বিষয়। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ মানব শরীরের বিভিন্ন কর্মকান্ড ও কর্মক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। মস্তিষ্কের যে অংশটি মানুষের চিন্তাভাবনা ও স্মৃতিকে নিয়ন্ত্রন করে সেটি হলো ডিএলপিএফসি (dorsolateral prefrontal cortex)। এটি মানব মস্তিষ্কের সবচেয়ে সম্প্রতি বিবর্তিত অংশগুলির একটি। চিন্তাভাবনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় মস্তিষ্কের এই অংশটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। বৈজ্ঞানিক তথ্য ভিত্তিক জার্নাল ‘সায়েন্টিফিক’ এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি এবং গোল্ডস্মিথস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা মস্তিষ্কের এই অংশে মৃদু পরিমাণে বিদুৎ প্রেরণ করে পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার ফলে তারা দেখতে পান যে, বিদ্যুৎ প্রেরণের ফলে সাবজেক্টিভ ব্যক্তিদের চিন্তা ও স্মরন শক্তির পরিবর্তন ও উন্নতি সাধিত হয়েছে।
কোন সমস্যায় পতিত হলে নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে সমাধান খুজে বের করা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। ডিএলপিএফসি (dorsolateral prefrontal cortex) মূলত এই প্রক্রিয়াটিকেই সম্পাদন করে থাকে। কিন্তু যখন সমস্যাটা নতুন হয় তখন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকার ফলে পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের সৃজনশীলতাকে বাধাগ্রস্থ করতে থাকে। এরকম পরিস্থিতির মোকাবেলা করার জন্য মস্তিষ্কে ওই অংশটির সাময়িক ভাবে যদি নিষ্ক্রিয় করা যায় তাহলে নতুন উদ্ভুত সমস্যার ক্ষেত্রে চিন্তা করা সহজতর হয়ে ওঠে। গবেষকরা যাটজন ব্যক্তির উপর পরীক্ষা চালান। পরীক্ষায় তারা দেখতে পান যে ডিএলপিএফসি (dorsolateral prefrontal cortex) এ মৃদু বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে সাবেজেক্টিভ ব্যক্তিরা পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে কঠিন সমস্যার সমাধানে সক্ষম হয়ে উঠেছে।
মানুষ তার অদম্য ইচ্ছা ও পরিশ্রমের ফলে আজ উন্নতির চরম শিখরে অবস্থান করছে। কৃত্রিম ভাবে মেধার বিকাশ থেকে শুরু করে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আজ আর কল্পনা নয়। আর এভাবেই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর গল্পগুলো ভবিষ্যত মানুষের জন্য দৈনন্দিন সত্যতে পরিণত হবে।
কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় সফটওয়ার সম্পর্কে জেনে নিন।

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় সফটওয়ার সম্পর্কে জেনে নিন।

আজ জেনে নিবো কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়ারের নাম। বিশেষ করে নতুন হিসাবে মনে অনেক প্রশ্ন থাকে যে, আপনি কোন কাজের জন্য কোন সফটওয়ার ব্যবহার করবেন। তাই চলুন দেরি না করে জেনে নেই কোন কাজের জন্য আমরা কোন সফটওয়ার ব্যবহার করবো।
ড্রাইভার সফটওয়ার সমূহঃ
প্রথমেই আপনার কম্পিউটারে ইউন্ডোজ দেওয়ার পর আপনাকে কিছু ড্রাইভার ইনষ্টল করতে হবে। তার মধ্যে রয়েছে Graphics Driver, Audio Driver, LAN Driver, WLAN Driver, Camera Driver, Bluetooth Driver. যেহেতু এক এক ধরনের পিসি অনুযায়ী এক এক ধরনের ড্রাইভার হয় তাই কোন ড্রাইভারের লিংক দিতে পারছি না। তবে আপনি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেনো, আপনার প্রয়োজনীয় ড্রাইভার এর সফটওয়ারগুলি আপনার কাছে সংরক্ষিত থাকে। কারন আপনি যখনই নতুন করে উইন্ডোজ সেটাপ করবেন তখনই আপনার নতুন করে সকল ড্রাইভারগুলি ইনষ্টল করতে হবে।

অফিসিয়াল সফটওয়ারঃ

বিশেষ করে লেখালেখি করা জন্য ও হিসাব নিকাশ করার জন্য আমরা যে সকল সফটওয়ার ব্যবহার করবো সেগুলি হলোঃ
Microsoft World: এইটা হলো সাধারনত লেখালেখি করার সফটওয়ার। লেখালেখি করার জন্য এই সফটওয়ার ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন পেজ এ লিখে তা কাগজে প্রিণ্ট করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করা হয়।
Microsoft Excel: গানিতিক হিসাব নিকাশ করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
Microsoft Powerpoint: প্রেজেন্টেশন তৈরি করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করা হয়। স্লাইডশো করার জন্য এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার।

VLC Media Player: এটি হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় মিডিয়া প্লেয়ার। আমি এই প্লেয়ারটি ব্যবহার করি। Mp3, mp4, mpeg, avi, mkv ফাইলসমূহ প্লে করার জন্য এই প্লেয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয়।
Download Link:  http://www.videolan.org/vlc/index.html

ওয়েব ব্রাউজারঃ

Google Chrome: গুগল ক্রোম হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। গুগলের প্রোডাক্ট যেহেতু আর কোন কথা বলার প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ব্রাউজারটি ব্যবহার করি সবসময়। আমার পছন্দের ব্রাউজার।
Download Link: https://www.google.com/chrome/
Mozila Firefox: Mozila ফায়ারফক্স হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার গুলির মধ্যে একটি। আপনি যদি কোন কারনে গুগল ক্রোম ব্যবহার না করেন তবে আপনি মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করবেন।
Download Link: https://www.mozilla.org/en-US/firefox/new/
তবে আমি মনে করি না নতুন ব্যবহারকারী হিসাবে আপনার অন্য কোন ব্রাউজার দরকার আছে। আমার মনে হয় যে, এই দুইটি এ যথেষ্ট।

ডিজাইনিং রিলেটেড সফটওয়ারঃ

Adobe Photoshop: এডোবি ফটোশপ হচ্ছে বিশ্বের এক নাম্বার গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সফটওয়ার। যা দিয়ে আপনি Photo Retouching, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সহ যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।
Adobe Illustrator: এডোবি ফটোশপের সাথে আপনার দরকার হবে Adobe Illustrator. যা দিয়ে আপনি ভেক্টর বেসড কাজ করতে পারবেন।
Adobe Premier Pro: ভিডিও ইডিটিং করার জন্য আপনার দরকার হবে এডোবি প্রিমিয়ার প্রো। এটি মূলত ভিডিও ইডিটিং সফটওয়ার।
Adobe After Effects: ইফেক্ট তৈরি করার জন্য এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার।
প্রাপ্তিস্থানঃ আপনি বাজারের যে কোন কম্পিউটারের দোকানে গেলে Adobe Master Collection নামে সিডি পাবেন। সেখান থেকে ঠিকঠাকমতো ইনষ্টল করলে আপনার ঝামেলা শেষ।

অন্যান্য প্রয়োজনীয় সফওয়ারের বর্ননাঃ

Net Speed Monitor: আপনার কম্পিউটারে কি পরিমান ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে তা এই সফটওয়ারের মাধ্যমে আপনি দেখে নিতে পারবেন। অত্যন্ত কাজের সফটওয়ার এটি।
Download Link:
https://netspeedmonitor.en.softonic.com/ (32 bit)
https://netspeedmonitor64.en.softonic.com/  (64 bit)
PostImage: এটি হলো কম্পিউটারের স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় সফটওয়ার। এই সফটওয়ারের বিভিন্ন সুবিধা থাকার কারনে আমি ব্যক্তিগত ভাবে এটি ব্যবহার করি।
Download Link: https://postimage.org/app.php
Winrar: আপনার যে কোন .zip ফাইলকে এক্সট্রাক্ট করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। যে কোন ফাইলকে আপনি চাইলে .zip ফাইল বানাতেও পারবেন এটি দিয়ে।
Download Link: http://www.win-rar.com/start.html?&L=0
Audacity: এটি হলো আপনার সবচেয়ে ভালো সাউন্ড রেকর্ডার। আপনি যদি প্রফেশনাল ভয়েস রেকর্ড করতে চান তবে এটি সবচেয়ে ভালো সফটওয়ার।
Download Link: http://www.audacityteam.org/download/
Color Pic: আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বা ওয়েব ডিজাইনিং এ কাজ করে থাকেন তবে Color Pic হচ্ছে কালার নেওয়ার জন্য খুবই চমৎকার একটি সফওয়ার।
Download Link: https://www.iconico.com/colorpic/
Shareit: আপনার কম্পিউটার থেকে যদি আপনি আপনার স্মার্টফোনে কোন ফাইল পাঠাতে চান কিংবা আপনি যদি স্মার্টফোন থেকে আপনি কম্পিউটারে নিতে চান তবে এটি হলো বেশ জনপ্রিয় সফওয়ার।
Download link: http://filehippo.com/download_shareit/
Adobe Reader: PDF ফাইল সমূহ ওপেন করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার কর হয়।
Download Link: https://get.adobe.com/reader/
Avro Keyboard: আপনি যদি অভ্র দিয়ে বাংলা লিখতে চান তবে এই সফটওয়ার দিয়ে আপনি বাংলিশ ষ্টাইলে বাংলা লিখতে পারেন।
Download Link: https://www.omicronlab.com/avro-keyboard.html
Bijoy Ekushe: বিজয় কী বোর্ড দিয়ে যারা বাংলা লিখতে চান তাদের জন্য এই সফটওয়ার।
Download Link: http://www.bijoyekushe.net/html/ekuDownload.html
Camtasia: আপনি যদি ভিডিও রেকর্ড করতে চান  এবং হালকা ইডিটিং করে তা ব্যবহার করতে চান তবে এটি হলো অত্যন্ত সহজ ও বেশ কাজের একটি সফটওয়ার।
Download Link: https://www.techsmith.com/camtasia.html
CC Cleaner: আপনার কম্পিউটারে জমা হওয়া অপ্রয়োজনীয় ফাইল সমূহ ডিলিট করার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন।
Download Link: http://filehippo.com/download_ccleaner
Internet Download Manager: এটি হলো ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার জন্য সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় সফটওয়ার।
Download Link: https://www.internetdownloadmanager.com/
Ease Video Joiner: আপনার যদি ইডিটিং সফটওয়ার ছাড়া দুইটি ভিডিও ফাইলকে একত্রিত করার দরকার হয় তাহলে এই সফওয়ারটি আপনার খুব বেশি সহজে তা করে দিবে।
Download Link: http://www.brothersoft.com/easy-video-joiner-14213.html
Easus Data Ricovery Sotware: আপনার ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইল পূনরায় ফিরে পাওয়ার জন্য এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারবেন।
Download Link: http://www.easeus.com/datarecoverywizard/free-data-recovery-software.htm
Easus Partition Master: আপনার হার্ডডিস্কের যদি পার্টিশনে কোন পরিবর্তন করতে চান তাহলে এই সফটওয়ারটি আপনার জন্য খুব উপকারে আসবে।
Download Link: http://www.partition-tool.com/
Everything Search Engine: আপনার কম্পিটারের সকল ফাইলগুলিকে হাতের তুড়িতে খুজে বের করতে পারেন এই সফটওয়ারের মাধ্যমে। যদিও উইন্ডোজে একটা সার্চ করার অপশন থাকে তবও এটি ব্যবহার করলে মজা পাবেন।
Download Link: https://www.voidtools.com/
Fast Stone: আপনি যদি সহজে ভিডিও রেকর্ড করতে চান তাহলে এই সফটওয়ারটি বেশ কাজে দিবে। এটি খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
Download Link: http://www.faststone.org/FSCapturerDownload.htm

Hotspot sheild: আপনি যদি আপনার কম্পিটারের আইপি পরিবর্তন করতে চান তাহলে এই সফটওয়ারটি আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। এটি ফ্রি। তবে পেইড ভার্সন ও আছে।
Download Link: https://www.hotspotshield.com/
Multi Skype Launcher: যদি আপনার একসাথে একাধিক স্কাইপ একাউন্টে লগিন করার দরকার হয় তবে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন।
Download Link: http://multi-skype-launcher.com/
Open Broadcaster Software: আপনি যদি ফেসবুক বা অন্য কোন ওয়েব এপ্লিকেশনের মাধ্যমে আপনার স্ক্রিনকে লাইভ ব্রডকাষ্ট করতে চান তবে এ সফটওয়ারটি আপনাকে ব্যবহার করতে হবে।
Download Link: https://obsproject.com/
Skype: স্কাইপ হলো ভিডিও কলিং, ম্যাসেজিং ও অডিও কলিং  এর জন্য ইউন্ডেজ বেসড সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার।
Download Link: https://www.skype.com/en/
Team Viewer: দূরের কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য একটি চমংকার সফটওয়ার হলো Team Viewer. আপনি চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের সমস্যা সমাধান করে দিতে পারেন।
Download Link: https://www.teamviewer.com/en/
Utorrent: টরেন্ট ওয়েবসাইট থেকে টরেন্ড ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে এই সফটওয়ারের সাহায্য নিতে হবে। বেশ দারুন একটি সফওয়ার।
Download Link: http://www.utorrent.com/intl/en/
Viber: কম্পিউটারে যদি আপনি ভাইবার চালাতে চান তবে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারবেন।
Download Link: https://www.viber.com/en/products/windows

ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলাপারদের প্রয়োজনীয় সফটওয়ারঃ

Xampp: আপনার কম্পিউটারকে যদি আপনি একটি সার্ভার বানাতে চান তাহলে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি অনেক জনপ্রিয় একটি সফটওয়ার।
Download Link: https://www.apachefriends.org/index.html
Sublime Text 3: এক্সপার্ট কোডার দের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার হলো Sublime Text 3. Notepad++ দিয়ে শুরু করলেও আপনি এই সফটওয়ারটি দিয়ে আরো দ্রুত ও খুব সহজে কোডিং করতে পারবেন।
Download Link: https://www.sublimetext.com/3
Notepad++: এটি হলো একটি কোড ইডিটর। আপনি যদি কোডিং নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে  পারেন। নতুনদের জন্য অনেক চতৎকার একটি সফটওয়ার।
Download Link: https://notepad-plus-plus.org/download/v7.2.2.html
HTTrack: কোন HTML ওয়েবসাইটকে কপি করার জন্য এই সফওয়ারটি দারুন কাজে দেয়।
Download Link: https://www.httrack.com/page/2/en/index.html
File Zilla: আপনি যদি ওয়েবসাইট সম্পর্কিত কোন কাজ করেন এবং আপনার কম্পিউটার থেকে আপনার সার্ভারে ডাটা ট্রান্সফার করতে হয় তবে আপনি এই সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় সফওয়ার এ কাজটি করার জন্য।
Download Link: https://filezilla-project.org/
GrepWin: যদি আপনি যদি কোডিং এর কাজ করে থাকেন তাহলে এই সফটওয়ারটি আপনার অনেক সময় বাচিয়ে দিবে। আপনার কোন নির্দিষ্ট কোড আপনার ফোল্ডারের কোন ফাইলে এবং তা কত নাম্বার লাইনে আছে তা বুঝার জন্য আপনি এ সফটওয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি অত্যন্ত চমৎকার একটি সফওয়ার।
Download Link: https://sourceforge.net/projects/grepwin/

Friday, August 24, 2018

কম্পিউটার যখন তখন বন্ধ হয়ে যায় তখন কি করবেন।

কম্পিউটার যখন তখন বন্ধ হয়ে যায় তখন কি করবেন।

কম্পিউটার একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আর কম্পিউটারে যে সমস্ত কাজ করা হয় তা আরো গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজে মাঝে যদি আপনার কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যায় তখন আপনার কেমন লাগবে।
কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় মাঝে মধ্যে কিছুক্ষণ পরপর হঠাৎ বন্ধ হয়ে আবার চালু  হয়।
এমনটা হলে বিচলিত হয়ে পড়ার কোন কারণ নেই। হতে পারে এটা কোন সফটওয়্যারের সমস্যা অথবা কোন যন্ত্রাংশের সমস্যা। এমন আপনি নিযেই তা ঠিক করতে পারেন খব সহজেই।
কম্পিউটার হঠাৎ করে বন্ধ হওয়ার সমস্যাটি কেন হচ্ছে, তা খুঁজে বের করতে আপনাকে Windows key + R চেপে রান প্রোগ্রাম চালু করতে হবে।
এরপর রান প্রোগ্রামে sysdm.cpl লিখে ok বাটনে ক্লিক করুন অথবা ডেস্কটপে গিয়ে কম্পিউটার আইকনে কার্সর রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে প্রপার্টিজে ক্লিক করুন। এখানে বাম পাশের Advanced system settings-এ ক্লিক করুন।  দুই ক্ষেত্রেই সিস্টেম প্রপার্টিজ Window আসবে।
সিস্টেম প্রপার্টিজ Window আসার পর Advanced ট্যাবে ক্লিক করে Startup and Recovery বাটনের নিচে Settings এ ক্লিক করুন।
এরপর একটি নতুন Window খুললে এর মধ্যে থাকা System failure এর নিচের চেকবক্স থেকে Automatically restart অপশনটির টিকচিহ্ন উঠিয়ে দিন।

এরপর Write an event to the system log এ যদি টিকচিহ্ন দেওয়া না থাকে তাহলে টিকচিহ্ন দিয়ে ok করুন।
এখন থেকে কোন সমস্যা হলেও কম্পিউটার হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে আবার চালু (Restart) হবে না। সমস্যা হলে কম্পিউটারে কিছু লেখাসহ একটা নীল পর্দা দেখা যাবে। Microsoft এটাকে স্টপ এরর বললেও Windows ব্যবহারকারীদের মধ্যে Blue Screen of Death (BSOD) নামেই বেশি পরিচিত।
এই Blue Screen বা নীল পর্দায় ভেসে থাকা লেখাগুলো থেকেই প্রাথমিকভাবে বোঝা যাবে কম্পিউটারে আসলে ঠিক কী সমস্যা হচ্ছে।সব লেখা হয়তো পড়ে বোঝা যাবে না, কারণ এখানে অনেক কারিগরি ইনফরমেশন থাকে। তবে পর্দার ওপরের দিক থেকে দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বড় করে লেখাটাই আসলে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উপরের সিস্টেম গুলো ফলো করুন তাহলেই এই সমস্যা সমাধান করতে পারবেন।
আপনার কম্পিটারের USB port বন্ধ করুন

আপনার কম্পিটারের USB port বন্ধ করুন

কম্পিউটার একটি ব্যাক্তিগত জিনিস। কম্পিউটারে আমাদের অনেক ব্যাক্তিগত তথ্য জমা থাকে।  অনেক সময় এই তথ্য বা ব্যাক্তিগত অনেক জিনিস চুরি বা হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই আপনার কম্পিটারের USB port closed করে দিন। যাতে কেও চুরি করতে না পারে। চলুন শুরু করা যাক।

প্রথমে আপনার কম্পিটারে ডেস্কটপ পেজে my computer এর উপর মাউস পয়েন্টার রেখে ডান বাটন ক্লিক করে manage এ ক্লিক করুন।  একটি বক্স আসবে সেখানে  Device manager এ ক্লিক করে universal serial bus controllers থেকে USB root hub থেকে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Disable করে দিন। তাহলেই কোন USB শো করবেনা। USB port closed হয়ে যাবে। সিস্টেম ঠিক করতে same সিস্টেমে enable করে দিন
কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় ৩টি শর্টকাট

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় ৩টি শর্টকাট

কম্পিউটারে কাজ করার ক্ষেত্রে অনেকেই দ্রুত এবং শর্টকাট উপায় খুজে থাকে। এজন্য কি-বোর্ড এবং মাউসের সমন্বয়ে শর্টকাট কী ব্যবহার করে থাকে। যেমন Ctrl+C বা Ctrl+V ইত্যাদি। এইগুলো মনে হয় অনেকেরই জানা। আবার অনেকের কাছে নতুন এই ৩টি বিষয় শেয়ার করব।

৩টি শর্টকাট পদ্ধতিঃ

বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্যাব কিভাবে পুনরায় ফিরিয়ে আনা যায়ঃ

ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন ব্রাউজারের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েভসাইট ভিজিট করি। অনেক সময় দেখা যায় খুব গুরুত্বপূর্ন একটি ওয়েভসাইটে ভিজিট করার সময় ভূলবসত ট্যাবটি কেটে যায়। তখন পুনরায় এই এড্রেসে যাওয়ার জন্য হিস্ট্রিতে গিয়ে লিঙ্কটি খুজতে হয়,যা মোটামোটি সময় সাপেক্ষ্য। এই ধরনের সমস্যা সহজ হয়ে যাবে শুধুমাত্র কিবোর্ডের ‘Control’ এবং “Shift’ প্রেস করে “T” প্রেস করলেই, ঠিক আগে ব্রাউজ করা ওয়েভটির ট্যাব ওপেন হবে।

স্কীনশট নেওয়াঃ

কম্পিউটারে কাজ করার সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে স্কীনশট নেওয়ার প্রয়োজন পরে। ম্যানুয়ালি বিভিন্ন ভাবে কম্পিউটারে স্কীনশট নেওয়া যায় যা একটু সময় সাপেক্ষ্য। অনেকেই আবার বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে দ্রুত স্কীনশর্ট নেওয়ার জন্য। কিন্তু আপনি যদি উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে, কোন ধরনের সফটওয়্যার ছাড়াই খুব সহজেই এবং দ্রুত আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে স্কীনশর্ট নিতে পারবেন। এজন্য আপনার স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে “Snipping Tool”- অথবা সার্চের বক্সে Snipping Tool লিখে সার্চ করে ক্লিক করতে হবে  । তাহলে সফটওয়্যারটি চালু হবে এবং যেখান থেকে প্রয়োজনীয় অংশটির  স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে

মাউসের ব্যবহারঃ

সাধারণ ব্যবহারকারীরা মাউসের বাম বা ডান বাটন ব্যবহার করে থাকেন। এ ছাড়া মাউসের মাঝে ক্রল করার জন্য একটি চাকার মত বাটন থাকে। এ তিন ভাবেই মাউস ব্যবহার করা হয়।
ওয়েবসাইট ব্রাউজার করার সময় কোনো লিংকে ক্লিক করে নতুন ট্যাব ওপেন করতে হলে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে ‘ওপেন নিউ ট্যাব’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হয়।
তবে এ কাজটি মাউসের  মাঝের ক্রল করার বাটনটি ক্লিক করেও অনায়াসে করা যাবে। এটি ক্লিক করে যে কোনো ট্যাব বন্ধও করা যাবে।
কম্পিউটার মাদারবোর্ড কেনার সময় কিছু বিষয় ভাল করে লক্ষ্য করুন

কম্পিউটার মাদারবোর্ড কেনার সময় কিছু বিষয় ভাল করে লক্ষ্য করুন

কম্পিউটার এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন অংশ হল কম্পিউটার  মাদারবোর্ড। কম্পিউটার এ ব্যবহৃত সকল হার্ডওয়্যার  মাদারবোর্বোডের  সাথে সংযুক্ত থাকে।
ইনটেল চিপসেট ব্যবহার করে মাদারবোর্ড তৈরী করে, এমন অনেক কোম্পানি আছে, কিন্তু  তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যেমন আসুস, গিগাবাইট, এম.এস.আই, ইত্যাদি, তবে ইন্টেল নিজেও মাদারবোর্ড তৈরী করে। এগুলি যেকোন একটি ব্যবহার করে আপনি একটি ভালো মানের কমপিউটার তৈরী করতে পারবেন।

বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির তৈরী ভালো মানের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া গেলেও , যাদের সার্ভিস ভালো সে সব কোম্পানির বোর্ড-ই কেনা ভাল।

ভালো মানের কম্পিউটার মাদারবোর্ড কিনতে আপনি যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন।

  •  প্রথম যে বিষয় টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল আপনি কি প্রসেসর ব্যাবহার করেন, তার উপর নির্ভর করবে আপনি কোন মাদারবোর্ড কিনবেন।
  • এরপর যা লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল, মাদারবোর্ডটিতে কি ধরনের মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা আছে (DDR-2, DDR-3, ইত্যাদি ) এবং যে পরিমান মেমরি আপনি চাইছেন তা এই মাদারবোর্ডটিতে ব্যাবহার করা যাবে কিনা।
  •  প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের বাস স্পিড কত এবং এগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কিনা তা দেখে নিবেন। স্পিড বেশি হলে কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন।
  • মাদারবোর্ডে কতগুলো USB পোর্ট আছে তা দেখে নিন। যত বেশি পোর্ট থাকবে তত বেশি USB ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এখনকার বেশীরভাগ মাদারবোর্ডে ইউ.এস.বি-৩ পোর্ট ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
  •  মাদারবোর্ডে হার্ডডিস্ক লাগানোর জন্য কয়টি SATA পোর্ট আছে তা দেখে নিন। বেশি পোর্ট থাকলে সেটি অবশ্যই ভাল।
  • আপনি যদি ভিডিও এডিটিং বা ক্যাপচারিং জাতীয় কাজ করতে চান তাহলে মাদারবোর্ডে পি.সি.আই স্লট আছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে। কম্পিউটার মাদারবোর্ড এ কি কি ধরনের স্লট এবং কয়টি করে আছে তাও দেখে নিন।
  •  আপনার যদি CPU -এর Over Clicking এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন, তবে খেয়াল রাখবেন মাদারবোর্ডটিতে CPU Over Clicking এর সুবিধা আছে কিনা
মোটামোটি এইসব গুরুত্বপূর্ন বিষয় আগে দেখে নেবেন। আর হ্যা এই সব জিনিসপত্র কিনার ক্ষেত্রে পরিচিত দোকান থেকে কেনার চেষ্টা করবেন। আর হ্যা ওয়েরেন্টি কার্ড ভাল করে দেখে নিবেন।