Showing posts with label Internet. Show all posts
Showing posts with label Internet. Show all posts

Saturday, September 1, 2018

দীর্ঘ আট বছর পর ‘সেন্সরড’ গুগল সার্চ চালু হতে যাচ্ছে চীনে

দীর্ঘ আট বছর পর ‘সেন্সরড’ গুগল সার্চ চালু হতে যাচ্ছে চীনে

দীর্ঘ আট বছর অনুপস্থিত থাকার পর চীনে সার্চ জায়ান্ট গুগল তাদের সার্চ ইঞ্জিনের সেন্সরড সংস্করণ চালু করার পরিকল্পনা করেছে।
দ্য ইন্টারসেপ্টে ফাঁস হওয়া লিখিত কাগজের বরাত দিয়ে বিজনেস ইনসাইডারের খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই চীন সরকারের সাথে বৈঠকে বসেছিলেন।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রকল্পের কোডনেম ‘ড্রাগনফ্লাই’ এবং প্রকৌশলীরা ‘মাওতাই’ ও লংফেই’ নামে একটি কাস্টম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে।
অ্যাপটি চীনের কর্মকর্তাদের দেখানো হয়েছে এবং চূড়ান্ত সংস্করণ আগামী ছয় থেকে নয় মাসের মধ্যে উন্মুক্ত হতে পারে।
এই সার্চ ইঞ্জিন মানবাধিকার, গণতন্ত্র, ধর্ম এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বিষয়গুলো গোপন করবে। এমনকি এই বিবিসি কিংবা উইকিপিডিয়ার মতো সাইটগুলো ব্লক থাকতে পারে এই সার্চে।
দ্য ইন্টারসেপ্ট এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চীন সরকারের কাছ থেকে এই সার্চ ইঞ্জিন এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
গুগলের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে বিজনেস ইনসাইডারকে বলেন, ‘চীনা ডেভেলপারদের সহায়তা করতে আমরা চীনে গুগল ট্রান্সলেট ও ফাইলস গো এর মতো কয়েকটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করি এবং জেডি.কমের মতো চীনা কোম্পানিগুলিতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করে থাকি।’
কিন্তু ভবিষ্যতের পরিকল্পনার ব্যাপারে অনুমানের বিষয়ে মন্তব্য করার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
যদি গুগল আবারো চীনে আসতে পারে তাহলে এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল মাইলফলক হবে। গুগল চীনে সেন্সরড সার্চ রেজাল্টে অসম্মতি জানালে ২০১০ সাল থেকে চীনে গুগলের সেবা বন্ধ হয়ে যায়।
ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

ফেসবুক পেজ চালাতে হলে নতুন নিয়ম মানতে হবে, না মানলে পেজ বন্ধ!

আপনি কি নতুন ফেসবুক পেজ খুলতে যাচ্ছেন? কিংবা আপনার অনেক লাইকের একটি পেজ আছে? কিছু নিয়ম না মানলে পেজ বন্ধ হতে পারে। পেজ চালনার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আনছে ফেসবুক। পেজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী এখন বিশেষ থিম দিচ্ছে। যেমন আপনার যদি রেস্টুরেন্ট পেজ হয় তবে তা রেস্টুরেন্ট আদলের থিম নিতে পারবেন। এতে ফেসবুকের পক্ষে পেজ আইডেন্টটিফাই করতে সহজ হয়। ফেসবুক যেসব পেজে সন্দেহ করছে বা ভুয়া বলে মনে করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক পেজ অ্যাডমিনদের পরিচয় গোপন করার দিন শেষ। এমনকি ফেসবুকে যা খুশি তা প্রকাশ করা যাবে না। এতে ব্লক হয়ে যাবে পেজ। পেজ মার্জ করার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা আনছে ফেসবুক।
ফেসবুক বলছে, ভুয়া খবর ছড়ানো ঠেকাতে তারা বেশ কিছু আপডেট আর চেঞ্জ আনছে। এ পরিবর্তন আসলে ফেসবুক পেজ ম্যানেজারদের জন্য কঠোর নিয়মনীতি মানতে হবে। চেঞ্জগুলো হচ্ছে—অথোরাইজেশন, পেজ মার্জ, প্রাইমারি হোম লোকেশন, ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ প্রভৃতি।
‘পেজেস পাবলিশিং অথোরাইজেশন’ বা পেজ প্রকাশের অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়। পেজটি কোন দেশ থেকে তৈরি তা লোকেশন বা অবস্থান অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। কোনো পেজ যদি মার্জ করা হয় বা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তাও দেখার সুবিধা থাকতে হবে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, যারা ফেসবুক পেজ চালান বা ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোর হতে যাচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। পেজে পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতির মধ্যে থাকতে হবে। তাদের এখন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং কোনো কিছু পোস্ট করার আগে তাদের অবস্থান (প্রাইমারি হোম লোকেশন) ফেসবুককে নিশ্চিত করতে হবে।
ভুয়া খবর প্রকাশ ঠেকানোর লক্ষ্য নিয়ে তারা এ প্রক্রিয়া চালু করছে। হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধেও এতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। জোর করে অনুমোদনের এ প্রক্রিয়া চলতি মাসের শেষদিকে শুরু হবে।
পেজ হিস্ট্রি পেজের মধ্যে কোন পেজের সঙ্গে কোন পেজ কখন একত্রিত করা হয়েছে তা প্রদর্শন করা হবে। এতে ওই পেজের অনুসারীদের কাছে পেজের স্বচ্ছতা থাকবে। এ ছাড়া অনুসারীরা সচেতন থাকতে পারবেন। এ ছাড়া পেজের সঙ্গে ‘পিপল হু ম্যানেজ দিস পেজ’ নামে একটি সেকশন বা বিভাগ যুক্ত হবে যেখানে পেজ ব্যবস্থাপকদের সম্পর্কে তথ্য থাকবে।

Friday, August 31, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এয়ারপ্লেন মোড কেন থাকে : যা জানা খুবই জরুরী

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এয়ারপ্লেন মোড কেন থাকে : যা জানা খুবই জরুরী

অ্যান্ড্রয়েডের এয়ারপ্লেন মোড কি?
এয়ারপ্লেন মোড হচ্ছে একটি সেটিংস যা প্রায় সকল স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং অনুরূপ ডিভাইসগুলোতে থাকে। আপনি যখন এটি অ্যাকটিভ করবেন তখন এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনের সব ধরনের সিগন্যাল পাঠানো বন্ধ রাখবে। এই মোড চালু থাকা অবস্থায় ফোনের স্ট্যাটাস বারে একটি বিমান আইকন দেখতে পাবেন।
এয়ারপ্লেন মোডের কাজ কী?
এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনের সব ধরনের ওয়্যারলেস ফাংশন নিষ্ক্রিয় রাখে। যার মধ্যে রয়েছে-
* ব্লুটুথ : ব্লুটুথ হচ্ছে খুব সীমিত রেঞ্জের সংযোগ, যা আপনার ফোনকে স্পিকার, হেডফোন এবং আরো কিছুর সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুবিধা দেয়। এয়ারপ্লেন মোড এটিকে নিষ্ক্রিয় রাখে।
* মোবাইল সংযোগ: আপনি কল করতে পারবেন না, টেক্সট মেসেজ পাঠাতে পারবেন না বা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মোবাইল ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন না।
* ওয়াই-ফাই : আপনার ফোনো বিদ্যমান থাকা সব ধরনের ওয়াই-ফাই সংযোগগুলো নিষ্ক্রিয় হবে এবং কোনো নতুন ওয়াই-ফাই সংযোগের সঙ্গে যুক্ত হবে না।
এয়ারপ্লেন মোডে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যায়?
উত্তরটা নির্ভর করে আপনার ডিভাইসের ওপর। তবে বেশিরভাগ আধুনিক ফোনগুলো ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুবিধা দেয়, ফোন এয়ারপ্লেন মোডে থাকা সত্ত্বেও। আপনি যখন এয়ারপ্লেন মোড চালু করবেন তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াই-ফাই বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি ম্যানুয়ালি আবার ওয়াই-ফাই চালু করতে পারবেন।
এয়ারপ্লেন মোড চালু থাকা অবস্থায় কুইক সেটিংস থেকে ওয়াই-ফাই অপশনে ক্লিক করুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অন হয়ে যাবে ওয়াই-ফাই এবং কানেক্ট হবে যদি আপনার ফোন অনুমতি দেয়।
এয়ারপ্লেন মোড ব্যাটারি সাশ্রয় করে?
হ্যাঁ, এয়ারপ্লেন মোড স্পষ্টভাবে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ রক্ষায় সাহায্য করে। বিভিন্ন রেডিও তরঙ্গের কার্যক্রমে ফোনের অনেক শক্তির প্রয়োজন হয় যেমন ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপসের নোটিফিকেশন, ব্লুটুথ ডিভাইসগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, লোকেশন চেক করা প্রভৃতি। এসব কাজ ফোনের ব্যাটারি শক্তি শেষ করে, এয়ারপ্লেন মোড একসঙ্গে সবকিছু নিস্ক্রিয় করে দেওয়ায় ফোনের ব্যাটারি শক্তি দারুন ভাবে সাশ্রয় হয়। যেহেতু এয়ারপ্লেন মোডে আপনার ফোন বেশি কাজে ব্যস্ত থাকে না তাই এই মোডে ফোন চার্জও হতে পারে দ্রুত।
অনেক বিমানেই এখন ইন ফ্লাইট ওয়াই-ফাই সেবা বিদ্যমান, সুতরাং আপনি এই ফিচারটি চালু করে উপভোগ করতে পারেন। নিশ্চিত না হয়ে থাকলে, ওয়াই-ফাই কানেক্ট করার আগে বিমানকর্মীর কাছ থেকে জেনে নিন। বিমানে শুধুমাত্র দশ হাজার ফুট ওপরে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। তাই বিমান টেকঅফ এবং ল্যান্ডিংয়ের সময় ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখার ব্যাপারে সচেতন থাকুন। এমনকি অবতরণের পরও।
গেম খেলায় এয়ারপ্লেন মোড কিভাবে সাহায্য করে?
আপনি যদি ফোনে গেম খেলতে পছন্দ করেন কিন্তু বিজ্ঞাপনে বিরক্তবোধ করেন তাহলে এয়ারপ্লেন মোড সাহায্য করতে পারে। কারণ এটি ইন্টারনেট সংযোগ নিষ্ক্রিয় করে, তাই এয়ারপ্লেন মোডে গেম খেলার সময় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন হবে না। যাহোক, যে গেমগুলো সবসময় অনলাইনে খেলা লাগে সেগুলোর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হবে না। সুতরাং আপনি আপনার পছন্দের কোনো অফলাইন গেম এয়ারপ্লেন মোডে খেলতে পারেন।
এয়ারপ্লেন মোডে ব্লুটুথ কাজ করে?
ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথের ঘটনা একই। এয়ারপ্লেন মোড চালু করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লুটুথ নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলেও, বেশিরভাগে ফোনে ম্যানুয়ালি আবার ব্লুটুথ চালু করা যায়। বিমান সংস্থাগুলো ব্লুটুথের ব্যাপারে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন, কারণ এর রেঞ্জ খুব সীমিত।
ব্লুটুথ চালু করে ব্লুটুথ সুবিধার হেডফোন, কিবোর্ড এবং অনুরূপ ডিভাইসগুলো স্মার্টফোনে সংযুক্ত করতে পারবেন। এমনকি যখন আপনি বিমান ভ্রমণ করছেন না, তখন এয়ারপ্লেন মোডে ব্লুটুথ হেডফোনের মাধ্যমে অফলাইন মিউজিক উপভোগ করে ব্যাটারি সাশ্রয় করতে পারেন।
এয়ারপ্লেন মোডে ডাটা ব্যবহার করা যায়?
না। কারণ এয়ারপ্লেন মোড আপনার ফোনকে মোবাইল নেওয়ার্ক টাওয়ারের সঙ্গে সংযুক্ত হতে বাধা দেয়। তাই এই মোডে কোনো ধরনের ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন না।
এয়ারপ্লেন মোডে ফোনে কল কিংবা মেসেজ আসবে?
না, কারণ এয়ারপ্লেন মোডে মোবাইল কানেকশন বন্ধ হয়ে যায়। আপনার ফোন এয়ারপ্লেন মোডে থাকা অবস্থায় কেউ যদি আপনাকে ফোন করে তাহলে ফোন বন্ধ রয়েছে শোনাবে। আর সেসময়ের টেক্সট মেসেজ আসবে এয়ারপ্লেন মোড অফ করার পরপরই।
এয়ারপ্লেন মোডে ফোনের অ্যালার্ম কাজ করে?
হ্যাঁ। অ্যালার্ম স্বাভাবিক থাকবে এয়ারপ্লেন মোডেও। অ্যালার্ম ইন্টারনেট কানেকশনের ওপর নির্ভর করে না। অ্যালার্ম অ্যাপ অন করে নিশ্চিতে অ্যালার্ম সেট করুন। এয়ারপ্লেন মোডে যদিও ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না, তবে ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার জন্য অ্যালার্ম সেট করতে পারে।
মিউজিক যেভাবে উপভোগ করবেন এয়ারপ্লেন মোডে
এয়ারপ্লেন মোডে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় গুগল প্লে মিউজিক, স্পোটিফাইয়ের মতো মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপগুলো কাজ করবে না। এয়ারপ্লেন মোডে মিউজিক উপভোগে দুইটি অপশন রয়েছে-
প্রথমত যদি আপনি মিউজিক স্ট্রিমিংয়ের পেইড সার্ভিস ব্যবহার করে থাকেন যেমন স্পোটিফাই প্রিমিয়াম অথবা গুগল প্লে মিউজক অল অ্যাকসেস, তাহলে আপনি ডিভাইসে মিউজিক ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এমনকি এয়ারপ্লেন মোডেও তা শোনার সুবিধা পাবেন।
ই-মেইল পাঠানোর আগে যে বিষয় গুলো জানা খুবই জরুরী

ই-মেইল পাঠানোর আগে যে বিষয় গুলো জানা খুবই জরুরী

মেইলে অযথা আর্জেন্ট মার্ক যুক্ত করবেন না: মেইলে আর্জেন্ট বা জরুরি শব্দটি ব্যবহারের আগে কয়েকবার ভাবুন। আপনি যে মেইলটি পাঠাচ্ছেন, সেটা কী আসলেই গুরুত্বপূর্ণ বা জরুরি কিছু? যদি তেমনটি না হয়, তাহলে আর্জেন্ট ব্যবহার করবেন না। এতে প্রাপক বিরক্ত হতে পারে।
স্পেলিং মিসটেক বা বানান ভুল হওয়া চলবে না: অনেক সময় দ্রুত টাইপ করতে গিয়ে অনেকেই বানান ভুল করেন। কিন্তু এই আধুনিক সময়ে এসে এ ধরনের ভুল একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। কারণ, বর্তমানে প্রতিটি ডিভাইসেই রয়েছে অটোকারেক্ট অপশন। তাই বানানের প্রতি যত্নবান হোন।
ই-মেইলকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ‘ফরমাল’ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই এ সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে জেনে নেওয়া দরকার। এমন কিছু বিষয় আছে যা করলে মেইলের প্রাপক বিরক্ত হতে পারেন। তাই সচেতনভাবে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
বিষয় লিখতে ভুলে যাওয়া: ই-মেইলে বিষয় লিখতে ভুলবেন না। কারণ, আপনার মেইলের প্রাপক বিষয়ের লাইনটি পড়েই পুরো মেইল সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে যান। এছাড়া কোনও মেইল সার্চ করে পেতে হলে সাবজেক্ট লাইনের দরকার হয়।
মেইলে ‘এসএমএস ল্যাঙ্গুয়েজ’ ব্যবহার করবেন না: যেহেতু ই-মেলকে যোগাযোগের ফরমাল মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই এতে এসএমএস ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করবেন না। যেমন- Thanks কে কখনোই Thnx কিংবা Sorry কে কখনোই Sry লিখবেন না।
মেইলে ইমোজির ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন: ই-মেইলে কোনও ধরনের ইমোজি ব্যবহার না করাই ভালো। আপনি বেশ খুশি থাকলে কোনও ধরনের ইমোজি ব্যবহারের পরিবর্তে লিখুন- আই অ্যাম ডিলাইটেড। মনে রাখতে হবে, ই-মেইল,
ফেসবুক মেসেঞ্জার, স্ন্যাপচ্যাট এক নয়।
সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন: ই-মেইল পাঠানোর সময় সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন। ফন্টের আকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন। এটা যেন খুব বেশি বড় বা ছোট না হয়। একই সঙ্গে ফন্টের কালার সম্পর্কেও সচেতন থাকতে হবে।
গুগল ! বর্গফুট মেপে নজরদারি চালাচ্ছে

গুগল ! বর্গফুট মেপে নজরদারি চালাচ্ছে

একেবারে ‘ল্যাটিচিউড-লঙ্গিচিউড’ ধরে মোবাইলধারীর লোকেশন দিন-রাত তাদের অ্যাকাউন্টে রেকর্ড করছে গুগল ,চান বা না-চান, মোবাইলে লোকেশন সার্ভিস চালু রাখুন বা না-রাখুন। নজরদারির বহর এতটাই যে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা আইফোনে ইন্টারনেট চালু থাকলে, যেকোনো সময় গ্রাহকের অবস্থান একেবারে বর্গফুট পর্যন্ত নিখুঁতভাবে তোলা থাকে গুগলের খাতায় এটি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) দাবি।
এপি-র পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তথ্যগুলো একাধিক সংস্থাকে বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা রোজগার করছে গুগল।
এমনকি স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে যে, কেন এতসব নজরদারি চালাচ্ছে গুগল?
নিজে গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে (https://adssettings.google.com/authenticated) ওয়েবপেজে ঢুকে দেখুন। দেখে অবশ্যই চমকে যাবেন, আপনার বয়স-লিঙ্গ-শখ-শিক্ষা-রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’সহ একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য বিচার করে সাজিয়ে-গুছিয়ে আপনার জন্য ‘পার্সোনালাইজড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট প্রোফাইল বা সাইকোগ্রাফিক প্রোফাইল’ বানিয়ে রাখার পুরো বন্দোবস্ত করে রেখেছে গুগল। শুধু ইন্টারনেটে সার্চই নয়, আপনি থার্ড পার্টি অ্যাপ যেভাবে ব্যবহার করেন, তার সব তথ্যও রয়েছে (https://myaccount.google.com/permissions?pli=1) গুগলের ভাঁড়ারে। এটি ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যায়।
ফলস্বরূপ তাদের মাধ্যমে গুগল এমন খুঁটিয়ে যার উপর খুশি নজর রাখতে পারে পিছনে গোয়েন্দা লাগিয়েও কারও সম্পর্কে এত তথ্য এক লহমায় জানা সম্ভব নয়। শতকরা ১০০ ভাগ মানুষই ওই ফাইন-প্রিন্ট পড়ার হ্যাপায় না গিয়ে তা করেন না।
অনেকে অজান্তেই বা জেনেবুঝে তার অ্যাকাউন্টে বা স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপের লোকেশন সার্ভিস ‘অন’ করে রেখে দেন৷ ফলে যেটা হয়, আপনি যেখানে যেখানে যাচ্ছেন, গুগলের একটি নির্দিষ্ট পেজে (https://www.google.com/maps/timeline?pb) তা রেকর্ড হয়ে থাকে৷ যাওয়া-আসা গৌণ, লোকেশন অন থাকা অবস্থায় কীভাবে কতটা পথ গেছেন, গাড়িতে ও হেঁটে তাও রেকর্ড করে গুগল৷ সংস্থার পক্ষে প্রক্রিয়াগত দাবি, লোকেশন সার্ভিস কোনও গ্রাহক ‘অফ’ করে দিলে আর সেই তথ্য রেকর্ড করে না গুগল।
বাস্তবে ইন্টারনেটে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় বা মোবাইলে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করার সময় গুগলকে কোন কোন সম্মতি আপনি দিয়ে দেন তাড়াহুড়োয় ‘ক্লিক’ করে, তা কি আপনি নজর করেন?
ম্যাপ ছাড়াই শুধু গুগল ব্রাউজারে বিশেষ কিছু ‘কী-ওয়ার্ড’ (যেমন, ‘চকোলেট চিপ কুকিজ’ বা ‘কিডস সায়েন্স কিটস’) দিয়ে সার্চ দিলেও মোবাইলধারীর লোকেশন দেখে নেয় গুগল বলে জানিয়েছে এপি। চাঞ্চল্যকর এক তদন্তে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) দাবি, গুগলের এই দাবি সর্বৈব মিথ্যা। আপনার অনুমতি ছাড়াই যতবার গ্রাহক তার স্মার্টফোনে ‘গুগল ম্যাপ’ অ্যাপটি খোলেন সেই মুহূর্তে আপনি যেখানে আছেন, সময় রেকর্ড করে সেই লোকেশন-এর একটি ‘স্ন্যাপশট’ তুলে নিয়ে নিজের ভাড়াঁরে জমা করে নেয় গুগল। এতো না হয় গুগল ম্যাপ সম্পর্কিত। তাদের আরও দাবি, বর্গফুট পর্যন্ত নিখুঁত থাকে এই লোকেশন রেকর্ড। আর এর ফলে বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এবং অসংখ্য আইফোন গ্রাহক গুগল ব্যবহার করেন, তাদের লোকেশন তথ্য চুরি করছে গুগল।
আর এপির এই তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে গুগলকে প্রশ্ন করা হলে, তাদের মুখপাত্র যথারীতি দায় সেরেছেন এই বলে ‘লোকেশন হিস্ট্রি, ওয়েব ও অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি এবং ডিভাইস লেভেল লোকেশন সার্ভিসের মতো একাধিক পরিষেবার মাধ্যমে গুগল তাদের অ্যাকাউন্টধারীর লোকেশন এবং গুগল ব্যবহারের অভিজ্ঞতা প্রতিনিয়ত উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যায়। তবে যে কেউ ইচ্ছা করলে এগুলো যখন খুশি আলাদা আলাদা ভাবে বন্ধ করে দিতেই পারেন।’ এগুলো করা হয় গ্রাহকস্বার্থেই।

Thursday, August 30, 2018

আপনি কি ফেসবুক-টুইটার থেকে এক মাস দূরে থাকতে পারবেন?

আপনি কি ফেসবুক-টুইটার থেকে এক মাস দূরে থাকতে পারবেন?

ঘুম থেকে উঠে আপনি প্রথম কোন কাজটি করেন? বিছানা থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ নাকি টয়লেটে যাওয়া? হয়তো একসময় এগুলোই ছিল দিনের প্রথম কাজ। কিন্তু ইদানীং লাখ লাখ মানুষের দিন শুরু হয় মোবাইল ফোনে ফেসবুক বা টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকে তার নিউজফিড স্ক্রল করে।
যুক্তরাজ্যর রয়্যাল পাবলিক হেলথ সোসাইটি সম্প্রতি ‘স্ক্রল ফ্রি সেপ্টেম্বর’ নামে একটি ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। ওই ক্যাম্পেইনে পুরো সেপ্টেম্বর মাস ফেসবুক, টুইটারসহ সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো থেকে লগ অফ করে রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আপনি কি মোবাইল ফোনের দাসে পরিণত হয়েছেন?
যারা সারা দিন মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকেন, তাদের বলা হচ্ছে ‘ফোন অ্যাডিক্ট’। চিকিৎসকেরা এটিকে ‘মানসিক ব্যাধি’ বলছেন। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে তরুণ প্রজন্মের মানসিক ব্যাধি ও ঘুমের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর বদলে সারাক্ষণ ফেসবুক, টুইটার নিয়ে পরে থাকায় বাস্তব জীবনে সম্পর্কের ক্ষতিও হচ্ছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তাই তারা বলছেন, আপনার ফোনটি নামিয়ে রাখুন।
রয়্যাল পাবলিক হেলথ সোসাইটির সম্পন্ন করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের ৪৭ শতাংশ মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকতে পারলে মানসিক দিক দিয়ে তারা লাভবান হবেন।
তা কতটা করতে পারবেন তারা?
স্ক্রল ফ্রি সেপ্টেম্বর ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করেছেন ইংল্যান্ডের উইগ্যান শহরের তিন কিশোরী ম্যারিঅ্যান ব্ল্যান্ডামার, এমা জ্যাকসন ও রিয়ানা প্যারি। তারা তিনজনই স্ন্যাপচ্যাট ও ইনস্টাগ্রামের ভক্ত।
১৫ বছর বয়সী রিয়ানা বলেন, ‘ঘুম থেকে উঠে ওটাই আমার প্রথম কাজ। কে, কী বলছে, তা না জানলে যেন পিছিয়ে যাব। তবে মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি আমার ফোনের দাসে পরিণত হয়েছি। কোনো কারণ ছাড়াই সারা ক্ষণ স্ক্রল করেই যাচ্ছি।’
কে কাকে নিয়ন্ত্রণ করছে?
আপনি হয়তো ভাবছেন ফোনের মালিক আপনি। এটিকে আপনিই নিয়ন্ত্রণ করেন। কিন্তু ইংলিশ কমেডিয়ান রাসেল কেইনের মতে, যন্ত্রটিই আসলে ওই ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তিনি এতটাই নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন যে, ইন্টারনেট অ্যাডিকশন ঠেকাতে তিনি রীতিমতো প্রফেশনাল কাউন্সেলিং নিচ্ছেন।
রাসেল কেইনের বলেন, ‘ইন্টারনেট অ্যাডিকশন আমার জীবনের ওপর প্রভাব ফেলছে। কাজ থেকে ফিরে পরিবারের সঙ্গে না বসে কাপড় বদলাতে চলে যেতাম। আসলে আমি ফোন নিয়ে সময় কাটাচ্ছিলাম।’
রয়্যাল পাবলিক হেলথ সোসাইটির শার্লি ক্রেমার বলেন, ‘মানুষের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করে একে অপরের কাছে এনে মনোজগতে একটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলার ভালো সুযোগ ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।’
কিন্তু অনেকের জন্যই তার উল্টোটা হয়েছে। শার্লি ক্রেমারের মতে, ‘সকল সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে তার দায় নিতে হবে।’
কীভাবে লগ অফ করে থাকবেন তারা?
ফেসবুক থেকে পুরোপুরি দূরে থাকার কথা শুনলে অনেকেই হয়তো আঁতকে উঠবেন। অনেকের জন্য হয়তো তা সম্ভবও হবে না। কিছু বিষয় চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
প্রথমত পুরো সেপ্টেম্বর মাসটাই সোসাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকুন। কোনো অনুষ্ঠানে গেলেই অনুষ্ঠান সম্পর্কে পোস্ট দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখুন। সন্ধ্যা ৬টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢোকার অভ্যাস থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। এ ছাড়া কাজে থাকাকালে নিজের নিউজফিড বা টাইমলাইন থেকে দূরে থাকুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়ও স্ক্রল করা থেকে নিজেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করুন।
এসব না করলে সময় কাটবে কী করে, আপনার কাছে যদি এমন মনে হয় তবে- এই সময়টুকু বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের সঙ্গে কাটান, পছন্দের বই পড়ুন, গান শুনুন, নতুন একটা সিনেমা দেখে ফেলুন, নিজেকে কিছু একটা কাজে ব্যস্ত করুন, পুরনো কোনো শখ আবার মন দিয়ে শুরু করুন, বাইরে থেকে একটু ঘুরে আসুন, বিশ্রাম নিন, বিছানায় অলস ঘুমিয়ে নিন। দেখবেন সময় দিব্যি কেটে গেছে।

Wednesday, August 29, 2018

মোবাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বলেছিলেন স্টিভ জবস

মোবাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বলেছিলেন স্টিভ জবস

অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস। তিনি প্রথম আইফোন উন্মুক্ত করার পর যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তা সত্য হয়েছে।
২৫ জুলাই, বুধবার দ্য ইনফরম্যাশন এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল যৌথভাবে স্টিভ জবসের ২০০৮ সালে নিক উইংফিল্ডকে দেওয়া এক অডিও সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে।
ওই সাক্ষাৎকারে স্টিভ জবস বলেছিলেন, ‘আমিসহ অনেকেই বিশ্বাস করেন, মোবাইল অতি প্রয়োজনীয় জিনিস হয়ে উঠবে। কারণ এটি দিয়ে অনেক কিছুই করা যাবে। এজন্য সব সময় মোবাইল সাথেই রাখতে চাইবে মানুষ।
মোবাইলে এমন সব পরিষেবা পাওয়া যাবে, যা ডেস্কটপে প্রাসঙ্গিক নয়। যেমন অবস্থান-ভিত্তিক পরিষেবাগুলো, যা আপনার অ্যাপ্লিকেশনে সমন্বিত থাকবে। আমি মনে করি, এটি বিশাল কিছু হতে যাচ্ছে।’
ভবিষ্যতের অ্যাপ স্টোর নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়েছে স্টিভ জবসের। তিনি বলেছিলেন, ‘কে জানে? সম্ভবত এটি একটি বিলিয়ন ডলারের বাজারে পরিণত হবে একসময়।’
একটি সম্পূর্ণ নতুন বিলিয়ন ডলারের বাজার খুলেছে অ্যাপ স্টোর, যা প্রথম ৩০ দিনেই ৩৬০ মিলিয়ন ডলার হয়েছে। চলতি বছর অ্যাপ স্টোরের ১০ বছর পূর্তি হয়েছে। আর বর্তমান অ্যাপ স্টোরের ব্যবহারকারী সাপ্তাহে ৫০ কোটি, যারা ডেভলপারদের ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ে সহযোগিতা করে থাকে।
আবিষ্কৃত হলো মেধা বিকাশের কৃত্রিম উপায়

আবিষ্কৃত হলো মেধা বিকাশের কৃত্রিম উপায়

হলিউডের মুভি বা সায়েন্স ফিকশনে আমরা অনেকেই দেখেছি মানুষকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করতে। এক্স ম্যান মুভিতে প্রফেসর জেভিয়ার একটি হেলমেট পরিধানের মাধ্যমে নিজের মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে পৃথিবীর সকল মিউটান্টদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারতেন। তবে এই কল্পবিজ্ঞানের গল্পটিকে সত্যিতে পরিণত করে দেখালো লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি এবং গোল্ডস্মিথস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।
মানব মস্তিষ্ক আজও বিজ্ঞানীদের কাছে রহস্যের বিষয়। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ মানব শরীরের বিভিন্ন কর্মকান্ড ও কর্মক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। মস্তিষ্কের যে অংশটি মানুষের চিন্তাভাবনা ও স্মৃতিকে নিয়ন্ত্রন করে সেটি হলো ডিএলপিএফসি (dorsolateral prefrontal cortex)। এটি মানব মস্তিষ্কের সবচেয়ে সম্প্রতি বিবর্তিত অংশগুলির একটি। চিন্তাভাবনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় মস্তিষ্কের এই অংশটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। বৈজ্ঞানিক তথ্য ভিত্তিক জার্নাল ‘সায়েন্টিফিক’ এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি এবং গোল্ডস্মিথস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা মস্তিষ্কের এই অংশে মৃদু পরিমাণে বিদুৎ প্রেরণ করে পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার ফলে তারা দেখতে পান যে, বিদ্যুৎ প্রেরণের ফলে সাবজেক্টিভ ব্যক্তিদের চিন্তা ও স্মরন শক্তির পরিবর্তন ও উন্নতি সাধিত হয়েছে।
কোন সমস্যায় পতিত হলে নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে সমাধান খুজে বের করা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। ডিএলপিএফসি (dorsolateral prefrontal cortex) মূলত এই প্রক্রিয়াটিকেই সম্পাদন করে থাকে। কিন্তু যখন সমস্যাটা নতুন হয় তখন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকার ফলে পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের সৃজনশীলতাকে বাধাগ্রস্থ করতে থাকে। এরকম পরিস্থিতির মোকাবেলা করার জন্য মস্তিষ্কে ওই অংশটির সাময়িক ভাবে যদি নিষ্ক্রিয় করা যায় তাহলে নতুন উদ্ভুত সমস্যার ক্ষেত্রে চিন্তা করা সহজতর হয়ে ওঠে। গবেষকরা যাটজন ব্যক্তির উপর পরীক্ষা চালান। পরীক্ষায় তারা দেখতে পান যে ডিএলপিএফসি (dorsolateral prefrontal cortex) এ মৃদু বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে সাবেজেক্টিভ ব্যক্তিরা পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে কঠিন সমস্যার সমাধানে সক্ষম হয়ে উঠেছে।
মানুষ তার অদম্য ইচ্ছা ও পরিশ্রমের ফলে আজ উন্নতির চরম শিখরে অবস্থান করছে। কৃত্রিম ভাবে মেধার বিকাশ থেকে শুরু করে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আজ আর কল্পনা নয়। আর এভাবেই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর গল্পগুলো ভবিষ্যত মানুষের জন্য দৈনন্দিন সত্যতে পরিণত হবে।
বিস্ময়কর কিশোর রিফত সারুক, নাসা’র জন্য ক্ষুদ্রতম স্যাটেলাইট তৈরি করে চমকে দিল গোটা বিশ্বকে!

বিস্ময়কর কিশোর রিফত সারুক, নাসা’র জন্য ক্ষুদ্রতম স্যাটেলাইট তৈরি করে চমকে দিল গোটা বিশ্বকে!

বয়স খুব বেশি না,মাত্র আঠার। কিন্তু এই অল্প বয়সেই নিজের আবিষ্কার দিয়ে তাক লাগিয়ে দিল গোটা বিশ্বকে। রিফত সারুক, বাড়ি ভারতের তামিল নাড়ুর পাল্লাপতি শহরে। ছোটোবেলা থেকেই মহাকাশের প্রতি প্রবল আগ্রহ তার। এই আগ্রহ থেকেই নাসা’র কিডস ক্লাবের সদস্য হয় সে। সম্প্রতি ‘কিউবস ইন স্পেস’ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল নাসা। আর সেখানেই পরিচিতি পায় রিফতের তৈরি এই ক্ষুদ্রতম উপগ্রহটি। দেখতে অনেকটা লুডোর ছক্কার গুটির মতো। মাত্র ৬৪ গ্রাম ওজন। আর খুবই হাল্কা। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম আজাদের নামানুসারে এই উপগ্রহটির নাম রাখা হয় ‘কালামস্যাট’। এই ছোট্ট স্যাটেলাইটি একটি ৪ ঘনমিটারের বাক্সের মধ্যে রাখা আছে।
এক সাক্ষাৎকারে রিফত জানায়,মুলত দেশিও উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়েছে এই উপগ্রহটি। এটির কাঠামো তৈরি হয়েছে থ্রি-ডি প্রিন্টারের সাহায্যে, রিয়ন ফোরস’ড কার্বন ফাইবার পলিমার দিয়ে। এতে ৮ টি সেন্সর আছে যা দিয়ে পৃথিবীর ত্বরণ, ঘূর্ণন, ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের নানা দিক পরীক্ষা করা যাবে।
নাসা সূত্রমতে, আগামী ২১ শে জুন অয়াল্পস দ্বীপ থেকে ‘কালামস্যাট’ মহাকাশে পাঠানো হবে। পুরো মিশনটি সম্পন্ন হতে ২৪০ মিনিটের মতো সময় লাগতে পারে। উপগ্রহটি মহাকাশের মাইক্রো গ্রাভিটি পরিবেশে মাত্র ১২ মিনিট থাকবে। উপগ্রহটি পাঠানোর মুল উদ্দেশ্য হল থ্রি-ডি প্রিন্টেড কার্বন ফাইবারের কর্মদক্ষতা পরীক্ষা করা।
হ্যাক-ফ্রি পাসওয়ার্ড চান? তাহলে অনুসরণ করুন এই ছয়টি উপায়

হ্যাক-ফ্রি পাসওয়ার্ড চান? তাহলে অনুসরণ করুন এই ছয়টি উপায়

আজকাল সবাই সামাজিক মাধ্যম গুলোতে যথেষ্ট অ্যাক্টিভ। দিন রাত সবাই ব্যস্ত ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটারে নিত্য নতুন আপডেট দিতে। কিন্তু পাসওয়ার্ড চুরির ভয়ে কারো কারো রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। মুখে যা বলি না কেন আমরা সর্বক্ষণ মনে ভয় থাকে এই বুঝি হ্যাকার বাবাজি পাসওয়ার্ড হ্যাক করলো, সব তথ্য লোপাট করলো।
আমরা সবাই এধরনের সমস্যায় পড়ি। কিন্তু একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পেতে পারি।
আসুন জেনে নেই কিভাবে অ্যাকাউন্ট হ্যাক-ফ্রি রাখা যায়?
১. পাসওয়ার্ড তৈরি করার সময় বেশি চিন্তা ভাবনা করবেন না। বাছুন ইচ্ছেমত পাসওয়ার্ড।
২. বেছে নিন লম্বা পাসওয়ার্ড।মিনিমাম ১২ থেকে ১৪ ক্যারেক্টারের পাসওয়ার্ড বেছে নিন। স্পেশাল ক্যারেক্টার,অক্ষর, সংখ্যা মিশিয়ে জগাখিচুরি পাসওয়ার্ড তৈরি করুন।
৩. পাসওয়ার্ড তৈরি করার সময় শেষে বা শুরুতে বিস্ময়সুচক চিহ্ন অথবা ক্যাপিটাল লেটার রাখবেন না।
৪. অনেকেই কিন্তু কিবোর্ডের কিগুলি পর পর চেপে পাসওয়ার্ড লিখে। অথবা কিবোর্ডের কিগুলি বাম থেকে ডানে চেপে বা ডান থেকে বামে চেপে এলোমেলো ভাবে সাজিয়ে পাসওয়ার্ড লিখে।এমন ভাবে তৈরি পাসওয়ার্ড সহজে হ্যাক হয়।
৫. পাসওয়ার্ড মনে রাখতে না পারলে এমন জাগায়তে লিখে রাখুন যেন সহজে সেটা কারো চোখে না পড়ে।
৬. নিয়মিত পাসওয়ার্ড চেঙ্গ করুন। ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকাউন্ট এ ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।কাউকে নিজের পাসওয়ার্ড বলা থেকে বিরত থাকুন।
ওপরে লেখা নিয়মগুলি মেনে চললে আপনার অ্যাকাউন্ট থাকবে সুরক্ষিত, ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে নিরাপদ। হ্যাকারদের পাল্লায় পড়ে আর হয়রানির শিকার হতে হবে না। নাকে তেল ঘুমাতে পারবেন নিশ্চিন্তে!
১০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে নইলে নিশ্চিহ্ন হবে সমগ্র মানবজাতি, এমনটাই স্টিফেন হকিং এর ভবিষৎবাণী।

১০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে নইলে নিশ্চিহ্ন হবে সমগ্র মানবজাতি, এমনটাই স্টিফেন হকিং এর ভবিষৎবাণী।

সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে আমাদের জীবনে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন টেকনোলজি। যা দৈনন্দিক জীবন যাপন অনেক সহজ ও আরামের করে দিচ্ছে। নতুন আবিষ্কারের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিল্প কল-কাঁরখানা। সেই সাথে বাড়ছে অপচনশীল বর্জ্য, বিষাক্ত কালো ধোঁয়া যা পরিবেশ দূষণনের কারণ। বাড়ছে উষ্ণায়ন, খুব তাড়াতাড়ি হয়ত গোটা পৃথিবীটাই বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। আর সেটা কত তাড়াতাড়ি ঘটতে পারে তারই একটা আভাস পাওয়া গেছে।
“তাড়াতাড়ি খুঁজে নিতে হবে বসবাসযোগ্য নতুন কোন গ্রহ,হাতে আছে আর মাত্র ১০০ টা বছর এর মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে অন্যথা নিশ্চিহ্ন হবে সমগ্র মানবজাতি”, এমনটাই বলেছেন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বিবিসির নির্মিত নতুন তথ্যচিত্র “এক্সপেডিশান নিউ আর্থ” এ তিনি এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি আগেও কয়েকবার এবিষয়ে কথা বলেছেন তবে এবার খুবই জোর দিয়ে বলেছেন।
সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এক ভাষণে তিনি বলেন, “নতুন কোন বসবাস উপযোগী গ্রহের উপর সমগ্র মানবজাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে, যত দ্রুত সম্ভব এই ক্ষণস্থায়ী গ্রহ (পৃথিবীকে) পরিত্যাগ করতে হবে নাহলে সমূহ বিপদ।” পরে তিনি এই সমস্যার বুদ্ধিদীপ্ত সম্ভাব্য সমাধান ও ইতিবাচক আশা ব্যক্ত করে ভাষণ শেষ করেন।
কেন স্টিফেন হকিং এধরনের ভবিষৎবাণী করলেন?
তার মতে, পৃথিবীর পরিবেশ আবহাওয়া খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। আগামিতে এই পরিবর্তনের হার আরও বেড়ে যাবে। বাড়বে উষ্ণায়ন, সমুদ্র পৃষ্ঠের জলস্তর। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে অক্সিজেন কমে যাবে, মহামারী দেখা দেবে, জনসংখ্যা বাড়বে, ছোটো বড় গ্রহ-গ্রহানু পৃথিবীর উপর আছড়ে পরবে। পৃথিবী পুরোপুরি বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসযোগ্য নতুন কোন গ্রহ খুঁজে না পেলে মানবজাতির সম্পূর্ণ বিলুপ্তি হবে।
কিভাবে হাজার অগণিত সৌরমণ্ডলএর মাঝে বাসযোগ্য কোন নতুন গ্রহ খুঁজে পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানা যাবে বিবিসির নির্মিত নতুন তথ্যচিত্র “এক্সপেডিশান নিউ আর্থ” নতুন পর্বগুলো থেকে। আর এ বিষয় নিয়ে বেষণা চলছে ।
বিশ্বের প্রথম ফাইভ-জি ফোন দেখে নিন

বিশ্বের প্রথম ফাইভ-জি ফোন দেখে নিন

বিশ্বের প্রথম ফাইভ-জি ফোন নিয়ে আসছে চীনের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লেনোভো। প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট চ্যাং চেং দাবি করছেন তারাই বিশ্বের প্রথম ফাইভ জি ফোন বাজারে নিয়ে আসবে। চীনের এক মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইটে এই দাবি করেছেন তিনি।
যদিও এর আগে সোশাল মিডিয়ায় মিথ্যা খবর প্রচারের অনেক অভিযোগ রয়েছে চ্যাং এর বিরুদ্ধে। লেনোভো জেড ফাইভ লঞ্চের আগে তিনি সোশাল মিডিয়ায় যে সব দাবি করেছিলেন তার কোনটাই এখনও সঠিক হয়নি। তাই বিশেষজ্ঞরা এই দাবিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ। প্রসঙ্গত স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট ব্যবহার করে ইতিমধ্যেই একাধিক স্মার্টফোন কোম্পানি ফাইভ জি ফোন বানানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে।
এক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছিল স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫ চিপসেট বানানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে কোয়ালকম। এটি ফাইভ জি ফোনের জন্য বানানো হচ্ছে। এই খবর সত্যি হলে এই বছরের শেষেই বিশ্বের প্রথম ফাইভ জি ফোন লঞ্চ হবে বলে জানিয়েছেন টেক গুরুরা।
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কমার হার কত?

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কমার হার কত?

নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এখন ফেসবুক। সেটা হল তরুণদের ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। তরুণেরা এখন চায় নতুনত্ব। ফেসবুক সে নতুনত্ব দিতে পারছে না। বরং অন্য প্ল্যাটফর্মের নকল করার অভিযোগ উঠছে। প্রযুক্তি যুগে তরুণদের ধরে রাখার মূল চ্যালেঞ্জ হল—নিত্য নতুন ফিচার চাই। নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রযুক্তি যদি নিজেকে নতুন ভাবে উপস্থাপন করতে না করতে পারে, ক্রমে সে হারিয়ে যাবে, এটাই নিয়তি। ফেসবুক কি সে পথেই হাঁটছে?
বিবিসি বলছে, ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে নিয়ে ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ নামে ২০১০ সালে যে চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছিল, সেখানে মার্ক জাকারবার্গের চরিত্রের একটি সংলাপ ছিল-“স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইনে যায়, কারণ তাদের বন্ধুরা অনলাইনে। তাই একজন সরে পড়লে, অন্যরাও সরে পড়ে। ” ফেসবুকের ব্যাপারে ওই বাক্যই ধীরে ধীরে সত্য প্রমাণিত হচ্ছে। অন্তত যুক্তরাষ্ট্রে।
সামাজিক যোগাযোগের জন্য ১৩ থেকে ১৭ বছরের কিশোর তরুণদের মধ্যে ফেসবুক এখন আর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম নয়। তালিকার প্রথম তিনটির মধ্যেও ফেসবুক এখন আর নেই। গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার বলছে, তরুণরা প্রচণ্ডভাবে ইউটিউবে ঝুঁকে পড়ছে। ৮৫ শতাংশই বলছে, তারা ইউটিউব ব্যবহার করে। তারপরই রয়েছে ইনস্টাগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাট।
যুক্তরাষ্ট্রে কিশোর তরুণদের মধ্যে ফেসবুকের অবস্থান এখন চতুর্থ। ৫১ শতাংশ তরুণ-তরুণী এখনও ফেসবুক ব্যবহার করছে। কিন্তু ২০১৫ সাল থেকে ফেসবুক ২০ শতাংশ ব্যবহারকারী হারিয়েছে। তবে এখনও অপেক্ষাকৃত অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদের কাছে ফেসবুকের আবেদন রয়েছে।
মার্কিন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, মা-বাবা, দাদা-দাদিদের সংখ্যা ফেসবুকে বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রেই তরুণদের কাছে দ্রুত অজনপ্রিয় হয়ে উঠছে সামাজিক যোগাযোগের সাইটটি। তথ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমার্কেটার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। ইমার্কেটার বলছে, ফেসবুক ও ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামের তুলনায় স্ন্যাপচ্যাট এখন বেশি টানছে তরুণদের। তবে এখনো যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক ব্যবহারকারী বাড়ছে। এর কারণ হচ্ছে, বয়স্ক ব্যক্তিরা ফেসবুক ব্যবহার করছেন বেশি। অথচ দীর্ঘ সময় ধরে ফেসবুকের মূল ব্যবহারকারী ছিলেন তরুণেরা। ইমার্কেটারের ওই প্রতিবেদনে তরুণদের আকর্ষণ ও ধরে রাখতে ফেসবুকের সমস্যার বিষয়টি উঠে এসেছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এ বছর ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের ফেসবুক ব্যবহার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমবে। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও ফেসবুক ব্যবহার কমতে দেখা যাবে। ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে। সব মিলিয়ে ২৫ বছরের কম বয়সী ২০ লাখ ব্যবহারকারী হারাবে ফেসবুক। এতে সুবিধা হবে স্ন্যাপচ্যাট ও ইনস্টাগ্রামের। ২০১৮ সালে স্ন্যাপচ্যাটে ১৯ লাখ ব্যবহারকারী বাড়বে। ইনস্টাগ্রামে বাড়বে ১৬ লাখ। বার্তা পাঠানোর পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার প্ল্যাটফর্ম স্ন্যাপচ্যাটে ১২ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের আগ্রহ ইনস্টাগ্রামের চেয়ে বেশি থাকবে। তবে সব বয়সী ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ফেসবুকের মতো সমস্যায় পড়তে হবে স্ন্যাপচ্যাটকে।
ইমার্কেটারের বিশ্লেষক ডেবরা আহো উইলিয়ামসন বলেন, স্ন্যাপচ্যাটের নকশা বদল করে ব্যবহার সহজ করা হচ্ছে। সব বয়সী ব্যবহারকারী বাড়াতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হলে তরুণদের আগ্রহ ধরে রাখার সমস্যায় পড়তে হবে স্ন্যাপচ্যাটকে। ফেসবুক বর্তমানে এ সমস্যায় আছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট। ১৬ কোটি ৯৫ লাখ ব্যবহারকারী রয়েছে সেখানে।
ইমার্কেটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী দাঁড়াবে ১০ কোটি ৪৭ লাখ আর স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহারকারী দাঁড়াবে ৮ কোটি ৬৫ লাখে। গত বছরে ইমার্কেটার পূর্বাভাস দিয়েছিল, এ বছর প্রথমবারের মতো তরুণদের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারী কমতে দেখা যাবে।
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের আস্থা ধরে রাখতে পারবে কি না, এ প্রশ্ন অবশ্য উঠছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। পিউ রিসার্চ সেন্টারের করা সমীক্ষা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের তরুণদের ফেসবুক আর আকর্ষণ করছে না। এত দিন তরুণদের বড় একটি অংশ ফেসবুকে মেতে থাকলেও এখন তারা ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটের মতো প্ল্যাটফর্মে ঝুঁকে পড়েছে। পিউয়ের সমীক্ষা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী তরুণদের ৫১ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহার করছে। সে তুলনায় ইউটিউব ব্যবহারকারীর হার ৮৫ আর ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী ৭২ শতাংশ। ৬৯ শতাংশ ব্যবহার করছে স্ন্যাপচ্যাট। এর আগে ২০১৪-১৫ সালে পিউয়ের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল ৭১ শতাংশ তরুণ ফেসবুক ব্যবহার করছে। ওই সময় তরুণদের কাছে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুক ছিল শীর্ষে।
পিউ রিসার্চের গবেষক মনিকা অ্যান্ডারসন বলেন, মাত্র তিন বছর আগে তরুণদের কাছে সামাজিক যোগাযোগের যে ক্ষেত্রটি অগ্রগণ্য ছিল, এখনকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তরুণদের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক বাদেও অনেক ছড়িয়ে গেছে। তারা যেকোনো একটি প্ল্যাটফর্মে আটকে নেই। এখন তারা আগের চেয়ে বেশি ডিজিটাল উপায়ে সংযুক্ত। এবারের সমীক্ষায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৯৫ শতাংশ তরুণের স্মার্টফোন আছে এবং ৪৫ শতাংশ সব সময় অনলাইনে থাকে। ৩১ শতাংশের মত হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগের প্রভাব ইতিবাচক। ২৪ শতাংশ এর প্রভাব নেতিবাচক বলে মনে করছে।
প্রায় ২০০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক। কিন্তু কয়েকটি সমীক্ষা ও কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, স্ন্যাপচ্যাট ও ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামের উঠে আসার কারণে তরুণেরা ফেসবুকে আগ্রহ হারাচ্ছে। এর আগে ই-মার্কেটার নামের আরেক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষায় একই রকম তথ্য উঠে এসেছিল।
এ ধরনের বিভিন্ন পরিসংখ্যান ফেসবুকের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিবিএইচ ইনসাইটের ড্যানিয়েল আইভস্ বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক নিয়ে যে জল্পনা চলছিল, সর্বশেষ গবেষণায় তা সত্য বলে প্রমাণিত হচ্ছে। ফেসবুকের মালিক মার্ক জাকারবার্গ বলছেন, ২০১৭ সালের শেষ তিন মাসে ফেসবুকে কাটানোর সময় ৫ কোটি ঘণ্টা কমেছে। তিনি বলেন, ভিডিওর সংখ্যা কমানোর ফলে এটি হয়েছে।
তরুণদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা নিয়ে গবেষণা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হুনজিন সো। কেন ফেসবুক ছেড়ে তরুণরা ইনস্টাগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাটের দিকে ঝুঁকছে তার কতগুলো কারণ তিনি দিয়েছেন। ফেসবুকে বিভিন্ন বয়সীদের গতিবিধি, বিশেষ করে তাদের বাবা-মা এবং গুরুজনদের অবস্থানের কারণে অনেক তরুণ-তরুণী এই প্লাটফর্ম ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
তবে তরুণদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা হারালেও, সামগ্রিকভাবে এখনও ফেসবুক সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ২০১৮ সালের প্রথম তিন মাসে নতুন চার কোটি ৮০ লাখ মানুষ প্রতিদিন ফেসবুকে ঢুকছে। এছাড়া তরুণদের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ইনস্টাগ্রামের মালিকানাও ফেসবুকের হাতে।

Tuesday, August 14, 2018

Computer DUAL CORE 2GB RAM 1,000GB HARD DISK FULL PC 19"

Computer DUAL CORE 2GB RAM 1,000GB HARD DISK FULL PC 19"



Price৳ 17,999



FOR PHONE ORDER 24/7
01839244246

!!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি পর টাকা পরিশোধ করবেন। ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা যেকোন প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন, রাতে অথবা দিনে কল করুন আমাদের Customer Care Number এ 01839244246


Product Code: ML201295457
Dual Core 2.4GHz Processor (1 Year Guaranty)
Samsung 2GB Ram (1 Year Guaranty)
Samsung 1000GB Hard Disk (1 Year Guaranty)
ATX 550w A.Tech Power Supply
Intel DDR-2 Gaming Motherboard (1 Year Guaranty)
Stander & Gaming Style PC Casing
Samsung DVD Drive
Power Cable
Keyboard + Mouse
 LED TV (19”INCH)



1 বছরেরall parts +panel রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ 5 বছরের Servicing ওয়্যারেন্টি ( LED TV)

ফুল HD পিকচার
কম্পিউটারে মনিটর হিসেবা চালাতে পারবেন।
পেন্ড্রাইব/মোবাইল দ্বারা ভিডিও দেখতে পারবেন।
DVD/CD থেকে আউটপুট মনিটর করতে পারবেন।
HDMI দ্বারা সকল Feature ব্যবহার করতে পারবেন।
TV মনিটরের সাথে ২টি স্পিকার Built-in করা আছে।
সাথে পাচ্ছেন টেবিল স্টান এবং রিমট।
সাইজঃ 19 ইঞ্চি
পোর্টঃ USB/পেনড্রাইভ,VGA,HDMI,Audio/DVD আউটপুট কম্পিউটারের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে
টিভির পেছনে ঘরের দেয়ালে লাগানোর জন্য আলাদা পয়েন্ট আছে
Headphone জানুন হেডফোন ব্যবহারের কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা ( Ma Studio Sandwip )

Headphone জানুন হেডফোন ব্যবহারের কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা ( Ma Studio Sandwip )



হেডফোন ছাড়া আমাদের একদিনও চলে না। গান শোনা থেকে শুরু করে কথা বলা, ভিডিও কলিং, মেসেঞ্জার, স্কাইপেসহ নানা স্থানে বন্ধু এবং আপনজনের সাথে কথা বলতে চাই হেডফোন। আপনি যখন বাসে কিংবা গাড়িতে থাকেন বেশিরভাগ সময়ই কাটে যানজটের দীর্ঘ লাইনে। সেই সময় আপনার বন্ধু হয়ে থাকে আপনার এই বন্ধু হেডফোন। তবে এই বন্ধুর যেমন আছে উপকারী দিক তেমনি আছে কিছু অপকারিতাও।

উপকারিতা


দীর্ঘ বিরক্তিকর সময় খুব সহজেই পার করতে হেডফোনের জুড়ি নেই। আপনি যত বিরক্তির অবস্থায়ই থাকুন না কেন আপনার এই বন্ধু আপনাকে রাখবে শুধুমাত্র আপনার রাজ্যে। বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল দেখতে হলেও চাই হেডফোন। জার্নিতে কথা বলতে গেল দেখা যায় হাত আটকা থাকার কারণে ফোন ধরা যায় না। কথা বলা যায় না। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করে আপনার হেডফোন। বিভিন্ন রেডিও চ্যানেলে গান শোনা বর্তমানে তরুণদের পছন্দের শীর্ষে। সেই স্থান থেকে আপনি সাহায্য পাচ্ছেন হেডফোনের। সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত থাকতে আপনাকে অনেকাংশেই সাহায্য করে আপনার এই হেডফোন।

অপকারিতা

উপকারের পাশাপাশি এর কিছু অপকারিতাও আছে। দীর্ঘ সময় কানে হেডফোন গুজে রাখলে কানে দাগ পড়ে যায়। তার সাথে সাথে থাকে ব্যথা। তাই কানের ওপর যাতে চাপ কম পড়ে এবং হেডফোনের কভার নরম হয় সেই দিকে খেয়াল রাখুন। তাছাড়া অনেকেই মোটরসাইকেল চালানো কিংবা গাড়ি ড্রাইভিং করার সময় কানে হেডফোন লাগিয়ে কথা বলেন যা আপনার জন্য হুমকির কারণ। এর কারণে যেকোনো মুহুর্তে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এর পাশাপাশি রাস্তা পারাপারের সময় কানে হেডফোন না রাখাই ভালো। এতে উপকারের বদলে অপকার হবে। অনেকেই উচ্চ ভলিউমে গান শোনেন যা শ্রবণশক্তি নষ্টের কারণ। তাই স্বাভাবিক ভলিউমে গান শুনুন।

বাজারে বিভিন্ন দামের হেডফোন পাবেন। ১০০ থেকে শুরু করে ১৫০০০ টাকা পর্যন্ত। তবে হেডফোনের ব্র্যান্ডে মোহিত না হয়ে আপনার ফোনে এডজাস্ট হচ্ছে কী না তা দেখুন। কম দামী হেডফোন ব্যবহার না করাই ভালো। এর এয়ারবাডগুলো শক্ত হয়ে থাকে। যা কানে ব্যথার কারণ। অল্প আওয়াজে গান শুনুন। আর কানে কোনো সমস্যা হচ্ছে এমনটি মনে হলে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
নিচের টিউনগুলো লখ্য করুন, কাজে লাগতেও পারে
40'' METLEAF SMART /WIFI/ANDROID LED TV

40'' METLEAF SMART /WIFI/ANDROID LED TV

!!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি  করবে।

  • Product Code: ML201272162
  • 1 বছরের all parts +panel রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ 5 বছরের Servicing ওয়্যারেন্টি
  • ফুল HD পিকচার 1920 X 1080 ( 4K / 8K SUPPORTED )
  • কম্পিউটারে মনিটর হিসেবা চালাতে পারবেন
  • পেন্ড্রাইব/মোবাইল দ্বারা ভিডিও দেখতে পারবেন
  • DVD/CD থেকে আউটপুট মনিটর করতে পারবেন
  • HDMI দ্বারা সকল Feature ব্যবহার করতে পারবেন
  • TV মনিটরের সাথে ২টি স্পিকার Built-in করা আছে
  • সাথে পাচ্ছেন টেবিল স্টান এবং রিমট।
  • পোর্টঃ USB/পেনড্রাইভ,VGA,HDMI,Audio/DVD আউটপুট কম্পিউটারের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে
  • টিভির পেছনে ঘরের দেয়ালে লাগানোর জন্য আলাদা পয়েন্ট আছে
  • *** সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ ****
  • !!. সবচেয়ে দ্রুত Home Delivery 48 ঘন্টায় সারা দেশ.!! দেশের যেকোন প্রান্তে থাকুন না কেন, আপনার বাসায় গিয়ে পণ্য ডেলিভারি পর টাকা পরিশোধ করবেন। ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা যেকোন প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন, রাতে অথবা দিনে কল করুন আমাদের Customer Care Number এ 01839244246

       Android Specification:
     Processor: ARM Cortex-A7 Quad-core processor
     Operating System: Android
     Operating Sytem Version: 4.4.2 (kitkat)
     Graphics Processor: PowerVR SGX 544MP
     CPU Speed: 1 GHz
     Internal Storage Memory: 4GB
     RAM: 1GB
     Display : 
     Screen size 40''
     Aspect ratio 16:9
     Resolution 1920 x 1080
     Viewing angle H 1780 / V 1780 (CR>10)
     Contrast 1000:1
     Brightness 230 cd/m2
     Backlight type LED
     Display device LED
     Dynamic backlight adjust YES
     Picture :
     Noise Reduction Yes
     MPEG Reduction Yes
     Input & Output Ports :
     HDMI 3
     USB 2
     AV Input 1
     YPbPr IN 1
     RF IN 1
     PC IN 1
     PC Audio IN 1
     Head Phone Out 1
     S/PDIF (Coaxial) 1
    Communication:
     Internet Yes
     Wi-Fi Yes
     TV System :
     Digital Video Broadcasting System DVB-T, DVB-T2
     Video system (ATV) PAL /SECAM/ NTSC
     Sound system (ATV) BG / DK / I / MN
     Receive Channel ATV:100; DTV:100
     Media:
     Video MP4, MKV, MOV, FLV, AVI
     Audio MP3, AAC, AC-3, FLAC, M4A, OGG, WMA
     Image JPG, PNG, BMP
     Audio :
     Audio Output 2 x 8W
     Speaker Position Bottom
     Sound Effect  Stereo, Surround sound
     Accessory :
     Power Cable Yes
     User Manual Yes
     Remote Control Battery No
     Remote Control Yes
     Wall Mount Bracket Yes
    Warranty/Guaranty :
     Product Guaranty 1 Year(All Parts+Panel)
     Product Servicing Warranty 5 Years

     Power :
     Power Supply 100V - 240V 50/60 Hz
     Standby Power Consumption <0.5 w
     Maximum Power Consumption 75w